মন্তব্য কলাম
সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার রোবে, দোয়ার বরকতে- কুদরতীভাবে কমে যাচ্ছে ডলারের আধিপত্য বাংলাদেশের রিজার্ভ ডলারে রাখা উচিৎ নয়- এতে লাভ আমেরিকার মুসলিম বিশ্বে অভিন্ন মুদ্রা ব্যবস্থা বিশেষত মূল্যহীন কাগজী মুদ্রা বাদ দিয়ে সুন্নতী দিনার-দিরহাম মুদ্রা চালু করা আবশ্যক ইনশাআল্লাহ (দ্বিতীয় পর্ব)
, ০৮ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০১ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
ফরেইন রিজার্ভ বলতে বিদেশের সাথে লেনদেন যোগ্য টাকা বা সম্পদকে বুঝায়। মানে বিদেশীরা দ্রব্য বা সেবার বিনিময়ে যা নিতে রাজি আছে তা। ডলার, ইউরো, রুপী, স্বর্ণ, ইত্যাদি যা কিছু দিয়ে বিদেশের সাথে লেনদেন করা যাবে তা ই ফরেইন রিজার্ভ। এর মোট পরিমাণকে একটি দেশের ফরেইন রিজার্ভ বলে।
আমাদের মুদ্রার নাম টাকা। আমরা চাইলে বিলিয়ন, বিলিয়ন টাকা ছাপাতে পারি। কিন্তু বিদেশীরা এই টাকা নিবে না। আমরা তেল আমদানির বিপরীতে যদি টাকা দিতে চাই ওরা মানবে না, বলবে ডলার বা ইউরো দাও। স্বর্ণ দিলেও মানবে। সেজন্য অন্যদের গ্রহণযোগ্য মুদ্রায় রিজার্ভ রাখতে হয়।
রিজার্ভ রাখা হয় বিদেশ থেকে আমদানি করার জন্য, বিদেশের ঋণ পরিশোধ করার জন্য বা বিদেশকে ঋণ বা সাহায্য দেওয়ার জন্য। রিজার্ভ এর প্রধান তিনটি কাজ হলো-
১. আমদানি ব্যয় মেটানো
২. মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ করা
৩. রাষ্ট্রের জনগণ ও বিদেশীদের আস্থা ঠিক রাখা
ধরা যাক, একটা ফিল্টার আনা হবে চায়না থেকে ২০০ ডলার মূল্যের। এর জন্য সোনালী ব্যাংকে গিয়ে এলসি খুলে টাকা জমা দেয়া হল ২০০ ডলার হিসাব করে। সোনালী ব্যাংক থেকে টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংক এ যাবে আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২০০ ডলার বিদেশে চলে যাবে। এভাবে সকল আমদানির খরচ বা যেকোনো উদ্দেশ্যে বিদেশে টাকা পাঠালে সেটা ডলার হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে যাবে। অর্থাৎ সকল বিদেশি আদান-প্রদানের চুড়ান্ত লেনদেন হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে।
একইভাবে একজন প্রবাসী সৌদি আরব থেকে ২০০০ রিয়াল বা সমপরিমাণ ধরে ৫০০ ডলার পাঠালো ইসলামী ব্যাংকের একটা একাউন্টে। ডলারটা ঐ দেশের ব্যাংক থেকে আসবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার রেখে দিয়ে সমপরিমাণ টাকা ইসলামী ব্যাংককে দিবে, ইসলামী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা গ্রাহককে ঐ টাকাটা দিয়ে দিবে।
রেমিট্যান্স ছাড়াও সকল রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। বিদেশে ইলিশ রপ্তানি করলে বিদেশ থেকে ডলার আসবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার রেখে আপনাকে টাকা দিয়ে দিবে।
আমদানি বেড়ে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংককে ডলার বেশি দিয়ে দিতে হয়, রিজার্ভ কমে। রপ্তানি বেশি হলে, রেমিট্যান্স বেশি আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার বেশি জমা হয়, রিজার্ভ বাড়ে।
রিজার্ভ মানে বিদেশী মুদ্রা বা সম্পদ যেটা বিদেশীরা বিনিময় হিসেবে আবার নিবে। বিদেশের সাথে সকল লেনদেন হয় (আমদানি-রপ্তানি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক জানে তার কাছে কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আছে।
রিজার্ভ কিছু অংশ দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে (বিদেশি কাগুজে মুদ্রায় বা স্বর্ণে), কিছু অংশ বিদেশের ব্যাংকে রাখে। বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভ কিন্তু আমেরিকার ফেডারেল ব্যাংক থেকে চুরি হয়েছিল। ঐ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্ট আছে। (হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের ঢাকা অফিসের কম্পিউটার হ্যাক করে ওখান থেকে অনলাইনে লেনদেন করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংক থেকে ফিলিপাইনে টাকা নিয়ে যায়।)
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বড় একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভে জমা রাখে। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, কোনো একটি দেশের অন্তত তিন মাসের আমদানির সমপরিমাণ অর্থ রিজার্ভ রাখা নিরাপদ। ফেডারেল রিজার্ভে মার্কিন ডলারে রিজার্ভ রাখা উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কতটা উপকারী, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া এখন প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
রিজার্ভের অর্থ দুর্দিনে কাজে লাগে-যেমন বন্যা-খরার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ফসলহানি হলে রিজার্ভের অর্থ দিয়ে খাদ্য আমদানি করা যায়। তবে এর মধ্য দিয়ে গরিব দেশগুলো থেকে অর্থ ধনী দেশে চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে এসব দেশের সুদহার ও মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোতে বিপর্যয়ের শঙ্কা থেকে যায়। মনে করা হয়, ধনী দেশ থেকে ঝুঁকি উল্টো দরিদ্র দেশে চালান হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদ জোসেফ মনে করে, গত চার দশকে বিশ্বে যত সংকট হয়েছে, বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোতে, তার একটি কারণ এই রিজার্ভ-ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার কিছুটা সংস্কার করা হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি আরও স্থিতিশীল ও শক্তিশালী হতো।
২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ফেডের কাছে গচ্ছিত রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ২৪ হাজার কোটি ডলার। ইদানীং ট্রেজারি বিলের সুদহার বাড়লেও ২০২২ সালের আগপর্যন্ত তা বেশ কম ছিল। মেকিং গ্লোবালাইজেশন ওয়ার্ক শীর্ষক বইয়ে জোসেফ বলেছে, রিজার্ভের অর্থ স্বল্প সুদে যুক্তরাষ্ট্রকে ধার না দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে উন্নয়নশীল দেশগুলো অনেক বেশি লাভবান হতো। কারণ, উন্নয়নশীল দেশগুলো অর্থের অভাবে অনেক প্রকল্প হাতে নিতে পারে না।
দেখা যাক, যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে লাভবান হচ্ছে। প্রথমত, মার্কিন সরকার স্বল্প সুদে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে এই রিজার্ভের অর্থ থেকে ঋণ নিচ্ছে। এই অর্থ তারা উন্নয়নমূলক কাজে বা জনগণের সামাজিক নিরাপত্তায় ব্যবহার করে। রিজার্ভ-ব্যবস্থা না থাকলে তার পক্ষে এত ঋণ করা হয়তো সম্ভব হতো না।
দ্বিতীয়ত, ধরা যাক, কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাজারের নির্ধারিত সুদহারে ১০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়, স্বল্পমেয়াদি ঋণের অন্তত সমপরিমাণ রিজার্ভ রাখা হোক। এখন সেই দেশ ঋণের বিপরীতে ফেডের কাছে সমপরিমাণ অর্থ রিজার্ভ রাখল। সেই বেসরকারি ব্যাংক যে সুদে দেশটিকে ঋণ দিয়েছে, মার্কিন সরকার ট্রেজারি বিলের বিপরীতে দেশটিকে সমপরিমাণ সুদ দেয় না। ফলে যুক্তরাষ্ট্র দরিদ্র দেশগুলোকে যে অর্থ দেয়, তার চেয়ে অনেক বেশি তাদের কাছ থেকে নিয়ে যায়।
ডলারে আধিপত্য কমলেও রিজার্ভ মুদ্রা বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের জায়গা ইউয়ান বা ইউরো নেবে-শিগগির এমন সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তবে ইউয়ান, ইউরোর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। অন্য কোনো মুদ্রা ডলারের জায়গা নিলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ডলারভিত্তিক রিজার্ভ-ব্যবস্থা কীভাবে অর্থনীতির রাশ টানছে, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। সেটা হলেই কেবল আগের চেয়ে ভালো কোনো ব্যবস্থার দিকে যাওয়া সম্ভব।
প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শত শত কোটি ডলারের রিজার্ভ রাখছে, তাতে অর্থনীতিতে চাহিদার সংকট হচ্ছে বলে মনে করছে অর্থনীতিবিদেরা। শক্তিশালী বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী চাহিদা প্রয়োজন। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা উৎপাদনের জন্য যথাযথ সক্ষমতা দরকার। অর্থনীতিবিদেরা বলছে, রিজার্ভের বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা থাকায় তা কাজে আসে না। বিদ্যমান বাস্তবতায় বিশ্বের অনেক দেশের পক্ষে সে চাহিদা তৈরি করা সম্ভব হয় না বলে এই শূন্যতা নানাভাবে পূরণ করা হয়। অতীতে অনেক উন্নয়নশীল দেশ এসব ক্ষেত্রে মুদ্রা ও রাজস্ব নীতির রাশ ছেড়ে দিত। ফলে সরকার সাধ্যের অতিরিক্ত ব্যয় করে ফেলত। পরিণাম-আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি করে তারা ঋণের চক্রে পড়ে যায়।
রিজার্ভে অর্থ রাখায় অন্যান্য দেশের সামগ্রিক চাহিদা কমলেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের চূড়ান্ত বা শেষ ভোক্তা হয়ে উঠেছে। তারা ঋণ করে বিপুল ঘাটতি বাজেট নিয়ে চলতে পারে। বিশেষ করে ২০০০ সালের পর থেকে বিপুল অঙ্কের ঘাটতি নিয়ে তারা চলছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্বল্প সুদে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণ দেওয়ায় সে দেশের রাজনীতিকেরা সুবিধা পাচ্ছে। ডলার বিশ্বের একটি রিজার্ভ মুদ্রা হওয়ায় তারা করহার কমিয়েই যাচ্ছে, আর ধনীরা নানা ধরনের ছাড় পাচ্ছে।
আরেকটি বিষয় হলো, চলমান যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান রয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় নাগরিকদের প্রণোদনা দিতে মার্কিন সরকার তিন লাখ কোটি ডলার সমপরিমাণ মুদ্রা ছেপেছিল।
মোট তিন দফায় তারা নাগরিকদের প্রণোদনা দিয়েছে। এতে একসময় মানুষের হাতে অনেক অর্থ জমে যায়। অন্যদিকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা চাপে পড়ে। উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ে, দাম বাড়ে খাদ্যের। পরিণামে শুরু হয় উচ্চ মূল্যস্ফীতি। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গতকাল ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশালভাবে অনুষ্ঠিত হলো সুন্দরবন সম্মেলন সুন্দরবন ধ্বংসে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে ক্রমেই ছোট হচ্ছে সুন্দরবন, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য আমাদের পরম প্রয়োজনীয় সুন্দরবন, এই সুন্দরবন বাঁচলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের ফুসফুস সুন্দরবনকে বাঁচাতে হবে ইনশাআল্লাহ
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রায় ৩ কোটি নাগরিকের বসবাসের কারণে ঢাকা শহর এখন সূর্যালোকের তীব্র অভাব ঢাকাবাসীর ভিটামিন ডির চরম অভাব ভিটামিন ডির অভাবে চলছে নীরব মহামারি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্থ নাগরিক সুস্থভাবে বাঁচতে ঢাকায় বিকেন্দ্রীকরণ জরুরী
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সঠিক পরিসংখ্যান ও জরিপের অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার সঠিক পরিসংখ্যান ছাড়া শুধু অর্থনীতিই নয় কোনো খাতেরই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা সম্ভব নয় বাজার নিয়ন্ত্রণে চাই সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত জরিপ তথা পরিসংখ্যা
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ডানে সেলফি বামে সেলফি, সেলফি সেলফি সেলফি উন্মাদনায় সমাজে ব্যাপকভাবে বেড়েছে হত্যা, আত্মহত্যা, সম্ভ্রমহরণ, সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানা অপরাধ। বিভিন্ন দেশে সেলফি’র উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করলেও বাংলাদেশে কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা ‘আইএমএফের চাপে’ নতুন করের বোঝা বাড়ছে ৫৫ হাজার কোটি টাকা আইএমএফের শর্ত মানতে গিয়ে সরকারকে জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ এবং সামাজিক খাতে ভর্তুকি কমাতে হয়। এতে সমাজের নিচের স্তরের মানুষের ওপর চাপ বাড়ে।
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশে মজুদ খনিজ সম্পদের অর্থমূল্য প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি কিন্তু উত্তোলনে বিনিয়োগ নাই বললেই চলে অথচ দেশ থেকে অর্থ পাচারের পরিমাণ ২০ লাখ কোটি টাকা সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা এসব টাকা খনিজ সম্পদ উত্তোলনে ব্যয় করলে ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সুফল দেশবাসীকে দেয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ!
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উচ্চ সুদহার ব্যবসায়ীরা আর সহ্য করতে পারছেন না। ‘অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এবং উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) ব্যবসায়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এআইটি ও টিডিএস আসলে ট্যাক্স টেরোরিজম বা কর-সন্ত্রাস। ব্যবসায়ীরা ‘কর-সন্ত্রাস’ থেকে মুক্তি চান।
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিদেশি হাইব্রিড বীজের ফাঁদে দেশের কৃষি। হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফসলের জাত, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। ফুলে-ফেঁপে উঠছে বীজ কোম্পানিগুলো। দেশীয় বীজে একদিকে ভেজাল দেওয়ার সুযোগ নেই, অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত, মোড়কজাত ও হিমঘরে সংরক্ষণেরও দরকার পড়ে না। এতে জ্বালানি ব্যবহার কম পড়ে, কম বর্জ্য উৎপন্ন হয়। বন্যপশু ও পাখিরা ভালো থাকে।
০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সন্ত্রাসবাদ নয়; জিহাদী যোগ্যতা অর্জন করা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ফরয। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সব নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। উন্নত প্রশিক্ষন, যুদ্ধকৌশল, সামরিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন সাফল্যের শীর্ষে।
০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তহবিল বা অর্থায়ন আসার প্রক্রিয়াটি সরকারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন হয়নি সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান ও ফিতনা-আল-খারিজ কি, ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে?
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশে বাবা মার কারণেই শিশুরা ইন্টারনেট আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ হচ্ছে নিয়ন্ত্রনহীন ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করে অশ্লীলতা, হিংস্রতা ও অপসংস্কৃতিতে লিপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশের শিশু কিশোররা সরকারের উচিত হবে গাইডলাইন প্রসঙ্গ না রেখে মুসলিম দেশ হিসেবে শিশু-কিশোরদের জন্য ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করা। পাশাপাশি বয়স্কদের জন্যও ছবিভিত্তিক ইন্টারনেট বন্ধ করা।
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












