মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা।
দোয়া তো ঠিকই চাইলেন।
শুধু আপনি নয়, আপনার সরকার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, ধর্ম উপদেষ্টা গত কিছুদিনে অনেকবার দোয়া চাইলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া,
হাদির জীবন বাঁচানোর জন্য দোয়া
তাদের মৃত্যুর পর মাগফিরাতের জন্য
চাইলেন আপনারা।
(২)
সরকারের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা
সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা,
সর্বাধুনিক চিকিৎসা
দেশের সর্বোত্তম সেবা
অথবা
তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তি
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ ব্যাপক পুলিশ, বিজিবির উপস্থিতি
প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি
কোনো কিছুই আটকাতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
আমেরিকা শুধু সামরিক ঘাটি স্থাপনের জন্যই নয়
বঙ্গোপসাগরের তেল-গ্যাসের পাশাপাশি
দ্বীপগুলোর দুর্লভ খনিজ লুণ্ঠনের জন্যও মরিয়া হয়ে উঠছে।
আমেরিকার ছোবল ও লুটতরাজ এবং
বাংলাদেশকে বিপর্যস্থ ও বাংলাদেশ থেকে
ইসলামী চেতনা উঠিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের কারণে
আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদী প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য
আলেম সমাজ থেকে দ্বীনদার মুসলমান দিন দিন জেগে উঠছেন ইনশাআল্লাহ।
চীনের ওপর নজরদারির জন্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত মালাক্কা প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় এবং সেজন্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যকার জোট কোয়াড গঠন ক বাকি অংশ পড়ুন...
আস্থার সংকটে ডুবছে হাজার কোটি টাকার রপ্তানি
টেস্টের রেজাল্ট ‘পাস’, তবুও বন্দরে পণ্য ‘ফেল’
কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় বাধা হয়ে উঠেছে ‘ফিট ফর হিউম্যান কনসাম্পশন’ সার্টিফিকেট।
দেশে একটি আন্তর্জাতিকমানের ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে এ জাতীয় সার্টিফিকেট দেয়া সম্ভব হলে
রপ্তানি বহু গুণ বেড়ে প্রতি বছর ৫০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
বিশ্বব্যাপী প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের বড় চাহিদা রয়েছে, সে জায়গায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখাতে পারছে না। বিশ্বব্যাংকের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চার ট্রিলিয়ন ডলারের এগ্রিকালচারের এক্স বাকি অংশ পড়ুন...
অথচ দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ বা অডিয়াস ডেটের পক্ষে চূড়ান্ত দর কষাকষি করা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিক দায়িত্ব
সে দায়িত্ব পালন না করে সরকার বৈষম্য বিরোধী চেতনায় কুঠারাঘাত করছে
বাংলাদেশ সরকারের ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তথা ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণ স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র পাঁচ বছর পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে ঋণের এ স্থিতি ১৯ লাখ ২২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সে হিসাবে এ পাঁচ বছরে সরকারের ঋণ বাড়ে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ স বাকি অংশ পড়ুন...
গত মে মাসে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকরভাবে
যুদ্ধ বিমান হারিয়ে এবং
হেরেও কান কাটা উগ্রবাদী হিন্দুদের লজ্জা হয় না
অথচ ভারতীয় বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছে
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে ভারত নিজেই টুকরা টুকরা হয়ে যাবে।”
বাংলাদেশ বাঁচবে- বাংলাদেশের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত। ইনশাআল্লাহ!
(২য় পর্ব)
বাংলাদেশ কি পারবে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম ভারতের মতো সামরিক দানবের মুখোমুখি হতে, নাকি ভারত বাংলাদেশকে আক্রমণ করলে নিজেই বিভক্ত হয়ে যাবে। আলাদা হয়ে যেতে পারে সেভেন সিস্টার।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ যা চীনের পর পৃথিবীর দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
ড্রোন দিয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ করার হুমকী দিয়েছে বিজেপি নেতা
সংসদে দাড়িয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ না করায় মোদীকে সরে যেতে বলেছে আসামের মূখ্যমন্ত্রী
-এসবই মিথ্যা আস্ফালন, অলীক কথা, ভয়ঙ্কর বাতুলতা, নিকৃষ্ট বালখিল্যতা
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে পাকিস্তানের মিশাইলের মেহমানদারি ভারতের জন্য অপেক্ষা করছে”-
পাকিস্তানের এই জবাবই সত্য কথা।
গত মে মাসে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকরভাবে
যুদ্ধ বিমান হারিয়ে এবং
হেরেও কান কাটা উগ্রবাদী হিন্দুদের লজ্জা হয় না
অথচ ভারতীয় বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছে
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে ভারত নিজেই টুকরা টুকরা হ বাকি অংশ পড়ুন...
আওয়ামী লীগের মতোই গোপনে বন্দর ও টার্মিনাল বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে ।
বিদেশিদের হাতে পানগাঁও বন্দর, সারাদেশে ক্ষোভের অনল।
বিদেশিদের কাছে বন্দর ইজারা দেওয়ার মানে দেশের বন্দরকে নিরাপত্তাহীন করে ফেলা।
দেশকে আরও বৈষম্যের দিকে ঠেলা দেওয়া।
সরকারকে লুটেরা শ্রেণি ঘিরে রেখেছে।
একটি দেশীয় মাফিয়া চক্র বিদেশিদের হাতে বন্দরগুলো তুলে দিচ্ছে।
এটা দেশদ্রোহিতা ছাড়া আর কিছু নয়।
তাদের বিচারের আওতায় আনা উচিৎ।
সংক্ষুব্ধমহল এমন প্রতিক্রিয়াই ব্যক্ত করছেন
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের মতো অন্তর্বর্তী সরকারও গোপনে দেশের বন্দর ও টার্মিনা বাকি অংশ পড়ুন...
লংটার্ম কন্ট্রাক্ট বাদ দিয়ে বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি ক্রয় করছে
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলকে না জানিয়ে বিনা টেন্ডারে মার্কিন কোম্পানী আর্জেন্ট থেকে বছরে ৫০ লাখ টন এলএনজি আমদানীর চুক্তিকে
জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতির মা- হাসিনা আমলের চেয়েও বড় অস্বচ্ছ মনে করছেন
২০২৫-২০২৬ সালে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার এলএনজি আমদানী ক্রয় করা হবে
বিপরীতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকা
অন্তর্বর্তী সরকার আর দুর্নীতির মা- হাসিনার সরকার
তফাৎ টা তাহলে কী?
গণ ভাবনা খুব বেশী দরকার!
আন্তর্জাতিক কোটেশনের মা বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত সরকারের আমলে জিডিপিকে যেভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও শিল্প উৎপাদন বাড়েনি। সমসাময়িক প্রতিযোগী অর্থনীতিগুলোর তুলনায় বিনিয়োগ, রফতানি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদেশী বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশসহ বিভিন্ন সূচকেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। সরকারের পরিসংখ্যান যদি সঠিক হতো তাহলে এসব সূচকে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে থাকার কথা নয়। তবে বিগত সরকার জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখালেও মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেখিয়েছে। ফলে সঠিক তথ্যের অভাবে চাহিদা ও বাজার নিয়ন্ত্রণসহ অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত সব ক্ষেত্রে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে এক লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। পাশাপাশি এসব অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য কারণে দেশের ক্ষতি হয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এক সমীক্ষা মতে তামাকজনিত মৃত্যুর মিছিল কমিয়ে আনতে উন্নত দেশগুলো শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে বৃহৎ আকারের সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ও প্লেইন প্যাকেজিং প্রবর্তন, তামাকের ওপর করহার ও মূল্য বৃদ্ধিসহ বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। যে কারণে উন্নত দেশগুলোতে তামাকের ব্যবহার ১.১ হারে কমছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুল বাকি অংশ পড়ুন...












