মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
نَـحْمَدُهٗ وَنُصَلِّـىْ وَنُسَلِّـمُ عَلـٰى رَسُوْلِهِ الْكَرِيْـمِ وَعَلـٰى وَالِدَىْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلـٰى حَضْرَتْ اُمَّهَاتِ الْـمُؤْمِنِيْـنَ عَلَيْهِنَّ السَّلَامُ وَعَلـٰى حَضْرَتْ اَهْلِ بَيْتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ. اَمَّا بَـعْدُ
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَاَيْتُ اِمَامَ الْاَوَّلِ سَيِّدَنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُضَحِّىْ بِكَبْشَيْـنِ فَـقُلْتُ لَهٗ مَا هٰذَا فَـقَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوْصَانِـىْ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ فَاَنَا اُضَحِّ বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৫৬)
{وَلَكِنْ كُونُوا رَبَّانِيِّينَ} واختلفوا فيه قال علي وابن عباس والحسن: كونوا فقهاء علماء وقال قتادة: حكماء وعلماء وقال سعيد بن جبير: العالم الذي يعمل بعلمه، وعن سعيد بن جبير عن ابن عباس: فقهاء معلمين.
অর্থ: (বরং উনারা বলবেন, তোমরা মহান রবওয়ালা-আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও) এখানে মর্মার্থ সম্পর্কে ইখতিলাফ রয়েছে। হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা বলেন যে, তোমরা ফকীহ ও আলিম হও। হযরত কাতাদাহ রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৫৪)
قوله تعالى: {يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ} قال السدي: هي النبوة، وقال ابن عباس رضي الله عنهما وقتادة: علم القرآن ناسخه ومنسوخه ومحكمه ومتشابهه ومقدمه ومؤخره وحلاله وحرامه وأمثاله، وقال الضحاك: القرآن والفهم فيه، وقال: في القرآن مائة وتسع آيات ناسخة ومنسوخة وألف آية حلال وحرام، وقال مجاهد: هي القرآن والعلم والفقه، وروى ابن أبي نجيح عنه: الإصابة في القول والفعل، وقال إبراهيم النخعي: معرفة معاني الأشياء وفهمها.{وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ} قال: الورع في دين الله {فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ} يتعظ {إِلا أُولُو الألْبَابِ} ذو العقول.
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা উনার কালাম: (মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যাঁকে ইচ্ছা হিকমত বা বিশেষ জ্ঞান দান করেন।) হযরত সুদ্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ব বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খন্ডনমূলক জবাব:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৩য় দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا يُؤْذِيْكَ فَلَكَ اِذَايَتُهٗ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِيَكَ
অর্থ : যে সমস্ত প্রাণী তোমার ক্ষতি বা যন্ত্রণার কারণ হবে, তার ক্ষতি তোমার উপর আসার আগে তুমি তার ক্ষতি করো। (আল ফাওয়াকিহ্ ২/৩৫২)
৪র্থ দলীল:
এজন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার একখানা উছূল হচ্ছেন-
اُقْتُلُ الْمُؤْذِىَ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِىَ
অর্থ : তুমি কষ্টদায়ক প্রাণীকে কষ্ট দেয়ার পূর্বেই হত্যা করো।
কাজেই, যে সকল কুকুরের কার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-৬
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সম্পূর্ণরূপে প্রবেশ করো। (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২০৮)
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ প্রমান করতেছে যে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্পষ্ট ও অস্পষ্টাংশ উভয় অংশ গ্রহণ করা মুসলিম-মু’মিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৫১-৩৫২)
وقال إمام الحرمين: الذى ذهب إليه أهل التحقيق أن منكرى القياس لايعدون من علماء الأمة وحملة الشريعة؛ لأنهم معاندون مباهتون فيما ثبت استفاضة وتواترًا، ولأن معظم الشريعة বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “জলীলুল্ ক্বদর রসূল হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনাকে কিয়ামতের ময়দানে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করা হবে, আপনি কি আপনার দায়িত্ব যথাযথ পৌঁছিয়েছেন? তিনি উত্তরে বলবেন, আয় আমার রব তায়ালা! হ্যাঁ আমি পৌঁছিয়েছি। অতঃপর উনার উম্মতগণকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, তিনি কি তোমাদের কাছে দাওয়াত পৌঁছিয়েছেন? তখন তারা বলবে আমাদের কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনারوَكَذلِكَ جَعَلْنَاكُمْ اُمَّةً وَّسَطًا ‘অনুরূপ আমি তোমাদেরকে সত্যপরায়ণ উম্মত হিসেবে স্থির করেছি’ অংশ দ্বারা পবিত্র ইজমাউল্ উম্মাহ শরীফ ও ছহীহ কিয়াস শরীফ যে ইসলামী শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল তা প্রমাণ করা হয়েছে। পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ শরীফ ও পবিত্র ছহীহ কিয়াস শরীফ হযরত ইমাম-মুজতাহিদ উনাদের গবেষণার ফল-ফসল। তাই এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে তাকলীদ বা অনুসরণ করতে নির্দেশ করা হয়েছে।
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৪২)
واستدل الشيخ ابو منصور বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩৯-৩৪১)
و الجملۃ چوں عبادت مقتضاء ذات حضرت خالق است و فیز مقتضای ذات بندہ و نیز مقتضای انعام و احسان اوبر بندگان در حکمت الہی از عبادت چارہ نباشد چوں عبادت موقوف بر امتثال اوامر است و اوامر الہی بر چہار طریق در یافت کتاب اللہ و سنت پیغمبران یا اجماع امت با قیاس جلی و اصل ہمہ این امور کتاب اللہ است پس از انزال کتاب ہم نا کریزاست۰
অর্থাৎ আসল কথা হলো- বান্দা ইবাদত করে, ইহা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বাঞ্চনীয় এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দান, অবদান ও অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বান্দার ইবাদত ও উনার অভিপ্রিত। সব অবস্থায়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ইহসান স্বীকার করতে হবে। ইলাহী তায়ালা উনার আদেশ পালন করাই বান্দার কর্তব্য। মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর উনার ইবারতগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি। উনাদেরকে পবিত্র ঈমান ও আমলের ব্যাপারে অনুসরণ করা মূলত: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারক। চার মাযহাবের ইমামগণ উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করতেন এবং উনাদের আলোকেই নিজ নিজ মাযহাবকে অকাট্য দলীলের মাধ্যমে ছাবিত করেছেন। এজন্য মাযহাবের অনুসরণ করার অর্থই হলো উনাদেরকে অনুসরণ করা। সুবহানাল্লাহ! আর ইহাই ‘আত-তাকলীদুশ শারয় বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুর লালন-পালনকারীদের আমল হ্রাস পাওয়া:
(১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার,
(২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার এবং
(৩) শিকারী কুকুর ব্যতীত অন্য সব কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয ও হারাম। যদি কেউ লালন-পালন করে, তাহলে তার আমল থেকে প্রতিদিন দুই উহুদ পাহাড় পরিমাণ নেক আমল কমতে থাকবে। না‘ঊযুবিল্লাহ!
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اِقْتَنٰى كَلْبًا اِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ اَوْ ضَارِيًا نَقَصَ مِنْ عَمَلِهٖ كُلَّ يَوْمٍ قِيْرَاطَ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩১)
"وَإِذا قِيلَ لَهُمْ" يعنى الـمنافقين فى قول مقاتل وغيره."امِنُوا كَما آمَنَ النَّاسُ" اى صدقوا بمحمد صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وشرعه كما صدق الـمهاجرون والمحققون من اهل يثرب.
অর্থ: (যখন তাদেরকে বলা হয়) হযরত মুক্বাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি ও অপরাপর অনেকের মতে, যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় (তোমরা পবিত্র ঈমান আনো, যেরকম অন্যান্য ব্যক্তিত্ব পবিত্র ঈমান এনেছেন) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ও উনার আনিত সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতি তারা যেন বিশ্বাস স্থাপন করে যেরকম পবিত্র ঈমান পবিত্র মক্কা শরীফ-পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত মুহাজির বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণ কুকুর তিন কারণ ছাড়া পালা জায়েয নেই:
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী-
(১) বাড়ি ও গৃহপালিত পশু পাহারাদার,
(২) ক্ষেত-খামার পাহারাদার এবং
(৩) শিকারী কুকুর ব্যতীত অন্য সব কুকুর লালন-পালন করা নাজায়েয ও হারাম এবং সেগুলো নিধন বা হত্যা করা জায়েয়।
শুধু তাই নয়; ক্ষেত্র বিশেষ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক এবং ফরয। কেননা, এই সমস্ত কুকুর নিধন করার জন্য সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক করেছেন। যেমন-
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...












