কেননা নিঃসন্দেহে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারকসমূহ হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার আঙ্গিনা, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘর মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে কুরতুবী শরীফ ১২/২৬৬, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ১৩/৭৩৪, শরহুল বুখারী শরীফ ১/৪১৪ ইত্যাদি)
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে যেই বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্ট তা হচ্ছে- যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজা বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণীয় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম নির্দেশক্রমে ঢাকার রাজারবাগ শরীফে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই সুন্নতী জামে মসজিদ ও তৎসংশ্লিষ্ট মাদরাসায় তখন থেকেই অনেক আশিকীন, মুহিব্বীন, যাকিরীন, মুরীদীন ও ত্বলিবুল ইলমগণ উনারা অধ্যয়ন, যিকির-ফিকির, ইবাদত-বন্দেগী, পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ মুতাবিক ইলম মুবারক চর্চা ও গবেষণা করে আসছেন।
উল্লেখ্য যে, পবিত্রতম সুন্নতী জামে মসজিদ ও তৎসংশ্লিষ্ট মুহম্মদিয়া জামিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
পার্থিব ধন-সম্পদ কিংবা দুনিয়াবী পদমর্যাদা প্রভৃতির জন্য আশা-আকাঙ্খা করা অবশ্যই নিন্দনীয়। তবে দ্বীনি ইল্ম অর্জন, জিহাদে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নেক কাজের আকাঙ্খা নিন্দনীয় নয়; বরং প্রশংসনীয়। অতএব বলা যায়, আশা-আকাঙ্খার ভাল-মন্দ উভয় দিক রয়েছে। অত্র প্রবন্ধে কেবল মন্দ বা অবৈধ আকাঙ্খা সম্পর্কে আলোকপাত করা হচ্ছে; যা প্রকৃতপক্ষে কাফির-মুশরিকদের স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।
যেমন- এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন-
ذَرْهُمْ يَاْك বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُوْلَ اللهِ ﷺ مَنْ اَحَقُّ بِـحُسْنِ صَحَابَتِىْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنْ قَالَ اُمُّكَ قَالَ ثُـمَّ مَنَ قَالَ اَبُوْكَ. (متفق عليه)
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, একদা একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আসলেন এবং বললেন- ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার নিকটাত্মীয়দের মধ্যে সৎ ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
৪নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ وَاللَّهُ يُـحِبُّ إِغَاثَةَ اللَّهْفَانِ.
অর্থ : “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান (নর-নারীর) জন্যে সম্মানিত ইল্ম অর্জন করা ফরয। আর মহান মহান আল্লাহ পাক অভাবগ্রস্থ/বিপদগ্রস্থ লোকদের ফরিয়াদ শ্রবণকারী বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৫
ইলা’ হচ্ছে চার মাসের, তিনি একমাস থাকলেন। পবিত্র মুহররমুল হারাম মাস উনার চাঁদ উঠার সাথে সাথে তিনি আলাদা হলেন, অবস্থান মুবারক নিলেন। যখন পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার চাঁদ উদীত হলো তিনি আবার তাশরীফ মুবারক আনলেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হুজরা শরীফে। প্রথম সেখানে সাক্ষাত মুবারক হলেন হযরত উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেছিলেন একমাস আলাদা থাকবেন, আজকেতো ২৯ দিন হলো। ২৯ দিন পা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম ইরশাদ মুবারক করেন,
رَحِـمَكِ اللهُ يَا اُمِّىْ كُنْتِ اُمِّىْ بَعْدَ اُمِّىْ وتُشْبِعِيْـنِـىْ وَتَـعْرَيْنَ وتُكْسِيْـنِـىْ وَتَـمْنَعِيْـنَ نَـفْسَكِ طَيِّبًا وَتُطْعِمِيْـنِـىْ
অর্থ: “হে আমার মহাসম্মানিত মাতা! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি সম্মানিত রহমত মুবারক বর্ষণ করুন। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনার পরে আপনি ছিলেন আমার মহাসম্মানিত মাতা আলাইহাস সালাম। আপনি আমাকে পরিতৃপ্ত করতেন- আপনি না পরে আমাকে পরাতেন এবং ভালো কিছু নিজে না খেয়ে আমাকে খাওয়াতেন। (আল মু’জামুল কাবীর লিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা পাবে। সুবহানাল্লাহ!
স্মরণীয় যে, “পবিত্র সুন্নত” ফরয উনার নেকীকে বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেয় এবং যেখানে পবিত্র সুন্নত মুবারক জারি হয় সেখানে বিদয়াত দূরীভূত হয়ে যায়, আর বিদয়াত মানেই আযাব-গযব লা’নত, অসন্তুষ্টি এবং পবিত্র সুন্নত মুবারক মানেই রহমত, বরকত, সাকীনা, লাভের কারণ। মূলত, এই পবিত বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْـمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهِ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّـمَّا يَجْمَعُوْنَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই আপনাদের যিনি খলিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে যিনি মহাসম্মানিত নছিহতকারী
وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُوْرِ
যিনি অন্তরের শেফা দানকারী, আরোগ্য দানকারী
وَهُدًى وَّرَحْـمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ
যিনি মহাসম্মানিত হিদায়েত দানকারী এবং খাছ করে মু’মিনদের জন্য, ‘আমভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ইতায়াত বা অনুসরণ কর, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ কর এবং যাঁরা উলিল আমর রয়েছেন উনাদের ইতায়াত বা অনুসরণ করো।”
বান্দা-বান্দীরা সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখতে পাবে না, তাই উনাকে অনুসরণ করা বান্দাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আর উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও উম্মতরা এখন সরাসরি পাচ্ছে ন বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَثَلُ الَّذِيْنَ يُنْفِقُوْنَ اَمْوَالَـهُمْ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ اَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِىْ كُلِّ سُنْبُۢلَةٍ مِّائَةُ حَبَّةٍ ۗ وَاللهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَّشَاءُ ۗ وَاللهُ وَاسِعٌ عَلِيْمٌ ◌
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক পথ-এ যাঁরা ধন-সম্পদ ব্যয় করেন উনাদের উদাহরণ হলো সেই শস্য দানার মতো যা থেকে পয়দা হয় ৭টি শীষ, প্রত্যেকটি শীষে ১০০টি করে দানা (উৎপন্ন) হয়। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান বহুগুণে বাড়িয়ে দেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রাচুর্য্যময়, প্রশস্ত, সর্বজ্ঞানী।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৬১)
মহা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তাক্বওয়া ও পরহেযগারী
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আযম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র শরীয়ত উনার বিধি-বিধান পালনে অত্যান্ত সতর্ক ছিলেন। রাজা-বাদশা, আমির-উমারাদের দরবারে যাওয়া, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা তিনি একেবারেই পছন্দ করতেন না। কেননা তাদের সাথে সম্পর্ক রাখলে, তাদের দরবারে গেলে পবিত্র ইলম মুবারক উনার মর্যাদার হানী ঘটে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধান সঠিকভাবে পালন করা যায় না। ইমাম-মুজতাহিদ ও আওল বাকি অংশ পড়ুন...












