মন্তব্য কলাম
পরিবেশবান্ধব চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার বাধা বলে যেসব তথাকথিত পরিবেশবাদীরা ট্যানারিগুলোকে স্থানান্তরিত করলো, আজকে চামড়া শিল্পের ধ্বংসে তাদের কর্মতৎপরতা কোথায়?
, ০২ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ৩১ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ৩০ মে, ২০২৫ খ্রি:, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
চামড়া শিল্প ধ্বংসের দ্বারা মূলত এদেশের হাফেজী মাদরাসা, এতিমখানা তথা মাদরাসা শিক্ষাকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়েছে।
সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ইসলাম বিদ্বেষী মহলটি কুরবানীর চামড়ার দাম যথাযথভাবে বাড়ায়নি
কুরবানীর গরুর চামড়ার দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইউনুস ফ্যাসিস্ট সরকারের পথেই হাঁটছে।
২০১৪ সাল থেকে প্রতিবছরই বাংলাদেশে চামড়ার সরকার নির্ধারিত মূল্য কমানো হয়েছে। চামড়ার দাম প্রতিবছর কমতে থাকায় এরই মধ্যে বহু মাদরাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গরিবের হক মেরে চামড়া সিন্ডিকেটকে লাভবান করতে সরকারের একটি গোষ্ঠী চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে যাচ্ছে। মুসলমান মাত্রই সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারে না।
২০১৩ সালে সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া ৯০ টাকা ও ঢাকার বাইরে ৮০ টাকা পর্যন্ত দামে কেনা হয়। তখন থেকে চামড়ার মূল্য বৃদ্ধি না করে কমিয়ে দেয়া ইসলাম, মুসলমান, মাদরাসাবিরোধী ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।
এ বছর ১ কোটি ২৫ লাখ গবাদিপশু কুরবানীর জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আশা করা হচ্ছে, কুরবানী থেকে এবার প্রায় সোয়া কোটি চামড়া সংগ্রহ করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারের কর্মব্যক্তিদের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় কারসাজি করে কুরবানীর বিনামূল্যের চামড়া অনেকটা পানির দরেই এতিমখানা, মাদরাসা এবং মসজিদ থেকে কিনে থাকেন চামড়া সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ট্যানারি মালিক, ঢাকার পোস্তা, চট্টগ্রাম এবং নাটোরের আড়তদার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ফড়িয়াদের কারসাজির কারণে চামড়ার ন্যায্যদাম কার্যকর হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, গোশত ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া সঠিক দাম পাওয়া গেলে গরুর গোশতের দাম কমানো সম্ভব। তাদের অভিযোগ, দৈনিক আল ইহসান শরীফের অনুসন্ধানে জানা গেছে গত বিশ বছরে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়লেও শুধু এ দেশে কাঁচা চামড়ার দাম কমেছে। অথচ এই সময়ে চামড়াজাত পণ্যের দাম বেড়েছে ২০ গুণের বেশি। দুই দশক পূর্বে ২০০০-০৪ সালে প্রতিপিস গরুর চামড়া মানভেদে তিন থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এখন সেই চামড়া বিক্রি হয় মাত্র ৬০০-১২০০ টাকায়। এ প্রসঙ্গে ঢাকার আলোচিত গোশত ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান জানান, গরুর গোশতের দাম কমাতে হলে আগে চামড়ার ন্যায্যদাম নিশ্চিত করতে হবে।
রাজধানী ঢাকার তেজতুরী বাজার এলাকায় অবস্থিত এতিমখানার সুপারিনটেনডেন্ট তাদের প্রতিষ্ঠানে ১৩০০’র মতো ছেলে-মেয়ে আবাসিকভাবে পড়াশোনা করে। এদের কারো কাছ থেকেই বেতন বা থাকা-খাওয়ার খরচ নেন না তারা।
এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় আট শতাধিক শিক্ষার্থী এতিম।
পুরো প্রতিষ্ঠানটির অর্থের বড় যোগান আসে কুরবানীর পশুর চামড়া বিক্রির অর্থ থেকে, কিন্ত এর পরিমাণ বর্তমানে খুবই কম।
রাজধানীর আজিমপুরে অবস্থিত স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা। এই প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক বলেন, বর্তমানে তাদের অধীনে ১৪০ জনের মতো ছেলে-মেয়ে রয়েছে। গত বছর তারা একেবারেই চামড়া সংগ্রহ করতে পারেননি। যেখান থেকে খবর পেয়েছেন সেখান গিয়ে নিয়ে এসেছেন চামড়া। তবে সেটাও হাতেগোনা কিছু। তাদের সংগ্রহ করা চামড়ার পুরোটাই গরুর চামড়া। যে চামড়া তারা সংগ্রহ করেছিলেন সেগুলো বিক্রিও করেছেন খুব কম দামে। ৪০০, ৪৫০ এমন দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে।
চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপ হলেও সেখানে রফতানির জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশনের সনদ এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিবেশ স্বীকৃতি সনদের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের সামগ্রিক উৎপাদন প্রক্রিয়াটি পরিবেশগত সমস্যা থেকে মুক্ত হতে না পারায় এর কোনোটিই নেই বাংলাদেশের। এ কারণে ওই সব দেশে বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ঢুকতে পারছে না।
চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ার পেছনে রপ্তানী কমে যাওয়া বড় কারণ বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
ট্যানারি মালিকদের সংগঠন জানায়, ২০১৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশ থেকে চামড়া রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার কারণে দেশীয় ট্যানারির মালিকদের কাছে চামড়ার চাহিদা কমে গেছে।
১৬ সালের পূর্বে যেসব বায়ার ছিল যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বায়ার বা ফার-ইস্টের সাউথ কোরিয়া, জাপান যারা কমপ্লায়ান্ট বায়ার তারা এদেশ থেকে কেনা বন্ধ করে দিলো।
এখন আমাদের নন-কমপ্লায়ান্ট বায়ারদের কাছে অর্ধেকেরও কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতারা যদি দাম না পায় তাহলে কাঁচা চামড়া তারা কিভাবে দাম দিয়ে কিনবে?
এই অবস্থার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় চামড়ার বাজারে। কমেছে দাম। বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়া রপ্তানির একটা বড় বাজার চীন। তবে চীন বেশ কম দামে এদেশ থেকে চামড়া কিনছে।
২০১৫ সালের দিকেও বাইরের দেশে চামড়ার বেশ চাহিদা ছিল। কিন্তু এরপর থেকে কমে গেছে।
বর্তমানে কিছু চামড়া চীন, হংকং ও জাপানে রপ্তানী করা হয়। সেসব দেশেও চামড়ার চাহিদা অভ্যন্তরীণভাবে কমে গেছে বলেও মন্তব্য করেন।
চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপ হলেও সেখানে রপ্তানির জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশনের সনদ এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের সামগ্রিক উৎপাদন প্রক্রিয়াটি পরিবেশগত সমস্যা থেকে মুক্ত হতে না পারায় এর কোনটিই নেই বাংলাদেশের। এ কারণে ওই সব দেশে বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ঢুকতে পারছে না।
রপ্তানি কমার পেছনে সরকারকে দোষারোপ করে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৬ সালে সরকার অপরিকল্পিতভাবে ট্যানারিগুলো সাভারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে পরিবেশবান্ধব পরিবেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার ব্যবস্থা থাকবে বলে আশ্বাস দিলেও সেটা শেষমেশ হয়নি। এছাড়া খুব বেশি ট্যানারি সেখানে গিয়ে স্থায়ী হতে পারেনি।
২০-৩০টি ট্যানারিও যদি এলডাব্লিউডি সার্টিফায়েড করতে পারতো, তাহলেও এরকম পরিস্থিতি হতো না।
অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে, প্রতিবছরই চামড়ার দাম নিয়ে নয়-ছয় হয়ে থাকে। কুরবানীর চামড়ার একটি অংশ দেশের এতিমখানাগুলো পেলেও খোলাবাজারে চামড়ার দাম পাওয়া যায় না বললেই চলে। ফলে, হতাশ হতে হয় চামড়ার পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের। মূলত চামড়ার বাজার প্রায় পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ট্যানারির মালিকরা, সেহেতু এই বাজারের নিয়ন্ত্রণও থাকে তাদের হাতে। দেশে সারাবছর যে পরিমাণ চামড়া পাওয়া যায়, তার ৫৫ শতাংশ পাওয়া যায় কুরবানীর ঈদে। এর জন্য কুরবানীর ঈদ চামড়া সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের উপযুক্ত সময়।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশ থেকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয় ১২২ কোটি ডলার। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা কমে আসে ১০৪ কোটি ডলারে। সব ছাপিয়ে যে বিষয়টি উঠে আসে, তাহলো আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় চামড়া শিল্পের স্বীকৃতি না পাওয়া। মূলত আন্তর্জাতিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সনদ না থাকায় প্রক্রিয়াজাত চামড়াসহ পাদুকা শিল্পের বিশ্ববাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ। যে কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য সব দেশে বাংলাদেশী চামড়ার ক্রেতা ও কদর নেই বললেই চলে। কেবলমাত্র সরকারের সদিচ্ছা ও সহযোগিতা এবং পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রণোদনার অভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের চামড়া খাতে আরও বিনিয়োগসহ চামড়া শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনকে।
এবারও ঈদ সামনে রেখে কুরবানীর পশুর চামড়া সংগ্রহের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার; তাতে গরুর চামড়ার দাম গতবারের চেয়ে ৫ টাকা বেড়েছে, ছাগলের চামড়ার দাম বেড়েছে ২ টাকা।
অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারও বহু অনুনয় বিনিনয় করার পর, ওজর আপত্তি জানানোর পর, দাবি দাওয়া তুলে ধরার পর ও আন্দোলন করার পর চামড়ার দাম বাড়াতো ৩ থেকে ৫ টাকা। ইউনুস সরকারও সেই একই রকম দাম বাড়িয়েছে। সমালোচক মহল তাই প্রশ্ন তুলেছেন চামড়ার ক্ষেত্রেও ইউনুস কি ফ্যাসিস্ট হাসিনার পথেই চলছে না?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঈমান ও ইজ্জত হরণে হিন্দুত্ববাদী নীল নকশা ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’-সরকার ও জনতাকে সতর্ক হওয়া এখন সময়ের দাবি ও ফরয
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়, জাতির হাতেই থাক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ; একটি দেশ ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশে বাঙ্গালীদের বাদ দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য চালু হয়েছে কোটাপ্রথা, উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে সশস্ত্রবাহিনীও বিচারের আওতায়, পশ্চিমা অমানবিকতাকে প্রাধান্য।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খনিজ সম্পদে ভরপুর সোনার বাংলা। অথচ অনুসন্ধানের অভাবে অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে বেশীরভাগ খনিজ সম্পদ। শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের অনাবিষ্কৃত তেল গ্যাসই দেশের চাহিদা মিটিয়ে দিতে পারে।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিদেশে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দশ লাখ টাকার ব্যাংক সহযোগিতার ঘোষণা- যুগপৎ দুর্ভাগ্যজনক এবং আত্মঘাতী যা মেধা পাচার, অর্থ পাচার এবং দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার উৎকর্ষতা সাধনে অবহেলার দৃষ্টিভঙ্গী। দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়াতে হবে মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে অতি সত্ত্বর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সন্ত্রাসী আম্রিকা যুদ্ধের নামে বাঁচতে চায়। ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে ইরানের একটি ২০ হাজার ডলারের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে। যা যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন অর্থনৈতিক শিক্ষার মুখোমুখি করেছে।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইহুদী-খ্রিষ্টান-হিন্দুরা কোন মুসলিম দেশ ধ্বংস ও দখল করার আগে সে দেশে তাদের অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়। চলচ্চিত্র নামক বিধ্বর্মীদের জাহান্নামী সংস্কৃতির ফাঁদে মুসলিম উম্মাহ।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












