নদী-সাগর বেষ্টিত দেশের সর্বদক্ষিণের উপকূলীয় জেলা বরগুনা। ঐতিহ্যবাহী এ জনপদে রয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো বিবিচিনি শাহী মসজিদ। মসজিদটির স্থাপত্য রীতিতে রয়েছে মোঘল ভাবধারার ছাপ। বরগুনার বেতাগী উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে বিবিচিনি ইউনিয়নে এই মসজিদ অবস্থিত। দিগন্তজুড়ে সবুজের বর্ণিল আতিথেয়তায় উদ্ভাসিত ভিন্ন এক ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যে উঁচু টিলার ওপর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদটি। বর্ণিত আছে, এই মসজিদ ঘিরেই উপকূলীয় বাংলায় শুরু হয় ইসলামের প্রচার। কয়েকশ বছরের পুরনো এই স্থাপনা আকারে বড় না হলেও শৈলীতে বেশ রাজসিক। এই মসজিà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম অত্যাশ্চর্য মিশরের পিরামিড নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। হাজার হাজার বছর আগে নির্মিত এই বিশাল কাঠামো নিয়ে রহস্যও চলছে হাজার বছর ধরে। এত আগে কি কৌশলে এত বড় স্থাপনা তৈরি করতে পেরেছিল মিশরীয়রা, সে প্রশ্ন আধুনিককালের বিজ্ঞানীদের যুগ যুগ ধরে ভাবাচ্ছে। এবার হয়তো তার একটা নির্ভরযোগ্য জবাব পাওয়া গেল।
একদল বিজ্ঞানী মনে করছে, তারা সম্ভবত গিজা কমপ্লেক্সসহ ৩১টি পিরামিড কিভাবে তৈরি হয়েছিল, সেই রহস্যের সমাধান করেছে। চার হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে নির্মিত হয়েছিল এগুলো। গবেষকদলটি স্যাটেলাইট চিত্রসহ নানা তথ্য বিশ্লেষণ করà§ বাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা নীল মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’ নামে পরিচিত, শত শত বছর ধরে উসমানীয় স্থাপত্যের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে অভ্যর্থনা জানিয়ে আসছে।
উসমানীয় স্থাপত্যের প্রথম ছয় মিনারবিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত এবং ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক উপদ্বীপে ঐতিহ্যবাহী আয়া সোফিয়ার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এই চমৎকার মসজিদটি আজ থেকে ৪০৮ বছর আগে উন্মুক্ত করা হয়েছিলো।
কম বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করা সুলতান প্রথম আহমেদ এই মসজিদটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। এর অনন্য স্থাপত্য, প্রতীকী উপাদান এবং নির্মাণের পেছনের ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে অবস্থিত মসজিদে বাইতুর রাইয়ান। মসজিদটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে। মসজিদটিতে একসাথে আড়াই’শ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন।
এই মসজিদের সৌন্দর্য ও পরিচিতি দিনদিন জেলাসহ আশপাশের জেলাগুলোয় ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে এর সৌন্দর্যের জন্য ফরাসি ডিজাইন প্রতিযোগিতা ‘গ্লোবাল ডিএনএ প্যারিস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে। বাংলাদেশি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান কিউবইনসাইড ডিজাইন লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রধান স্থপতি খন্দকার আসিফুজ্জামান রাজন এ সম্মাননা গ্রহণ করেন। এর কারুকà বাকি অংশ পড়ুন...
অতএব, পুতুল নিয়ে খেলা সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা সকলের মতেই মানসূখ। কেননা অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে মূর্তি, পুতুল, ভাস্কর্য, ছবি ইত্যাদি তৈরি করাকে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছে এবং তৈরি করাকে কঠিন গুনাহের কারণ বলা হয়েছে।
তাই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পতুল তৈরি করা এবং পুতুল নিয়ে খেলা নাজায়িয ও হারাম।
এই চরম জাহিল ও কাট্টা মুনাফিক জানে না, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরুতে অনেক বিষয় ছিল যা পরবর্তীতে মানসুখ বা রহিত হয়ে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ পর্দার বিধান নাযিল হয়েছে পঞ্চম হিজরী সনে। পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদহ জেলায় রয়েছে হযরত পান্ডুয়া মসজিদ, আদিনা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক স্থান। ভারতের স্বাধীনতা লাভের আগে মালদহ ছিলো রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত। র্যাডক্লিফ রোদেদাদেও এক রায়ে এই জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর থানা বাদে বাকি অংশ ১৯৪৭ খৃ: ১৭ আগস্ট ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। মালদার উত্তরে বিহারের পূর্ণিয়া জেলা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা, পূর্বে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা ও রাজশাহী। পশ্চিমে বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্য।
তাঁতীপাড়া মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় মাটির à বাকি অংশ পড়ুন...
প্যারিসের লাতিন কোয়ার্টার এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গ্র্যান্ড মসজিদ ২০২৬ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। একশ বছরের এ পথচলায় এটি শুধু একটি দ্বীনি স্থাপনা হিসেবে নয়, ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) পর গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সৈনিকরা। উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা এবং ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব সৈনঠবাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ। ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধাপে মà বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পাগলা বড় মসজিদ। এই মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ ফুট ও প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটিতে রয়েছে ৩টি বিশাল গম্বুজ ও ৬টি বড় মিনারসহ আরো রয়েছে ১২টি ছোট মিনার। এছাড়াও রয়েছে ১টি বারান্দা ও বিশাল ঈদগাহ ময়দান। মসজিদের বাহিরের তুলনায় ভিতরের দৃশ্য খুবই নান্দনিক।
ফ্লোর ও চারপাশের কারুকার্য দেখে অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যায়। পুরো মসজিদের চারপাশে তিনফুট উচ্চতায় যে নান্দনিক টাইলস লাগানো হয়েছে তা আনা হয়েছে ইতালি ও ইংল্যান্ড থেকে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য রয়েছে ১টি গেইট। দৃষ্টিনন্দন দুতলা বà বাকি অংশ পড়ুন...
সব থেকে সমৃদ্ধ সংগ্রহটি রয়েছে কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে। আওরঙ্গজেবের (বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি) শাসনকাল সংক্রান্ত নথিগুলো ২১টি খণ্ডে সংরক্ষিত হয়েছে সেখানে।
প্রথম নজরে এসব নথির বড় অংশ নিতান্তই সাধারণ বলে মনে হতে পারে, যেখানে নিয়োগ, বিবাদ, সেনাবাহিনীর চলাচল, উপহার, অসুস্থতা এবং অজস্র প্রশাসনিক খুঁটিনাটি তথ্যে ভরা।
কিন্তু ফারুকির মতে, সবগুলো নথি একসাথে বিবেচনা করলে প্রায় অবিচ্ছিন্ন একটি প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়, যেগুলো থেকে বোঝা যায় কীভাবে একটি সাম্রাজ্য নিজের কর্মকাণ্ডের ওপরে নজর রাখতো।
আওরঙ্গজেবের সিংহাসনে আরোহণে বাকি অংশ পড়ুন...
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো ঠবাকি অংশ পড়ুন...












