(৩১৩)
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا.
অর্থ: ঐ সমস্ত লোক উনাদের ছোহবত লাযিম করে নাও, যারা সকাল ও সন্ধ্যা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার উদ্দেশ্যে যিকির-আযকারে মশগুল থাকেন। আর পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে উনাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না। ঐ সমস্ত লোক উনাদের ইতায়াত (আনুগত্য) করবে না, (যার বদ আমলের কারণে) তার ক্বল্বকে আমার যিকির থেকে গাফিল করে দিয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ مُغَفَّلٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ ثُمَّ قَالَ مَا لَهُمْ وَلَهَا فَرَخَّصَ فِىْ كَلْبِ الصَّيْدِ وَفِىْ كَلْبِ الْغَنَمِ
অর্থ : হযরত ইবনে মুগাফফাল রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিতেন কুকুরসমূহ হত্যা করার জন্য। অতঃপর ইরশাদ মুবারক করেন, মানুষের এবং কুকুরসমূহের কি হলো? তারপর তিনি শিকারী কু বাকি অংশ পড়ুন...
‘আত-তাক্বলীদু গইরুশ্ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভুত অনুসরণ’ সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ:
التقليد غير الشرعى আত-তাকলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা সম্মানিত শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ: পবিত্র কুরআন মাজীদ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস উনাদের দলীল-আদিল্লাহ উনাদের বিপরীতে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো শয়তান ও তাগুতী যাবতীয় বাতিল মত-পথ মেনে চলাকে ‘আত-তাকলীদু গাইরুশ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ’ বলে। একে ‘তাকলীদুন নফ্স’ ও ‘তাকলীদুল হাওয়া’ তথা প্রবৃত্তির অনুসরণও বলা হয়ে থাকে।
নিম্নে ‘আত-তাক্বলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
(২৯৮)
وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ الْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَاهِدِينَ. فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَّعِلْمًا وَّسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُودَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ وَكُنَّا فَاعِلِينَ.
অর্থ: হযরত দাঊদ আলাইহিস সালাম ও হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাদের কথা স্মরণ করুন! যখন উনারা শস্য ক্ষেত নিয়ে হুকুম করছিলেন। যে সময় তাতে একদল ছাগলের পাল রাতের বেলা ঢুকেছিলো। আমি উনাদের হুকুমের সাক্ষী ছিলাম। অনন্তর আমি হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে তা (উক্ত ব্যবস্থা) বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। আমি প্রত্যেককে হিকমত ও ইলিম দান করেছিল বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুর হত্যার বিষয়ে আদেশ মুবারক:
কুকুর হত্যার বিষয়ে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক করেছেন। যেমন-
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ اَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ
অর্থ : সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
(২৮০)
اَلْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا.
অর্থ: আজ (পবিত্র বিদায় হজ্জে আরাফার দিন) আমি তোমাদের জন্য তোমাদের পবিত্র দ্বীন উনাকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার পবিত্র নিয়ামত সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং সম্মানিত ইসলাম উনাকে তোমাদের পবিত্র দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করে সন্তুষ্ট হলাম। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩)
(২৮১)
يَهْدِي بِهِ اللهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهٗ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُمْ مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهٖ وَيَهْدِيهِمْ إِلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
অর্থ: উনার (সাইয়্যিদুল্ ম বাকি অংশ পড়ুন...
১ম দলীল:
যিনি খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ لَّمْ يَحْكُمْ بِمَآ اَنْزَلَ اللهُ فَاُولـٰـٓئِكَ هُمُ الْكٰفِرُوْنَ
অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল বা ফয়সালা করেছেন সে মুতাবিক যারা আদেশ নির্দেশ করেনা অর্থাৎ বিপরীত করে তারা কাফির। (পবিত্র সূরা মায়িদা : আয়াত শরীফ ৪৪)
২য় দলীল :
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ يَّعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَتَعَدَّ حُدُوْدَهٗ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا وَلَهٗ عَذَابٌ مُهِيْنٌ
অর্থ : আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, বাকি অংশ পড়ুন...
(২৭৪)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذٰلِكَ خَيْرٌ وَّأَحْسَنُ تَأْوِيلًا.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর (আদেশদাতা) উনাদের অনুসরণ করো। তোমাদের মধ্যে যদি কোন বিষয়ে মতবিরোধ হয়, তাহলে উক্ত বিষয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
(২৬৫)
وَكَذٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَّسَطًا لِّتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا وَمَا جَعَلْنَا الْقِبْلَةَ الَّتِي كُنْتَ عَلَيْهَا إِلَّا لِنَعْلَمَ مَنْ يَّتَّبِعُ الرَّسُولَ مِمَّنْ يَّنْقَلِبُ عَلٰى عَقِبَيْهِ وَإِنْ كَانَتْ لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى الَّذِينَ هَدَى اللهُ وَمَا كَانَ اللهُ لِيُضِيعَ إِيمَانَكُمْ إِنَّ اللهَ بِالنَّاسِ لَرَءُوفٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি, যাতে তোমরা সকল মানুষদের জন্য সাক্ষ্যদাতা হও এবং যাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য। আপনি যে ক্বিবলার বাকি অংশ পড়ুন...
(২৬০)
وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلَى أَنْ تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُمْ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ.
অর্থ: পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়কে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের আনুগত্য করবে না। কিন্তু দুনিয়াতে তাদের সাথে সৎ আচরণ করে চলবে। তুমি উনার পথ অনুসরণ করো, যিনি আমার দিকে রুজূ’ হয়েছেন। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে। আমি তোমাদেরকে জ্ঞাত করবো সে বিষয়ে, যা তোমরা করতে। (পবিত্র সূরা লুকমান আলাইহিস সালাম: পবি বাকি অংশ পড়ুন...
(২৫৫)
وَإِنْ تُطِعْ أَكْثَرَ مَنْ فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ.
অর্থ: আর যদি আপনি অর্থাৎ আপনার উম্মত পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনার উম্মতকে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পথ থেকে বিপথগামী করে দিবে। তারা শুধু জল্পনা-কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক কথা-বার্তা বলে থাকে। (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)
বুঝাই যাচ্ছে যে, অধিকাংশ লোকই গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট থাকবে আর অল্পসংখ্যক লোক হিদায়াত উনার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবেন। গোমরাহদের নিদর্শন হলো- দলীল বিহীনভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
‘আত-তাক্বলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ’ এর আলোচনা ও হুকুম:
التقليد غير الشرعى আত-তাকলীদু গাইরুশ্ শারয়ী তথা সম্মানিত শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ: পবিত্র কুরআন মাজীদ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও পবিত্র ছহীহ ক্বিয়াস উনাদের দলীল-আদিল্লাহ উনাদের বিপরীতে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো শয়তান ও তাগুতী যাবতীয় বাতিল মত-পথ মেনে চলাকে ‘আত-তাকলীদু গাইরুশ শারয়ী তথা শরীয়ত বহির্ভূত অনুসরণ’ বলে। একে ‘তাকলীদুন নফ্স’ ও ‘তাকলীদুল হাওয়া’ তথা প্রবৃত্তির অনুসরণও বলা হয়ে থাকে।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...












