বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষ গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
তন্মধ্যে আম্রিকার দূতিয়ালী, গোয়েন্দা কর্মকর্তা পাঠানো সবচেয়ে বেশী নগ্ন।
, ১৫ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩১ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ৩০ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
আম্রিকা একদিকে দেশের আভ্যন্তরীন বিষয়- উপজাতি, জামাতি, এনসিপি, আওয়ামী হাসিনা নিয়ে গুটি চালতে চাইছে অপরদিকে চীন-ভারত রাশিয়ার প্রভাব রুখে নিজেদের বলয়ে বাংলাদেশকে বন্দী রাখতে উদ্ধত হচ্ছে।
বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশে ফিরেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সে গত পরশু খুব ভোরে ফিরে এসেছে এবং ফিরে এসেই সে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ গতকাল উনত্রিশে জুলাই বাংলাদেশ সফরে এসেছে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার ড্রাম্পের বিশেষ দূত গোর। তার দুই দিনের সফরসূচি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে সে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে বসবে। তিন এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতারা তার সাথে বসবে। একটি হলো উখিয়া টেকনাফের কাছে, আরেকটি হলো চট্টগ্রাম, আরেকটি হলো সাতক্ষীরা। সে প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক করবে। সে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করবে, বিএনপির প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করবে এবং জামাত এনসিপির তাদের একসাথে করে তাদের সাথে বৈঠক করবে। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে একটি ইনক্লুসিভ পলিটিক্যাল এনভায়রনমেন্ট নিয়ে সে কথা বলবে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের উপরে নিষেধাজ্ঞা এটি তুলে নেওয়া, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা এই বিষয়গুলি নিয়ে সে কথা বলবে।
পাঁচ মাস আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি মার্কিন দূতের দ্বিতীয় সফর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর মার্কিন এই দূতের দ্বিতীয় সফরকে তাই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে গণ অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে, প্রশাসনে এবং নীতি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যে বাড়তি সুবিধাজনক অবস্থা বানিয়েছিলো, ওয়াশিংটনের এখনকার শাসকরা সেটা বজায় রাখতে চেষ্টা করবে। বাংলাদেশ যদি এখন আবার চীনমুখী হয়ে পড়ে, চীনের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেই সুবিধাজনক অবস্থা থেকে পিছিয়ে পড়তে পারে বা তাদের প্রভাব কমে যেতে পারে। যা একান্তভাবে চাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। গত কয়েকদিনে বা কয়েক মাসে গত এক দুই মাসে চীনের রাষ্ট্রদূত কয়েকবার এরকম মন্তব্য করেছে যে বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ তারা পছন্দ করছে না। তারা বাংলাদেশের পাশে আছে এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে। এ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের, বাংলাদেশকে ঘিরে যে একটা ঠান্ডা যুদ্ধ আছে তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শীঘ্রই ভারতে যাবে। একটা ভারতের সাথেও বাংলাদেশের অনেকগুলি বিবাদীয় বিষয় আছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশ সরকার বাড়তি সুযোগের তৈরি করছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে। এবং ভারত বাংলাদেশকে বাড়তি গুরুত্বের সাথে নিচ্ছে। গোর একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যে ওদের ডিপ্লোমেটিক কোরের লোক না। গোর একজন রাজনীতিবিদ। এবং তাকে নীতি মর্যাদায় বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের জন্য সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। তার মানে সব মিলে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রের একটা বাড়তি নিরব প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে বাংলাদেশ নিয়ে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে বাংলাদেশ যে বাণিজ্যিক চুক্তি করেছে সেটার পূর্ণ বাস্তবায়ন চাইবে। তো অগ্নি একটা চুক্তি যে সেটা বাংলাদেশকে চীন সহ অন্যান্য মানে শক্তিশালী দেশগুলোর সাথে থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্রমুখী করে ফেলার একটা চুক্তি সেটা। কাঠামোটা ওইরকম। যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির সেটারই বাড়তি এবং পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য প্রভাব দৃষ্টি করতে চাওয়া।
শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বাংলাদেশ এই তিনটা দেশে গণঅভ্যুত্থানের পর তিনটে নির্বাচন হয়েছে এবং তিনটা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সরকার এসেছে। যে তিন পদ তিনজনের নির্বাহী বিভাগের প্রধান হয়েছে। তারা সবাই প্রথমে এই দায়িত্ব নিয়েছে এবং তিনটা দেশেই পুরনো শক্তি যারা দীর্ঘদিন শাসন করেছে তারা একটু পিছু হটে গেছে। এই যে নতুন পরিস্থিতি যে তিন দেশে, দক্ষিণ এশিয়ায় যদিও এই তিনটা ছোট ছোট দেশ কিন্তু এই তিন দেশ- চীন, ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র তিনটা পরাশক্তি বা বড় শক্তি এই ছোট ছোট তিনটা দেশে তাদের প্রভাব বাড়াতে এখন নানাভাবে সক্রিয় আছে।
নেপালে, শ্রীলঙ্কাতেও এবং বাংলাদেশেও। বিশেষজ্ঞদের মতে- যুক্তরাষ্ট্রের কিছুটা এগিয়ে আছে। বাংলাদেশকে তারা একটা চুক্তিতে আবদ্ধ করতে পেরেছে। নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা তুলনায় বাংলাদেশে তাদের সফলতা অনেক বেশি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের দু তিন দিন আগে এই চুক্তিটা করে বাংলাদেশকে অনেকটা জায়গায় রেখে গেছে যে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের পক্ষে এখন ভারসাম্য রক্ষা করে চলাটা বিদেশ নীতিতে খুব একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়েছে।
তারপরেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যা তারা চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত তারা কোন দিকে হেলে পড়েনি এবং সরকারের একজন উপদেষ্টা বলেছে যে বাণিজ্য চুক্তি সংশোধন হওয়ার সুযোগ আছে। একটা ইঙ্গিত আছে যে সরকার এটা সংশোধন করতে পারে। কিন্তু জনসাধারণের দিক থেকে দাবি হলো সম্পূর্ণ বাতিল করা। এটা নিয়ে একটা আন্দোলন উদীয়মান অবস্থায় আছে সারা দেশে। এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা অত্যধিক।
পাশাপাশি আম্রিকার নুতন ভাবে মেটিকুলাস ডিজাইন করে যদি উপজাতি, সন্ত্রাসী, জামাতী, এনসিপির সাথে আতাত করে তাহলে তাও ইনশাআল্লাহ রুখে দিবে বাংলাদেশের আম জনতা।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












