১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
ইহা কোনো কাল্পনিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি তথ্যনির্ভর, বিশ্লেষণাত্মক ও ঐতিহাসিক অনুসন্ধান- যেখানে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাস্তব ও অন্ধকার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিটি পদক্ষেপ, চুক্তি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হয়েছে মানবাধিক বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
“বাণিজ্যের নামে শোষণ ও রক্তপাত; উন্নয়নের নামে দখল”:
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রহসনগুলোর একটি হলো-‘উন্নয়ন’ ও ‘বিনিয়োগ’-এর নামে ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা। বিশ শতকের শেষভাগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক পর্যন্ত, পৃথিবীজুড়ে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছে তিন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। জানা গেছে, তাদের মধ্যে দুজন পূর্ণমন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবে। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে- টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী আসলে কী এবং কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়?
সাধারণত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মন্ত্রী হওয়ার প্রচলিত পথ হলো জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়া। তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থনীতি, আইন, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির মতো বিশেষায়িত ক্ষেত্রগুলো সামলাতে বা কূটনৈতিক কারণে ‘টেকনোক্র্যাট মন্ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
মিমার সিনান পাশার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন:
সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ ঐতিহাসিক কনস্ট্যান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ‘ইসলামবুল’ (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শহর)। যদিও এখন ইস্তাম্বুল নামেই শহরটি পরিচিত। তারপরে উসমানীয়রা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করে এই প্রাচীন শহরটির আকাশমন্ডলীকে নতুনভাবে সজ্জিত করার পরিকল্পনা করে। আর এর পুরোভাগে ছিলেন মিমার সিনান।
মিমার সিনান পাশার বর্ণিল স্থাপত্য জীবনকে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা, শিক্ষানবিশ কাল, যোগ্যতার স্তর এবং মাস্টারস্টেজ।
শিক্ষানবিশ কাল: বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
এর মধ্যে রয়েছে সোকোল্লু মুহম্মদ পাশা, একজন অটোমান উজির বা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সুলতান সুলেমান এবং সুলতান দ্বিতীয় সেলিম এর অধীনে কাজ করেছিলেন। এছাড়াও এখানে দাফন করা হয়েছে সিয়াভুস পাসা, ১৬ শতকের আরেক উজির এবং লালা মুস্তাফা পাশা যিনি ১৬ শতকে উসমানীয় সালতানাতের জন্য সাইপ্রাস বিজয় করেছিলেন। তাদের কবরগুলো মসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত রয়েছে, যেমন আদিল সুলতান এবং তার পরিবারের অন্যান্যরাও মসজিদের পাশেই শায়িত রয়েছেন। যেখানে সুলতানদের কবর অবস্থিত সে কবরস্থানটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের পিছনে গোল্ডেন হর্ণে শহরের বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কংক্রিটের শহর রাজধানী ঢাকা। দ্রুত বর্ধনশীল এ শহরে বহুতল ভবন নির্মাণ নিত্যনৈমিত্তিক স্বাভাবিক ঘটনা। তবে সম্প্রতি পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পের পর ভবন নিরাপত্তা নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এ অবস্থায় নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই ছাড়াই আবাসিক ও বাণিজ্যিক বহুতল ভবনের নির্মাণকার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নগরবাসীর অভিযোগ অনুমোদন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এ বিষয়ে কার্যত নিষ্ক্রিয় রয়েছে।
২০০৮ সালের ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় ভবনের একাধিক নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদনের বিষয় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ভবনের নকশা অনুমোদন ও তদারকি দুটোই রাজউক করে থাকে বলে জানিয়েছেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এক্ষেত্রে তদারকির দায়িত্ব অন্য সংস্থাকে দিলে আরো যুক্তিযুক্ত ও কার্যকর হবে। ভূমিকম্পে ঝুঁকি রোধে কেবল রাজউক নয়, সরকারের অনেক সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে।
গতকাল জুমুয়াবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘ভবন মালিকদের দায়িত্বশীলতাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন তিনি।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, রাজউকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার অবস্থান অনেকটা আসামির মতো। নগর পরিকল্পনা বাকি অংশ পড়ুন...
বরিশাল সংবাদদাতা:
বরিশাল নগরীর বেলতলা এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবন পাশের নবনির্মিত একটি চারতলা ভবনের ওপর হেলে পড়েছে। ভূমিকম্পের দুইদিন পর গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) দুই ভবন মালিক টের পেয়েছেন।
বেলতলা এলাকার বাসিন্দা আসিফ মাহমুদ বলেন, মোতালেব মিয়ার পাঁচতলা ভবনটি পাশের সৌদি প্রবাসী জহির হাওলাদারের নবনির্মিত চারতলা ভবনের ওপর হেলে পড়েছে। গত জুমুয়াবারের ভূমিকম্পের কারণে ভবনটি হেলে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, মোতালেব মিয়ার ভবনের প্রত্যেকটি তলায় ভাড়াটিয়া রয়েছেন। নতুন ভবনটির কাজ চলছে। ওই ভবনের নিচতলায় শুধু বাকি অংশ পড়ুন...












