মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই বরকতময় পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে মানুষের জন্য প্রথম ঘর (পবিত্র কা’বা শরীফ) স্থাপন করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার নাম মুবারক রেখেছেন ত্ব-বাহ অর্থাৎ পবিত্র।’ সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা সকলের জন্যই ফরয। সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- সর্বদা ও সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
, ২০ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই বরকতময় পবিত্র মক্কা শরীফ-এ মানুষের জন্য প্রথম ঘর (পবিত্র কা’বা শরীফ) স্থাপন করা হয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতি দিন ও রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ উনার উপর একশত বিশটি রহমত নাযিল করে থাকেন। তন্মধ্যে ষাটটি তাওয়াফকারীদের জন্য, চল্লিশটি নামায আদায়কারীদের জন্য আর বিশটি যিয়ারতকারীদের জন্য। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র মদীনা শরীফ হারাম (সম্মানিত) আইর থেকে ছাওর পর্যন্ত। এর মধ্যে যে ব্যক্তি সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত বিরোধী কাজ করবে এবং সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী কাজকে প্রশ্রয় দিবে, তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার, হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের ও সকল মানুষের অভিসম্পাত। আর তার কোনো নফল ও ফরয ইবাদত কবুল হবে না।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে তথা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা ঐকমত্য পোষণ করেছেন, যা কিছু আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারক তথা জিসিম মুবারক স্পর্শ করেছে উনার মর্যাদা-মর্তবা মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার আরশে মুয়াল্লা; এমনকি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার থেকে লক্ষ-কোটিগুণ বেশি। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে সম্মান করা পবিত্র ঈমান। এজন্য পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট সমস্ত কিছুকেই অত্যন্ত মুহব্বত করতে হবে। অবমাননা করা যাবে না। কেননা অবমাননা করা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী গুনাহে গুনাহগার হওয়া ও ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ। সেটাই হযরত ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিয়েছেন যে, “যে ব্যক্তি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাটি মুবারক নাপাক বলবে, তাকে কঠিন শাস্তি দিতে হবে এবং খালিছ তওবা-ইস্তিগফার না করা পর্যন্ত তাকে বন্দি করে রাখতে হবে।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ের সাথে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না, যা আদবের খিলাফ। কারণ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক বিষয়ই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট। সুতরাং সম্মান-মর্যাদা ও আদব অনুরূপই। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যেহেতু সমস্ত কাফিররা মুসলমান উনাদের ঈমান আমলের ক্ষতিসাধনে একদল-একজোট, তাই তারা সম্মিলিত চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফে হারাম সিসিটিভি স্থাপন করে উল্লিখিত স্থানসমূহের হুরমত সম্মান নষ্ট করছে এবং মুসলমান উনাদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করছে। শুধু তাই নয়, মুসলমান উনাদের পবিত্র ও সম্মানিত স্থান- পবিত্র কা’বা শরীফ ও পবিত্র রওযা শরীফ, পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ, পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ ইত্যাদি সম্মানিত স্থানসমূহ উনাদের ছবি জায়নামাযে সংযুক্ত করেছে। অর্থাৎ সম্মানিত স্থানসমূহ উনাদেরকে মানুষের পায়ের নিচে এনে দিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! যার ফলে মুসলমান উনারা সে সমস্ত সম্মানিত স্থানগুলো পদদলিত করবে এবং ধীরে ধীরে সেগুলো থেকে মুসলমানের শ্রদ্ধা-ভক্তি, তা’যীম-তাকরীম উঠে যাবে এবং সাথে সাথে ঈমানটাও নষ্ট হয়ে বেঈমান ও কাফিরে পরিণত হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মেছালস্বরূপ বলেন, ছবি তোলা হারাম। এরপরেও যদি কোনো ব্যক্তি তার পিতার ছবি তোলে, সেই ছবি যদি তৃতীয় কোনো ব্যক্তি পা দিয়ে মাড়ায়, তাহলে যার পিতার ছবি মাড়ানো হয় সে ব্যক্তি কি সেটা সম্মানজনক হিসেবে মেনে নিবে? কখনোই সেটা সম্মানজনক হিসেবে গ্রহণ করবে না। বরং যার পিতার ছবি, সে ওই ব্যক্তির উপর গোস্বা করবে, যে তার পিতার ছবিকে মাড়িয়েছে। কারণ তার পিতার ছবিকে পা দিয়ে মাড়ানোর কারণে তার পিতাকে অসম্মান করা হয়েছে। ইজ্জত, সম্মান করা হয়নি।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কারো পিতার ছবি যদি পা দিয়ে মাড়ানোর কারণে ইহানত বা অসম্মান হয়, তাহলে পবিত্র কা’বা শরীফ, পবিত্র মদীনা শরীফ ও পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ যা মহান আল্লাহ পাক উনার শেয়া’র উনাদের ছবিকে পা দিয়ে মাড়ালে কী পবিত্র কা’বা শরীফ, পবিত্র মদীনা শরীফ ও পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ উনাদের ইহানত বা অসম্মান হবে না? অবশ্যই হবে। আর উনাদেরকে অসম্মান ও ইহানত করা হলে পবিত্র ঈমান থাকবে কি? কস্মিনকালেও থাকবে না।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনারা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন স্থান। পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা সকলের জন্যই ফরয। পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ছবি জায়নামাযে সংযুক্ত করা, এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে সিসিটিভি স্থাপন করা, পবিত্র মক্কা শরীফ, পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে ইহানত করারই নামান্তর। যা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এর থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। আর বিশেষ করে যারা হজ্জে যাবেন তাদের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ সর্বদাই ও সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা বা বোরকা মুসলমানগণ উনাদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাগণ উনাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক। প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- শরীয়ত নির্দেশিত তারতীবে সঠিকভাবে পর্দা করা এবং সর্বপ্রকার বেপর্দা-বেহায়াপনা হতে বিরত থাকা। সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- দেশের সর্বত্র শরঈ পর্দা জারি করা এবং যারা পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ বা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিবসসমূহ পালন করা সকলের জন্য আবশ্যক। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- অত্যাধিক ধৈর্য্য ও শুকুরগুজারী, যওক্ব-শওক্ব, মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম ও সম্মানের সাথে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উদযাপন করা, পালন করা।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন। তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে খাছভাবে রুজু হওয়া ও খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- ইমামুল আউওয়াল হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে অছিয়ত মুবারক করে গিয়েছেন, আমি যেন উনার পক্ষ হতে পবিত্র কুরবানী করি।” তাই উনার অনুসরণে প্রত্যেক উম্মতের জন্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী দেয়া।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইলমে তাসাউফ অর্জন করা ব্যতীত ইবাদত মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যামানার মুজাদ্দিদ ও কামিল শায়েখ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে ইলমে ফিকাহ্ ও ইলমে তাছাউফ উভয় প্রকার ইলম অর্জন করে মু’মিনে কামিল হওয়া।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয। এই ফরয আদায় না করলে এর জন্য পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য তাকে শাস্তিও পেতে হতে পারে। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নিজে হাক্বীক্বী দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা এবং অধীনস্তদেরকে হাক্বীক্বী দ্বীনি ইলম শিক্ষা দেয়া। পাশাপাশি সে অনুযায়ী আমল করা এবং নিজের জীবন পরিচালনা করা।
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












