মন্তব্য কলাম
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
, ২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
বাংলার ঘরে ঘরে নারী-পুরুষেরা কাপড় তৈরি করতেন যে তুলা থেকে, যে তুলার জোরে বাংলা শিল্পোন্নত দেশ ছিল, বাংলার মাটি যে তুলার উপযোগী, সেই তুলা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা কোথায়?
দৈনিক আল ইহসান শরীফের গবেষণায় জানা গেছে- দেশের ৭ লাখ হেক্টর পতিত জমিসহ মোট প্রায় ২০ লাখ হেক্টর জমিতে প্রায় ৮৫/৯০ লাখ বেল তুলা উৎপাদন করা সম্ভব। যার মূল্য ৪০ হাজার কোটি টাকা।
সরকারের উচিত- তুলা খাতকে অগ্রগামী করে আমদানির পরিবর্তে রফতানী নির্ভর করা। (১)
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ে থাকা বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল তুলা। গত বছর (২০২৫) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করে কৃষিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচারাল ইকোনমিকস (বিএই) একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে দেখা যায়, তুলা আমদানিতে বছরে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে বার্ষিক তুলার চাহিদা প্রায় ৮৫ লাখ বেল। এর মধ্যে দেশের ৫১৯টি টেক্সটাইল মিলের চাহিদা প্রায় ৮০ লাখ বেল। বর্তমান উৎপাদন বিপর্যস্ত অবস্থায় থাকায় প্রায় ৮৩ লাখ বেল তুলা প্রতিবার বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমানে সর্বাধিক তুলা আমদানি হচ্ছে ব্রাজিল থেকে। এর আগে শীর্ষে ছিল ভারত। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, আফ্রিকার দেশ বেনিনসহ কয়েকটি দেশ থেকেও তুলা আমদানি করা হয়।
পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন ‘সরকার খাদ্য উৎপাদনে যেমন মনোযোগী, তেমনি তুলা উৎপাদনেও মনোযোগ দেওয়া উচিত। বীজ পেতে মাঝে মধ্যে সমস্যা হয়, দামও বেশি।’ ‘উঁচু জমিতে তুলার ফলন থাকলেও সেই জমিতে অন্য শস্য চাষ করা সহজ ও লাভজনক।’
বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী বস্ত্র শিল্পের বিকাশে দেশীয় টেক্সটাইল মিলে ব্যবহারের জন্য তুলার সরবরাহ বাড়াতে ১৯৭২ সালে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। ১৯৯১ সালে তুলা গবেষণার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে বোর্ডের ওপর স্থানান্তরিত হয়। এরপর থেকে দেশের তুলা উৎপাদন বাড়ানো, নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং চাষ সম্প্রসারণের দায়িত্ব এ সংস্থার ওপর।
যদিও দীর্ঘদিন ধরে বোর্ড চেষ্টা চালাচ্ছে বলে সাফাই গাচ্ছে, তবু তুলা উৎপাদনে কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জিত হয়নি। প্রতি বছর সরকার বোর্ডকে গবেষণা, তুলা চাষ সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ কাজে সহায়তার জন্য বরাদ্দ দিচ্ছে। প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। তবু প্রত্যাশিত উৎপাদন এখনো অধরা।
বোর্ডের লক্ষ্য দেশের চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ তুলা উৎপাদন করা। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে জমিস্বল্পতার কারণে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন কঠিন।
অথচ ‘জমি স্বল্পতার কারণে সীমাবদ্ধতা প্রচার করলেও সাথি ফসল হিসেবে সবজি, ডাল ও মসলা জাতীয় ফসলের চাষ সম্প্রসারণ চলছে। বরেন্দ্র, লবণাক্ত, চরাভূমি, অ্যাগ্রোফরেস্ট্রি ও পার্বত্য এলাকায় এর সাড়া ভালো।’
তুলা উন্নয়ন বোর্ড এ পর্যন্ত সিবি-১২ থেকে সিবি-১৮, সিডিবি তুলা-১৯ থেকে সিডিবি তুলা-২১ এবং পাহাড়ি তুলা-৩ নামে ২৪টি উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে। এছাড়া সিবি হাইব্রিড-১ নামে একটি উচ্চফলনশীল হাইব্রিডও অবমুক্ত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে মাঠ পর্যায়ে হাইব্রিড চাষ হচ্ছে। বিঘাপ্রতি গড় ফলন এখন ১২-১৫ মণ।
গবেষণার মাধ্যমে মোট একটি হাইব্রিড, ২৬টি উচ্চফলনশীল জাত এবং ৬০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২১,১০০ জন তুলা চাষির মধ্যে ১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকার কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় হাইব্রিড তুলা বীজ, সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এই তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে, আছে, গবেষণা চলছে, বরং জমিসংকট নয় সীমিত সরকারি সহযোগিতার কারণে বাংলাদেশের তুলা উৎপাদন এখনও চাহিদার চেয়ে অনেক কম।
শুরুর দিকে প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মন তুলা উৎপাদন হতো। তবে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতোই হাইব্রিড তুলা উৎপাদনে ঝুঁকছে বাংলাদেশ। গত ১০ থেকে ১২ বছরে এই তুলা উৎপাদন করে সাফল্যে পেয়েছেন দেশীয় চাষিরা। হাইব্রিড বিজে ৩৩ শতাংশ জমিতে ২০ মন ফলন হচ্ছে।
এদিকে প্রতিষ্ঠার ৫২ বছরে এ প্রথম ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তুলা চাষে মাত্র ৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। এই ভর্তুকি সরাসরি নগদায়ন না করে দেশের ২৬ জেলায় ১২ হাজার ৩৭৫ জন কৃষককে বিভিন্ন ধরনের সার, হাইব্রিড বীজ, কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ওষুধসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করার মাধ্যমে দেওয়া হয়। তবে এভাবে প্রণোদনা দেওয়ার নামে চাষিদের প্রকারান্তরে ঠকানো হচ্ছে। প্রণোদনার নামে যেসব বীজ-কীটনাশক সরবরাহ করা হয় নিুমানের।
বর্তমান তুলা উন্নয়ন বোর্ডে পদের সংখ্যা ৮৬৪, কর্মরত রয়েছে ৪৮৭ জন এবং শূন্য পদের সংখ্যা ৩৭৭টি। যশোর, রংপুর, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় রয়েছে চারটি আঞ্চলিক অফিস। এছাড়া জোনাল অফিস আছে ১৩টি।
এসব অফিস কার্যক্রম সক্রিয় না করায় প্রতিবছর সরকারের বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
চাইলেই যে তুলা চাষ বাড়ানো যায় সেটি স্বীকার করেছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক। তিনি বলেন, ‘খাদ্যশস্য উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত না করেও তুলা চাষের ক্ষেত্র বাড়ানো সম্ভব। যেমন আমরা বরেন্দ্র এলাকায় যেতে পারি, সেখানে তুলা চাষের উপযোগী অনেক জমি আছে। চর এলাকায় যেতে পারি, সেখানেও তুলা চাষ হয়। লবণাক্ত এলাকায় যাওয়া যায়, যেখানে লবণাক্ততার কারণে খাদ্যশস্য উৎপাদন করা সম্ভব হয় না, সেখানেও তুলা চাষ করা যায়। তাই যদি কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা যায়, তাহলে দেশে তুলা চাষের জমি অনেক পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। দেশের তুলা চাষ বাড়লে আমদানির পরিমাণ কমবে। এতে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে। কারণ তখন ডলার খরচ করে তুলা আমদানি করতে হবে না।’
তামাক চাষের কারণে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। তামাকের জমির অংশে তুলা চাষ করলে কৃষকও লাভবান হবেন, দেশও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ সুদান কটন জিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সুদানে তুলা চাষে সফল প্রবাসী উদ্যোক্তা আবুল খায়ের বলেন, এরই মধ্যে উচ্চ ফলনশীল তিনটি উন্নত জাতের তুলা বীজ পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হয়েছে। এই নতুন জাতের চাষাবাদ শুরু হলে কম জমি থেকে বেশি তুলা উৎপাদন সম্ভব।
কৃষিনির্ভর সমাজগুলোয় যেহেতু বছরের নানা সময় শ্রমের চাহিদার হেরফের হয় এবং তুলা যেহেতু গাছ থেকে তুলে কয়েক মাস রেখে দেওয়া যায়, তাই চাষ না হওয়া মৌসুমে চাষি ও কারিগরেরা সুতা তৈরি ও কাপড় বোনার কাজটা করতে পারেন। ফলে তুলার উৎপাদন থাকলে বছরের ফাঁকা সময়টি কর্মমুখর হয়ে উঠতে পারে, এমনকি সুতা পাকানোর কাজটি রান্না করা, বাচ্চা দেখভালের সময়ও করা যায়। এভাবে রাতদিন উৎপাদনে যুক্ত থাকার সুযোগ হয়। আমাদের পরিসংখ্যানে গৃহভিত্তিক উৎপাদন হিসাবের মধ্যেই থাকে না। ফলে তার শক্তির জায়গাটা টেরই পাওয়া যায় না।
১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
যে তুলার জন্য বাংলা বিশ্বখ্যাত, তার জন্য কোনো গবেষণা নেই। ইংল্যান্ডের কারখানার জন্য কম কাউন্টের তুলার উৎপাদন দরকার ছিল। তাই বাংলার উন্নত তুলার আবাদ ধ্বংস করে মার্কিন ও মিসরীয় তুলার আবাদ শুরু করা হয়। কিন্তু বাংলার ঘরে ঘরে নারী-পুরুষেরা কাপড় তৈরি করতেন যে তুলা থেকে, যে তুলার জোরে বাংলা শিল্পোন্নত দেশ ছিল, বাংলার মাটি যে তুলার উপযোগী, সেই তুলা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা কোথায়?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক বছরের পর বছর চালু রেখে এক সময় বিয়ে না করলে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষক হয় পুরুষ।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এখন চাপ আর চাপ এসব চাপকে- জনগণের নিজের মনে করতে হবে।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ হাজার একরের বেশি জমি ভারতের দখলে। উদ্ধারে নেই সরকারের সক্রিয়তা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
১৯৪৭ সালের বেনিয়া বৃটিশদের দেশবিভক্তির দোহাই দিয়ে এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের ভূখন্ড দাবী করছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












