মন্তব্য কলাম
আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন: ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে ইয়েমেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সবেমাত্র আগ্রাসী ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়া শুরু করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে: খামেনি ২ সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পরাজিত করেছে ইরান
, ২৪ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের মধ্যে যে নজিরবিহীন ঐক্য ও সংহতি তৈরি হয়েছে তা ধরে রাখুন এবং মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
ইসনার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি পবিত্র কুরআনের এক মাহফিলে বক্তব্য দেয়ার সময় ইরানের জনগণের প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।
তিনি বলেন, আপনারা ইরানিরা মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এবং ইসরায়েলের মোকাবেলায় নিজেদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করুন। আপনারা আমেরিকার দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন।
ইয়াহিয়া সারি বলেন, শত্রুদের প্রতিশ্রুতি প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা ইরানের ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই চিন্তা করেনা। বিজয়ের একমাত্র পথ হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ, প্রতিরোধ এবং ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে তাদের মোকাবেলা করা।
ইয়েমেনের সেনা মুখপাত্র আরো বলেন, ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে এখন পর্যন্ত সেদেশের জনগণের বিজয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে মুমেন, সাহসী ও বিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রতি জনগণের দৃঢ় সমর্থন।
তিনি বলেন, আপনারা ইরানের জনগণ খোদাবান্দের ইচ্ছায় শত্রুর নরম যুদ্ধেও বিজয়ী হবেন।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবেমাত্র শাস্তি দেয়া শুরু করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি, এক্স এ দেয়া এক বার্তায় লিখেছেন, ইরান কিভাবে ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দিচ্ছে, শাস্তি দিচ্ছে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু চায় না সেটা আপনারা দেখেন।
তিনি বলেন, আমাদের সেনারা জানাচ্ছেন যে, ইরানের বিরামহীন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের ব্যাপক জায়গা জুড়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে এবং তাদের নেতারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থাও বিকল হয়ে গেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল যে ইরান মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে আগাম হামলা চালাবে আর সে কারণেই ইরানে হামলা চালাতে হয়েছে, কিন্তু তাদের সে দাবি ছিল ডাহা মিথ্যা।
তিনি বলেন, তেহরান আগাম হামলা চালাতে পারে এমন মিথ্যা যুক্তি দিয়ে ইরানে হামলা চালিয়ে আমেরিকা অনেক বড় ভুল করেছে। তারা এমন এক বিপজ্জনক কাজ করেছে যার পেছনে ইসরায়েলের পরিকল্পনা ও ইন্ধন ছিল। তাদের ওই ভুলের খেসারত এখন মার্কিন জনগণকে দিতে হচ্ছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা হামলার ৩৮তম ধাপ শুরু করেছে।
“কুয়েতের আদিরি হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে দুইটি শক্তিশালী ও যুগপৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে, এতে আহত একশো জন ব্যক্তিকে দেশটির আল জাবের এবং আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে” বলে আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
বিউরিং ঘাঁটি আগে আদিরি নামে পরিচিত ছিল এবং এটি কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরো জানিয়েছে, তারা বাহরাইনের “মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটিতে” ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এছাড়াও বিবৃতিতে বলা হয়, "কুয়েতের দুইটি নৌঘাঁটি ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’ এ অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়ট এবং মার্কিন সন্ত্রাসী সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদামগুলোতেও ভয়াবহভাবে হামলা” করা হয়েছে।
“আমরা কেবল শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় শিকারের কথা ভাবছি। আমরা তখনই এই লড়াই শেষ করব যখন দেশ থেকে যুদ্ধের ছায়া অপসারিত হবে”- এমন ঘোষণা দিয়ে বিবৃতিটি শেষ করেছে আইআরজিসি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, দেশটিতে চলমান সহিংস বিক্ষোভ দমন করে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের উপর জয়লাভ করেছে।
সরকারপন্থি সমাবেশে ইরানিরা সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিকৃতি ধরে আছেন।
ডিসেম্বরের শেষের দিকে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সমস্যার বিরুদ্ধে ইরান জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়, কিন্তু শিগগিরই এটি সরকার বিরোধী বিক্ষোভে রূপান্তরিত হয় এবং সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিক্ষোভকারী উভয়ের মধ্যে হাজার হাজার লোক নিহত হয়।
তবে এই সপ্তাহের শুরুতে, তেহরানের কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে, দেশের প্রধান শহরগুলোতে শান্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক্সে একাধিক পোস্টে খামেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে এই অস্থিরতার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন, একই সাথে ওয়াশিংটনকে প্রধান অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
‘এই রাষ্ট্রদ্রোহ সংগঠিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল। এই রাষ্ট্রদ্রোহ আরও বড় পরিকল্পনার সূচনা ছিল। ইরানি জাতি যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে।’ তিনি লিখেছেন।
ট্রাপ নিজেই এই রাষ্ট্রদ্রোহের সাথে জড়িত ছিলো। সর্বোচ্চ নেতা জোর দিয়ে বলেন, বিক্ষোভকারীদের প্রতি ট্রাপের প্রতিশ্রুতি, ‘সাহায্য আসছে’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের কথা উল্লেখ করে বলেন খামেনি।
এদিকে, রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের উপর মার্কিন হামলা ‘আসন্ন’। তবে, শেষ পর্যন্ত আক্রমণটি ঘটেনি, ট্রাপ পরে বলেছিলো যে অস্থিরতার সময় আটক হওয়া বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদ- কার্যকর করা থেকে ইরান সরে আসায় হামলার পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।
খামেনি জোর দিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা সহিংসতার আগুন নিভিয়ে দিয়েছি, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। আমেরিকাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।’
পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে সক্ষম হলেও পর্দার আড়ালে ঘনীভূত হচ্ছে গভীর লজিস্টিক সংকট। জেনারেল ড্যান কেইন আগেই সতর্ক করেছিলো, মার্কিন সামরিক সক্ষমতা মাত্র আট দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে, যা এখন বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে গিয়ে যে হারে ইন্টারসেপ্টর ও টমাহক মিসাইল ব্যবহৃত হচ্ছে, তাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) ভা-ার প্রায় শূন্য হওয়ার পথে।
এই সংকট মোকাবিলায় হোয়াইট হাউজ এখন বাধ্য হয়ে ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড বা ইনডোপ্যাকম থেকে রসদ ও অস্ত্রশস্ত্র সরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ যা তাইওয়ান প্রণালীতে চীনের জন্য আগ্রাসনের এক সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। বিশেষ করে মার্কিন নৌবাহিনীর ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে যে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে, তা পূরণ করার মতো সক্ষমতা বর্তমানে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের নেই। ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বলয় এখন নড়বড়ে হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল ড্যান কেইন এই যুদ্ধের শুরুতেই ট্রাপকে সতর্ক করেছিলো, ইরানের ওপর এই আক্রমণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক প্রস্তুতিকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে। সেই কথোপকথন ফাঁসের পর মার্কিন নীতিনির্ধারক মহলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। মূলত পেন্টাগন এখন এক গভীর আতঙ্কে রয়েছে কারণ এই উচ্চমাত্রার সংঘর্ষে ব্যবহৃত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ শেষ হয়ে গেলে মার্কিন বাহিনী একপ্রকার নিরস্ত্র হয়ে পড়বে। যদিও ইরানকে লক্ষ্য করে বিধ্বংসী হামলা চালানো হচ্ছে, তবুও তেহরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষমতা এখনো শেষ হয়ে যায়নি।
যুদ্ধের এই মুহুর্তে এসে দেখা যাচ্ছে, ইরান তার নিজস্ব কৌশলে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য হলো সম্মুখ সমরে জয়ী হওয়ার চেয়ে মার্কিন ও তার মিত্রদের মূল্যবান ক্ষেপণাস্ত্রের ভা-ার খালি করে দেওয়া। ইরান যদি তাদের ড্রোন ঝাঁক এবং হাইপারসনিক অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রেখে মজুদ শেষ করে দিতে পারে, তবে তারা পরবর্তীতে বড় ধরণের পাল্টা আঘাত হানার সুযোগ পাবে। এর মধ্যেই খবর আসছে যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ক্রমশ আরও উন্নত ও শক্তিশালী হয়ে উঠছে, যা আমেরিকার জন্য এক বড় দুঃশ্চিন্তার কারণ।
এই পরিস্থিতির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই আমেরিকার প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলো চাহিদামতো ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন অবস্থায় যদি ইনডোপ্যাকম থেকে সম্পদ সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আনা হয়, তবে চীনের জন্য তাইওয়ান দখল বা দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য বিস্তারের পথ প্রশস্ত হবে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, বেইজিং এখন নিবিড়ভাবে ওয়াশিংটনের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমেরিকার এই কৌশলগত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বড় কোনো পদক্ষেপ নিতে দেরি করবে না।
এদিকে হোয়াইট হাউজ এবং পেন্টাগন ধারণা করেছিল যে এই যুদ্ধ বড়জোর চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। এখন মধ্যপ্রাচ্যে স্থল সেনা মোতায়েনের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে, যার অর্থ হলো এই অঞ্চলে সম্পদের টান আরও বাড়বে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তবে ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইন হিসেবে পরিচিত অঞ্চলগুলো (জাপান থেকে ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত) সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বে। চীনের জে-২০ ফাইটার জেটের উপস্থিতিতে সেই অঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা আমেরিকার জন্য তখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে বলে জানিয়েছে তেহরান। ট্রাপ যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, তার জবাবে এই ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েনি বলেছেন, ‘ট্রাপের বক্তব্য মিথ্যা ছাড়া কিছুই নয়। সাম্প্রতিক অপমানজনক পরাজয়ের পর সে ভুয়া সামরিক সাফল্যের গল্প তৈরি করার চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, এই যুদ্ধের সমাপ্তি আমরাই নির্ধারণ করবো।
নাইনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদ প্রায় শেষ হয়ে আসছে এবং তারা যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বের হওয়ার পথ খুঁজছে। তিনি বলেন, ট্রাপ মার্কিন জনগণের কাছে সত্য বলতে চায় না।
তার অভিযোগ, পারস্য উপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে-এ তথ্য মার্কিন জনগণের কাছ থেকে গোপন রাখা হচ্ছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল হয়ে গেছে-ট্রাপের এমন দাবিও নাকচ করেছে আইআরজিসি মুখপাত্র। তিনি বলেন, যুদ্ধের শুরুর দিনের তুলনায় এখন আরও বেশি সংখ্যায় এবং এক টনের বেশি ওজনের ওয়ারহেডসহ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












