মন্তব্য কলাম
"" জনাব প্রধান উপদেষ্টার প্রতি খোলা জনমত"" লাইফ সাপোর্টে গেলে গুলি লাগলে মারা গেলে ঠিকই দোয়া চাইবেন আর বাকি সময় দোয়ার বিপরীত কাজ করবেন বহুরূপী হাসিনার মত আর কত প্রতারণা করবেন? দোয়ার মালিক মহান আল্লাহ পাক এর গযব থেকে বাঁচতে চাইলে আগামীকালই পবিত্র রমজানে স্কুল খোলার আদেশ প্রত্যাহার করুন
, ১৬ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২২ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
(১)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা।
দোয়া তো ঠিকই চাইলেন।
শুধু আপনি নয়, আপনার সরকার, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, ধর্ম উপদেষ্টা গত কিছুদিনে অনেকবার দোয়া চাইলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া,
হাদির জীবন বাঁচানোর জন্য দোয়া
তাদের মৃত্যুর পর মাগফিরাতের জন্য
চাইলেন আপনারা।
(২)
সরকারের সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা
সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা,
সর্বাধুনিক চিকিৎসা
দেশের সর্বোত্তম সেবা
অথবা
তিন বাহিনীর সম্মিলিত শক্তি
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ ব্যাপক পুলিশ, বিজিবির উপস্থিতি
প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি
কোনো কিছুই আটকাতে পারল না।
হাদীকে আশঙ্কামুক্ত করতে পারলো না।
তিনবারের প্রধানমন্ত্রী লাখ লাখ বি.এন.পি নেতা কর্মীর
শ্রদ্ধার নেত্রী
বেগম খালেদা জিয়াওকে কেউ বাঁচাতে পারলো না
(৩)
সারাদেশব্যাপী তাদের মৃত্যুর পরও আপনারা
দোয়ার ব্যবস্থা করালেন। দোয়া চাইলেন।
(৪)
দোয়ার ক্বিবলা আসমান।
ফায়সালা আসমানের উপর থেকে হয়।
সেই আসমান মুখী কেনো আপনাদের এত গাফলতি?
শুধু মৃত্যু সন্ধিক্ষণে
দোয়া চাইবেন
গুলি লাগলে দোয়া চাইবেন
লাইফ সাপোর্টে গেলে দোয়া চাইবেন
আর
অন্য সব সময়
দোয়ার
বিপরীত কাজ করবেন;
এগুলো কী কূটকৌশলী, বহুরূপী
হাসিনার পথেই হাটা নয়?
(৫)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা
আপনার ধর্ম উপদেষ্টাকে
চরম ধিক্কার দিতে পারেন।
ইসলামীক ফাউন্ডেশনকে
ইসলামের আলোকে ধোলাই দিতে পারেন
বায়তুল মোকাররমের খতীবকে
শক্ত নসীহত করতে পারেন
তথাকথিত আলেম সমাজকে
উচিৎ কথা বলতে পারেন;
(৬)
কেনো তারা অন্তবর্তী সরকারকে
অনুপ্রাণিত করতে পারলো না যে, আসন্ন পবিত্র রমজানে যাতে কোনমতেই স্কুল কলেজ খোলা না থাকে।
(৭)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা
আপনি কড়া দমক দিতে পারেন
আপনার জন প্রশাসন উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টাকেও।
এরা কী জানে না
পবিত্র দ্বীন ইসলামের
মূল্যবোধ অনুযায়ী
প্রজাতন্ত্রের সব কর্মচারীদের অফিস সময় কমিয়ে আনা হয়।
সে নীতিমালা
স্কুলের শিক্ষকদের জন্য নয়, কেনো?
কোমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য নয় কেনো?
(৮)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা
আপনি বিশেষ কড়া কথা শোনাতে পারেন
আপনার আইন উপদেষ্টাকেও।
কেনো তাদের মনে নেই যে অতীতেও পবিত্র রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী দ্বীনদার মুসলমান বরদাশত করতে পারে নাই। তারা আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছে। রিট করেছে। আদালত রমজানে বন্ধের পক্ষে রায় দিয়েছে। এবারও তাই হবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু উপদেষ্টারা কেনো সরকারকে এরকম কেনো খেলো প্রমাণ করে।
(৯)
গত ১০ই মার্চ ২০২৪, ডিবিসি নিউজে খবর শিরোনাম হয়- “রমজানে বন্ধ থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়: হাইকোর্ট”
খবরে বলা হয়- দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসজুড়ে বন্ধ থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রমজানের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৫ দিন বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার রুলসহ এ আদেশ দেন।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ ও মাহমুদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে রমজানের সময় ১৫ দিন বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার কথা বলা হয়।
অন্যদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রমজানের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
(১০)
জনাব প্রধান উপদেষ্টা সংবিধান মোতাবেক রোজায় স্কুল চালু রাখার আদেশ দেয়া যায় না।
সংবিধানটা ভালোভাবে পড়–ন
বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম, সংবিধান ২ক অনুযায়ী ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ এবং ৩১ অনুচ্ছেদে আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) আইন অর্থ ‘বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি’ বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে, এটিই আইন প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের তর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনজীবী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আসন্ন রমজান মাসে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, কিন্তু প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে খোলা রাখার সাম্প্রতিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বৈষম্য মূলক ও সাংঘর্ষিক।
তিনি বলেন, রমজান মাসে শিক্ষকরা রোজা রেখে ক্লাসে লেখাপড়া শেখান। তাই শিক্ষার্থীরা বিষয়টিতে মনোযোগী হয় না। এছাড়া, অভিভাবকরা রোজা রেখে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর হবে। এ অবস্থায় স্কুল খোলা না রাখার নির্দেশনার জন্য এই আর্জি করছি। স্কুল খোলা রেখে বাচ্চাদের ওপর এত শারীরিক ও মানসিক চাপ, অত্যাচার অমানবিক। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে রমজান মাসে স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকত। সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্ত সংবিধানের ২৬, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে সাংঘর্ষিক, তাই ওই সিদ্ধান্ত বাতিল ও পবিত্র মাহে রমজানে স্কুল বন্ধ রাখার জন্য এই আর্জি করছি।
(১১)
রোজায় স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে বহুবিধ কারণে
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন ছুটির তালিকায় আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানো হয়েছে। এতে পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরো সময় বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপসচিব রওশন আরা পলির সই করা বাৎসরিক ছুটির তালিকা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকেই রোজা শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ২১ রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে।
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সই করেন উপসচিব মো. আব্দুল কুদ্দুস।
রোজায় কলেজে বন্ধ, খোলা থাকবে স্কুল-ছুটি বৈষম্যেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ
এদিকে একই সময়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমানো হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, রমজান মাসের শুরু থেকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছুটির এই ভিন্নতা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুরসিয়া কাজল নামের এক শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির এই বৈষম্য শিক্ষক সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করবে।’
সোলায়মান নামের একজন লিখেছেন, ‘সব শিক্ষকদের যদি আমরা একই দৃষ্টিতে দেখতে না পারি, তাহলে শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি অসম্ভব। সবাইকে তার প্রাপ্য অনুযায়ী সমান সুযোগ-সুবিধা দেওয়া সরকারের কর্তব্য।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুমিনুল হক লিখেছেন, ‘রোজায় কলেজ ছুটি, স্কুল খোলা। কেন এই দ্বিচারিতা? স্কুলও বন্ধের দাবি জানাই।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কুরসিয়া কাজল নামের এক শিক্ষক লিখেছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির এই বৈষম্য শিক্ষক সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করবে।’সুমাইয়া নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘সব শিক্ষকদের যদি আমরা একই দৃষ্টিতে দেখতে না পারি, তাহলে শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি সম্ভব নয়। সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুমিনুল হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘রোজায় কলেজ ছুটি, স্কুল খোলা-কেন এই দ্বিচারিতা? স্কুলও বন্ধের দাবি জানাই।’ছুটির এই বৈষম্যমূলক কাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি ও ছুটির ক্ষেত্রে সব স্তরে সমতা ও বাস্তবতা বিবেচনা করা জরুরি ।
(১২)
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের জনমত হলো-
পবিত্র মাহে রমজান মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্কুল প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অবৈধ এবং অসাংবিধানিক এবং অনৈসলামিক।
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান এরা বরদাশত করবে না। এটা প্রত্যাহার করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












