গ্রন্থাবলী:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বেশ কিছু গ্রন্থাবলী রয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো: ১. আল মুওয়াত্ত্বা শরীফ।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার জগতে কিছু ছোট ছোট সঙ্কলন শুরু হলেও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মুওয়াত্তা শরীফ’ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সর্বপ্রথম উল্লেখযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য সঙ্কলন। এ গ্রন্থে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদà বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উপর আমল:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ শিক্ষা ও সংগ্রহ করেই ক্ষান্ত হননি, বরং বাস্তব জীবনে পালনের মাধ্যমেও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুকাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘আমি কোনো আলিমের কাছে যখনই বসেছি, অতঃপর বাড়িতে ফিরে সেসব শ্রুত পবিত্র হাদীছ শরীফ মুখস্থ করে ঐ পবিত্র হাদীছ শরীফগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বা আমল না করা পর্যন্ত পুনরায় ঐ আলিমের বà বাকি অংশ পড়ুন...
ছাত্রবৃন্দ:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হলেন ইমামু দারিল হিজরা, অর্থাৎ সম্মানিত মদীনা শরীফ উনার ইমাম। অতএব সম্মানিত মদীনা শরীফ উনার ইমাম উনার ছাত্র হওয়ার দুর্লভ সৌভাগ্য কে না চায়। তাই উনার ছাত্র অগণিত। ইমাম যাহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখযোগ্য ১৬৬ জনের নাম বর্ণনা করেছেন। ইমাম খ¦তীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৯৯৩ জন ছাত্রের নাম উল্লেখ করেন।
কয়েকজন প্রসিদ্ধ ছাত্রের নাম নিম্নে প্রদত্ত হলো:
১। ইমাম হযরত মুহম্মদ ইবনু ইদরীস আশ্ শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২. ইমাম হযরত সুফইয়ান ইবনু উয়ায়নাহ র বাকি অংশ পড়ুন...
শ্রীলঙ্কা; যাকে একসময় ভারত মহাসাগরের মুক্তা বলা হতো, সেই সৌন্দর্যের ভূমি আজ সেখানের মুসলমানদের কাছে এক বিভীষিকার জনপদ। সবুজ পাহাড় আর নীল পানিরাশির এই দেশে আজ বাতাসে কেবল বারুদের গন্ধ আর মজলুমের দীর্ঘশ্বাস। বছরের পর বছর ধরে লঙ্কান মুসলমানরা যে অবর্ণনীয় জুলুমের শিকার হচ্ছেন, তা বিশ্ববিবেকের দেয়ালে এক পৈশাচিক করাঘাত।
স্মৃতির ক্ষত ও চলমান বিভীষিকা:
লঙ্কান মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ইতিহাস কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি সুগভীর ক্ষত। ১৯৯০ সালে যখন এলটিটিই (খঞঞঊ) বিদ্রোহীরা উত্তর প্রদেশ থেকে রাতারাতি হাজার হাজার মুসলমানকে কেà বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন তারুগান্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন পবিত্র মক্কা শরীফ উনার এক বাজারে গিয়েছিলেন। দেখলেন, এক বৃদ্ধ এক ক্রীতদাসীকে বিক্রি করবার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। ক্রীতদাসীর শরীরের রং ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, শরীর ভীষণ রোগা ও দূর্বল, কিন্তু চেহারা বেশ নূরানী। বৃদ্ধ লোকটি বলছে, সে বিশ দীনারের অধিক মূল্যে এই বাঁদীকে বিক্রি করবে এবং তার দোষ-ত্রুটির জন্য তাকে ফেরৎ দেয়া যাবেনা।
তখন হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বৃদ্ধের কাছে গিয়ে বাঁদীর দোষ-ত্রুটি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেনॠবাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
লক্ষ্যণীয় যে;
* এই কার্যালয়গুলো ঐসব দেশে বিভিন্ন ধরণের কাজ করে- যেমন কথিত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সরকার ও নাগরিক সমাজকে সহায়তা, প্রতিবেদন, প্রশিক্ষণ ইত্যাদির নামে অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ অনুসারী। সমগ্র জীবনব্যাপী জ্ঞান-গবেষণা ও মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বন্দেগীতে নিয়োজিত ছিলেন। উনার ৮৬ বছরের জীবন ছিল একটি আলোকউজ্জ্বল জীবন মুবারক। নিম্নে উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক তুলে ধরা হলো-
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
নাম- মালিক, উপনাম-আবূ আবদুল্লাহ। বংশপরম্পরা- মালিক ইবনু আনাস ইবনু আবূ আমির ইবনু আমর ইবনু হারিছ আল আছবাহী। তিনি আরবের প্রসিদ্ধ কাহত্বান গোত্রের উপগোত্র আছবাহ উনার অন্তর বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার বীর বিক্রমে আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনী ভীষণ পেরেশানিতে পড়ে গেলো। মারাত্মক পরিণতির কথা উপলব্ধি করে সেনাপতি আমর বিন সা’দ লা’নতুল্লাহি আলাইহি নির্দেশ দিলো, সবাই মিলে একসাথে চারদিক থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাকে লক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করো। নির্দেশমতো ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর সবাই উনাকে চারদিক থেকে ঘিরে বৃষ্টির মতো তীর নিক্ষেপ করতে লাগলো। ফলে চারদিক থেকে তীর এসে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালà বাকি অংশ পড়ুন...












