পবিত্র কা’বা শরীফ এবং পবিত্র রওযা শরীফ
উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া যাবে না:
পবিত্র কা’বা শরীফ, পবিত্র রওযা শরীফ, পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ ইত্যাদি সম্মানিত শিআর বা নিদর্শন সমূহ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সম্মানিত শিআর বা নিদর্শন সমূহ উনাদের যেরূপ সম্মান, উনাদের চিত্র বা ছবিসমূহেরও তদ্রুপই সম্মান। সম্মানিত শিআর বা নিদর্শনসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেকের জন্যেই ফরয এবং অশেষ নিয়ামত ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের কারণ।
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُّعَظِّمْ شَعَآئِرَ اللهِ فَاِنَّـهَا مِنْ تَقْو বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস উনার বিভিন্ন নামকরণ এবং তার তাৎপর্য:
পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস উনার আরেকখানা নাম হচ্ছেন- আছব বা অধিক বর্ষণকারী:
কেননা এই মুবারক মাসে পবিত্র রহমত মুবারক অধিক ধারায় বর্ষিত হয়। সুবহানাল্লাহ! যেমন কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
رَجَبُ اِسْمُهُ اَلْاَصَبُّ لِاَنَّ الرَّحْمَةَ تَصُبُّ فِيْهِ صَبًّا
অর্থ: “পবিত্র রজবুল আছম শরীফ মাস উনার একখানা নাম হচ্ছেন ‘আছব’ অর্থাৎ অধিক বর্ষণকারী। কেননা এই মুবারক মাসে পবিত্র রহমত মুবারক মুষলধারে অবিরত বর্ষিত হতেই থাকে।” সুবহানাল্লাহ! (নুযহাতুল মাজালিস ১/১৪৫)
পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
মায়ের আদেশে ৮ বছর বয়স মুবারকে হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন প্রথম মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র দরবার শরীফ-এ আসেন। তিনি ভিতরে প্রবেশ না করে বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে উনার আধ্যাত্মিকতার বিষয়টি উপলব্ধির জন্য কয়েকটি কবিতার লাইন রচনা করে পাঠ করেন।
তিনি বলেন (যার ভাবার্থ হলো)- “আপনি এমনি এক শাহেনশাহ, যেখানে একটি কবুতর বাজপাখিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। একজন অত্যন্ত সাধারণ মুসাফির আপনার দরজার ভেতরে প্রবেশ করবে কি করবে না?”
মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলা বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৮
খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন,
يُضِلُّ بِهِ كَثِيراً وَيَهْدِي بِهِ كَثِيراً وَمَا يُضِلُّ بِهِ إِلاَّ الْفَاسِقِينَ
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ মানার কারণে অনেকে হিদায়াত প্রাপ্ত হয়ে গেছেন আর না মানার কারণে অনেকে গোমরাহ হয়ে জাহান্নামী হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! একমাত্র ফাসিক নাফরমান অর্থাৎ জাহান্নামীরা ছাড়া কেউ গোমরাহ হবে না। নাউযুবিল্লাহ! যেটা আমি বলেছিলাম সুলত্বানুল হিন্দ হযরত খাজা গরীব নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটা স্বপ্ন দেখলেন। কি স্বপ্ন দেখলেন? সুলতান মাহমূদকে। গজনীর সুলতান মাহমূদ অনেক বড় বুযূর্গ, আল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা
ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, পঞ্চদশ হিজরী শতকের সুমহান মুজাদ্দিদ, আওলাদে রসূল, ইমামুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেখে যাওয়া সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার প্রকৃত ওয়ারিছ। সেই ইলিম উনার প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে মানুষকে নবুওওয়াতের আলোয় গড়তে, সঠিক দ্বীনী ইলিম শিক্ষা দেয়ার প্রয়াসে মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, “মুহম্মদিয় বাকি অংশ পড়ুন...
‘কুফর’ শব্দের আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ হচ্ছে অস্বীকার করা। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা অস্বীকার করাই হচ্ছে কুফর বা কুফরী। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিদায়েতসহ পবিত্র দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে এসেছেন। যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
هُوَ الَّذِيْ اَرْسَلَ رَسُوْلَهُ بِالْـهُ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস উনার বিভিন্ন নামকরণ এবং তার তাৎপর্য:
সম্মানিত ও পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার আরেকটি নাম মুবারক হচ্ছেন ‘আছম’ অর্থাৎ বধির।
আরো বর্ণিত আছে-
قِيْلَ اِنَّ رَجَبَ بَعْدَ مَا يَمْضِىْ يَصَّعَّدُ اِلَى السَّمَاءِ فَيَقُوْلُ اللهُ تَعَالٰى يَاشَهْرِىْ هَلْ يُحِبُّوْنَكَ وَيُعَظِّمُوْنَكَ؟ فَيَسْكُتُ وَلَايَتَكَلَّمُ حَتّٰى يَسْئَلَ ثَانِيًا ثَالِثًا ثُمّ َيَقُوْلُ اِلٰهِىْ اَنْتَ سَتَّارُ الْعُيُوْبِ أَمَرْتَ خَلْقَكَ بِاَنْ يَّسْتُرُوْا عُيُوْبَ غَيْرِهِمْ وَسَمَّانِىْ رَسُوْلُكَ اَصَمَّ اَنَا سَمِعْتُ طَاعَتَهُمْ وَلَمْ اَسْمَعْ مَعْصِيَتَهُمْ
অর্থ: “বলা হয়, পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস যখন শেষ হয়ে যায় ত বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৭
যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَا رَبِّ اَنْتَ وَمَا اَنَا وَمَا سِوَاكَ تَرَكْتُ لِاَجْلِكْ.
মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে বারী ইলাহী! একমাত্র আপনি আমিও না। আমিতো আপনার প্রতি ফানা-বাঁকা। আপনার জন্য আমি সব তরক করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে বিষয়টা এখানে ফিকির করতে হবে, এটা ফিকির না করলে বুঝা সম্ভব না। এটা সূক্ষ্ম বিষয়। পবিত্র কুরআন শরীফ ইহা কল্প লোকের গল্প কাহিনী না। এখানে ফ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বেমেছাল খিলাফত মুবারক লাভ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاذْكُرْنَ مَا يُتْلَى فِي بُيُوتِكُنَّ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ وَالْحِكْمَةِ إِنَّ اللَّهَ كَانَ لَطِيفًا خَبِيرًا
অর্থ: “আপনারা স্মরণ করুন, নছীহত মুবারক করুন, আপনাদের মহাসম্মানিত হুজরা শরীফে যা তিলাওয়াত মুবারক করা হয়েছে বা নাযিল মুবারক করা হয়েছে, পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ আপনারা স্ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল আছম’ শরীফ মাস উনার বিভিন্ন নামকরণ এবং তাৎপর্য:
সম্মানিত ও পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার আরেকটি নাম মুবারক হচ্ছেন ‘আছম’ অর্থাৎ বধির।
কিতাবে বর্ণিত আছে-
وَاسْــمُهٗ اَيْضًا اَلْاَصَمُّ لِاَنَّ الْـحُـرُوْبَ تُرْفَعُ فِيْهِ فَلَايَسْمَعُ فِيْهِ لِلسِّلَاحِ قَعْقَعَةٌ
অর্থ: “সম্মানিত ও পবিত্র ‘রজবুল হারাম’ শরীফ মাস উনার আরেক নাম হচ্ছে ‘আছম’ বা বধির। কেননা এ মাসে যুদ্ধ-জিহাদ বন্ধ থাকে, তাই তরবারীর ঝন-ঝনানী আর শুনা যায় না।” (নুযহাতুল মাজালিস-১/১৪৫)
আরো বর্ণিত আছে,
وَفِى النِّهَايَةِ وَشَهْرُ اللهِ الْاَصَمُّ رَجَبُ اِذْ لَايَسْمَعُ فِيْهِ صَوْتُ السِّلَاحِ لِكَوْنِ বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৬
কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করা কাট্টা কুফরী। এখন এখানে এ বিষয়টা কিন্তু স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ কোন
أَسَاطِيرُ الأَوَّلِينَ
কল্প লোকের গল্প কাহিনী না। নাউযুবিল্লাহ! এটা হচ্ছে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নাযিলকৃত সম্মানিত কিতাব। এই কিতাবের মধ্যে মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছিরত মুবারক, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ছিরত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে, যাতে মানুষ উনাদেরকে অ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।” সুবহানাল্লাহ!
আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আমার পবিত্র সুন্নত উনাকে মুহব্বত করলো প্রকৃতপক্ষে সে যেন আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করলো সে আমার সাথেই পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে অবস্থান করবে।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...












