স্কুলে হাতে লেখা আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঠার পর নিজেদের মতো করে নোট নেয়া অর্থাৎ ল্যাপটপ। কি-বোর্ডের শব্দ শোনা যায়। কিন্তু এসব ক্লাসরুমে এখনো অনেককে দেখা যায়, যারা অন্যদের থেকে একটু আলাদা। সামনে খাতা-কলম রেখে বসে আছে। নোট নিচ্ছে। একবার লিখছে আবার কেটে দিচ্ছে।
ক্লাস শেষে সবাই একসঙ্গে বের হয়। তবে এক সপ্তাহ পরে সেই ক্লাসের পড়া সবার মাথায় সমানভাবে থাকে না।
এই ক্লাসে অনেকেই লেকচারের সবটুকুই নোট করেছে; কিন্তু সব মনে করতে পারে না। কেউ নিজের টাইপ করা নোট খুলে দেখেও বোঝে না ঠিক কী লিখেছে। কিন্তু যে খাতা-কলমে লিখেছিলো, সে আসলে মনে করতে পারে। বাকি অংশ পড়ুন...
চুলের যত্নে: চুলে শ্যাম্পু করার পর তেজপাতার পানি ব্যবহার করুন। কয়েকটি তেজপাতা দিয়ে পানি চুলায় গরম করতে হবে। ঠান্ডা হওয়ার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে চুলের খুশকি দূর হয়। একইসঙ্গে চুল পড়াও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
উকুননাশক হিসেবে: ৫০ গ্রাম তেজপাতা এবং ৪০০ মি.লি. পানি একসাথে করে চুলায় গরম করতে হবে, যতক্ষণ না কমে ১০০ মি.লি. পানি হয়। তারপর ঠান্ডা করে মাথার তালুতে লাগাতে হবে। ৩-৪ ঘণ্টা রাখার পরে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে।
ডায়াবেটিস: তেজপাতার পানি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে; যা আমাদের শরীরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইনসুলিন তৈরি কর বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর কলিজা, ফুসফুস, মগজ, ভুঁড়ি, জিহ্বা, কিডনি, গুর্দাকে ‘অঙ্গের গোশত’ বলা হয়, ইংরেজীতে বলা হয় অর্গান মিট। এই অঙ্গগুলোর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৪ আউন্স গরুর কলিজায় ২৩ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এখানে অঙ্গের গোশত কিছু চমকপ্রদ উপকারিতা উল্লেখ করা হলো।
অ্যালঝেইমার্স রোগের ঝুঁকি কমায়: গরুর কলিজায় ভিটামিন বি-১ তথা থিয়ামিন রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, থিয়ামিন স্মৃতিভ্রম রোগ অ্যালঝেইমার্সের রিস্ক ফ্যাক্টর প্রতিরোধ করতে পারে। যেমন স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া।
শারিরিক শক্তি বাড়ে: গরুর কলিজা ও কিডনিতে প্রচুর আয়রন থাকে। অন বাকি অংশ পড়ুন...
সাতটি মহাদেশ নিয়ে আমাদের এই পৃথিবী। এই মহাদেশগুলোর ভেতরেই রয়েছে সবগুলো দেশ। আর এই মহাদেশগুলো হচ্ছে-
এশিয়া: বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাদেশ হচ্ছে এশিয়া। এশিয়া মহাদেশের আয়তন ৪৩ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। এই মহাদেশে দেশ রয়েছে ৪৭টি। আমরা এশিয়া মহাদেশেই বাস করি। দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত আমাদের বাংলাদেশ। এ অঞ্চরের মাঝামাঝি তাপমাত্রার কারণে এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার বসবাস।
আফ্রিকা: আফ্রিকার কথাও তো সবার জানা। এটা দ্বিতীয় বড় মহাদেশ। আয়তন ৩ কোটি ৩৭ লাখ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ৫৪টি দেশ রয়েছে।
উত্তর আমেরিকা: আয়তনের দিক থেকে বাকি অংশ পড়ুন...
দাঁত মাজার সঙ্গে ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের সম্পর্ক রয়েছে, এমন তথ্য অনেকেরই অজানা। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছে, যারা দিনে অন্তত তিনবার দাঁত পরিষ্কার করে, তাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ডায়াবেটোলজিয়া জার্নালে ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় আরও দেখা যায়, যাদের মুখে ১৫টি বা তার বেশি দাঁত নেই, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি ২১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁত ও মাড়ির রোগ কেবল মুখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পিরিওডোন্টাইটিস বা মাড়ির গুরুতর রোগ হল বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্যাটি লিভার বা লিভারের অন্যান্য সমস্যা এখন বিরল নয়। ব্যস্ত জীবনযাপন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, মানসিক চাপ ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে লিভার অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ বুঝতে পারে না যে তাদের লিভারের সমস্যা শুরু হয়ে গেছে। সাধারণত রুটিন পরীক্ষার সময় এই সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসা অবশ্যই জরুরি, তবে দৈনন্দিন খাবারে সামান্য পরিবর্তনও লিভারের সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে শীতকালীন পরিচিত সবজি মুলা লিভারের যতেœ কার্যকর।
পুষ্টিবিদরা মুলাকে লিভারের ‘সুপারহিরো’ আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক ক্ষেত্রে। কোনো দামি সাপ্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সব ঋতুতেই হলুদ দুধ খাওয়ার রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। তবে শীতে ঋতু পরিবর্তনের ঠান্ডা আবহাওয়ায় নানা রোগের প্রকোপ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে নিয়মিত হলুদ দুধ খাওয়ায় অভ্যাসের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়, শীতের সেরা পানীয় হিসেবে হলুদ দুধকে গণ্য করা হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর অসংখ্য উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। জেনে নিন হলুদ দুধের উপকারিতাসমূহ-
১। চিকিৎসকরা প্রদাহ প্রশমিত করতে কাঁচা হলুদ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
২। দুধে এক টুকরো কাঁচা হলুদের ব্যবহার হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে।
৩। কাঁচা হলুদে এমন কিছু অ বাকি অংশ পড়ুন...
দিনের স্বাভাবিক আলো শুধু চোখ বা মন ভালো রাখে না, এটি শরীরের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও উন্নত করতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাকৃতিক দিনের আলোতে বেশি সময় থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) নিয়ন্ত্রণ ভালো হয় এবং শরীরের বিপাকস্বাস্থ্য উন্নত হয়।
এই গবেষণাটি করেছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয় (টঘওএঊ) এবং নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রাকৃতিক আলোতে ছিলেন, তাদের রক্তে গ্লুকোজ স্বাভাবিক মাত্রায় বেশি সময় ধরে থাকে এবং ওঠানাম বাকি অংশ পড়ুন...
যে দেশে শীতকালে আকাশে বিভিন্ন রঙের আলো দেখা যায়- সেই দেশটির নাম গ্রিনল্যান্ড। দেশটি ন্যাটো জোটভুক্ত এবং ডেনমার্কের একটি আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক- রাজ্যের একটি অঙ্গ হয়েও দেশটি ১৯৭৯ সাল থেকে স্বদেশের শাসন উপভোগ করছে। এ দেশের বেশির ভাগ ভূখ- আর্কটিক অঞ্চলে পড়েছে। অনুত্তোলিত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই অঞ্চল।
আর্কটিকের বরফ গলতে শুরু করায় এ অঞ্চলটি বাণিজ্যের অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে রূপান্তর হয়েছে। বিস্তৃতির দিক দিয়ে গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের দ্বাদশতম বৃহত্তম দেশ হলেও এর জনসংখ্যা একটি ছোটো শহরের তুলনায় অনেক কম। গ্রিনল্যান্ বাকি অংশ পড়ুন...
হোয়েল শার্ক স্বভাবে খুব নম্র। এ বিশালাকৃতির এই শার্ক বা হাঙর সমুদ্রে বেছে বেছে খাবার খায়। যাকে বলে ‘ফিল্টার ফিডার’। ফিল্টার ফিডার হলো এমন প্রাণীদের খাবার গ্রহণ পদ্ধতি, যারা পানি থেকে ক্ষুদ্র খাদ্য কণাগুলো ফিল্টার বা ছেঁকে খায়। এদের খাদ্য তালিকায় আছে প্ল্যাঙ্কটন, ক্ষুদ্র মাছ, বা অন্যান্য ক্ষুদ্র পোকার দল।
হোয়েল শার্ক, ব্লু হোয়েল এবং মান্তা রে-এই বিশালাকৃতির প্রাণীগুলো মুখ হাঁ করে পানি মুখে নেয়। এরপর মুখের বিশেষ ছাঁকনি দিয়ে পানি বের করে দেয়, সঙ্গে খাবার ছেঁকে নেয়। এটি অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব খাবার গ্রহণের পদ্ধতি। এই খাদ্যাভ্যা বাকি অংশ পড়ুন...
শীতের তীব্র অনুভুতির জন্য মূলত ভারী কুয়াশাই মূল কারণ। কারণ কুয়াশা যখন দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকে, তখন সূর্যের আলো ঠিকমতো পৌঁছায় না, ফলে মাটি গরম হতে পারে না এবং দিনের তাপমাত্রা কমে যায়। তখন দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীত বেশি অনুভূত হয়।
কিন্তু ঘন কুয়াশা কাটার জন্য কিছু বিষয়ের উপস্থিতি প্রয়োজন।
(১) ওয়েস্টার্লি ডিসটার্বেন্স’ বা পশ্চিমা লঘুচাপ। এটি হলো পশ্চিম দিক থেকে আসা একটি আবহাওয়াগত অস্থিরতা, যা শীতকালে উপমহাদেশে ঠান্ডা বাতাস, মেঘ, বৃষ্টি বা ঝড়ো হাওয়া নিয়ে আসে। এর বর্ধিতাংশ সক্রিয় মানে, এই অস্থিরতার প্রভাব যদি বাং বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে কখনো কখনো সূর্যের আলো দেখা যায় না। কারণটা হলো ধূসর রঙা ঘন কুয়াশার চাদর। তখন কয়েক হাত দূরত্বেই দৃষ্টিসীমা আটকে যায়। কুয়াশা ভেদ করে কিছুই স্পষ্ট দেখা যায় না। প্রতিবছর শীতের সময়ে একাধিক দিন এরকম দৃশ্য দেখা যায়।
ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘœ, সড়ক দুর্ঘটনা, বিমান ওঠানামা স্থগিত, ফেরি বা নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার উদাহরণও রয়েছে।
কিন্তু কুয়াশা আসলে কি, কিভাবে এবং কেন এটি তৈরি হয়? শীতেই কেন এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি হয়? আবহাওয়ার ওপর এটি কি ধরনের প্রভাব ফেলে?
কুয়াশা কিভাবে সৃষ্টি হয়?
আবহাওয়াবিদরা কুয়াশাকে ভূপৃষ্ বাকি অংশ পড়ুন...












