এক অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারোক্তি:
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
জানুন, যেভাবে ভুয়া উন্নয়নের ফাঁদে জড়িয়ে যায় একটি দেশ
, ১৪ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩০ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
উন্নয়নের জোঁক!! দেশজুড়ে ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ প্রকল্প, আবহাওয়া ও পানিবায়ু প্রকল্প ইত্যাদি নামে যত প্রকল্প হচ্ছে এগুলোই একেকটি ‘উন্নয়নের জোঁক’।
এসব উন্নয়নের ভুয়া প্রকল্প দেখিয়েই বাড়ানো হয় দেশের জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো- উন্নয়ন হলে তো দাম কমার কথা, কিন্তু বাড়ে কেন? কারন কথিত এসব উন্নয়নের হিসাব-নিকাশে রয়েছে নানারকম ছলছাতুরী ও প্রতারণা।
ভুয়া উন্নয়ন পরিসংখ্যান তৈরি ও ঋণের লোভনীয় ফাঁদ এগুলোর পুরোটাই একটি বিশেষ আর্ন্তজাতিক অমুসলিম-বিধর্মী চক্রের কাজ। এসব কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ‘জন পার্কিন্স’ নামে তাদেরই এক এজেন্ট ‘গর্ব’ করে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ করে বই লিখেছে। এই অর্থনৈতিক ঘাতকের বই থেকে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। যে অংশগুলো পড়লে বুঝা সহজ হবে- কিভাবে ভুয়া উন্নয়নের হিসাব-নিকাশের ফেরে একটি দেশকে জড়ানো হয় ও ঋণের জালে আবদ্ধ করা হয়। বইটির নাম- Confessions of Economic Hitman
“...অর্থনৈতিক ঘাতকরা মোটা অংকের বেতনপ্রাপ্ত পেশাদার। এদের কাজ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ধাপ্পা দিয়ে লক্ষ কোটি ডলার চুরি করা। এরা বিশ্বব্যাংক, ইউএসএইড এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার (আইএমএফ, এডিবি) কাছ থেকে অর্থ নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তহবিলে পৌছে দেয়। এভাবেই সমগ্র বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদকে নিয়ন্ত্রণকারী গুটি কয়েক পরিবার প্রতিনিয়ত লাভবান হয় এ কাজে অর্থনৈতিক ঘাতকদের মূল অস্ত্র হচ্ছে ভুল তথ্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ডাটা ও প্রতিবেদন, পাতানো নির্বাচন, ঘুষ, চাপ প্রয়োগ, যৌনতা ও হত্যা। তাদের কর্মকা- সা¤্রাজ্যের ইতিহাসের মতই প্রাচীন। তবে বিশ্বায়নের এ যুগে এসব কর্মকা- নতুন ও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
আমাকে ট্রেনিং দেয়ার সময় প্রশিক্ষক কোন রাখঢাক করে কথা বলে নি। সে সুস্পষ্টভাবে বলেছিল, তোমার কাজ হবে বিশ্বের নেতৃতৃন্দকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থরক্ষার নেটওয়ার্কের সদস্যে পরিণত হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগানো। এসব নেতা এমনভাবে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়বে, যা তাদের আনুগত্যকে সুনিশ্চিত করবে। তখন আমরা আমাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা অসামরিক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তাদেরকে যেভাবে খুশি সেভাবে ব্যবহার করতে পারব। বিনিময়ে তারা শিল্প স্থাপন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও বিমানবন্দর তৈরি করে নিজেদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে সুসংহত করতে পারবেন। এসব ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কারণে মার্কিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানীগুলো বিপুল বিত্ত অর্জন করতে পারবে।
এই নেটওয়ার্কের অপ্রতিহত গতির ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বখ্যাত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তধাররা কারখানাগুলোতে অমানবিক পরিবেশে কাজ করার জন্য নামমাত্র পারিশ্রমিকের বিনিময়ে শ্রমিকদের ভাড়া করে। জ্বালানী প্রতিষ্ঠানগুলো বনে ও নদীতে বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থগুলোকে উদগীরণ করে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণের মাধ্যমে মানুষ, গাছ ও পশুপাখিকে হত্যা করছে, ধ্বংস করছে একের পর এক সভ্যতাকে। ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আফ্রিকার লাখ লাখ এইচআইভি আক্রান্ত বাসিন্দাকে প্রাণ রক্ষাকারী ওষুধ সরবরাহ করছে না। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের ১ কোটি ২০ লাখ পরিবার প্রতি বেলার খাবার ক্রয় করতে সক্ষম নয়। জ্বালানী শিল্পখাতে ঘটেছে এক ধরনের পতন। ১৯৬০ খ্রীষ্টাব্দে পৃথিবীর ধনাঢ্যতম ২০% এর সাথে দরিদ্রতম ২০% এর আয়ের অনুপাত ছিলো ৩ঃ১। ১৯৯৫ খ্রীস্টাব্দে এই অনুপাত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ঃ১-এ। প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে নিজ দখল বজায় রাখার জন্য ৮ হাজার ৭শত কোটি ডলার ব্যয় করছে। হিসাব অনুযায়ী এর অর্ধেক অর্থে পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য সুপেয় পানি, খাদ্য, পয়ঃনিষ্কাশন ও শিক্ষা সুনিশ্চিত করা সম্ভব।...”
পাঠক! মার্কিন এজেন্ট পার্কিন্স নিজেই স্বীকার করেছে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক ঋণ বিনিয়োগকারী সংস্থা আছে এগুলো সবগুলোরই উদ্দেশ্য হলো একটি দেশকে ঋণের জালে আবদ্ধ করা। এরপর নানা রকম শর্ত পালনে বাধ্য করা। আর এসব ঋণও দেশের উৎপদনশীল খাতে না দিয়ে বরং ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, বিমানবন্দর, হাইওয়ে ইত্যাদি প্রকল্পে দিয়ে থাকে।
অপরদিকে সুন্দরবন ধ্বংসের প্রকল্প রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প ছাড়াও পরিবেশের জন্য ভয়ংকর হুমকির রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোও এসব অর্থনৈতিক ঘাতকদের সাফল্যের প্রমাণ। এসব ঘাতকদের সাফল্যের (!) ফলাফল আজ ভোগ করছে দেশের জনগণ। বেড়ে চলেছে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ। যেখানে গত ২০১৫ সালে মাথাপিছু ঋণ ছিলো মাত্র ১৩ হাজার টাকা, মাত্র কয়েক বছরেই তা বেড়ে এখন প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
......
“...বেশির ভাগ দেশেই জনসংখ্যার ক্ষুদ্রতম অংশটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল ভোগ করে। অন্যদিকে জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশটির দুর্দশা দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়। যে সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড একটি দেশের উন্নয়নকে পরিচালনা করে সে সব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রকগণ বিশেষ মর্যাদা ভোগ করে। একটি আমাদের বহু সমস্যার উৎসে পরিণত হয়েছে। যখন ব্যক্তিগত লোভকে পুরস্কৃত করা হয় তখন লোভ সমষ্টিগত দুর্নীতির জন্ম দেয়। যখন আমরা বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয়কারীকে পুরস্কৃত করি, যখন আমরা নিয়ন্ত্রণহীন জীবনযাপনকারীকে অন্ধভাবে অনুসরণ করি, যখন আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠের সেবায় নিযুক্ত করি, তখনই আমরা সমস্যাকে ডেকে আনি। আর এসব সমস্যা থেকে উদ্ভব ঘটে জাতীয় বিপর্যয়ের।
বিশ্ব সা¤্রাজ্যকে বিস্তৃত করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও সরকার, সম্মিলিতভাবে যা কর্পোরেটোক্রেসি নামে পরিচিত, তাদের রাজনৈতিক ও আর্থিক শক্তি ব্যবহার করে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংবাদ মাধ্যম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্য করে এই ত্রুটিপূর্ণ ধারণা ও আর অনুসিদ্ধান্তকে অনুসরণ করতে।
আমরা অর্থনৈতিক ঘাতকরা যে কাজটি সবচেয়ে ভালোভাবে করতে পারি সেটা হচ্ছে বিশ্ব সা¤্রাজ্যকে গড়ে তোলা। আমরা হচ্ছি এমন একটি বিশেষ শ্রেণী যা আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়ে বাকি বিশ্বকে আমাদের কর্পোরেটক্রেসির গোলামীর শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা। এই কর্পোরেটক্রেসিই সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোকে নিরঙ্কুশ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। মাফিয়ার সদস্যদের মতই অর্থনৈতিক ঘাতকরা সুযোগ-সুবিধা বিলায়। এগুলো মূলত ভৌত অবকাঠামো, যেমন- বিদ্যুৎকেন্দ্র, হাইওয়ে, সমুদ্রবন্দর, সেতু, রেললাইন, বিমানবন্দর ও শিল্প স্থাপনা নির্মাণের জন্য ঋণ প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এসব ঋণের মূল শর্ত হচ্ছে এই যে, এসব ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ যে কোন আমেরিকান কোম্পানীকে অবশ্যই দিতে হবে। তাই প্রকৃত অর্থে ঋণের অর্থ কখনই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যায় না। বরঞ্চ এটি ওয়াশিংটনের ব্যাংকিং হাউজ থেকে নিউইয়র্ক, হাউস্টন বা সানফ্রান্সিসকোর ইঞ্জিনিয়ারিং হাউজে স্থানান্তরিত হয় মাত্র।
ঋণের অর্থ হাতে না পেলেও ঋণগ্রহীতা দেশকে এই ঋণ সুদে আসলে পরিশোধ করতে হয়। যখন একজন অর্থনৈতিক ঘাতক পুরোপুরিভাবে সফল হয় তখন ঋণের অংক বিশালাকার ধারণ করে। তখন কয়েক বছরের মধ্যেই ঋণগ্রহীতা দেশটি ঋণখেলাপিতে পরিণত হতে বাধ্য হয়। যখনই এই ঘটনা ঘটে তখনই আমরা মাফিয়ার মত ঋণখেলাপী দেশটির টুঁটি চেপে ধরে আমাদের স্বার্থ হাসিল করি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘে আমাদের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট প্রদান, ঋণখেলাপী দেশে আমাদের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন, আমাদের বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোর হাতে ঋণখেলাপী দেশের প্রাকৃতিক সম্পদকে তুলে দেয়া অথবা ঋণখেলাপী দেশের উপর দিয়ে অবাধে আমাদের যাতায়াতের অধিকার অর্জন করা। তারপরেও ঋণখেলাপী দেশটি আমাদের কাছে ঋণীই থাকে। সেই সাথে আমাদের বিশ্ব সাম্রাজ্যে আরেকটি দেশ সংযুক্ত হয়।...”
পাঠক! লেখাটির এই অংশেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী এজেন্ট পার্কিন্স নিজেই এখানে খোলাসা করে বলে দিয়েছে, তাদের দেয় ঋণের মূল শর্ত হলো, ‘এসব ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ যে কোন আমেরিকান কোম্পানীকে অবশ্যই দিতে হবে। তাই প্রকৃত অর্থে ঋণের অর্থ কখনই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যায় না।’
পাঠক! শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, চীন, জাপান ভারতসহ যতগুলো দেশ এবং আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ যতগুলো তথাকথিত ‘ঋণদাতা’ দেশ বা সংস্থা আছে, সবগুলোই এই সিস্টেম অনুসরন করে।
উদাহরণত ভারতের একটি ঋণ প্রকল্পের কথাই বলা যাক। কিছুদিন আগে ভারত বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিবে বলে একটি চুক্তি করে। এই ঋণের কয়েকটি শর্ত হলো- বাস্তবায়িতব্য সরবরাহ প্রকল্পের (সাপ্লাই প্রজেক্ট) ৭৫ ভাগ পণ্য অবশ্যই ভারত থেকে আমদানি করতে হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের সেবাও (পরামর্শক নিয়োগ) নিতে হবে ভারত থেকে। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পের ৬৫ ভাগ পণ্য কিনতে হবে ভারত থেকে।
এটাতো একটি উদাহরণ এভাবেই শর্তের বেড়াজালে প্রতিটি ঋণ এসে থাকে। আর তার বোঝা টানতে থাকে সাধারন জনগণ।
-মুহম্মদ আল জাবির।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আর দ্বীনদার ব্যক্তির জন্য দ্বীন ইসলামই সবচেয়ে বড়
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ছবি’ ও ‘বেপর্দা’- বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তেল আমদানিতে আমাদের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়, এতে আমাদের রিজার্ভে চাপ পড়ে। সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় খপ্পরে বাংলাদেশ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নদীভাঙনে গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ মানুষ, নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সরকার থেকে খাস বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা হলেও প্রভাবশালী দখলদারদের দাপটে ভূমির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভূমিহীনরা।
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সক্ষমতা তৈরির জন্য সর্বোচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন ও যথেষ্ট সংখ্যক আমলা, কূটনৈতিক তৈরি ও প্রয়োগ করতে হবে।
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“আঃলীগ আবার ক্ষমতায় আসলে কি করবে তার পরিকল্পনা ফাঁস আঃলীগ ক্ষমতায় আসলে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে ভারতের সেনাবিাহিনীকে দেশ রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হবে।”
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক জোরদার হওয়া উভয় দেশের জন্যই কল্যাণকর
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মার্কিনীরা তাদের পতিত সরকারকেই নূতন করে তুলে ধরে অপেক্ষাকৃত বেশি লুটতরাজের শর্তে। নূতন করে মার্কিন গোয়েন্দাদের আনা-গোনা কি তারই আলামত!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এমপিদের জন্য ৫০ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দের আইনী ও ব্যবহারিক প্রতিবন্ধকতা অনেক।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












