নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনকে অত্যাধিক গুরুত্ব মুবারক দিতেন। আদেশ এবং নির্দেশনা মুবারক প্রদান করতেন। উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত জিন্দেগী মুবারকে সবাইকে ইলম অর্জনের জন্য তাগিদ মুবারক দিয়ে গেছেন। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ মুবারক ছিলেন ইলম উনার খনি মুবারক।
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার অত্যন্ত নিরিবিলি স্থানে অবস্থিত হযরত আরকাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বাড়ি ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
انَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِىْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّموتِ وَالْاَرْضَ مِنْهَا اَرْبَعَة حُرُم ذلِكَ الدّينُ الْقَيّمُ فَلَا تَظْلِمُوْا فِيهِنَّ اَنْفُسَكُمْ وَقَاتِلُوا الْمُشْرِكِيْنَ كَافَّةً كَمَا يُقَاتِلُوْنَكُمْ كَافَّةً وَاعْلَمُوْا اَنَّ اللهَ مَعَ الْمُتَّقِيْنَ.
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উনার বিধানে আসমানসমূহ ও যমীনসমূহ সৃষ্টির দিন হতেই গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হারাম (যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ) মাস। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এ মাসগুলোর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না। তোমরা মু বাকি অংশ পড়ুন...
৭০নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أنس رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ويل لأمتي من علماء السوء
অর্থ : “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার ঐ উম্মতের জন্য জাহান্নাম যে উলামায়ে ‘ছু’। ” (মুস্তাদরাকে হাকিম, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৯০৩৪)
৭১নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ حذيفة رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ "ويل বাকি অংশ পড়ুন...
ওয়াক্বফ : ওয়াক্বফ শব্দের অর্থ হলো ‘খাড়া হওয়া’ অথবা ‘বিলম্ব করা’, তবে ইলমে তাজউয়ীদের পরিভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফ উনার কোন পবিত্র আয়াত শরীফ সমাপ্ত করে বিরামার্থে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার শেষ হরফে সাকিন করতঃ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে পুনর্বার নেয়ার জন্য ক্ষণকাল বিলম্ব করাকে ওয়াক্বফ বলে।
ওয়াক্বফগুলো আদায় করার সময় কখনও ‘রওম’ কখনও ‘ইশ্মাম’ কখনও ‘ইস্কান’ কখনও ‘ইব্দাল’ করে ওয়াক্বফ করতে হয়।
রওম : রওম শব্দের অর্থ হরকতের তিন অংশের এক অংশ পাঠ করা, অর্থাৎ যেই হরফের মধ্যে ওয়াকফ করা হয়, সেই হরফের হরকত (যের বা পেশ) এক তৃতীয়াংশ পড়াকে রওম বলে। এইরূপ আওয় বাকি অংশ পড়ুন...
কেমন আপনারা? সেটাই যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ عَابِدَاتٍ سَائِحَاتٍ
এখানে ছয়টা সম্মানিত ছিফত মুবারক যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মান আল্লাহ পাক তিনি নিজ থেকেই ইরশাদ মুবারক করেছেন। এই ছয়টা ছিফতের মধ্যেই উনাদের সমস্ত বিষয়গুলি যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট করে ইরশাদ মুবারক করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
مُسْلِمَاتٍ
মুসলমান। মুসলমান কাকে বলে? যিনি পরিপূর্ণ আতœসমর্পণকারী। মুসলম বাকি অংশ পড়ুন...
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বত উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার “শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত হওয়া অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী হযরত কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মুরাদুল মুরীদীন’ কিতাবে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার মুর্শিদ ক্বি বাকি অংশ পড়ুন...
১. বিবাহ করার নিয়ত করলে বৈবাহিক জীবন সর্ম্পকীয় ইলিম হাছিল করা ফরয। বিশেষতঃ বিশুদ্ধ নিয়ত, আহাল-আহলিয়ার হক বা অধিকারসমূহ, তালাক, হুরমতে মুছাহ্হারাহ্, ঈলা, জিহার, লেয়ান ইত্যাদি।
২. আহাল আহলিয়ার জন্য রাত্রিকালীন পোশাক সংগ্রহে রাখা সুন্নত। গায়ে দেয়ার জন্য বড় আকারের একটি চাদর রাখা। নির্জনবাসের পর লজ্জাস্থান মোছার জন্য দুটি রুমাল বা কাপড় রাখা উচিত। তবে তার পরিবর্তে টিস্যু রাখা যেতে পারে। একজনের ব্যবহৃত রুমাল অপরজন ব্যবহার করা যাবেনা। তাতে আহাল ও আহলিয়ার মাঝে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
৩. আহাল ও আহলিয়া একান্ত নির্জনবাসের পূর্বে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হিজরত মুবারক
পবিত্র মদীনা শরীফ
প্রথম হিজরী : হিজরত মুবারক উনার পর পথিমধ্যে বরিদা বিন হাসিব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করতে এসে নিজেই ৭০ জনের বাহিনীসহ ইসলাম গ্রহণ করেন। অতঃপর কুবায় ১৪ দিন অবস্থান করেন এবং সেখানে পবিত্র মসজিদ নির্মাণ করেন।
পবিত্র মদীনা শরীফ গমনকালে বতনে ওয়াদি নামক স্থানে ১০০ জন ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদেরকে নিয়ে পবিত্র জুময়ার নামা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমাদেরকে যা আদেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ় থাকো।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই সকল পুরুষের প্রতি লা’নত বা অভিসম্পাত যারা মহিলাদের আকৃতি ধারণ করে, অনুরূপ যে সকল মহিলা পুরুষের আকৃতি ধারণ করে, তাদের প্রতিও লা’নত বা অভিসম্পাত।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দশটি অপকর্মের কারণে হযরত লূত্ব আলাইহিস সালাম উনার ক্বওম ধ্বংস হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ১২ ই শরীফ উপলক্ষে আপনার প্রস্তুতি কি? জানতে চাইলাম মসজিদ থেকে বের হওয়া একজন মুসুল্লিকে। কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে থাকিয়ে রইলো। বুঝলাম ধরতে পারেননি বিষয়টি। উত্তর না দিয়ে আরেকটি প্রশ্ন করলাম , আমাদের যিনি রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক জানা আছে তো? হেসে বললেন তা জানবো না কেন? সাইয়্যিদুনা হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
প্রসঙ্গ পাল্টে বললাম, আচ্ছা আপনার বাবাকে কি কখনো নাম ধরে ডেকেছেন? ভদ্রলোক বললেন, আপনার হয়েছে কি বলেনতো, এক প্রশ্ন থেকে অন্য প্রশ্নে যাচ্ছেন। কিছুই বুঝতে পারছ বাকি অংশ পড়ুন...












