নূরপুরের উগ্র হিন্দুর নৃশংসতা এবং দেশের মুসলিমদের নিরাপত্তা:
প্রয়োজন শরয়ী সর্বোচ্চ শাস্তি
, ১৬ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৩ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০২ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
সম্প্রতি নূরপুরে ঘটে যাওয়া এক বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমগ্র দেশবাসীকে স্তব্ধ ও গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। একই পরিবারের চারজন নিরপরাধ মানুষকে একজন মা ও তাঁর তিন সন্তানকে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসীদের চরম স্পর্ধাকে প্রকাশ করে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অন্তর নামের উগ্র হিন্দুটাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও এই ঘটনাটি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা নিয়ে গভীর ও মৌলিক কিছু প্রশ্ন সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।
নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। একের পর এক এ ধরণের নৃশংস অপরাধ ঘটে চলা সত্ত্বেও অপরাধীদের কঠোর ও দ্রুততম সময়ে শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই দৃশ্যমান স্থবিরতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কার্যকারিতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। যখন সাধারণ মানুষ নিজেদের ঘরেও নিরাপদ বোধ করে না তখন তা সামগ্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থাকে চিরতরে শিথিল করে দেয়। আমরা প্রশাসনকে অনতিবিলম্বে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
একই সাথে, এই ঘটনার পর মূলধারার বেশ কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকা আমাদের গভীরভাবে আশাহত করেছে। অপরাধীর হিন্দু পরিচয় প্রকাশে এক ধরণের রহস্যজনক নীরবতা বা এড়িয়ে যাওয়ার নীতি গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাকে কেবল সংখ্যালঘু কার্ড ব্যবহার করে
বিশেষ কোনো সহানুভূতি বা আইনি শিথিলতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
তবে নূরপুরের এই বর্বরোচিত ঘটনাকে কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বা সাধারণ হত্যাকা- হিসেবে দেখার সুযোগ আছে বলে আমরা মনে করি না। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এক শ্রেনীর উগ্র হিন্দু গোষ্ঠীর তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আইনি পেশার আড়ালে থেকে সন্ত্রাসী চৈতালি রায়ের মতো ব্যক্তিরা যখন প্রকাশ্য জনসভায় বাংলাদেশের ভূখ- ভেঙে রংপুরকে আলাদা প্রদেশ বানানোর ধৃষ্টতাপূর্ণ হুমকি দেয়, তখন এটি আর সাধারণ অপরাধ থাকে না বরং তা সরাসরি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং অখন্ডতার বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্রে রূপ নেয়। অন্যদিকে, যখন কোনো ব্যক্তি প্রকাশ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হিংসা ও জাতিগত সংঘাতের উসকানি দেয় তখন তা আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার পায়তারা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাষ্ট্র ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনার নাকের ডগায় বসে এমন ভয়াবহ বক্তব্য দেওয়ার সাহস তারা কীভাবে পায়, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। এদেরকে ফাসি দিতে হবে।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই- যারা উগ্র হিন্দুদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় দেশের মানচিত্র খ--বিখ- করার স্বপ্ন দেখে এবং নিরপরাধ মুসলিম পরিবারকে একসঙ্গে হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটায়, তাদের আর ছাড় দেওয়া যাবে না। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, নূরপুরের এই নৃশংস ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্য দেওয়া চৈতালি রায় এবং সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শরয়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। দেশের অখ-তা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকারকে এখনই সতর্ক ও আপসহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নইলে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান ফুঁসে উঠে সবকিছু তছনছ করে দিবে।
-মুহম্মদ মুশফিকুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ন্যাটোর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে- যদি ন্যাটোভুক্ত কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত। অথচ শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ! প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস সাম্রাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক। কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু করেছে। তবে এটি আন্তরিক বা জোরদার নয়। এবং সব মুসলিম শাসকেরও বক্তব্য নয়।
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সর্বহারা পার্টির তাত্ত্বিকদের বই
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
২৫ মার্কিন কোম্পানী, ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিশাল বড় অনুলিপি এরা বাংলাদেশের গোটা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ আম্রিকায় অর্থ পাচার, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে। বিশাল মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশ সরকারের দেয়া অতি সুবিধার কারণে এরা বাংলাদেশের শিল্পপতিদের তথা ব্যবসায়ীদের ধ্বসিয়ে দিবে।
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক বছরের পর বছর চালু রেখে এক সময় বিয়ে না করলে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষক হয় পুরুষ।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এখন চাপ আর চাপ এসব চাপকে- জনগণের নিজের মনে করতে হবে।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ হাজার একরের বেশি জমি ভারতের দখলে। উদ্ধারে নেই সরকারের সক্রিয়তা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
১৯৪৭ সালের বেনিয়া বৃটিশদের দেশবিভক্তির দোহাই দিয়ে এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের ভূখন্ড দাবী করছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












