নিছাব পরিমাণ মাল অর্থাৎ ৫২.৫ তোলা রৌপ্য অথবা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ অথবা তার সমমূল্যের টাকা যদি কোন ব্যক্তির নিকট এক বছর পূর্ণ মালিকানাধীন থাকে তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। তখন উক্ত ছাহেবে নিছাবকে তার টাকার শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়া ফরয।
আর যাকাত আদায়ের জন্যে শর্ত হচ্ছে যাকাতের মাল গরীব-মিসকীন বা দরিদ্রকে মালিক করে দেয়া। কিন্তু মালিক না করে যদি যাকাতের নিয়তে খেতে দেয়া হয়, তাতে যাকাত আদায় হবে না। কেননা তা মালিক করে দেয়া হয়নি শুধুমাত্র তা খেতে দেয়া হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ কোন পাওনাদার যদি তার ফরয যাকাত আদায়ের সময় এই নিয়ত করে যে, আমি ওমুক ব বাকি অংশ পড়ুন...
জাওয়াব (৩য় অংশ):
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠতম রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
حَيَاتِىْ خَيْرٌ لَّكُمْ وَمَمَاتِىْ خَيْرٌ لَّكُمْ.
অর্থ: “আমার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করা এবং পবিত্র রওযা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান মুবারক করা (ইহকাল ও পরকাল) সব অবস্থাই তোমাদের জন্য কল্যাণ ও খায়ের বরকতের কারণ।” (কানযুল উম্মাল শরীফ)
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার ব বাকি অংশ পড়ুন...
পাওনাদারের সম্মানিত যাকাত আদায়ের বিধান :
নিছাব পরিমাণ মাল অর্থাৎ ৫২.৫ তোলা রৌপ্য অথবা ৭.৫ তোলা স্বর্ণ অথবা তার সমমূল্যের টাকা যদি কোন ব্যক্তির নিকট এক বছর পূর্ণ মালিকানাধীন থাকে তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। তখন উক্ত ছাহেবে নিছাবকে তার টাকার শতকরা আড়াই টাকা যাকাত দেয়া ফরয।
আর যাকাত আদায়ের জন্যে শর্ত হচ্ছে যাকাতের মাল গরীব-মিসকীন বা দরিদ্রকে মালিক করে দেয়া। কিন্তু মালিক না করে যদি যাকাতের নিয়তে খেতে দেয়া হয়, তাতে যাকাত আদায় হবে না। কেননা তা মালিক করে দেয়া হয়নি শুধুমাত্র তা খেতে দেয়া হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ কোন পাওনাদার যদি তার ফরয বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা বিশেষ করে ইমামুল খ্বামিস মিন আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, উনাদের খুছূছীয়াত মুবারক
اِنَّ لَنَا مِنَ اللهِ مَكَان ومَنْزِلَة رَفِيْعًة
নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে আমাদের অনেক বড় সম্মান-মর্যাদা রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
فَلَوْلَا نَحْنُ مَا خَلَقَ اللهُ تَعَالى سَمَاءً وَلا أَرْضًا وَلَا جَنَّةً وَلَا نَاراً وَلَا مَلَكًا وَلا شَمْسًا، وَلَا قَمَرًا وَلَا جِنًّا وَلَا اِنْسِيًّا
তিনি বলেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তথা হযরত আহলু বাকি অংশ পড়ুন...
(৬) সম্মানিত শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যেদিকে আছেন, সেদিকে কখনোই পা বিস্তার করবেনা বা থুথু ফেলবেনা। কারণ, শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা হচ্ছেন- ক্বিবলায়ে কুলূব বা অন্তরের ক্বিবলা। কাজেই নামাযের ক্বিবলার ন্যায় নিজ শায়েখ উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা সালিক-সালিকা অর্থাৎ মুরীদের জন্য অপরিহার্য। অতএব, উনার অবস্থানের দিকে পা বিস্তার করা, থুথু নিক্ষেপ করা বা অন্য কোন আপত্তিজনক কাজ করা অন্যায়।
স্মতর্ব্য যে, নামাযের ক্বিবলা বা কা’বা শরীফের দিকে থুথু নিক্ষেপ করা আদবের খিলাফ, যা তাছাওউফ বা মহান আল্লাহ পাক উনাকে পাওয়ার পথে অন্তরায়। তাই একদা কুতুব বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) নিজ মহাসম্মানিত শায়েখ অর্থাৎ মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সামনে বসে উনার নির্দেশ মুবারক ব্যতিত খাওয়া-দাওয়া করবেনা। এমনকি এক মুহূর্তের জন্যও উনার থেকে অমনোযোগী হবেনা।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়, একদিন জামিউন নিছবত, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সুলত্বানুল আরেফীন, হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, বাবা বায়েজীদ! আমার তাকের উপর থেকে অমুক কিতাবখানা নিয়ে আসুন। হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হুযূর! কিতাবখা বাকি অংশ পড়ুন...
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৮ বছর পূর্বে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) মাস উনার ৪ তারিখ ইয়াওমুল আরবিয়া’ শরীফ সকালে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করে সমস্ত জিন-ইনসান ও তামাম কায়িনাতবাসীকে অফুরন্ত রহমত-বরকত, সাকীনা ও নিয়ামত মুবারক দানে ধন্য করেন। সুবহানাল্লাহ! তখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ এছাড়াও আরো অসংখ্য অগণিত। সুবহানাল্লাহ!
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
এখন উনাদেরকে যে উম্মত লাভ করতে পারলো, উনাদের সম্মানার্থে সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক হাছিল করতে পারছে এজন্য উম্মতের দায়িত্ব ছিলো, কর্তব্য ছিলো, ফরয ছিলো উনাদের সম্মানার্থে হাক্বীক্বী ভাবে ফালইয়াফরাহূ শরীফ অর্থাৎ, খুশি মুবারক শুকুর গুজারীর সাথে আদায় করা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ
(যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) তোমাদেরকে যে নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে সেই নিয়ামত বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচ কল্লি টুপি:
পবিত্র হাদীছ শরীফের কোথায়ও উল্লেখ নেই যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অর্থাৎ খাইরুল কুরুনের কেউ পাঁচ কল্লি টুপি পরিধান করেছেন। মূলতঃ খাইরুল কুরুনে পাঁচ কল্লি টুপির কোন অস্তিত্বই ছিলনা।
উল্লেখ্য, পাঁচ কল্লি টুপির উৎপত্তিকারক হচ্ছে- আকাবিরে দেওবন্দ। মূলতঃ তাদের মাধ্যমেই পাঁচ কল্লি টুপির রেওয়াজ চালু হয়। যেমন এ প্রসঙ্গে দেওবন্দ মাদ্রাসার মুহাদ্দিছ মাওলানা আছগর হোসাইন বাকি অংশ পড়ুন...












