বিভিন্ন কারণে গ্যাসের সংকট দেখা দিতে পারে। নাগরিক জীবনে তো আর কাঠ-খড়ি জ্বালিয়ে রান্নার উপায় নেই, এদিকে চুলাও যদি নিভুনিভু করে জ্বলে তখন খাবার তৈরির জন্য কেমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয় সেটা যারা রান্নার কাজে নিয়োজিত তারাই ভাল বুঝেন। এক্ষেত্রে অনেকের ধৈর্য্যরে বাধ ভেঙ্গে যায় কিন্তু রান্নার কাজ যেহেতু করতেই হবে তাহলে সমস্যারও তো সমাধান করতে হবে। গ্যাসের সংকট হলে অল্প তাপে রান্নার উপায় জেনে নিতে হবে। জরুরত হিসেবে কীভাবে রান্না করলে কম গ্যাসেও যতটুকু রান্না করা সম্ভব তাই জেনে নেওয়া যাক-
রাইস কুকার বা প্রেশার কুকার ব্যবহার:
রান্নার ক বাকি অংশ পড়ুন...
পাকতে পাকতে কলা কালো হবেই। তবে এই প্রক্রিয়াকে ধীর করতে রয়েছে সাধারণ পদ্ধতি।
কলা একটি গ্রীষ্মম-লীয় ফল। এই ধরনের অন্যান্য ফলের মতো কলাও ঠা-া পরিবেশে সংরক্ষণ আদর্শ নয়। তাই এই ফল ফ্রিজে রাখা চলবে না, রাখতে হবে কক্ষ বা সাধারণ তাপমাত্রায়। বিশেষ করে অপরিপক্ক কলা ফ্রিজে রাখা একেবারেই ঠিক না। কলা সবুজ থাকতেই ফ্রিজে রাখলে পাকার ক্ষমতা কমে যায়।
আর যদি কাঁচা কলা তাড়াতাড়ি পাকার উদ্দেশ্য নিয়ে ফ্রিজে রাখেন তাহলে সেই কলা পরবর্তীতে ফ্রিজ থেকে বের করে নিলেও তা পরে আর নাও পাকতে পারে।
আর কলাকে পাকার সুযোগ দিতে হবে, নইলে তা সবুজ রং এবং কষ স্বাদেই বাকি অংশ পড়ুন...
যারা পোষ্য হিসেবে বিড়াল পছন্দ করেন, তাদের নিশ্চয়ই কখনো কখনো মনে হয় যে, বিড়ালের সাথে একটা কথ্য যোগাযোগ হলে মন্দ হতো না। কারণ, তাহলে অন্তত পোষ্যটির চাহিদা বোঝা যেত সহজেই। তবে প্রাণ যেহেতু আছে, তার নিজ ভাষাও আছে। সেটা কেবল বুঝতে হবে।
বর্তমানে অনেক সৌখিন পরিবারের বাসায় পরিবারের সদস্য পদে আসীন থাকে পোষা প্রাণীরা। এদের মধ্যে বিড়াল যেহেতু কম ব্যয়সাধ্য তাই বিড়ালকে পোষ্য হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী অনেকেই। তাই তাদের সঠিক পরিচর্যা থেকে শুরু করে সার্বিক সুবিধার জন্য বুঝতে হবে প্রাণীটির অব্যক্ত ভাষা।
মূলত, বিড়াল বা ফেলাইন প্রজাতির প্রাণীর বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকান নেটিভ অঞ্চলের এই গাছগুলো দেখলে মনে হবে কোনও গ্রহ থেকে এসব গাছ এসে পড়েছে। তবে এই গাছের এক প্রজাতি অস্ট্রেলিয়াতেও পাওয়া যায়। বাওবাব গাছের কান্ড দেখতে অনেকটা বোতলের মত হওয়াতে একে বোতল গাছ নামেও ডাকা হয়।
(১) এদের ভীষণ মোটা গুঁড়ি পানি জমিয়ে রাখতে কাজে লাগে।
(২) এই গাছের পাতা থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধও তৈরি হয়।
(৩) বাওবাব ফলে যে চিনি ও পেকটিন থাকে তা দিয়ে কোমল পানীয় তৈরি হয়।
(৪) এই গাছটি দ্বারা চকোলেট ও আইসক্রিমের সুগন্ধি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।
(৫) কদুর মতো দেখতে বাওবাব গাছের ফল খুব মজাদার।
(৬) বাকল থেকে বের হয় শক্ত ও লম্বা আশঁ। যা বাকি অংশ পড়ুন...












