শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বত উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার “শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত হওয়া অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী হযরত কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মুরাদুল মুরীদীন’ কিতাবে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার মুর্শিদ ক্বিব বাকি অংশ পড়ুন...
১. সুন্নতী বিবাহ অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা, বেহায়াপনা ও বিধর্মীদের অনুসরণ-অনুকরণ মুক্ত হবে। গান-বাজনা, ছবি-ভিডিও করতে পারবেনা। যৌতুকের শর্ত এবং সামর্থের অধিক মোহরানা নির্ধারণ করা যাবে না।
২. দ্বীনদার-পরহেযগার পাত্র-পাত্রী দেখে বিবাহ করা সুন্নত। শুধু সম্পদ ও সৌন্দর্যের দিককে অগ্রাধিকার দেয়া যাবে না।
৩. বিবাহের পূর্বে দ্বীনদার পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করা সুন্নত।
৪. পাত্র-পাত্রী উভয়ের পক্ষ থেকে পয়গাম পাঠানো সুন্নত।
৫. মেয়েদের অভিভাবকদের উচিত হলো, দ্বীনদার-পরহেযগার ছেলে দেখে বিবাহ দেয়া। শুধু সম্পদ, বংশ ও সৌন্দর্যের দিক প্রাধান্য দিল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসা আলাইহিন্নাস সালামগণ! আপনারা অন্যান্য মহিলাদের মতো নন।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
অর্থাৎ উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সমস্ত মহিলা উনাদের সাইয়্যিদা উনাদের মর্যাদা ও সম্মান সবার উপরে; এমনকি সমস্ত মু’মিন-মুসলমানগণ উনাদের উপরে উনাদের সম্মান রয়েছে, যেটা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে নাযিল করেছেন, “উনার মতো কোনো প বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, মসজিদের মধ্যে কেউ যদি কোন দুনিয়াবী কথা বলে তাহলে তার চল্লিশ বছরের নেকী নষ্ট হয়ে যায়।
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلَامِ الدُّنْيَا فِى الْـمَسْجِدِ اَحْبَطَ اللهُ اَعْمَالَهٗ أَرْبَعِيْنَ سَنَةً
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلَامِ الدُّنْيَا فِى الْـمَسْجِدِ
কেউ যদি মসজিদের মধ্যে কোন দুনিয়াবী কথা বলে
اَحْبَطَ اللهُ اَعْمَالَهٗ أَرْبَعِيْنَ سَنَةً
মহান আল্লাহ পাক তিনি তার চল্লিশ বছরের নেকীগুলো নষ্ট করে দিবেন। বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ এছাড়াও আরো অসংখ্য অগণিত। সুবহানাল্লাহ!
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَتَـقَلُّبَكَ فِـى السّٰجِدِيْنَ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনার মহাসম্মানিত স্থানান্তরিত হওয়ার বিষয়টিও ছিল মহাসম্মানিত সিজদাকারীগণ উনাদের মাধ্যমে। ” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা শু‘আরা’ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২১৯)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـمْ اَزَلْ اُنْـقَلُ مِنْ اَصْلَابِ الطَّاهِرِيْنَ اِلـٰى اَرْحَامِ الطَّاهِر বাকি অংশ পড়ুন...
কোন নবী আলাইহিস সালাম উনাকে নবুওওয়াত দেয়া হয়নি এবং কোন রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে রিসালত দেয়া হয়নি, যতক্ষণ না উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন হুযুুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান না এনেছেন অর্থাৎ উনারা সকলেই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান এনেছেন এবং উনার বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলেন। তাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় আর্বিভাবের পূর্বেই উনারা উনার মহাসম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের হিদায়েতের জন্য যেভাবে যুগে যুগে হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করেন ঠিক তেমনি সর্বশেষ নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম বিছাল শরীফ গ্রহণের পর উনার স্থলাভিষিক্ত প্রতিনিধি হিসেবে শতাব্দী কালের ব্যবধানে যে সকল আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদেরকে প্রেরণ করেন উনাদেরকে বলা হয় মুজাদ্দিদ। সাধনা-কোশেশ করে যেরূপ নবী ও রসূল হওয়া যায় না তদ্রƒপ মুজাদ্দিদ হওয়াও যায়না। অর্থাৎ নবী, রসূল ও বাকি অংশ পড়ুন...












