হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, যা চাঁদপুর জেলার অন্যতম প্রধান মসজিদ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি শুধুমাত্র একটি ইবাদতের স্থান নয়; বরং মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর হিসেবে এটি অসংখ্য মুসলিমের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এই মসজিদ তার স্থাপত্যশৈলী, কারুকাজ এবং পরোলৌকিক পরিবেশের কারণে দুনিয়া ও আখিরাতের মুক্তি লাভের প্রত্যাশায় অসংখ্য মুসল্লীকে আকর্ষণ করে।
ইতিহাস:
হাজীগঞ্জ মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয় ১৩৪৫ হিজরী সনের ০৫ই রবীউল আউওয়াল শরীফ। মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ১৩৫০ হিজর বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান কাঠামো:
বাব আল-মুজাইয়িনিন বর্তমানে প্রবেশপথ। এ ফটক দিয়ে প্রবেশের পর মার্বেল দিয়ে বাধাই করা উঠানে আসা যায়। এর বিপরীতে মূল নামাজের স্থান রয়েছে। বাব আল-মুজাইয়িনিনের উত্তরপূর্বে উঠানের বহির্ভাগে মাদরাসা আল-আকবাগাউয়িয়া অবস্থিত এবং দক্ষিণপশ্চিমে মাদরাসা আল-তাইবারসিয়া অবস্থিত। প্রধান প্রবেশপথের বিপরীতে ১৪৯৫ খৃ: নির্মিত বাব আল-গিনদি (কাইতবাই ফটক) অবস্থিত। এর উপরে কাইতবাই মিনার রয়েছে। এই ফটক দিয়ে নামাজের স্থানে যাওয়া যায়।
সম্পাদনায়: মুহম্মদ নাঈম।
বাকি অংশ পড়ুন...
ফাতেমীয়দের অধীনে কাঠামোগত পরিবর্তন:
মসজিদের মূল কাঠামো ২৮০ ফুট (৮৫ মি) দীর্ঘ এবং ২২৭ ফুট (৬৯ মি) প্রশস্ত ছিল। উঠোনের পাশে তিনটি আর্কেড উঠোনকে ঘিরে রয়েছে। উঠোনের দক্ষিণ পশ্চিমে নামাযের স্থান রয়েছে। ক্বিবলা দেয়ালের আকার ২৬০ ফুট (৭৯ মি) * ৭৫ ফুট (২৩ মি) যা সঠিক কোণ থেকে কিছুটা সরে আছে। নামাযের স্থানকে ঘিরে রাখা চারটি আর্কেডগুলো মার্বেলের স্তম্ভ দ্বারা ধরে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন পুরুত্বের ভিত্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন উচ্চতার স্তম্ভ গুলো স্থাপন করা হয়েছে। অভ্যন্তরের নকশায় আব্বাসীয় স্থাপত্যের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
১৯৩৩ খৃ: মূল মিহরা বাকি অংশ পড়ুন...
ইসমাইল পাশার শুরু করা সংস্কার কার্যক্রম ব্রিটিশ শাসনামলেও চালু ছিল। ১৮৭২ খৃ: শাইখ আল-আজহার মুহম্মদ মাহদি আল-আব্বাসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারা চালু ও ছাত্রদের পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু সংস্কার চালু করেন। ব্রিটিশ যুগে হিলমির শাসনামলে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আরো কিছু প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। মসজিদের পা-ুলিপির সংগ্রহ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে রক্ষিত হয়, ছাত্রদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয় এবং পড়ালেখার ক্ষেত্রে নিয়মিত পরীক্ষার পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়। ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে মিশরের অন্যান্য কলেজগুলো স বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পাগলা বড় মসজিদ। এই মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ ফুট ও প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটিতে রয়েছে ৩টি বিশাল গম্বুজ ও ৬টি বড় মিনারসহ আরো রয়েছে ১২টি ছোট মিনার। এছাড়াও রয়েছে ১টি বারান্দা ও বিশাল ঈদগাহ ময়দান। মসজিদের বাহিরের তুলনায় ভিতরের দৃশ্য খুবই নান্দনিক।
ফ্লোর ও চারপাশের কারুকার্য দেখে অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যায়। পুরো মসজিদের চারপাশে তিনফুট উচ্চতায় যে নান্দনিক টাইলস লাগানো হয়েছে তা আনা হয়েছে ইতালি ও ইংল্যান্ড থেকে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য রয়েছে ১টি গেইট। দৃষ্টিনন্দন দুতলা বাকি অংশ পড়ুন...
৫০০ বছর আগে বাংলার স্বাধীন সুলতান নুসরত শাহ সুন্দর কারুকার্যখচিত রাজশাহীর বাঘা শাহী মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ১৫২৩-২৪ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এই ঐতিহাসিক মসজিদটি আজও আপন মহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়।
বাংলাদেশের ৫০ টাকার পুরোনো নোট আর ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা মেলে প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এই মসজিদের।
৫০০ বছরের পুরাতন এই শাহী মসজিদটি দেখতে দর্শনার্থীদের আনাগোনা সবসময় বিদ্যমান। মসজিদটির স্থাপত্যশৈলীর আকর্ষণে দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকেরা প্রতিনিয়ত ছুটে আসেন বাঘা উপজেলায়। এই মসজিদট বাকি অংশ পড়ুন...
ক্ষমতাশীল মামলুক বে আল-কাযদুগলি ১৮শ শতাব্দীর প্রথম দিকে বেশ কয়েকবার মসজিদের সংস্কার করেছেন। তার নির্দেশনায় ১৭৩৫ খৃ: অন্ধ ছাত্রদের রিওয়াক প্রতিষ্ঠিত হয়। কাইতবাইয়ের সময় প্রতিষ্ঠিত তুর্কি ও সিরিয়ান রিওয়াকে তিনি অর্থ সহায়তা করেছেন।
১৭৪৯ খৃ: আবদুর রহমান কাতখুদা জানিসারি প্রধান নিযুক্ত হন। তিনি কায়রো ও আল-আজহারে বেশ কিছু নির্মাণ কাজ করেছেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী বাবুল-মুজাইয়িনিন, বাবুস-সায়িদা ও বাবুশ-শুরবা নামক তিনটি ফটক নির্মিত হয়। প্রথম ফটকের বাইরে ছাত্ররা তাদের চুল কাটত বিধায় এই নাম হয়। দ্বিতীয় ফটকটি মিশরের সায়িদি গোষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম বিশ্বের প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হওয়া এবং রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা সত্ত্বেও আল-আজহার কায়রোর অন্যান্য মাদরাসার মত ছিল না। আল-আজহারে নিজস্ব পন্থায় পাঠদান করা হত। অন্যদিকে সুলতান সালাউদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় নির্মিত মাদরাসাগুলো ছিল রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার অংশ। মিশর ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে শিক্ষার্থীরা আল-আজহারে পড়াশোনার জন্য আসত। শিক্ষার্থীদের সংখ্যার দিক থেকে আল-আজহার অন্যান্য মাদরাসাগুলোকে ছাড়িয়ে যায়। আল-আজহারের শিক্ষার্থীদের জাতীয়তার ভিত্তিতে রিওয়াকে দলবদ্ধ করা হত এবং ইসলামি আইনের বিষয়াদি বাকি অংশ পড়ুন...
আইয়ুবীয় সালতানাতের সময়:
আল-মুফাদ্দালের মতে সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল মসজিদের একটি মিনার।
আইয়ুবীয় সুলতানরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের উপর পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং তারা কায়রোজুড়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের মাদরাসা স্থাপন করেছেন।
একটি মতানুযায়ী একজন শিক্ষক (সম্ভবত আবদুল লতিফ আল-বাগদাদি) মসজিদে আইন ও চিকিৎসাসহ বেশ কিছু বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতেন। সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে মত রয়েছে যে তিনি আল-বাগদাদিকে ৩০ দিনার বেতন হিসেবে প্রদান করত বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদের ইতিহাস:
ফাতেমীয় যুগে মসজিদটি ছিলো মার্বেল পাথর দিয়ে নির্মিত আচ্ছাদিত উঠোন। মসজিদের বাম থেকে ডানে, আল-গাওরি মিনার ও কাইতবাই মিনার। গম্বুজের পেছনে আকবাগাউয়িয়া মিনারের শীর্ষভাগ। পেছনের মিনার কাতখুদা নির্মাণ করেছিলেন।
ফাতেমীয় শাসক আল-মুইজ লিদিনাল্লাহ তার সেনাপতি জওহর আল-সিকিলির মাধ্যমে মিশর বিজয় করেছিলেন। জওহর নতুন শহরের জন্য মসজিদ নির্মাণের আদেশ দেন। ৯৭০ খৃ: এর ৪ এপ্রিল এর নির্মাণ শুরু হয়। ৯৭২ খৃ: এর নির্মাণ সমাপ্ত হয়। সে বছরের ২২ জুন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে এখানে প্রথম জুমুয়ার নামাজ আদায় করা হয়।
আল-আজহার শীঘ্ বাকি অংশ পড়ুন...












