মেক্সিকোতে ইসলামের আগমনের ইতিহাস
, ১৫ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩১ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ৩০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পাঁচ মিশালী
মেক্সিকোতে গত কয়েক দশকে বিকশিত হয়েছে ইসলামের ইতিহাস। দেশটিতে ছড়িয়ে পড়েছে অসংখ্য ইসলামিক সেন্টার, মসজিদ। দিনে দিনে বাড়ছে মুসলমানদের সংখ্যাও। অভিবাসী আরব ব্যবসায়ী, স্থানীয় নওমুসলিম জনগোষ্ঠীদের আন্তরিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে মেক্সিকোর মাটিতে ইসলামের যে বীজ রোপিত হয়েছিলো, তা আজ ধীরে ধীরে একটি সুদৃঢ় বাস্তবতায় রূপ নিচ্ছে।
১৯ শতকের শেষের দিকে ওমান, সিরিয়া ও লেবানন থেকে আগত আরব অভিবাসীদের মাধ্যমে মেক্সিকোতে ইসলামের আগমন ঘটে।
ইসলামের প্রারম্ভিক ইতিহাস:
মেক্সিকোতে ইসলামের ইতিহাস অনেকের ধারণার চেয়ে পুরোনো। ইতিহাসবিদদের মতে, স্পেনীয় ঔপনিবেশিক যুগে কিছু মুসলিম বংশোদ্ভূত ‘মরিস্কো’ (যেসব মুসলিমকে জোরপূর্বক খ্রিস্টান বানানোর চেষ্টা চালানো হয়েছিলো) হিজরত করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মাধ্যমে ইসলামের আলো লাতিন আমেরিকায় পৌঁছেছিলো।
তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামের উপস্থিতি দৃশ্যমান হতে শুরু করে উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে। সে সময় উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল-বিশেষত বর্তমান লেবানন, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও তুরস্ক থেকে বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে মেক্সিকোতে আগমন করেন। তাদের কিছু মুসলিম পরিচয় ধরে রাখলেও সংখ্যায় কম হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন সংগঠিতভাবে ইসলামের প্রচার-প্রসার করতে পারেননি।
অভিবাসীদের হাত ধরে ইসলামের পুনর্জাগরণ:
বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নতুন করে মুসলিম অভিবাসন শুরু হলে মেক্সিকোর মুসলিম সমাজ ধীরে ধীরে সংগঠিত হতে থাকে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকা-ের মাধ্যমে তারা একটি স্বতন্ত্র কমিউনিটি গড়ে তোলেন।
এই প্রচেষ্টার ফল হিসেবে ১৯৮৯ সালে কোয়াহুইলা অঙ্গরাজ্যের তোরেওন শহরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সুরাইয়া মসজিদ’-যা আধুনিক মেক্সিকোর প্রথম স্থায়ী মসজিদ হিসেবে পরিচিত। লেবানিজ বংশোদ্ভূত মুসলিমদের উদ্যোগে নির্মিত এই মসজিদ মেক্সিকোর মুসলিম ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
এরপর থেকে রাজধানী মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা, মনতেরে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরেও ইসলামিক সেন্টার ও মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে।
মেক্সিকোর মসজিদগুলোতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা, আরবী ভাষা শিক্ষা, আন্তধর্মীয় সংলাপ নিয়মিত পরিচালিত হয়।
বর্তমানে মেক্সিকোজুড়ে ৪০টিরও বেশি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার সক্রিয় রয়েছে। যদিও মুসলমানরা এখনও সংখ্যায় খুবই কম, তবে প্রতি বছর মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যেভাবে মানুষের মস্তিষ্কে প্লাস্টিক জমা হচ্ছে
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতারিত বাংলাদেশি শ্রমিকরাই আজ মিশরে সফল শিল্পোদ্যোক্তা
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পৃথিবীর বয়স নিয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণার আমূল পরিবর্তন
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাত্র দু’জনের মুখে টিকে আছে যে ভাষা
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তিস্তায় মাছ ধরার জালে আটকা ৭ ফুটের অজগর
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আম খেলে কি ওজন বাড়বে?
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে কোমরব্যথা, কী করবেন?
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মানুষের জীবনের হাল বদলাতে পারে মাটির স্পর্শে
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিছু মানুষকে মশা বেশি কামড়ায় কেন?
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আগের চেয়ে অনেক ধীরগতিতে ঘুরছে প্লুটোর চাঁদ, বলছে নতুন গবেষণা
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পদ্মার এক ঢাই মাছ ৫৯ হাজার টাকায় বিক্রি
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বন্যপ্রাণীর নিরাপদ পথচলায় মধুপুরে পাঁচ ক্যানোপি ব্রিজ
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












