মন্তব্য কলাম
আফ্রিকার দৈত্য মুসলিম প্রধান দেশ- ‘নাইজেরিয়ায়’ আছে- ‘অফুরন্ত তেলের উৎস’ আছে- সবচেয়ে দামী খনিজ ‘লিথিয়াম’, ‘উচ্চ মানের লৌহ আকরিক’ সহ দুর্লভ সব খনিজ। বিশ্ব লুটেরা, হায়েনা, আমেরিকার- লোলুপ দৃষ্টি এখন ‘নাইজেরিয়ার’ উপর খ্রিস্টান নিধন চলছে এই মিথ্যা অজুহাতে- নাইজেরিয়া আক্রমনের ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব ডাকাত সর্দার- ট্রাম্প।
, ১৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৯ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
ইরাক, লিবিয়ার মতই আমেরিকান লুটতরাজের আরেক ভূমি হতে চলছে নাইজেরিয়া।
খ্রিস্টান নিধনের নামে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল হলে
কোটি কোটি মুসলিম শহীদের জন্য তো সবার আগে আমেরিকা দখলে
বিশ্ব মুসলিমের উদ্যমী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। এর পূর্ণ সরকারি নাম নাইজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম সীমান্তে বেনিন, উত্তরে নাইজার বা নিজে, উত্তর-পূর্বে চাদ, পূর্বে ক্যামেরুন এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর তথা গিনি উপসাগর।
এর আয়তন ৯,২৩,৭৬৮ বর্গকিলোমিটার (বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় ৬ গুণ, ও পাকিস্তানের আয়তনের প্রায় সমান); আয়তনের বিচারে এটি পশ্চিম আফ্রিকার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
২০১৯ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী এখানে প্রায় ২৫ কোটি লোকের বাস। নাইজেরিয়া আফ্রিকার সর্বাধিক জনবহুল ও বিশ্বের ৭ম সর্বোচ্চ জনবহুল রাষ্ট্র। আফ্রিকা মহাদেশের প্রতি ৬ জনের ১ জনই নাইজেরীয়। দেশের কেন্দ্রভাগে পরিকল্পিতভাবে নির্মিত আবুজা নগরীটি নাইজেরিয়ার রাজধানী।
তবে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে আটলান্টিক উপকূলের উপরে অবস্থিত লেগোস দেশটির বৃহত্তম নগরী (একটি অতিমহানগরী); কানো, ইবাদান, কাদুনা, বেনিন নগরী ও পোর্ট হারকোর্ট অন্যান্য কয়েকটি প্রধান প্রধান নগরী।
নাইজেরিয়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজধানী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র যেখানে দ্বিকাক্ষিক আইনসভা আছে। রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সাথে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান।
নাইজেরিয়ার দুই তৃতায়াংশ জনগণ মুসলমান, যারা দেশের উত্তরভাগে বাস করে ও প্রায় ৩০% খ্রিস্টান, যারা দেশের দক্ষিণাংশের অধিবাসী।
উত্তর নাইজেরিয়ার মুসলমান প্রধান অঞ্চলটিতে ইসলামী শরিয়া আইন প্রবর্তনের চেষ্টা চলছে। এর পক্ষে বোকো হারাম (অর্থাৎ "পশ্চিমা শিক্ষা হারাম") নামের একটি দল উত্তর নাইজেরিয়াতে একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে।
নাইজেরিয়াতে একটি উন্নয়নশীল মিশ্র অর্থনীতি ব্যবস্থা বিদ্যমান। অর্থনীতি মূলত খনিজ তেল (পেট্রোলিয়াম) উৎপাদন ও কৃষিনির্ভর।
নাইজেরিয়ার দক্ষিণভাগে নাইজার নদীর ব-দ্বীপ অঞ্চলে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সমৃদ্ধ মজুদ আছে, যা আগামী বহু দশক ধরে ব্যবহার করা যাবে।
চারটি বিশাল তেল পরিশোধনাগারের অধিকারী নাইজেরিয়া আফ্রিকার বৃহত্তম খনিজ তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্র। ১৯৫৬ সালে প্রথম খনিজ তেল উৎপাদিত হয়, এবং দুই দশকের মধ্যেই ১৯৭০-এর দশক থেকে পেট্রোলিয়াম উৎপাদন ও রপ্তানি দেশটির অর্থনীতির প্রধান খাতে পরিণত হয়; বর্তমানে দেশের রপ্তানির ৯৫%-ই খনিজ তেল।
নাইজেরিয়ার খনিজ তেলে গন্ধকের পরিমাণ কম বলে এর মান উচ্চ, এটি বিমানের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কয়লা ও রাং বা টিন নামক ধাতুর মজুদও আছে এখানে।
সাম্প্রতিক কালে নাইজেরিয়ার সর্বত্র বিপুল পরিমাণে রপ্তানিমুখী শস্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বিশাল বিশাল কৃষিপণ্য বাগান বা প্ল্যান্টেশন সৃষ্টি করা হয়েছে। এই বাগানগুলিতে আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহার করে শস্য বুনন, ফলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পন্ন করা হয়। এভাবে তুলা, কফি, চা, চিনি ও তৈলাক্ত পাম উৎপাদন করা হয়।
পাম ফলের শাঁস থেকে যে তেল পাওয়া যায়, তা দিয়ে রান্নার পাশাপাশি মার্জারিন, সাবান, মোমবাতি ও রঙ প্রস্তুত করা যায়; নাইজেরিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম পাম তেল উৎপাদনকারী দেশ। এছাড়া নাইজেরিয়া আন্তর্জাতিক বাজারে কোকো বীজ (চকলেট উৎপাদনে ব্যবহৃত) ও প্রাকৃতিক রবার রপ্তানি করে।
খনিজ সম্পদ, তরুণ শ্রমশক্তি ও অফুরন্ত কৃষিভূমির দেশ নাইজেরিয়া ভবিষ্যতে আফ্রিকার সবচেয়ে সফল একটি অর্থনীতির অধিকারী হবার সম্ভাবনা রাখে।
বর্তমানে নাইজেরিয়ার অর্থনীতির আকার আফ্রিকার দেশগুলির মধ্যে ১ম এবং বিশ্বে ২৪তম। ক্রয়ক্ষমতার সমতার মানদ-ে নাইজেরিয়ার বাৎসরিক স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন প্রায় ১ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার।
নাসারাওয়াতে নাইজেরিয়ার লিথিয়াম মজুত আনুমানিক ১৫০,০০০ টন এবং তা ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী চাহিদার ৫ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করতে পারে। ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। কোগি স্টেটে উচ্চ মানের লৌহ আকরিক মজুত আছে, যার মধ্যে লোহার পরিমাণ ৬৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং যা ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া অত্যন্ত ভাল মানের আকরিকের সঙ্গে তুলনীয়।
উল্লেখ্য, নাইজেরিয়াকে ‘আফ্রিকার দৈত্য’ বলা হয়। এর কারণ শুধু এর বিপুল জনসংখ্যা নয়, বরং এর বিশাল অর্থনৈতিক আকার এবং বিশ্ববাজারে খনিজ তেলের (পেট্রোলিয়াম) ক্ষেত্রে দেশটির প্রধান ভূমিকা। নাইজেরিয়ার অর্থনীতির মূল ভিত্তি খনিজ তেল সম্পদ।
দেশটির দক্ষিণ অংশে, বিশেষত নাইজার নদীর বদ্বীপ অঞ্চলে, খনিজ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের সমৃদ্ধ মজুত রয়েছে, যা আগামী বহু দশক ধরে ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।
এই কারণেই ভুয়া অজুহাতে নাইজেরিয়ার তেলের খনি দখলে ও অন্যান্য খনিজ নিতে চাচ্ছে ট্রাম্প
নাইজেরিয়াকে আমেরিকার জন্য বিশেষ উদ্বেজনক দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবী করেছে সেখানে খ্রিস্টানরা ‘মুসলিমদের হাতে হত্যার’ শিকার হচ্ছে। শুক্রবার সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছে, ‘খ্রিস্ট ধর্ম নাইজেরিয়ায় অস্তিত্বগত হুমকির মুখে হাজার হাজার খ্রিস্টান নিহত হচ্ছে। র্যাডিক্যাল ইসলামীবাদী গণহত্যার জন্য দায়ী। তাই আমি নাইজেরিয়াকে বিশেষ উদ্বেগ জনক দেশ হিসেবে ঘোষণা করছি।’
সাধারণত ১৯৯৮ সালের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের আওতায় বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় মার্কিন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক কমিশন ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞদের সুপারিশের দ্বারা। এবার সেই সাধারণ প্রক্রিয়া অনুসরণের ধার-ধারেননি ট্রাম্প। বরং সুকৌশলে নিয়মটিকে এড়িয়ে গিয়েছে। শুক্রবারে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছে সে হাউজ অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটি ও রিপাবলিকান কংগ্রেসমেন রাইলি মোর এবং টম কোলকে ফৌরণের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই ভাষা মূলত সংরক্ষণপন্থী রাজনীতিকদের প্রভাবিত করা, যারা নাইজেরিয়ার সংঘাতকে র্যাডিক্যাল ইসলামিকদের দ্বারা খ্রিস্টানদের ওপর হামলার ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করে থাকে। আসলে নাইজেরিয়ার সমস্যা কেবল ধর্মীয় দিক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
দেশটির উত্তরে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অঞ্চল এবং দক্ষিণের প্রায় খ্রিস্টান অধ্যুষিত অঞ্চল রয়েছে। এই দেশটি দীর্ঘদিন ধরে বোকো হারাম গ্রুপের কার্যকলাপের সঙ্গে লড়াই করছে। ফলে নাইজেরিয়াতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এমনিতেই হয়ে থাকে।
এছাড়া কৃষি ও পানি সংক্রান্ত সম্পদ নিয়েও খ্রিস্টান কৃষক এবং মুসলিম পশুপালকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। নাইজেরিয়ার সরকার এ ধরনের সংঘর্ষকে মূলত ধর্ম ভিত্তিক বলে অস্বীকার করেছে।
ফলে প্রশ্ন উঠছে, নাইজেরিয়ায় কি আসলেই খ্রিষ্টান নিধন চলছে? এ নিয়ে ট্রাম্পের দাবি কতটা সত্য?
নাইজেরিয়ায় কথিত খ্রিষ্টান নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ট্রাম্পের দেওয়া সামরিক হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশটির সরকার। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবুর মুখপাত্র ড্যানিয়েল বাওলা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে কোনো সামরিক অভিযান চালাতে পারে না, কারণ নাইজেরিয়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাওলা বলে, ট্রাম্পের এই সামরিক হুমকি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন নির্ভর এবং তার সাধারণ কৌশলেরই অংশ-প্রথমে চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার টেবিলে টানার চেষ্টা।
ট্রাম্প দাবি করে, নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টানদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে তিনি দেশটিতে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে পেন্টাগনকে নির্দেশ দিয়েছে। সে বলেছে, যদি নাইজেরিয়ার সরকার খ্রিষ্টানদের হত্যাযজ্ঞ চলতে দেয়, যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করবে, এমনকি প্রয়োজনে সেই দেশটিতে ‘অস্ত্রসহ অভিযান’ চালিয়ে ‘মুসলিম সন্ত্রাসীদের’ নিশ্চিহ্ন করবে। (নাউযুবিল্লাহ)
ট্রাম্প আরও ঘোষণা দেয়, নাইজেরিয়াকে সে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। যেসব দেশ ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনে ব্যর্থ, তাদের জন্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক চিহ্নিতকরণ।
নাইজেরিয়া ট্রাম্পের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। টিনুবু সরকার বলেছে, খ্রিষ্টান ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই দেশটির নিরাপত্তাহীনতার শিকার। ধর্ম নয়, বরং ভৌগোলিক অবস্থানই অনেক সময় নির্ধারণ করে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এপি’র অনুসন্ধানেও দেখা গেছে, দেশটিতে খ্রিষ্টানদের পাশাপাশি মুসলিমরাও নিহত হচ্ছেন।
টিনুবুর মুখপাত্র বাওলা বলেন, নাইজেরিয়ায় সামরিক পদক্ষেপের মতো বিষয় দুই দেশের নেতার সমঝোতার ব্যাপার। যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে এমন কিছু করতে পারে না।
নাইজেরিয়ার খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রধান যোসেফ হায়াবও বলেছে, খ্রিস্টান নিধনের অভিযোগ অতিরঞ্জিত।
মূলত: পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া বহু বছর ধরে সন্ত্রাস ও গোষ্ঠীগত সহিংসতায় জর্জরিত। দেশটির উত্তরাঞ্চলে সন্ত্রাসী সংগঠন বোকো হারাম এবং অস্ত্রধারী গোষ্ঠীগুলোর হামলায় দুই সম্প্রদায়েরই প্রাণহানি ঘটছে।
গবেষক তাইও হাসান আদেবায়ো বলেন, এই সহিংসতা ধর্মীয় নয়, বরং জটিল সামাজিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার ফল। কে শিকার হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে কে কোথায় থাকে তার ওপর।
প্রসঙ্গত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল প্রশ্ন তুলেছেন খ্রিস্টান নিধনের মিথ্যা অজুহাতে যদি আমেরিকা নাইজেরিয়া আক্রমণ করতে পারে
তাহলে সারা বিশ্বে কোটি কোটি মুসলমান শহীদ করার কারণে আমেরিকা কেনো বিশ্ব মুসলিমের আক্রমণ স্থল হবে না?
মুসলিম আলেমরা মন্তব্য করেছেন- মুসলিম বিশ্বের উচিত একই কথা প্রচার করে অবিলম্বেই ইনশাআল্লাহ আমেরিকা আক্রমণের হিম্মত তৈরী করা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ: বিদ্যুৎ বাঁচানোর নামে অর্থনীতি ধ্বংস এবং দারিদ্রতা বৃদ্ধি করে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক সাগরে দুই চিত্র দেশের জেলেদের উপর পুলিশি সাড়াশী অভিযান আর ভারতীয় জেলেদের ক্ষেত্রে চোখ কান বন্ধ রেখে মাছ লুটের অবাধ সুযোগ করে দেয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল পায়- ভারতীয় জেলে আর ঠকে এদেশীয় জেলে ও গণমানুষ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৬)
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চিনিকল খোলার দাবীতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন চিনিকল বন্ধ থাকলে রাষ্ট্র হারায় সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হয় পোয়াবারো।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
উৎপাদনহীন অর্থনীতি: সংকটের মূল কোথায়?
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“স্কুলে সংস্কৃতি চর্চা হলে দেশে উগ্রবাদ থাকবে না” নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ফ্যাসিস্ট গত সরকার, তার ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি নীতি ও কুখ্যাত আওয়ামী সংস্কৃতিমন্ত্রীর হুবহু কণ্ঠস্বর। সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, নাচ-গান তথা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দ্বীনদার মুসলমান ও সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের, ইসলাম দমনের হাতিয়ার।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
লালদিয়া: উন্নয়নের স্বপ্ন, নাকি সার্বভৌমত্বের সওদা?
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে প্রতি বছরই বাড়ছে বাংলাদেশের ভূখ-। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন নদীর মোহনায় যে চর পড়েছে তা সুপরিকল্পিতভাবে সুরক্ষা ও উদ্ধার করা হলে অন্তত ১ লাখ বর্গকিলোমিটার ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আইনের খাঁচায় বন্দি বিচার, আর কতকাল নিখোঁজ থাকবেন নওমুসলিম ’জারা’?
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৫)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সিলেটের সবুজ অরণ্যে পাপাচারের কালো ছায়া-চা বাগানের পৌত্তলিক শ্রমিকদের মদ্যপতা ও অনৈতিকতা: উম্মাহর জন্য এক সতর্কসংকেত
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












