মন্তব্য কলাম
সোনার চেয়েও অনেক দামী সোনাদিয়া দ্বীপ। বঙ্গোপসাগরে সোনাদিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সন্দীপসহ আরো দ্বীপগুলোতে সোনা নয়, হীরার চেয়েও দামী খনিজ আছে। আরো আছে গারনেট, ইলমেনাইট ও রুটাইল সহ আরো দামী এবং দুর্লভ খনিজ।
, ১৫ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৭ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২১ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
আমেরিকা শুধু সামরিক ঘাটি স্থাপনের জন্যই নয়
বঙ্গোপসাগরের তেল-গ্যাসের পাশাপাশি
দ্বীপগুলোর দুর্লভ খনিজ লুণ্ঠনের জন্যও মরিয়া হয়ে উঠছে।
আমেরিকার ছোবল ও লুটতরাজ এবং
বাংলাদেশকে বিপর্যস্থ ও বাংলাদেশ থেকে
ইসলামী চেতনা উঠিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের কারণে
আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদী প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য
আলেম সমাজ থেকে দ্বীনদার মুসলমান দিন দিন জেগে উঠছেন ইনশাআল্লাহ।
চীনের ওপর নজরদারির জন্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত মালাক্কা প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় এবং সেজন্যই যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যকার জোট কোয়াড গঠন করেছে।
এটি ঠিক যে একসময় যুক্তরাষ্ট্রের চিন্তা ছিলো মালাক্কা প্রণালী পর্যন্ত।
কিন্তু এখন তাদের কৌশল পাল্টেছে। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি বিবেচনায় নিলে ভারত মহাসাগরের প্রেক্ষিতেই বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব বেড়েছে। বিশেষ করে চীনের স্বার্থ ও উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ার কারণেই বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব অন্যদের কাছে বেড়েছে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ বহরের (সারফেস শিপ) ৬০ শতাংশই ইন্দো-প্যাসিফিকে মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিশালায়তনের এ নৌবহর পরিচালনার জন্য ঘাঁটি স্থাপনের পাশাপাশি রিফুয়েলিং ও লজিস্টিক সহায়তারও প্রয়োজন হবে। এজন্য সংলগ্ন আরব সাগর, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং বঙ্গোপসাগরে নিরাপদ স্থানের খোঁজে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।
দীর্ঘ ৫৪ বছর পর গত ৭ই অক্টোবর মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর ফেলেছে।
তথ্য বলছে, মার্কিন নৌবাহিনীর অ্যারলাই বার্ক-ক্লাসের অত্যাধুনিক জাহাজটি ইউএসএস ফিৎসজেরাল্ড গত ৭ই অক্টোবর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বন্দরের কাছে পৌঁছে নোঙর ফেলে। জাহাজটিতে প্রায় ৩০০ জন নৌসেনা সদস্য ছিল।
এই সফরের মূল উদ্দেশ্য বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে মেরিন সিকিউরিটি জোরদার করা, জলদস্যুতা প্রতিরোধ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়ানো।
কিন্তু আসলে তা নয়। সামরিক ও ভূরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিকে দক্ষিণ এশীয় পরিম-লে নৌঘাঁটি স্থাপনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থান হলো বঙ্গোপসাগর বা সংলগ্ন এলাকা।
তবে শুধু এজন্যই বাংলাদেশে সংলগ্ন বঙ্গপোসাগর আমেরিকার মূল লক্ষ্য নয়। ঘাটি স্থাপনের পাশাপাশি আমেরিকার মূল লক্ষ হলো বঙ্গোপসাগরের তেল গ্যাস তথা বাংলাদেশের দ্বীপগুলোর চরম মূল্যবান খনিজগুলো লুটপাট করা। কারণ বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের দ্বীপগুলোতে রয়েছে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দামী খনিজ। এর মধ্যে অন্যতম হলো সোনাদিয়া।
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের একটি বিছিন্ন দ্বীপ সোনাদিয়া।
সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন ৪৯২৮ হেক্টর। এ দ্বীপটি পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা।
এখানে রয়েছে বালিয়াডী, কাছিম প্রজনন ব্যবস্থা, চামচ ঠোটের বাটন পাখি এবং অতিথি পাখির অভয়ারণ্য। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ৩.১৫ একর। শুটকী মহাল ২টি, চিংড়ী চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ৯৮ একর। বন বিভাগের জমির পরিমাণ ২১০০ একর। বাকী সব প্রাকৃতিক বনায়ন ও বালুময় চরাঞ্চল। দূষণ ও কোলাহল মুক্ত সৈকত, বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক কাছিম, পূর্ব পাড়ার হযরত মারহা আউলিয়ার মাজার ও তার আদি ইতিহাস, জেলেদের সাগরের মাছ ধরার দৃশ্য, সূর্যাস্থের দৃশ্য, প্যারাবন বেষ্টিত আঁকা-বাঁকা নদী পথে নৌকা ভ্রমণ।
সোনাদিয়ার দ্বীপের নামকরণের সঠিক কোন ঐতিহাসিক তথ্য না থাকলেও সোনাদিয়ার দ্বীপকে ঘিরে আদিকাল হতে সোনা সমতুল্য দামি পন্য মৎস্য সম্পদ আহরিত হত বলে এই দ্বীপ সোনার দ্বীপ, সোনাদিয়া বলে পরিচিতি। তাই ঐতিহাসিকভাবে না হলেও লোক মুখে উচ্চারিত সোনাদিয়ার কথা বির্বতনে সোনাদিয়ায় রুপান্তরীত হয়।
নৈসর্গিক সৌন্দর্য আর নয়নাভিরাম দৃশ্যের মিশেলে গড়া এই দ্বীপে সম্প্রতি সন্ধান মিলেছে ভারী প্রাকৃতিক খনিজ ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট, জিরকন, রুটাইল ও মোনাজাইট।
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ছোট্ট দ্বীপ সোনাদিয়া এখন আলোচনায় নতুন এক কারণে-এর মাটির নিচে লুকিয়ে আছে প্রায় সাত লাখ টন ভারী খনিজ সম্পদ। নয় বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপটি চারদিক দিয়ে পানিরাশিতে ঘেরা। ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বনের সমন্বয়ে গঠিত ভূখ-টি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেই নয়, খনিজ সম্ভাবনাতেও সমৃদ্ধ। এখানে পাওয়া গেছে ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট, জিরকন, রুটাইল ও মোনাজাইটের মতো মূল্যবান খনিজ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব খনিজ বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন সম্ভব হলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে। তবে এখন পর্যন্ত এ সম্পদের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।
আন্তর্জাতিক গবেষণায় নতুন তথ্য-
সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা জার্নাল ডিসকভার জিওসায়েন্স-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় সোনাদিয়া দ্বীপের খনিজ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি করেছেন নিউজিল্যান্ডের ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টিন বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক- শাখাওয়াত হোসেন, শাহরিয়ার রহমান, গোলাম তাকি ও মাফতুহা জাহান।
‘জিওলজিক্যাল ক্যারিক্টারাইজেশন অ্যান্ড রিজার্ভ এক্সিমেশন অব দ্য ইকোনমিক হেভি মিনারেলস অব সোনাদিয়া আইল্যান্ড, বাংলাদেশ’ শিরোনামের এই গবেষণায় বলা হয়, দ্বীপটির বালিতে গারনেটের উপস্থিতি ৫১ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং ইলমেনাইট ৩৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। এছাড়া ম্যাগনেটাইট ৫ দশমিক ৭৪, জিরকন ১ দশমিক শূন্য ১, রুটাইল ৩ দশমিক ৫৭ এবং মোনাজাইট দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।
গবেষকরা জানান, বালিয়াড়ির অংশে ভারী খনিজের ঘনত্ব অন্য অংশের তুলনায় বেশি। শুধু গারনেটের মজুতই বালিয়াড়িতে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬৮ টন, ফোরশোরে ১৯ হাজার ৭৯৪ টন এবং ব্যাকশোরে ৪৭ হাজার ৩২৪ টন। ইলমেনাইটের পরিমাণ বালিয়াড়িতে ২ লাখ ১৫ হাজার ৯২ টন, ফোরশোরে ১৫ হাজার ১৬ টন ও ব্যাকশোরে প্রায় ৩০ হাজার ৪৮৭ টন।
গবেষণায় আরো বলা হয়, সমুদ্রের স্রোত ও প্রাকৃতিক পলি জমার কারণে এ অঞ্চলে ভবিষ্যতেও নতুন খনিজ স্তর গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে।
গারনেট ও ইলমেনাইটের বৈশ্বিক গুরুত্ব-
বিশ্ববাজারে গারনেট ও ইলমেনাইট-দুটিই অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন শিল্প উপাদান। গারনেট ব্যবহৃত হয় ঘর্ষণজাত পণ্য যেমন ওয়াটারজেট কাটিং, স্যান্ডব্লাস্টিং ও পলিশিং শিল্পে। এর উচ্চ ঘনত্ব ও কঠোরতা একে প্রাকৃতিক অ্যাব্রেসিভ পদার্থ হিসেবে অনন্য করেছে। পাশাপাশি, পানি পরিশোধন কেন্দ্রের ফিল্টার মিডিয়া হিসেবেও গারনেট ব্যবহৃত হয়। গয়না শিল্পে রতœমানের গারনেটের আলাদা বাজারমূল্য রয়েছে।
অন্যদিকে, ইলমেনাইট হলো টাইটানিয়াম ধাতুর প্রধান উৎস। এর রাসায়নিক গঠন থেকে উৎপন্ন টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড রঙ, প্লাস্টিক, কাগজ, বিমান ও প্রতিরক্ষা শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইডের বৈশ্বিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার এবং এর চাহিদা প্রতিবছরই বাড়ছে।
উল্লখ্যে, স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৮০ সালের গবেষণায় কক্সবাজার, টেকনাফ, মহেশখালী ও সোনাদিয়া এলাকায় প্রায় ২১ মিলিয়ন টন ভারী খনিজের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছিল। এটা, “হেভি মিনারেল উত্তোলন ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া, তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় লাভজনক কি না, তা ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।
ভৌগোলিকভাবে সোনাদিয়া দ্বীপ ব্লু ইকোনমির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে। দ্বীপটির পর্যটন ও মৎস্য শিল্প ইতিমধ্যে স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকার এখন নদীবাহিত বালি প্রক্রিয়াকরণের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এজন্য লজিস্টিক সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর নদীতে যত পলি জমে, তার মাত্র ১০ শতাংশ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ভারী খনিজ উত্তোলন করা গেলে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকা আয় সম্ভব।
খনিজ বিশ্লেষণে উন্নত প্রযুক্তি-
গবেষণায় আধুনিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে দ্বীপের বালিতে থাকা খনিজের রাসায়নিক গঠন নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, জিরকন, রুটাইল ও ইলমেনাইটে তাদের মূল উপাদানগুলো উচ্চ ঘনত্বে রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাম্ফিবোল, মাস্কোভাইট ও কোয়ার্টজসহ অন্যান্য খনিজের উপস্থিতিও চিহ্নিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের চিহ্নিত খনিজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইলমেনাইট ও রুটাইল। এই দুটি খনিজ থেকেই তৈরি হয় টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড, যা রঙ, প্লাস্টিক, কাগজের আবরণ এবং ধাতব মিশ্রণে অপরিহার্য উপাদান। জিরকন ব্যবহৃত হয় সিরামিক, কাচ ও ঢালাই শিল্পে; এটি উচ্চ তাপসহনীয়তা তৈরি করে এবং উৎপাদিত পণ্যে আনে উজ্জ্বলতা। গারনেট জেট-কাটিং ও গহনা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, আর মোনাজাইটে থাকা দুর্লভ উপাদান নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ইলেকট্রনিকস শিল্পে অপরিহার্য। ম্যাগনেটাইট লোহা-ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল, আর কায়ানাইট ব্যবহৃত হয় বিশেষ সিরামিক ও রিফ্র্যাক্টরি ইট তৈরিতে।
সঙ্গতকারণেই বিদেশি প্রতিষ্ঠান দিয়ে তড়িঘড়ি করে গবেষণা না করে প্রথমে নিজেদের সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো উচিত। কারণ এসব খনিজের সঙ্গে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টও থাকতে পারে, যা এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি উপাদানগুলোর একটি। উন্নত দেশগুলো যেগুলো পেতে মরিয়া।
যা পাওয়ার জন্য আমেরিকা মরিয়া।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












