মন্তব্য কলাম
কাদিয়ানীদের মালিকানায় প্রাণ গ্রুপসহ বৃহৎ শিল্পগ্রুপগুলো দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে পথে বসানোর ষড়যন্ত্র করছে। অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। সরকারের আশু পদক্ষেপ কাম্য।
, ১৩ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৯ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বসিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে কাদিয়ানীদের প্রাণসহ দেশের কিছু বড় শিল্প গ্রুপ। দেশের অনেকগুলো খাতের লাখো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে এখন প্রাণের মতো বড় শিল্প গ্রুপের দখলদারিত্ব চলছে। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রায় সব পণ্য এখন প্রাণের পণ্য তালিকায়। খাদ্যপণ্যে ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টের খাবার প্রাণের প্যাকেটে। এমনকি মাছের বাজারেও এখন প্রাণের বিনিয়োগ রয়েছে। এর ফলে বড় শিল্প গ্রুপের বিনিয়োগের প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ছোট খাতগুলোয় বড় শিল্প গ্রুপের আগ্রাসী বিনিয়োগ নিয়ে তাই প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, বাজারে প্রাণ গ্রুপটির প্রায় ৬০ হাজার পণ্য রয়েছে। গত কয়েক বছরে তাদের ব্যবসার পরিধি আগ্রাসী রূপ নিয়েছে। শুধু খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই নতুন পণ্য দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০টি। প্রাণের বেকারি ব্র্যান্ড অলটাইমের কারণে বিপাকে পড়েছে বেকারি খাত। প্রায় ৫০-এর অধিক পণ্য রয়েছে এই ব্র্যান্ডের। যার মধ্যে নানা ধরনের বিস্কুট, রুটি, কেকসহ বিভিন্ন রকমের বেকারি পণ্য। পাড়া-মহল্লায় যেসব বেকারি রয়েছে, তাদের এখন প্রাণ যায় যায় অবস্থা। প্রাণের কারণে সেসব উদ্যোক্তারা ব্যবসা ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রসঙ্গত, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তথা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোই দেশের ভবিষ্যৎ। এই ক্ষুদ্র শিল্পগুলোই দেশের বড় শিল্পগুলোকে এগিয়ে নিতে সহযোগীতা করে। বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে ৭২ লাখ শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯০ শতাংশ এসএমই খাতের। কৃষি খাতের বাইরে থাকা শ্রমশক্তির ৭০ থেকে ৮০ শতাংশের কর্মসংস্থান হয়েছে এ খাতে। বাংলাদেশের মোট দেশজ আয়ের ২৫ ভাগ আসছে এসএমই খাতের হাত ধরে। উৎপাদন খাতের ৪০ শতাংশ অবদান এসএমই খাতে। ক্ষুদ্র শিল্প খাতে চলতি অর্থবছর ৭ দশমিক ০২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আগের অর্থবছর এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এবার সার্বিক শিল্প খাতে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরমধ্যে মধ্যম ও বৃহৎ শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ দেশের প্রবৃদ্ধির পেছনে একটি বিশাল অবদান রয়েছে এই ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের।
অথচ ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত প্রত্যাশিত হারে বিকশিত হতে পারছে না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ঋণের প্রবাহ তুলনামূলক কম। পর্যাপ্ত জামানতের অভাবে এ খাতের উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে পারছেন না। তাছাড়া শিল্প খাতে দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ দিতে চাইছে না ব্যাংকগুলো। এর বাইরে অবকাঠামো সমস্যা ও নীতি সহায়তার অভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের বিকাশ ঘটছে না। সেইসাথে সরকারের শিল্পখাতের সমস্ত প্রকার সহযোগীতা পৃষ্ঠপোষকতা সবই বৃহৎ শিল্প খাতমুখী। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলো প্রতি সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপই নেই।
দৈনিক আল ইহসানের অনুসন্ধানে জানা গেছে, কাদিয়ানীর প্রাণ গ্রুপ বাংলাদেশের জনগণকে স্বাস্থ্যগতভাবে পঙ্গু করার জন্য তাদের খাদ্যসামগ্রীকে অপদ্রব্য প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে। ইদানিংকালে পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে, চানাচুর, জুসসহ তাদের বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীতে টিকটিকি, লোহা, পিন, তেলাপোকা, মাছিসহ সুই পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে। জুসসহ তাদের বিভিন্ন পানীয়তে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া গিয়েছে। ঠাকুরগাওয়ে প্রাণের পানীয় খেয়ে মারাত্মকভাবে ২০ জন অসুস্থ হয়েছে। প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ বহুদিনের। কিন্তু রহস্যজনককারণে মনিটরিং প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বিকার।
পাশাপাশি উল্লেখ্য, কাদিয়ানীদের প্রাণ গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষতি করে গেলেও সরকার থেকে এই প্রাণ গ্রুপের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। উল্টো দেখা যাচ্ছে, কিছু প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন সরকারের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কিছু দেশবিরোধী দালাল তাদেরকে উল্টো পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত তাদের দেশের বাজার ব্যবস্থাপনায় আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে।
প্রাণ-আরএফএল-এর উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানও ঠিক নেই। এমনকি তা জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ নয়। বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ বিএসটিআই গুণগত মান বজায় রেখে পণ্য উৎপাদন করতে না পারায় যে ৩১ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের সিএম লাইসেন্স বাতিল করে, ওই তালিকায় প্রাণের ৮টি পণ্যের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। প্রাণের কথিত কোমল পানীয়, জুস, মসলার গুণগত মান ঠিক নেই। এসব জনস্বাস্থ্যের জন্যও নিরাপদ নয়। প্রাণের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশি পণ্য প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু প্রচার-প্রসারে শীর্ষে রয়েছে কাদিয়ানিদের এ প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশের সংবিধান মতে, সকল ধর্মের নাগরিকদের ধর্মপালনে স্বাধীনতা আছে, থাকবে। কিন্তু নিজ ধর্ম পরিচয় গোপন করে মানুষকে ইসলামের নামে ভিন্ন আরেকটি ধর্মের দিকে আহবান করার কোনো অধিকার নেই। বরং এধরনের কর্মকা- সুস্পষ্ট অসাংবিধানিক ও অন্যায়। মূলত এ অন্যায় কাজের জন্যই আমরা এদেশে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবী জানাই। যাতে সাধারণ মানুষ তাদের ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারে। তারা যেহেতু নিজ পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করেনা, বরাবরই ধোকার আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষের ঈমান নষ্ট করে চলছে, তাই তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর হওয়া সময়ের দাবী। তাদের পণ্য গুলো আমাদের বয়কট করতে হবে মূলত এ জন্যই।
প্রসঙ্গত, কাদিয়ানী কোম্পানী প্রাণ, আর.এফ.এল এর বেশকিছু সিস্টার কনসার্ন রয়েছে।
প্রাণ, আর.এফ.এল এর কয়েকটি কমন সিস্টার কনসার্ন বা একই কোম্পানির মালিকানাধীন প্রোডাক্টগুলোর কিছু নাম এখানে দেয়া হলো-
১. অলটাইম (ফুড আইটেম)।
২. বিজলি (ইলেক্ট্রিক তার)।
৩. রংধনু (রঙ)।
৪. মিঠাই (মিস্টি)।
৫. টেস্টি ট্রিট (বেকারী আইটেম)।
৬. ক্লিক (ইলেক্ট্রিক প্রোডাক্ট)।
৭. জবমধষ (ফার্নিচার)।
৮. Best Byu (প্লাস্টিক আইটেম)।
৯. কসমিক (দরজা)।
১০. সেরা (ওয়াটার ট্যাংক)।
১১. ঝযরহব (স্যানিটারি প্রোডাক্ট)।
১২. গুডলাক (ষ্টেশনারী-কলম, পেন্সিল, ইরেজার ইত্যাদি)।
১৩. Walker Footwear (জুতা)।
১৪. প্রাণ আপ (সফট ডিংক্স)।
১৫. প্রাণ জুস, প্রাণ ম্যাংগো জুস, প্রাণ লাচ্ছি, প্রাণ লিচি।
১৬. Play Time (খেলনা)।
উল্লেখ্য, ৫ই ডিসেম্বর ২০২০ ইং কাদিয়ানীদের প্রতিষ্ঠা শতবার্ষিকীতে প্রাণ, আর.এফ.এল গ্রুপের সিইও আহসান খান চৌধুরীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা কাদিয়ানীদের পৃষ্ঠপোষক, অর্থায়নকারী। সুতরাং তাদের মালিকানাধীন প্রাণ, আর.এফ.এল গ্রুপের সকল পণ্য বয়কট করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব।
প্রাণ, আর.এফ.এল কোম্পানীর বর্তমান সিইও আহসান খান চৌধুরীর পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে একটু না বললেই নয়। সে কোম্পানীটির মালিক মেজর (অব.) আমজাদ খান চৌধুরীর পুত্র এবং নাটোরের প্রসিদ্ধ 'খানবাহাদুর' বংশের প্রতিষ্ঠাতা ও কাদিয়ানী ধর্মমতের অনুসারী আবুল হাশেম খান চৌধুরীর প্রো-প্রৌত্র। মেজর আমজাদ খান চৌধুরী ১৯৩৯ সালের ১০ নভেম্বর উত্তরবঙ্গের নাটোর জেলায় জন্মগ্রহণ করে, মারা যায় ৮ জুলাই ২০১৫ সালে (বয়স ৭৫) আমেরিকায়। তার পিতার নাম ছিল আলী কাশেম খান চৌধুরী, দাদার নাম ছিল খান বাহাদুর আবুল হাশেম চৌধুরী, যে ১৯১৫ সালের জানুয়ারী মাসে ভারতের 'কাদিয়ান' (গুরুদাসপুর, পাঞ্জাব) গিয়ে কাদিয়ানী ধর্মমত গ্রহণ করে আসে। প্রথম যখন ১৯১৩ সালে এই পূর্ব বাংলায় (বর্তমান-বাংলাদেশ) কাদিয়ানী জামাতের গোড়াপত্তন হয় তখন সেটির প্রধান (প্রেসিডেন্ট) নির্বাচিত হয় বি-বাড়ীয়ার কথিত পীর সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ (মৃত. ১৯২৬ খ্রি.) (সময়কাল ১৯১৩-১৯২৬), আর জেনারেল সেক্রেটারী নির্বাচিত হয় এ্যাড. মুন্সি দৌলত আহমদ খাঁ। পীর আব্দুল ওয়াহেদের মৃত্যুর পর পূর্ব বাংলার কাদিয়ানীদের প্রধান নিযুক্ত হয় প্রফেসর আব্দুল লতিফ (সময়কাল ১৯২৬-১৯৩১), তারপর হেকিম আবু তাহের মাহমুদ আহমদ [মৃত্যু ০৭-০৯-১৯৩৭] (সময়কাল ১৯৩১-১৯৩৪)। তারপর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয় খান বাহাদুর আবুল হাশেম খান চৌধুরী [মৃত্যু ১৭-০৬-১৯৪৬] (সময়কাল ১৯৩৪-১৯৪০)।
বলে রাখা দরকার যে, আবুল হাশেম খান চৌধুরী কাদিয়ানী হওয়ার পর পীর সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদের মেয়ে 'হোসনে আক্তার বানু'-কে বিয়ে করে, যে ছিলো মেজর আমজাদ খান চৌধুরীর দাদী, আর বর্তমান কাদিয়ানী ন্যাশনাল আমীর আব্দুল আউয়াল খান চৌধুরীর নানী।
ekattor.org সাইটে সাংবাদিক রুদ্র সাইফুল প্রাণ, আর.এফ.এল কোম্পানীর ইতিহাস নিয়ে লিখেছেন, স্বাধীনতা পরবর্তীতে পাকিস্তানে আটকে পড়া সাড়ে ৪ লাখ বাঙালির সাথে দেশে ফিরে ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে আটকে পড়া সেনা কর্মকর্তা’ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করে আমজাদ খান চৌধুরী। জেনারেল শফিউল্লাহ ও জিয়ার সহযোগিতায় সে সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি পেয়ে মেজর জেনারেল পর্যন্ত হয়েছে। ১৯৮১ সালে বগুড়া ক্যান্টনমেন্টের জমি অধিগ্রহণের টাকা চুরির অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসর পেয়ে সেই চুরির টাকায় ব্যবসায় নামে সে। অবসরের পর ১৯৮১ সালে সেই চুরির টাকায় গড়ে তোলে রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আর.এফ.এল)। ১৯৮৫ সালে গড়ে তোলে এগ্রিকালচার মার্কেটিং কোম্পানি যার ব্র্যান্ড নাম প্রাণ। আমজাদ খান চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার যুদ্ধাপরাধী পরিচয়কে আড়াল করে তার ব্যবসায়ী পরিচয় সামনে রেখে গণমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পরিবেশন করা হয়।
প্রাণ, আর.এফ.এল কোম্পানী হচ্ছে বাংলাদেশের কাদিয়ানী জামাতের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী ডোনার (DONOR)। তাই এখন মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব হিসেবে 'আকীদায়ে খতমে নবুওয়ত'-এর উপর অবিচল থেকে, ইসলামের দুশমন, মুদা'ঈয়ে নবুওয়ত এবং কাট্টা কাফির ও কাজ্জাব মির্যা গোলাম কাদিয়ানীর প্রতি অবিরত ঘৃণা প্রকাশার্থে কাদিয়ানীদের পণ্য সমূহ বয়কট করা। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে, যেমন- যে যার সাথে সম্পর্ক রাখে, হাশর-নাশর তার সাথে হবে। (নাউযুবিল্লাহ)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর দ্বীনদার ব্যক্তির জন্য দ্বীন ইসলামই সবচেয়ে বড়
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ছবি’ ও ‘বেপর্দা’- বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তেল আমদানিতে আমাদের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়, এতে আমাদের রিজার্ভে চাপ পড়ে। সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় খপ্পরে বাংলাদেশ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নদীভাঙনে গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ মানুষ, নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সরকার থেকে খাস বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা হলেও প্রভাবশালী দখলদারদের দাপটে ভূমির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভূমিহীনরা।
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












