আব্বাসীয় ও মামলুক শাসনামলে:
ইতিহাসে দেখা যায়, উমাইয়াদের মতো আব্বাসীয় শাসকরাও ডাকব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সালতানাত পরিচালনার কাজে তা প্রধান নিয়ামক হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আব্বাসীয় শাসক আবু জাফর মনসুর বলতেন, আমার ঘরে সবসময় চার প্রকার ব্যক্তির উপস্থিতি জরুরী। সবসময় তাদের দরকার হয় আমার।
জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কারা? তিনি বললেন, তারা হলেন সালতানাতের ভিত্তি। তাদের অনুপস্থিতিতে সালতানাত অচল। ঠিক যেমন চৌকাঠের খুঁটি থাকে চারটি। একটি যদি অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে তা দুর্বল ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
১. বিচারক: যিনি মহান বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমান বিজয়ের বীরোচিত উপাখ্যান রচনা করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সীমানা সারা পৃথিবীতেই বিস্তৃত করেন। বিশ্ববাসী মুসলমানদের তাক্বত, প্রতিপত্তি এবং ইনসাফ মুবারক সম্পর্কে অবগত হয়। দলে দলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।
বিশ্বব্যাপী সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিজিত অঞ্চলসমূহের গভর্নর এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডাক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৎকালীন সম্মঠবাকি অংশ পড়ুন...
দেলিলার শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ নির্ভীক, সাহসী, দুঃসাহসী, নিরাতঙ্ক, বীর। উনারা ছিলেন উসমানীয় বাহিনীর ঝটিকা আক্রমণকারী হালকা ঘোড়সাওয়ারী ইউনিট। উনাদের আবির্ভাব হয়েছিলো বলকান থেকে। তাদের কাজ ছিলো হঠাৎ করে ঝটিকা আক্রমণ করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া। তারা ঝটিকা আক্রমণ করে শত্রুপক্ষের মধ্যে এমন ভয় ছড়াতো যে, শত্রুরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মাঝে মাঝে উল্টো দৌড়ে পালাতো।
দেলিলারদের যুদ্ধকৌশল ছিলো গেরিলা পদ্ধতির। অর্থাৎ সামনে শক্তিশালী শত্রুকে এমন ক্ষিপ্রতার সাথে লুকিয়ে আক্রমন করা যাতে তারা টেরই না পায়। অনেক সময় তারা শত্রুপক্ষকে যুদ্ধà বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ও বিষয়ভিত্তিক আঙ্গিক (থিমেটিক) তদন্তমূলক বা ইহুদী ষড়যন্ত্রমূলক কাজ:
* নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষ কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক বা রিপোর্টিয়ার (ঝঢ়বপরধষ জধঢ়ঢ়ড়ৎঃবঁৎ) নিয়োগ দেয়, যেমন:
* মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যার অর্থ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা (ঋৎববফড়স ড়ভ ড়ঢ়বহরড়হ) এর নামে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করাকে মানবাধিকার বলে প্রচার করে আর ইহুদীবাদ, খ্রিস্টবাদ বা তাদের মনগড়া যে কোন মতবাদের বিরà বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে ইউরোপজুড়ে মুসলিমবিদ্বেষ চরম আকার ধারণ করেছে। ইউরোপের অমুসলিম দেশগুলোতে মুসলমানদের উপর চলছে অবর্ননীয় নির্যাতন-নিপীড়ন। অথচ এই ইউরোপকেই সমৃদ্ধ করেছেন মুসলমানরা। বিশেষ করে আফ্রিকান মুর মুসলিমরা।
শুধু আধুনিক কালেই আফ্রিকার মুসলিমরা ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করেননি, বরং প্রাচীনকালেও ইউরোপে সভ্যতার আলো দান করেছিলেন তারা।
পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাস পড়ানোর সময় মধ্যযুগকে সাধারণভাবে অন্ধকার যুগ বলা হয়। অথচ, এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র ও বিদ্বেষ। কারন এই মধ্যযুগে জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখর স্পর্শ করেছিলেন মুà বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন কর্নেল রাল্ফ পিটার ২০০৬ সালের “U-S Armed Forces Journal”- এর জুন সংখ্যায় একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। উক্ত মানচিত্রের শিরোনাম ছিল ‘বিস্তৃত মধ্যপ্রাচ্য প্ল্যান’। উক্ত প্ল্যানে যেসব মুসলিম দেশকে টুকরা টুকরা করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছিল তা হলো-
১। সৌদি আরব:
সৌদি আরবের বর্তমান ভূখন্ড-কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হবে।
এর কিছু অংশ জর্দানের সাথে যোগ করে Greater Jordan,
কিছু অংশ ইয়েমেনকে দেয়া হবে,
কিছু অংশ কুয়েতকে দিয়ে
অবশিষ্ট অংশে দুইটি দেশ গঠন করা হবে।
একটি হলো মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ নিয়ে Islamic Sacred State।
অপরটির নাম হলো ঝড়ঁফর Homeland Independent Territory.
২। সিরিয়া:
সিরিয়ার পশ্চঠবাকি অংশ পড়ুন...
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
তারকা সংযোগ বা স্টারলিংকের জন্য মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহসমূহ প্রেরণ ও নিয়ন্ত্রণ, ভূ-রাজনৈতিক এবং সামরিক প্রভাব এবং সার্বিকভাবে তাদের পরিচালিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে এটাই স্পষ্ট হয় যে, তারকা সংযোগ (স্টারলিংক) যেই দেশে যাবে সেই দেশের তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং তথ্য প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা (সাইবার নিরাপত্তা) সেই দেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। দ্রুত গতির অন্তর্জাল সরবরাহ বা তথ্যজালিকা সেবার (ইন্টারনে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হিজরী ১২৬৩ সনে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ২৮ তারিখ, ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) হুগলী জেলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
পবিত্র নসব মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বংশধর এবং হযরত মাওলানা মনছুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১৫তম নিম্নপুরুষ। সুবহানাল্লাহ!
হযরত মনছুর বাগদাদী রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সময়টা তখন ১৪৯১ সাল। গ্রানাডার মুসলিম শাসনের সূর্য অস্তমিত প্রায়। দুর্বল এবং অযোগ্য মুসলিম শাসক থাকার সুযোগে তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছে ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। এবার শেষবারের মতো অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলো গ্রানাডার মুসলিমরা। গ্রানাডার মুসলিম যুবকরা সিদ্ধান্ত নিলো শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত তারা খ্রিষ্টানবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবে।
এই যুবকদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান নামক এক যুবক। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিলেন, খ্রিষ্টান শাসক জেনে রাখুক! আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরোহনে বাকি অংশ পড়ুন...
যেভাবে মুসলিম শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে কথিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছিলো:
১৮৩৭ সালে বর্বর বৃটিশ বেনিয়ারা অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ফার্সির স্থলে ইংরেজি চালু করে। অথচ বেনিয়া বৃটিশরা ক্ষমতা দখলের পরেও ৮০ বছর ফার্সী ভাষা দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে চালু ছিলো। এর ফলাফল হলো এই, লক্ষ লক্ষ মুসলিম যারা সরকারী বিভিন্ন পজিশনে চাকুরী করতেন তারা বেকার হয়ে গেলেন, তাদের জীবনে নেমে এলো ঘোর অন্ধকার। ফার্সি ভাষা শেখার ব্যাপারেও আর আগ্রহ থাকলো না। ফলে ফার্সিতে রচিত বিপুল সংখ্যক সাহিত্য ভান্ডার থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো পরবর্তী প্রজন্মের মুসলঠবাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
ইহুদীদের কথিত বিশ্ব মানবাধিকার
(আসলে মুসলমানদের অধিকারহরণ, অধিকারহীনতা, অমানবিকতা ও বর্বরতার) ঘোষণা (১৯৪৮)
* সর্বজনীন কথিত মানবাধিকার ঘোষণা Universal Declaration of Human Rights- UDHR (Declaration of Inhumanity ১. ইহুদীদের তথাকথিত মানবাধিকঠবাকি অংশ পড়ুন...












