এই তাক্বউইম-এর মাসের নামকরণ করা হয়েছে আরবী পদ্ধতি অনুযায়ী। যেমন, আরবীতে প্রথমকে বলা হয় আউওয়াল, দ্বিতীয়কে বলা হয় ছানী। এভাবে ১ম মাস থেকে ১২তম মাস পর্যন্ত নামকরণ করা হয়েছে-
ক্রম নামকরণ ক্রম নামকরণ
১ আউওয়াল (اَوَّلٌ) ৭ সাবি’ (سَابِعٌ)
২ ছানী (ثَانِىْ) ৮ ছামিন (ثَامِنٌ)
৩ ছালিছ (ثَالِثٌ) ৯ তাসি’ (تَاسِعٌ)
৪ রবি’ (رَابِعٌ) ১০ ‘আশির (عَاشِرٌ)
৫ খ্বমিস (خَامِسِ) ১১ হাদী ‘আশার (حَادِىْ عَشَرَ)
৬ সাদিস (سَادِسٌ) ১২ ছানী ‘আশার (ثَانِىْ عَشَرَ)
আত তাক্বউইমুশ শামসীতে দিনের নামকরণ পদ্ধতি
আরবী মাসের প্রতিটি দিনের নামানুসারেই নামকরণ হয়েছে। যথা:
বার (উচ্চারণ) বার (আরবী) বার (প্রচলিত নাম)
ই বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন,
أُولَئِكَ مُبَرَّءُونَ مِمَّا يَقُولُونَ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সবকিছু থেকে পবিত্র। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
لَهُمْ مَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ،
উনাদের জন্য যিনি খ্বলিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অত্যন্ত সম্মানিত রিযিক এবং সম্মানিত মর্যাদা, ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তোমরা কি বললে?
مَعَاذَ اللَّهِ,
তোমরা এটা কি বললে কথাটা। কি বললে?
فَإِنْ كَانَتْ
যদি
ام المؤم বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً
অর্থ: “আর যখন আপনার মহান রব তাআলা তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বললেন, আমি যমীনে খলীফা প্রেরণ করবো।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০)
অর্থাৎ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন মানুষ সৃষ্টি করার এবং যমীনে প্রেরণ করার কথা হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে জানালেন, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা বললেন-
قَالُوْا أَتَجْعَلُ فِيْهَا مَنْ يُّفْسِدُ فِيْهَا وَيَسْفِكُ الدِّ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সবসময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে থাকতেন। হিজাবের বা পর্দার আয়াত শরীফ নাযিল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি স্বাধীনভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফে যাতায়াত করতেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফে (গৃহ মুবারকে) আসতাম এবং (বয়স কম থাকার কারণে) অন্দর মহলে হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরবানীর টিম
নিছাব পরিমাণ অর্থ থাকলে পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। আগে আমাদের দেশের মুসলমানদের ঘরে ঘরে এমনকি গ্রাম দেশে একটু সচ্ছলতা থাকলেই মানুষ গরু, মহিষ যবেহ করে পবিত্র কুরবানী করতেন এবং মানুষের মাঝে গোশত বিলাতেন। কিন্তু ইদানীং কিছু মানুষ লোক দেখাবার উদ্দেশ্যে (সকলে নয়) আলাদা পশু কুরবানী করলেও অধিকাংশ মানুষ তাদের আলাদাভাবে পশু কুরবানী করার সামর্থ্য থাকলেও দায়সারা ভাবে শেয়ারে কুরবানী করতে পছন্দ করে। নাউযুবিল্লাহ। এর অর্থ তাদের মাঝে পবিত্র কুরবানী করার রসম-রেওয়াজ আছে কিন্তু পবিত্র কুরবানীর হাকীকী শিক্ষা নেই।
দেশ বাকি অংশ পড়ুন...
বদরের জিহাদ ছিল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নেতৃত্বে দ্বীন ইসলামের প্রথম জিহাদ। এই জিহাদে বিপরীত পক্ষের নেতা ছিল কাট্টা কাফির সর্দার আবূ জাহিল। কাফিরদের দলবলের সংখ্যা ছিল ১০০০। অপরদিকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নেতৃত্বাধীন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের সংখ্যা ছিলো মাত্র ৩১৩ জন। মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম রহমত এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ দয়া-দান ইহসানে দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক, পবিত্র ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুরূপ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাইতো আমরা বলেছিলাম। একটা ওয়ক্বীয়া আমরা বলেছিলাম যে, এক বুযূর্গ ব্যক্তি যিনি হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ষষ্ট পুরুষ। হযরত হাসান বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মুবারক। তি বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক আনাস, কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আবু হামযাহ, লক্বব মুবারক খাদিমু রসূলিল্লাহ, পিতার নাম মালিক ইবনে নদ্বর, মাতার নাম হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার আসল নাম নিয়ে মতভেদ আছে, যেমন সাহলা, রুমায়লা, রুমায়সা ইত্যাদি।
বিলাদত শরীফ ও পারিবারিক জীবন:
মদীনা শরীফের বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খৃ: সনে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পবিত্র বিলাদত শরীফ লাভ করেন। (আল-আ’লাম)
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাচা বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا
অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দুরূদ শরীফ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ২২ পারা সূরা আহযাব শরীফের ৫৬ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত মুবারক বা দুরূদ শরীফ পেশ করেন। হে মু’মিনগণ! তোমরাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছল বাকি অংশ পড়ুন...
৭৬নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
" عَنْ حَضْرَتْ ابن عباس رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ من حفظ على أمتي أربعين حديثا من أمر دينها بعثه الله يوم القيامة فقيها عالما وكنت له يوم القيامة شافعا وشهيدا" . الشيرازي في الألقاب، "حب" في الضعفاء، وأبو بكر في الغيلانيات، "هب" والسلفي وابن النجار - عن أبي الدرداء؛ ابن الجوزي في العلل - عن أبي سعيد
অর্থ : “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি দ্বীন সম বাকি অংশ পড়ুন...












