জাতিসংঘের এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা দেশের তালিকায় এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১০টি দেশ স্থান পেয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম। 'বিষয়টি খুবই আশংকাজনক যে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।'
ঢাকা ছাড়াও এর আশেপাশের অঞ্চল এবং কিছু কিছু পল্লী এলাকাতেও দ্রুত পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। 'দ্রুত নিঃশেষিত হওয়ার কারণে সুপেয় পানির উৎস কমে আসবে। একই সঙ্গে, আমাদের কৃষি ও শিল্প খাতও সমস্যায় পড়বে।'
জাতিসংঘের সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে বাংলাদেশ বছরে ৩০ ঘন কিলোমিটা বাকি অংশ পড়ুন...
আইন প্রয়োগে কঠোরতার অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবহেলার কারণে প্রতিদিন দেশের আনাচে-কানাচে নানা অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে, খুন-সম্ভ্রমহরণ, ভূমি দখল, রাষ্ট্রবিরোধী কাজ ইত্যাদি। কিন্তু এইসব অপরাধের ভুক্তভোগীরা পাচ্ছেনা ন্যায্য বিচার। সারাদেশে হাজার হাজার ভুক্তভোগী ন্যায় বিচারের স্বার্থে মামলা করলেও বছরের পর বছর এমনকি যুগও পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছেনা। বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্টরা দেশবাসীকে বিচার বিভাগের উপর আস্থা রাখতে বলছে। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে দেশের ৩০ কোটি মানুষ বিচার বিভ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি এক খবরে বলা হয়েছে, ইসলামবিদ্বেষ থাকার কারণে কুয়েত ও কাতারে ভারতীয় একটি ছবিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশগুলোর সরকার ভারতীয় এ চলচ্চিত্রকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বলেছে, এ ভারতীয় ছবিতে মুসলিমদের উগ্রবাদী হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আছে মুসলিমবিদ্বেষের প্রচার-প্রসার করে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের মুসল বাকি অংশ পড়ুন...
পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, দুদকের কাছে দুর্নীতির রাঘব বোয়ালরা পার পেয়ে যায়। চুনোপুঁটিদের ধরা হয়। রাঘব বোয়ালদের ধরতে গেলে চাকরি হারাতে হয়, যা দুদক গঠনের উদ্দেশ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত।’’
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ড. ইফতেখারুজ্জামানের দাবি, দুদক চুনোপুঁটিদের ধরে, রাঘব বোয়ালদের ধরে না।
২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর দুদক আইনের অধীনে দুদকের যাত্রা শুরু। দুদকের ওয়েবসাইটে দুদকের রূপকল্প ও লক্ষ্যে বলা হয়েছে, সমাজের সব স্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা দুদকের উদ্দে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর। বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হলে বিশেষ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কৃষিখাতে নজর দিতে হবে। কারণ কৃষিখাতে রয়েছে অনেক অনাবিষ্কৃত সোনালী সম্ভাবনা। যার মধ্যে পাম চাষ অন্যতম। বাংলাদেশে পাম চাষ তেমন একটা প্রচলিত বা জনপ্রিয় নয়। ফলে পাম তেলে দেশ বর্তমানে আমদানিনির্ভর। বাংলাদেশে পাম তেল আসে মালয়েশিয়া এবং বেশিরভাগ ইন্দোনেশিয়া থেকে। তবে এ পাম চাষে দেশেই সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষামূলক পাম চাষে সফলতার দেখা পাওয়া গেছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছে, বাংলাদেশে সম্ভাবন বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য আমেরিকান বলয় থেকে বের হয়ে রাশিয়া-চায়না বলয়ের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব কমিয়ে এনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদ্যোগ নেয়।
ভৌগোলিক অবস্থানে ‘মধ্যপ্রাচ্য’ বিশ্বের মধ্যস্থলে অবস্থিত যার বিস্তৃতি এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপজুড়ে মোট ১৭টি দেশ নিয়ে। এই অঞ্চলের সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইরাক, ওমান, বাহরাইন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং লিবিয়ায় প্রচুর তেল-গ্যাসসহ অনেক খনিজ সম্পদ থাকলেও মিসর, আলজেরিয়া, মরক্কো, বাকি অংশ পড়ুন...
পরিবেশ বিজ্ঞান গবেষক এর এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র-কণা দেদারসে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রসাধন সামগ্রীতে। সুয়্যারেজ হয়ে নীরাভূমিতে গিয়ে পড়ায় মাছ তা খাচ্ছে। তারপর মাছের মাধ্যমে তা মানুষের ফুড-চেইনে ঢুকে পড়েছে। তার মতে, এতদিন উদ্বেগ ছিল পরিবেশ এবং জীব বৈচিত্র্যে উপর প্লাস্টিকের প্রভাব নিয়ে, কিন্তু এখন স্বাস্থ্যের ক্ষতি বিশেষ করে ভাবিয়ে তুলছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার দাঁড়াবে প্রতিদিন ৫০ হাজার টন। এই চিত্র খুবই বিপজ্জনক।
উল্লেখ্য, গবেষণা মতে, প্লাষ্টিক এর অতিরিক্ত ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ববাজারে এলএনজি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সহসা থেমে যাবে না বলে প্রতিয়মান হয়, বরং ইউরোপিয়ান দেশ সমূহ রাশিয়ার গ্যাস না পাবার ফলে এলএনজি বাজারে নামছে ও ফলে এলএনজি মূল্য বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। দীর্ঘমেয়াদে এলএনজির উপর অধিকতর নির্ভরশীলতা বাংলাদেশকে আর্থিক সংকটে ফেলবে। এ সংকট সমাধানের উপায় হিসাবে দেশীয় গ্যাস মূখ্য ভূমিকা রাখতে পারে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গ্যাস সম্পদ মূল্যায়ন সংস্থাসমূহ একমত পোষণ করেন যে বাংলাদেশে এখনও অনাবিষ্কৃত গ্যাস পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ গ্যাস সম্ভাবনাময় এলাকা। গত ১০-২০ বছরে যথেষ্ট পরিমাণ গ্ বাকি অংশ পড়ুন...
দুর্নীতি রোধে যাদের ভূমিকা রাখার কথা তারাই এখন দুর্নীতির বড় বড় হোতা। দুর্নীতি ছাড়া কাজ হয়, এমন দফতর খুঁজে পাওয়াই দায়! দুর্নীতির অভিযোগ জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও। দুর্নীতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।
প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে যতই সোচ্চার হোন না কেন, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা এবং দলের নেতা-কর্মীদের তা উজ্জীবিত করতে পারছে না।
বাংলাদেশে মূলত দুই ধরনের দুর্নীতি হয়ে থাকে। একটি প্রাতিষ্ঠানিক, অন্যটি ব্যক্তিগত। বেশ কয়েক বছরে প্রকল্প ও মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত বাজেটের নামে বেশ কিছ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশব্যাপী লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব
হুমকির মুখে গোসম্পদ
গরুর লাম্পি স্কিন রোগ প্রতিরোধে শীঘ্রই সক্রিয় ও সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া দরকার
প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে বেশ কয়েক বছর ধরে আস্ত গরু আমদানি বন্ধ। সীমান্ত দিয়ে গরু চোলাচালানেও দুই দেশ কঠোর অবস্থানে। এতে আখেরে লাভ হয়েছিল দেশের কৃষক ও খামারিদের। গরু পালনে তাঁরা নতুন করে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। কৃষিশুমারির প্রাথমিক ফলাফলও তা-ই বলছে। দেখা যায়, বিগত ১০-১২ বছরে দেশে প্রায় ১ কোটি গরু বেড়েছে।
কিন্তু বিকাশমান এ প্রাণিসম্পদ খাত হঠাৎই ধাক্কা খেয়েছে। ঘুরপাক খাচ্ছে সংকটের আবর্তে। দেশে বাকি অংশ পড়ুন...
সড়কের উন্নয়ন না হয়ে পকেটের উন্নয়ন হচ্ছে দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের।
দেশে রাস্তাঘাট উন্নতকরণে কংক্রিট হতে পারে উত্তম সমাধান।
সরকারের উচিত, এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
দেশজুড়ে সওজের নেটওয়ার্কে থাকা সড়কের পরিমাণ সাড়ে ২২ হাজার কিলোমিটার। এর মধ্যে চার লেনের সড়কের পরিমাণ ৫০০ কিলোমিটার। আট আর ছয় লেনের সড়ক মোটে ৩৮ কিলোমিটার। সম্প্রতি প্রকাশিত এইচডিএম সার্কেলের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, সওজের নেটওয়ার্কে থাকা ৩ হাজার ৬৪৭ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে খারাপ অবস্থায়। এর মধ্যে ৮৩৯ কিলোমিটার সড়কের অবস্থা ‘খুবই খারাপ’। ‘খারাপ’ অবস্থায় রয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারের স্বাদ বাড়াতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও হোটেলে বিভিন্ন ধরণের খাদ্যে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। বাসাবাড়িতেও খাবারের স্বাদ বাড়াতে রান্নায়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। টেস্টিং সল্ট খাদ্যের সুবাস এবং স্বাদকে বহুগুণ বাড়াতে পারে বলে এটি খুব বেশি ব্যবহার হয়। আসলে টেস্টিং সল্ট হিসেবে যে পণ্য ব্যবহার হচ্ছে তা এক ধরণের রাসায়নিক, যার নাম ‘মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট’।
বিশেজ্ঞরা বলছে, এটি মানবদেহের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা টেস্টিং সল্ট খাবার মুখরোচক বা মজাদার করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কৃত্রিম স্বাদ বর্ধনকারী উপা বাকি অংশ পড়ুন...












