দুই কুচক্রী ইহুদীর কঠিন পরিণতি:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন সম্মানিত ইসলাম উনার একজন অন্যতম বীর সিপাহসালার, ইনসাফগার সুলতান এবং বিশিষ্ট বুযূর্গ। উনার সম্মানিত মাজার শরীফ সিরিয়ার দামেস্কে অবস্থিত।
তারীখুল খমীস, নুযহাতুন নাযিরীনসহ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “নিশ্চয়ই উল্লেখিত সুলতান (হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি) তিনি সবসময় রাত্রে ছলাতুত তাহাজ্জুদ আদায় করতেন এবং সম্মানিত ওযীফাসমূহ পাঠ করতেন। (৫৫৭ হিজরী শরীফ উনার কোন এক রাতে) তিনি তাহাজ্জুদ আদায়ের পর ঘু বাকি অংশ পড়ুন...
এক খ্রিষ্টান পাদরি:
অন্তর প্রশান্তকারী এই ঘটনার খবর গিয়ে পৌঁছলো খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট। শুনে তিনি এতটাই আনন্দিত হলেন যে, কখনও এতটা আনন্দিত হননি কোনো অভিযানে বিজয় বা গনিমত অর্জনের পর! তিনি আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে বললেন, ‘এখন ইসলাম সম্মানিত হলো।’ ইসলামের স্বকীয়তা বজায় রইলো! কতগুলো ছোট্ট শিশু তাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কথা শুনলো, অতঃপর রেগে উঠলো এবং বিজয় লাভ করলো। এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক বাকি অংশ পড়ুন...
ইবরাহীম আল-ফাযারী:
কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, ‘যখন তার ফাঁসির কাষ্ঠ উপরে উত্তোলন করা হলো এবং তার থেকে ফাঁসি কার্যকরী ব্যক্তিদের হাত সরে গেলো, হঠাৎ কাষ্ঠ নরাধমটার চেহারা কিবলার দিক থেকে ফিরিয়ে দিলো। ঠিক তখনই কোথা থেকে দৌড়ে এসে একটি কুকুর নরাধমটার দেহ থেকে দরদর করে বেয়ে পড়া জমাট রক্তে মুখ লাগিয়ে চপচপ করে তা পান করে নিলো!
এই ঘটনাটি উপস্থিত সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক বিরাট নিদর্শন ছিলো। এটা দেখে সকলেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে তুললো। তখন কাযী ইয়াহইয়া বিন উমর বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার যে ষড়যন্ত্র করেছিলো, সেটা বাস্তবায়ন করার কোনো সুযোগ না পেয়ে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ওরে মহান আল্লাহ পাক উনার দুশমনরা! তোদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অভিশাপ বর্ষিত হোক।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
আমির বিন তুফাইল, আরবাদ বিন ক্বাইস। তারা ছিলো বনূ আমীরের গোত্র প্রধান। আরবের অধিকাংশ লোক যখন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ছায়াতলে প্রবেশ করেছেন তখনও এই দুই অভিশপ্ত ঈমানতো আনেইনি বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। গোত্রের সবাই ঈমান গ্রহণ করেছেন, এই কথা বলে আমির বিন তুফাইলকে বলা হলো সেও যেন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সে বললো, ‘আমি শপথ নিয়েছি, সমগ্র আরব জাতি আমার নেতৃত্ব মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমি থামবো না। আজ কিনা কুরাইশ গোত্ বাকি অংশ পড়ুন...
হুয়াইরিছ ইবনে নুকাইদ:
হুয়াইরিছ সে পবিত্র মক্কা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে এবং উনার শান মুবারকে সে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করতো। নাঊযুবিল্লাহ!
‘শিফাউল গুরাম’ কিতাবে এসেছে- সে হচ্ছে হুয়াইরিছ ইবনে নুকাইদ; যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বানাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করেছিলো, যখন (উনার হিজরত মুবারককালে) সে এবং হযরত হাব্বার ইবনে আসওয়াদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ধ বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
তাদের চোখে মুখে বিস্ময় ও ব্যাকুলতা ফুটে উঠলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে তাকিয়ে তারা বলতে লাগলো, ‘আপনি কি জানেন আপনি কি বলছেন?! একথা কি আমরা ‘বাযান’ কে লিখে জানাবো?
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, অবশ্যই, লিখে দাও এবং তাকে এটাও জানিয়ে দাও, আমার সম্মানিত দ্বীন খুব শিগগির পারস্য শাসক কিসরার সাম্রাজ্যের শেষ সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। বাযান যদি ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে আমি তাকে দান করবো সেই বিস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
পারস্য শাসক কিসরা উনাকে এগিয়ে আসতে দেখেই দরবারের একজনকে ইঙ্গিত করলো চিঠি মুবারক উনার থেকে নেওয়ার জন্য।
তিনি অন্য কারো হাতে চিঠি মুবারক দিতে অস্বীকার করে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা সরাসরি পারস্যের শাসকের হাতে দিতেই আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন। কিসরা বললো, ‘তাহলে উনাকে আসতে দাও।’ তিনি কিসরার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সরাসরি তার হাতে চিঠি মুবারক হস্তান্তর করলেন।
এরপর কিসরা ইরাকের হীরা-অঞ্চলের একজন আরবী জানা লোককে ডেকে চিঠির বক্তব্য পারস্যভাষায় তাকে বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার ষষ্ঠ বছর। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সিদ্ধান্ত মুবারক নিলেন সম্মানিত ইসলাম গ্রহণের আহ্বান সম্বলিত চিঠি মুবারক দিয়ে একদল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে বিভিন্ন অনারব শাসকদের কাছে পাঠাবেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্যক অবগত ছিলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের ঝুঁকি ও বিপদ সম্পর্কে।
কারণ, এইসব দূত (পত্রবাহক) উনারা যাচ্ছেন অজানা, অচেনা দুর্যোগ-দুর্ঘটনার সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদী মহিলা আছমা বিনতে মারওয়ান:
এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন-
إذَا أَحْبَبْتُمْ أَنْ تَنْظُرُوا إلَى رَجُلٍ نَصَرَ اللهَ وَرَسُولَهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْغَيْبِ فَانْظُرُوْا اِلٰى حَضْرَتْ عُمَيْرِ بْنِ عَدِىٍّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ
‘আপনারা যদি এমন একজন ব্যক্তিত্ব উনাকে দেখতে চান যিনি অদৃশ্যে (গোপনে) মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের গো বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আফাক:
তাদের এই কথার জবাবে হযরত নাহদিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি নিম্নোক্ত কবিতা পাঠ করেন-
تُكَذّب دِينَ اللّهِ وَالْمَرْءَ أَحْمَدَا ... لَعَمْرُ الّذِي أَمْنَاكَ إذْ بِئْسَ مَا يُمْنَى
حَبَاك حَنِيفٌ آخِرَ اللّيْلِ طَعْنَةً ... أَبَا عَفَكٍ خُذْهَا عَلَى كِبَرِ السّنّ
فَإِنّي وَإِنْ أَعْلَمْ بِقَاتِلِك الّذِي ... أَبَاتَك حِلْسَ اللّيْلِ مِنْ إنْسٍ اوْ جِنّي
‘তুমি মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বীনকে মিথ্যা বলো এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দম্ভভরে অস্বীকার করো। সেই মহান সত্তা উনার ক্বসম, যিনি তোমাকে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, কি নিকৃষ্ট সেই নিরাপত্তা।
রাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
আব্দুল্লাহ ইবনে ক্বামীয়াহর চরম পরিণতি:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- পবিত্র উহুদ যুদ্ধ থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে কামিয়াহ পবিত্র মক্কা শরীফে ফিরে আসে। এরপর সে তার মেষপালের খোঁজে পাহাড়ের দিকে যায়। কারণ, তার মেষপাল পাহাড়ে চড়তো। সে দেখতে পায়, মেষপাল পাহাড়ের চূড়ায় চড়ছে। সে পাহাড়ের চূড়া বেয়ে উঠে মেষের পাল তাড়িয়ে আনতে গেলে হঠাৎ করে শক্তিশালী একটা ছাগল তাকে শিং দিয়ে প্রচ- জোরে গুঁতা মারে। গুঁতার ধাক্কা সামলাতে না পেরে সে মাটিতে পড়ে যায়। সে আর মাটি থেকে উঠতে সক্ষম হয়নি। ছাগলটি তাকে একের পর এক গুঁতা মারতে থাকে, আর সে গড়াতে গড়াতে নিচে পড়তে থাকে। ত বাকি অংশ পড়ুন...












