. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ إِلَّا تَفْعَلُوهُ تَكُن فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ كَبِيرٌ
“আর যারা কাফির তারা একে অপরের বন্ধু। যদি তোমরা (মুমিনরা) একে অপরের সাহায্য না করো, তবে পৃথিবীতে ফিতনা ও বড় ধরনের অশান্তি সৃষ্টি হবে। (কাফির-মুশরিক-মুন বাকি অংশ পড়ুন...
এবার আসি বাংলাদেশের গ্যাস সম্পদ নিয়ে। ২০১৪ সালের ১৪ই নভেম্বর আমেরিকা ভিত্তিক অনলাইন ম্যাগাজিন দ্য ডিপ্লোমেট বাংলাদেশে গ্যাস সম্পদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপায়। যার শিরোনাম ছিলো ইধহমষধফবংয: অংরধ’ং ঘবি ঊহবৎমু ঝঁঢ়বৎঢ়ড়বিৎ? প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এশিয়ার অন্যতম জ্বালানি শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান করছে। পরবর্তী প্রাকৃতিক গ্যাসের সুপার পাওয়ার হবে দেশটি। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ভারতের সাথে বিরোধপূর্ণ সমুদ্র এলাকায় ২০ হাজার স্কয়ার কিলোমিটারে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সমুদ্রসীমায় রয়েছে প্রাকৃতিক জ্বালানি সম্পদে বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোতে নিরাপত্তা প্রধানের নানাবিধ দায়িত্ব ছিলো। বিজিত সকল অঞ্চলগুলোতে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা; সামাজিক বিধিনিষেধ রক্ষা করার জন্য উনারা নানা কৌশল ও পদ্ধতি অবলম্বন করতে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বাংলাদেশকে যদি উন্নত করতে হয়, তবে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশ নিজস্ব সম্পদ উত্তোলন করে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তেল, গ্যাস বিক্রি করে তারা এখন বিশ্বের অন্যতম ধনী। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার পরও আমরা সেগুলো উত্তোলন করতে পারছি না। নিজেদের প্রয়োজন মেটাচ্ছি বিদেশ থেকে আমদানি করা সম্পদ দিয়ে। ফলে আমরা অর্থ সংকটেই থেকে যাচ্ছি।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হচ্ছে পরিবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
(প্রথম পর্ব)
যখন আমরা মুসলমানদের হারানো সাম্রাজ্যের কথা আলোচনা করি তখন শুধু স্পেন নিয়েই আমরা হতাশ হই। অথচ ফিলিপাইনও স্পেনের খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের আরেকটা বিস্তৃতি ছিল। যদি আর ৫০-১০০ বছর মুসলিমরা ধরে রাখতে পারতো ফিলিপাইনের ক্ষমতা তাহলে আজকে হয়ত ১১.৫ কোটি জনসংখ্যার দেশের পুরোটাই মুসলিম হত, সংখ্যার হিসেবে যা স্পেইনের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
প্রশ্ন জাগতে পারে- সাউথইস্ট এশিয়ার প্রধান দেশগুলো যেমন- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, কিন্তু ফিলিপিন কেন খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ? এর পিছনে রয়েছে দুঃ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের জন্য একটা বড় সমস্যা হচ্ছে, মুসলিম নামধারী কিছু আলেম তারা বিভিন্ন ফতওয়া দিয়ে মুসলমানদের জ্ঞান চর্চাকে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। এটা মুসলমানদের জন্য একটা বড় ক্ষতি। যেমন- মুসলমানদের জন্য একটা আবশ্যিক জ্ঞান হলো আত্মশুদ্ধি বা তাসাউফ চর্চার জ্ঞান। এই জ্ঞান অর্জনের জন্য একজন শায়েখ বা পীর সাহেবের কাছে বাইয়াত হতে হয়। কিন্তু একটি মহল তাসাউফ চর্চার বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়ে মুসলমানদের বিরাট জ্ঞানশূণ্য করে রেখেছে।
আবার দ্বীনি জ্ঞান বলতে শুধু নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত অর্থাৎ প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু সমাজ কিভাবে চল বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
.........................
উমাইয়া এবং আব্বাসীয় শাসনামলে নিরাপত্তা প্রধানের দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্প্রসারিত হয়। এদিকে ইঙ্গিত করেই ইবনে খালদুন বলেছেন, বাগদাদের আব্বাসীয় শাসনামলে, আল আন্দালুসে উমাইয়া শাসনামলে এবং মিশর ও মরক্কোয় মুসলমান শাসনের সময় অপরাধ তদন্ত করা এবং দ- প্রয় বাকি অংশ পড়ুন...
পুলিশ প্রশাসন ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে খিলাফত বা সালতানাতের আইন বিভাগের বিচারিক নির্দেশগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করবেন। মানুষের জান-মাল, ইজ্জত-আবরুর হেফাজত করবেন।
আধুনিক বিশ্বে যে পুলিশ ব্যবস্থার বিন্যাস এবং কাঠামো অনুসরণ করা হয় তা মূলত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকেই বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘তোমরা জ্ঞান লাভ করো, যদি তা চীন দেশেও থেকে থাকে।’ সাধারণত, এখানে চীন অর্থ দূরবর্তী স্থানকে বোঝানো হয়েছে। যেহেতু আরব দেশ থেকে পূর্ব দিগন্তে বহুদূরে অবস্থিত চীন দেশ, তাই জ্ঞানলাভের জন্য চীনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
চীনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম প্রচারের ইতিহাস অত্যন্ত সুপ্রাচীন। চীনা ভাষায় সে দেশে দ্বীন ইসলাম উনার আগমন সম্পর্কিত যেসব তথ্যসূত্র পাওয়া যায় তা থেকে জানা যায়, ৬২২ সালের কাছাকাছি কোনো একটা সময়ে (হিজরী ৩য় সনে) চীন উপকূলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উন বাকি অংশ পড়ুন...
জীবন এবং কৃষিকাজের জন্য অপরিহার্য একটি উপাদান হলো পানি। যে অঞ্চলে এর ব্যবস্থপনা যত উন্নত হবে, সেখানকার কৃষি ও জীবনযাত্রায়ও এর সুফল পরিলক্ষিত হবে। তাই মুসলমান আবিষ্কারকরা এই অঙ্গনেও ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছেন।
মুসলমানরা সেচব্যবস্থা প্রযুক্তির ক্রমোন্নতিতে অনেক কাজ করেছে। একাদশ শতাব্দীর পারস্য গণিতবিদ এবং প্রকৌশলী মুহম্মদ আল-কারাজি ‘গুপ্ত পানির উৎস’ খোঁজা নিয়েও কথা বলেছিলেন। তিনি এ সময় পানির উৎস খোঁজার কৌশল, পানি আহরণের কৌশল এবং এসব কাজে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন। পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উবে যাওয়া র বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৭ সালে পরিচালিত খনন কাজের তদারককারী কর্মকর্তা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক মাহবুব উল আলম বলেন, স্থাপত্যশৈলী এবং উদ্ধার করা জিনিসপত্র দেখে মনে হয়েছে, এটি ১৫ শতকের শেষ দিকে, অর্থাৎ মোঘল আমলের আগে এবং সুলতানি আমলের শেষের দিকে নির্মিত। এ হিসেবে এটি প্রায় ৭০০ বছরের পুরোনো। ধারণা করা যায়, এটি সৈন্যবাহিনী বা পদাতিক বাহিনীর আউটপোস্ট ছিলো।
প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯৯১ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সেখানে খনন কাজ চালায়। এ সময় মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসে ইটের দেয়ালবেষ্টিত দুর্গ, মূল প্রবেশদ্বার (সিংহদ্বার), বহু কক্ বাকি অংশ পড়ুন...












