পাঠক কলাম:
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
, ২৫ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
ন্যাটোর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে-
যদি ন্যাটোভুক্ত কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত।
অথচ শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস সাম্রাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক।
কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু করেছে।
তবে এটি আন্তরিক বা জোরদার নয়। এবং সব মুসলিম শাসকেরও বক্তব্য নয়।
কাজেই মুসলিম বিশ্বের সব সাধারণ মুসলমানকে- “সারা বিশ্ব মুসলিম একটি দেহ”- এই হাদীছ শরীফের আদর্শে জজবাপ্লুত হয়ে শাসকদের বাধ্য করে;
মুসলিম বিশ্ব সামরিক জোট গঠন করে এর সুফল পেতে হবে ইনশাআল্লাহ।
নুমান ইবনে বাশীর রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মুমিনদের একে অপরের প্রতি সম্প্রীতি, দয়া ও মায়া-মমতার উদাহরণ (একটি) দেহের মত। যখন দেহের কোন অঙ্গ পীড়িত হয়, তখন তার জন্য সারা দেহ অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়।’ [বুখারি ৬০১১, মুসলিম ২৫৮৬, আহমদ ১৭৮৯১, ১৭৯০৭, ১৯৯২৬, ১৭৯৪৯, ১৭৯৬৫]
পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রকৃত মুমিনদের কেমন হতে হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ হাদীছে তা একটি দৃষ্টান্তের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি ঈমানকে তুলনা করেছেন শরীরের সঙ্গে এবং মুমিনকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঙ্গে। কেননা ঈমান হচ্ছে মূল আর শরঈ বিধানাবলী তার শাখা-প্রশাখা। কোনও ব্যক্তি যখন বিধানাবলী পালনে ত্রুটি করে, তখন তার মূল ঈমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঠিক এরকমই শরীর হচ্ছে গাছের কা-ের মত মূল আর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ডালপালার মত তার শাখা। শরীরের কোনও অঙ্গ যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে, যেমন গাছের কোনও ডালে আঘাত করলে সমস্ত শাখা-প্রশাখায় নাড়া পড়ে যায়।
এ পবিত্র হাদীছ শরীফে মুমিনদেরকে একটি দেহের সঙ্গে তুলনা করে মূলত এই আদেশ করা উদ্দেশ্য যে, কোনও ব্যক্তির অঙ্গবিশেষ অসুস্থ হয়ে পড়লে যেমন তার ব্যথা-বেদনা সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, তেমনি মুমিনগণও যেন সকলে মিলে এমন একাত্মা ও একদেহতুল্য হয়ে যায় যে, তাদের কোনও একজন দুঃখ-কষ্টে পড়লে সকলেই তার সমব্যথী হবে এবং তাকে তা থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করবে। অপর এক হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
‘মুসলিমগণ সকলে মিলে এক ব্যক্তিতুল্য, যার চোখ অসুস্থ হলে সারা শরীর অসুস্থ হয়ে যায় এবং মাথা অসুস্থ হলে সারা শরীর অসুস্থ হয়ে যায়।
গভীর দুঃজনক আর চরম আফসোসের বিষয় হলো- এই পবিত্র হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমান নেয়নি। নিয়েছে- ইহুদী, খ্রিষ্টান, কাফির মুনাফিক। নাউযুবিল্লাহ!
১৯৪৯ সালের এপ্রিলে- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরও আটটি ইউরোপীয় দেশসহ ১২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। পরে কয়েক দশক ধরে জোটটি বড় হতে থাকে। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২।
ন্যাটোর মূল ধারাগুলোর সারসংক্ষেপ: ন্যাটো চুক্তি (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি) ন্যাটোর আইনি ভিত্তি এবং এর মূল নীতিগুলো নিয়ে গঠিত। এর প্রধান ধারাগুলো হলো: ধারা ৪ (অৎঃরপষব ৪): যখন কোনো সদস্য দেশের আঞ্চলিক অখ-তা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, বা নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, তখন সদস্য দেশগুলো পারস্পরিক আলোচনার জন্য মিলিত হতে পারে। ধারা ৫ (অৎঃরপষব ৫): এটি যৌথ প্রতিরক্ষা নীতি। যদি কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত। ধারা ৬ (অৎঃরপষব ৬): ধারা ৫ এর প্রয়োগের ভৌগোলিক সীমা নির্ধারণ করে (ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায়) এবং ন্যাটো সদস্য দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা অপারেশনগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। ধারা ৫ (অৎঃরপষব ৫) এর বিস্তারিত: মূল নীতি: সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির বিরুদ্ধে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় কোনো সশস্ত্র আক্রমণ হলে, তা সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে বিবেচিত হবে। দায়বদ্ধতা: এই অবস্থায়, প্রতিটি সদস্য দেশ, এককভাবে বা অন্যান্য সদস্যদের সাথে মিলে, আক্রান্ত পক্ষকে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। পদক্ষেপ: এই পদক্ষেপের মধ্যে সশস্ত্র বল প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
৯/১১ হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ন্যাটোর পূর্ণশক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল।
এদিকে ন্যাটোর সদস্য না হওয়ার পর শুধুমাত্র আনুগত্যতা এবং আগ্রহ প্রকাশ করায় ন্যাটোর মহাসচিব জেনারেল জেনস সম্প্রতি জানিয়েছে সম্মিলিত শক্তি, পূর্ব ইউরোপে অতিরিক্ত বাহিনী ও অস্ত্রশস্ত্র প্রেরণের মাধ্যমে রুশ আগ্রাসন মোকাবিলায় ইউক্রেনকে শক্তিশালী করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ইতিমধ্যে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠিয়েছে। সেনা বাহিনীকে উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ৩০০ জ্যাভেলিন অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল, ৮০০ বাংকার বিধ্বংসী বোমা ও কয়েক হাজার কেজি প্রাণঘাতী গোলাবারুদ পাঠিয়েছে ইউক্রেনে। যুক্তরাজ্যে ইউক্রেনে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক অস্ত্র পাঠিয়েছে। চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার ইউক্রেনে ১৫২ মিলিমিটার ক্যালিবারের ৪ হাজার আর্টিলারি শেল পাঠিয়েছে।
অথচ গাজায় কাস্মীরে, ভারতে লাখ লাখ মুসলমান নির্মমভাবে শহীদ হলেও কোনো মুসলিম দেশ জবাব দেয়না।
বিশেষ করে শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ!
গত ৯ সেপ্টেম্বর হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে কাতারে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে কাতারসহ মুসলিম বিশ্ব নড়েচড়ে বসে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন। এর আগে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক সভায় জোরালো বক্তব্য তুলে ধরেন। সম্মেলনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেন, ইসরায়েলের আগ্রাসন স্পষ্ট। তাদের কর্মকা- বিশ্বাসঘাতকতামূলক ও কাপুরুষোচিত। তারা গাজা যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। ওইআইসি’র মহাসচিব হিসেন ইব্রাহিম তাহা বলেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ অবস্থান নেওয়ার এখনই সময়। আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত ইসরায়েলকে একটি ‘দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করেছে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার অবসান ঘটানোর আহ্বান জানায়।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-সুদানি আরব ও ইসলামি রাষ্ট্রগুলোর সম্প্রদায়ের জন্য ন্যাটোর আদলে প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এই অঞ্চলের জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আহ্বান জানান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মুসলিম নেতাদের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য নিজেদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করা উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কেবল একটি স্পষ্ট বিকল্প আছে, তা হলো ঐক্যবদ্ধভাবে হাতে হাত রেখে দাঁড়ানো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সব মুসলিম ভাই ভাই। তাই আমাদের একটি দেহের মতো থাকা উচিত।”
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার ফিলিস্তিন সংকট মোকাবিলায় স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আরব দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা রক্ষায় সম্মিলিত নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। এই বাহিনীতে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তানও দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক।”
প্রসঙ্গ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির খুঁটিনাটি তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, চুক্তি অনুযায়ী, প্রয়োজনে পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারবে সৌদি আরব।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে শীঘ্রই যুক্ত হতে চলেছে তুরস্ক।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় এই জোট গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ দিবে ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ এই চতুর্মুখী জোটে যোগ দিলে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে একটি নতুন ধরনের নিরাপত্তা সহযোগিতার সূচনা হবে পূর্ণ ইনশাআল্লাহ।
তবে এর বিস্তার ঘটাতে হবে। অর্থাৎ ৫৭টি মুসলিম দেশকেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
তাহলেই বিশ্ব ডাকাত যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য তথা কাফির বিশ্বকে মুসলমানরা কান ধরে উঠাতে বসাতে পারবে ইনশাআল্লাহ!
প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস ও সামাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক।
কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু করেছে। তবে এটি আন্তরিক বা জোরদার নয়। এবং সব মুসলিম শাসকেরও বক্তব্য নয়।
কাজেই মুসলিম বিশ্বের সব সাধারণ মুসলমানকে- “সারা বিশ্ব মুসলিম একটি দেহ”- এই হাদীছ শরীফের আদর্শে জজবাপ্লুত হয়ে শাসকদের বাধ্য করে; মুসলিম বিশ্ব সামরিক জোট গঠন করে এর সুফল দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












