যেটা আমরা এক কথায় বলে থাকি মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে,
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُه اُمَّهٰتُهُمْ.
“মহাসম্মানিত ও মহপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট তাঁদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামে আ’যম, ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুল মুত্তাক্বীন, হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ছোহবতের সওগাত হাছিলের জন্য উনার দরবার শরীফ-এ যেতেন এবং উনার নছীহত মুবারক খাছভাবে গ্রহণ করতেন। এ প্রসঙ্গে হযরত আমর ইবনে জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- একদা আমি, হযরত ইবনে আবী লাইলা রহমতুল্লাহি আলাইহি, ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযর বাকি অংশ পড়ুন...
রফয়ে ইয়াদাইন সম্পর্কে ইমাম আওযাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে
মুনাযারা বা বাহাস
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
ইমাম আওযাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমি আপনাকে হাদীছ শরীফ বর্ণনা করলাম, ইমাম যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ইমাম সালিম রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের সূত্রে। আর আপনি বর্ণনা করছেন হযরত হাম্মাদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইবরাহীম নাখঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আলক্বামা রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত আসওয়াদ রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আন বাকি অংশ পড়ুন...
শায়েখ আবুল হাসান আলী কবশী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- ৫৪৭ হিজরীতে আমি ও শায়েখ আলী বিন হায়তী সাইয়্যিদুল আওলিয়া হযরত শায়েখ মুহিউদ্দীন আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফ-এ বসা ছিলাম। তখন হযরত আবু গালেব ফজলুল্লাহ বিন ইসমাইল রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে এক ব্যবসায়ী উনার নিকট এসে বললেন, হুযূর! বেয়াদবি ক্ষমা চাই! আপনার নানাজান নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন- ‘যদি কেউ দাওয়াত দেয়, তা কবুল করা উচিত।’ আমি আপনাকে আমার গরিবালয়ে দাওয়াত দিচ্ছি। তিনি বললেন- যদি অনুমতি বাকি অংশ পড়ুন...
ثم قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ،
অতপর তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, যখন আপনারা দেখবেন কাউকে এই পবিত্র আ্য়াতে মুশাবাহা এর পিছনে পরে থাকে অর্থাৎ এসব নিয়ে চূ-চেরা কিল ও কাল করে। তারা কারা?
أُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللَّهُ
এরা হচ্ছে ঐ সমস্ত লোক যাদেরকে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চিহ্নিত করছেন গোমরাহ হিসেবে। কাজেই আপনারা সাবধান থাকবেন। নাউযুবিল্লাহ! যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যাদেরকে গোমরাহ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন অর্থাৎ চিহ্নিত করেছেন এরাই বাকি অংশ পড়ুন...
শরহে আক্বায়েদে নাসাফী ও অন্যান্য আক্বায়েদের কিতাবের বর্ণনা মোতাবেক পবিত্র হাদীছ শরীফের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অবজ্ঞা প্রদর্শন করা কুফরী। সুতরাং তিরমিযী শরীফে বর্ণিত উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা গোল টুপি সুন্নত হওয়ার ক্ষেত্রে দলীল হিসেবে নিশ্চিতরূপেই গ্রহণযোগ্য।
জঈফ হওয়ার কারণে উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফের আমল পরিত্যাগ করা বা উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করা হারাম ও কুফরী। উল্লেখ্য, কেউ যদি গোল টুপির উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফকে রদ করতে চায় বা গোল টুপি ব্যতীত অন্য কোন টুপি সুন্নত প্রমাণ করতে চায়, তবে তাকে উক্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্রিতে যে ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ও পদ্ধতি নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
ছলাতুত তাসবীহ নামায পড়বে
অতঃপর ছলাতুত তাসবীহ উনার নামায পড়বে, যার দ্বারা যিন্দেগীর সমস্ত গুণাহখতা ক্ষমা হয়।
পবিত্র ছলাতুত তাসবীহ উনার ফযীলত ও আদায় করার নিয়ম
“ছলাতুত তাসবীহ” নামায উনার বহু ফযীলত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে। যেমন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ النَّبـِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِلْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْم বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা বনী ইসরাঈল শরীফ উনার ১২নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে চন্দ্র বছরের পাশাপাশি ও সৌর বছরের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাই এটা নিশ্চিত করে বলা যায় যে, মুসলমান উনাদের চন্দ্র বছরের পাশাপাশি সৌর সন ব্যবহারেরও প্রয়োজন রয়েছে।
মুসলমান উনাদের যে সমস্ত ক্ষেত্রে সৌরসনের প্রয়োজন হয় তার মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে যেমন-
১. প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাযসহ অন্যান্য নামায উনাদের ওয়াক্ত নির্ণয়।
২. সাহরী-ইফতারের সময় নির্ণয়।
৩. সম্মানিত হজ্জ উনার বেশ কিছু রোকন আদায়ের সময় নির্ণয়।
একটি সৌর সন অনুযায়ী সে বিষয়গুলো উ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) নিজেকে হারাম বস্তু থেকে বাঁচাও, যা কিসমতে আছে তার উপর সন্তুষ্ট থাক; তবে ছুফী হতে পারবে।
(২) মনে রেখ মিথ্যাবাদী ভদ্র হয় না, হিংসুক আরাম পায় না, চরিত্রহীন নেতৃত্ব করতে পারে না।
(৩) দুশ্চরিত্রের সাথে চলাফেরা করিও না। তাহলে তোমার চরিত্র নষ্ট হতে সময় লাগবে না।
(৪) কারো গুণ দেখলে প্রশংসা করিও। দোষ দেখলে গোপন রাখিও এবং কেউ অন্যায় করিলে ক্ষমা করিও; তবেই তুমি নেককার মানুষ।
(৫) ক্রোধ-এর উৎপত্তি আগুন থেকে আর আগুন দ্বারাই দোযখ তৈরি করা হয়েছে। অতএব, সর্বদা ক্রোধ বর্জন কর।
(৬) পাঁচ প্রকার লোকের সাথে সংশ্রব রাখিও না। এক. মিথ্যাবাদী, কারণ মিথ্যা বাকি অংশ পড়ুন...
এ কথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে আসমানী ইলমই সমস্ত ইলমের মূল। আসমানী ইলম হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমেই প্রকাশিত-প্রসারিত হয়েছে। আর সেক্ষেত্রে ইমামুস্ সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন পৃষ্ঠপোষক। উনারই মাধ্যমে ইলমের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা প্রসারিত হয়েছে।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস্ সালাম তিনি পবিত্র ক্বদরিয়া তরীক্বা উনার অন্যতম কা-ারী। আবার পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বাও উনারই মুবারক উসীলায় শক্তিশালী হয়েছে। বলা হয়, সাইয়্যিদুনা বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার পূর্বে নাম মুবারক ছিল হযরত র্বারা আলাইহাস সালাম। নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নাম মুবারক পরিবর্তন করে হযরত জুওয়ায়রিয়া আলাইহাস সালাম রাখেন। উনার পিতা হযরত হারিছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন বনু মুস্তালিক গোত্রের সাইয়্যিদ। পরবর্তীতে তিনি একজন ছাহাবী হন। উনার নসবনামা মুবারক এইরূপ: হযরত জুওয়াইরিয়া আলাইহাস সালাম বিনতে হযরত হারিছ ইবনে আবী দ্বিরার রদ্বিয়াল্লাহু তায়া বাকি অংশ পড়ুন...












