নিরাপদ আশ্রয় ও সঙ্গীর খোঁজে ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিল ভারতের মহারাষ্ট্রের ব্রহ্মপুরী এলাকার তাডোবা জঙ্গলের একটি বাঘ।
বাঘটি টানা হেঁটে ৪টি রাজ্য পেরিয়ে ওড়িশায় পৌঁছায়। পথে নিরাশয়, নদী, ধান জমি, রাস্তা, লোকালয় পড়েছে। সেসব পথ সে হেলায় পেরিয়েছে।
বাঘটি সম্পর্কে প্রথমদিকে কিছু জানা যায়নি। কারণ, তার গলায় রেডিও কলার পরানো ছিল না। রেডিও কলার পরানো থাকলে সহজেই বাঘের গতিবিধির ওপর নজর রাখা যায়। তবে এক্ষেত্রে বাঘটির ডোরার প্যাটার্ন দেখে তাকে চিহ্নিত করা গেছে।
বাঘ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, তার ২ হাজার কিলোমিটার যাত্রাপথে লোকালয় পড়েছে। ক বাকি অংশ পড়ুন...
আমেরিকা মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে একটি মাছ রয়েছে যার নাম রেডলিপ ব্যাট ফিশ। এদের ঠোঁট দেখতে অনেকটা মানুষের ঠোঁটের মতো। সেটিও আবার রক্তরঙে রাঙানো। লাল ঠোঁট ছাড়াও এদের দেহে রয়েছে আরও বেশ কিছু রঙের মিশ্রণ। এদের পিঠের দিকে হাল্কা খয়েরি থেকে ধূসর পেটের দিকে সাদাটে। মাথা থেকে ওপর দিকে চলে গেছে ঘন খয়েরি দাগ। মৎস্য প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত হয়েও সাঁতার কাটতে পারে না এই প্রাণী। তারা অভিযোজিত পেট্রোরল পেলভিক এবং পাখনা দিয়ে হেঁটে বেড়াতে অধিক পারদর্শী।
এরা সাধারণত সমুদ্রের তলা দিয়ে হেঁটে বেড়ায় এবং চিংড়িসহ ছোটখাটো মাছ খায়। এ ছাড়াও খাদ্য বাকি অংশ পড়ুন...
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় পাহাড়ে ঘেরা অঞ্চল। চারদিক সবুজে সবুজ। এর মাঝে ইতিউতি পড়ে অসংখ্য রহস্যময় পাথর। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এটি পবিত্র স্থান। কিন্তু এর আসল রহস্য এত দিন কেউই জানতো না। বিশেষজ্ঞেরা বলছে, মাটির নীচে লোকচক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক বিশাল পিরামিড। মিসরের পিরামিডের থেকেও পুরনো। স্টোনহেঞ্জের থেকেও পুরনো। সম্ভবত মানুষের তৈরি সবচেয়ে প্রাচীন মেগালিথিক (একাধিক বিশালাকারের পাথর দিয়ে তৈরি) স্থাপত্য। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি ‘আর্কিওলজিক্যাল প্রসপেকশন’-এ প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার
নাম ‘গুনুং পাডাং বাকি অংশ পড়ুন...
স্লোভাকিয়ায় প্রাচীন একটি গ্রামের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। গবেষণায় দেখা যায়, গ্রামটি গড়ে ওঠে প্রস্তর যুগের শেষ দিকে। এই গ্রাম দেখলে মনে হয়, ঘরবাড়িগুলি যেন ঘুরছে। সূত্র: আনন্দবাজার
রহস্যে ঘেরা এই গ্রামের নাম ভ্রাবেল। ইউরোপ মহাদেশের মধ্যভাগে অবস্থিত স্লোভাকিয়ায় দেশের ছোট্ট শহর ভ্রাবেল। তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুদূর অতীত যুগের এক রহস্য।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, গ্রামটি গড়ে উঠেছিল প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। সেই যুগের মানুষের প্রাথমিক বাসস্থান ছিল নদীর ধার, বনজঙ্গল কিংবা পাহাড়ের গুহা। কিন্তু স্লোভাকিয়ার এই গ্রামটির এ বাকি অংশ পড়ুন...
কলা খেতে কে না ভালোবাসে? পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল, অন্যদিকে আবার দামেও হাতের নাগালে। নাস্তার জন্য তাই চমৎকার একটি খাবার হিসেবে কলা সকলেরই প্রিয়।
তবে কলা খাওয়ার সময় অনেকের কাছেই বিরক্তির একটি বিষয় হচ্ছে, কলায় লেগে থাকা সুতার মতো অংশ। অনেকেই এটিকে কলার খোসার অংশ মনে করেন। তাই কলার খোসা ছাড়ানোর পর কলায় লেগে থাকা সুতার মতো অংশগুলো ছাড়িয়ে তারপর কলা খেয়ে থাকেন।
কলার সুতার মতো অংশটি মূলত একটি টিস্যু, যার নাম ফ্লোয়েম বান্ডেল। খোসা ছাড়ানোর পর কলায় ফ্লোয়েম বান্ডেল লেগে থাকতে দেখা যায়।
এই ফ্লোম বান্ডেলগুলো খেতে সুস্বাদু না হলেও, খাওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
হামিংবার্ড হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট পাখি। প্রায় একটি বড় আকারের মাছির আকৃতির এই রঙিন পাখিগুলো কার না ভালো লাগে! এ পর্বে জেনে নেওয়া যাক এই পাখি সম্পর্কে কয়েকটি মজার তথ্য।
১. হামিংবার্ড হাঁটতে পারে না। তবে এরাই একমাত্র পাখি যারা সামনে, পেছনে, ওপরে ও নিচে সবদিকেই পূর্ণগতিতে চলাচল করতে পারে।
২. হামিংবার্ডের বাসা একটি আখরোটের সমান।
৩. এদের কেবল আমেরিকার ট্রপিক্যাল অঞ্চলে পাওয়া যায়। আকৃতিতে ছোট হলেও পৃথিবীতে প্রায় ৪০০ প্রজাতির হামিংবার্ড রয়েছে।
৪. এদের মধ্যে ‘কিউবান বি’ প্রজাতির হামিংবার্ড সবচেয়ে ছোট। এদের দৈর্ঘ্য মাত্র ২ ইঞ্চি অ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান যুগ অনেকটাই উন্নত, মানুষ এখন বই পড়ার থেকেও সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় কাটাতে বেশি পছন্দ করে। সাধারণ প্রশ্নের প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। কিন্তু এর গুরুত্ব মানবজীবনে অনেকটাই। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে অবশ্যই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতে বসতে হবে। তাই সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন যদি আপনি না করেন লোকসান কিন্তু আপনারই হবে। বহু অজানা তথ্য আপনার জানা হবে না। নিজের জ্ঞানের ভান্ডারকে প্রসারিত করতে অবশ্যই প্রশ্ন করে জেনে নেয়া উচিত। যেমন: কিছু মজাদার তথ্য-
- মানব শরীরের কোন সেই গ্রন্থি যা হরমোন উৎপাদন করে না?
* প্লীহা হল সেই একমাত বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির শহর ঢাকায় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল সেবা শুরু হয়েছে। ব্যয়বহুল এ কাজে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে নানা প্রতিকূলতা এসেছে যা দূরে ঠেলে এখন এ প্রকল্পটি দৃশ্যমান।
নকশাগত ত্রুটি, কোভিড, হোলি আর্টিজান হামলায় জাপানি প্রকৌশলীদের মৃত্যুসহ বিভিন্ন কারণে কয়েক দফা পিছিয়েছে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ। নানা কারণে বেড়েছে নির্মাণ ব্যয়ও।
তবে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আনুষ্ঠানিকভাবে মেট্রোরেল পুরোপুরি চালু হওয়ার ফলে ঢাকার ভেতরে নিয়মিত যাতায়াত করা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য প্রধান বাহন এখন এটি। এই যোগাযোগ ম বাকি অংশ পড়ুন...
একসঙ্গে অনেক জন বসে থাকলেও মশা আপনাকেই বেছে বেছে কামড়ায়। কখনও কি ভেবে দেখেছেন এটা কেন হয় বা এর কারণ কি?
সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, কিছু কিছু মানুষের চামড়ায় এমন কিছু উপাদান থাকে যা মশাকে আকৃষ্ট করে। সারা জীবনই সেই উপাদানগুলো ত্বকে পাওয়া যায়। তাই চিরকালই তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় মশা।
যাদের মশা বেশি কামড়ায়, তাদের সারা জীবনই মশার কামড় খেয়ে যেতে হবে। সাম্প্রতিক এক গবেষণা নির্দেশ করছে সেই দিকেই। নিউইয়র্কের রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুজীববিদ্যার গবেষকদের নেতৃত্বে হওয়া গবেষণাটি বলছে, কিছু কিছু মানুষের চামড়ায় এমন কিছু উপাদান বাকি অংশ পড়ুন...
কুড়িগ্রামে কাশবনের শুভ্রতায় ছেয়ে গেছে চর ও দ্বীপগুলো। শহরের যান্ত্রিক জীবন ছেড়ে চোখ জুড়াতে মানুষ খুঁজে নিচ্ছে কাশফুলের শুভ্রতা। তবে কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নয় বর্তমানে চরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকায়ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে জেগে ওঠা নতুন-পুরোনো চর ও দ্বীপ চরগুলোর পতিত জমিতে জেগে উঠেছে কাশবন। বিঘার পর বিঘা জমিতে দোল খাচ্ছে কাশফুল। শরতের সাদা মেঘের ভেলা আর ধুধু বালু চরে কাশবনের উপস্থিতি সবারই মন কাড়ে। দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী মা বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও উন্নত বালিশে ঘুমাতে চাইলে খরচ করতে হবে ৫৭ হাজার ডলার বা ৫৩ লাখ টাকা।
সম্প্রতি এমন বালিশ তৈরি করে আলোড়ন তুলেছে ডাচ ডিজাইনার ভ্যান ডার হিলস্ট। তার তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে দামি বালিশের নাম ‘টেইলরমেড পিলো’। বলা হচ্ছে, এ বালিশ যে কাউকে দিতে পারে আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা।
দামি এই বালিশের ভেতর দেওয়া হয়েছে মিসরীয় তুলা। এর কাপড় তুত সিল্কের তৈরি। এতে ২৪ ক্যারেট সোনার আবরণ রয়েছে ও জিপারে রয়েছে ২২ ক্যারেটের একটি নীলকান্তমণি ও চারটি হীরা। সূত্র-দ্য ইকোনমিক টাইমস।
বাকি অংশ পড়ুন...












