SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শরয়ী%' OR titleBn LIKE '%শরয়ী%' OR descriptionEn LIKE '%শরয়ী%' OR descriptionBn LIKE '%শরয়ী%' OR slug LIKE '%শরয়ী%' OR metaTag LIKE '%শরয়ী%' OR metaDescription LIKE '%শরয়ী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্য ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعًا
(আর যে ব্যক্তি কোন মানুষের জীবন রক্ষা করল, তাহলে সে যেন সমস্ত মানুষের জীবন রক্ষা করল)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
- হে মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাগণ! আপনারা চিকিৎসা গ্রহণ করুন। কেননা, মহান আল্লাহ পাক এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার প্রতিকারও তিনি সৃষ্টি করেননি। (আবু দাউদ শরীফ)
সুতরাং চিকিৎসা গ্রহণ করা শুধু দুনিয়াবী প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া জীবন ও স্বাস্থ্যের হক আদায়ের একটি অংশ।
বর্তমান সময়ে হা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বড় ইসতিন্জার ফরয:
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ফরয। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে)একদিরহামের বেশী পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ফরয।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ওয়াজিব। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহাম পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ওয়াজিব।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি সুন্নত। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহামের কম ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি মুস্তাহাব। বড় ইসতিন্জার মু বাকি অংশ পড়ুন...
২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ:
প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ঢাকামুখী হওয়া ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং তীব্র যানজটের অন্যতম বড় কারণ। যারা ফরয পরিমাণ দ্বীনি শিক্ষার পর অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায় তাদের জন্য ঢাকার বাইরে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে ঢাকামূখী ‘শিক্ষা অভিবাসন’ বন্ধ করা যেতে পারে।
এবং ঢাকার ওপর চাপ কমানোর জন্য ঢাকার বাইরে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি সহ নিচের পদক্ষেপগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
হীলাহ্ বিবাহ জায়েয ও শরীয়ত সম্মত এবং ফযীলতের কারণ। তবে মুত্য়াহ্ বিবাহ ও মুওয়াক্কাত বিবাহ জায়েয নেই, হারাম এবং লা’নতের কারণ। কেউ কেউ হীলাহ্ বিবাহ, মুত্য়াহ্ ও মুয়াক্কাত বিবাহের মধ্যে পার্থক্য না বুঝার কারণে হীলাহ্ বিবাহকে নাজায়েয ও লা’নতের কারণ বলে থাকে। যা শরীয়ত সম্মত নয়।
শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার ত্বালাকপ্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করে, ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর ত্বালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন প্রাণীর কোন এক অঙ্গ যেমন- কান, লেজ ইত্যাদির এক তৃতীয়াংশের বেশী নষ্ট হয়ে গেলে তা দ্বারা কুরবানী করা জায়িয নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন দাঁত অর্ধেকের বেশী যদি থাকে, তাহলে তা দিয়ে কুরবানী করা দুরুস্ত রয়েছে।
এ উছুলের উপর ক্বিয়াস করে কোন কোন আলিম নামধারী মূর্খ ও গোমরাহ লোকেরা বলে থাকে যে, খাসী ও বলদ ইত্যাদি প্রাণী দ্বারা কুরবানী করলে নাকি কুরবানী দুরুস্ত হবে না। নাউযুবিল্লাহ! অথচ এ ধরণের ক্বিয়াস অশুদ্ধ, নাজায়িয এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিরোধী।
হযরত ইবনে হাজার আসক্ বাকি অংশ পড়ুন...
আর এ সম্পর্কে আমরা সামনে আলোচনা করবো যাতে বিষয়গুলি মানুষ উপলদ্ধি করতে পারে।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক অনেক মহান একটা বিষয়।
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
নিশ্চয়ই আপনার (ও আপনাদের) আলোচনা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করা হয়েছে। সেই মহান আলোচনা মুবারক, সেই মহান শান মুবারক উনাদের। কাজেই সেটা ফিকির করতে হবে।
ফিকির করে সেভাবে বলতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়। এখানে কারো কোন রুখছতের সুযোগ নেই, কারো কোন ইখতিয়ার নাই। যে ইখাতিয়ার খাটাবে সে নিজে জাহান্নামী হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! বিনা চূ-চেরা, বাকি অংশ পড়ুন...
দুম্বা কুরবানী : দুম্বা কুরবানীর ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ وَاَنَا اُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ.
অর্থ : “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্র্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দু’টি দুম্বা কুরবানী করতেন। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও কুরবানী আদায় করতেন দু’টি দুম্বা দিয়ে।” (বুখারী শরীফ : পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৫৫৫৩)
মেষ কুরব বাকি অংশ পড়ুন...
শরয়ী প্রকাশ্য বাধা থাকলে।
অত্যাচারী শাসকের কারণে ঈমান ও আমল এবং জান ও মালের নিরাপত্তা না থাকলে।
কঠিন অসুস্থতা থাকলে।
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা খাছ সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুন্নতে খলীল আলাইহিস স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...












