কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক, পবিত্র ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুরূপ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাইতো আমরা বলেছিলাম। একটা ওয়ক্বীয়া আমরা বলেছিলাম যে, এক বুযূর্গ ব্যক্তি যিনি হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ষষ্ট পুরুষ। হযরত হাসান বিন যায়িদ আলাইহিস সালাম তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মুবারক। তি বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাক উনার মধ্যে এবং আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, যিকরুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র যিকির উনার বহু গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণনা করেছেন। যেমন, পবিত্র যিকির উনার গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
فاذكرونى اذكركم
অর্থাৎ “তোমরা আমার যিকির কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫২)
এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্ বাকি অংশ পড়ুন...
শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বত উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার “শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত হওয়া অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী হযরত কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মুরাদুল মুরীদীন’ কিতাবে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার মুর্শিদ ক্বিবলা বাকি অংশ পড়ুন...
কর্ম ব্যস্ত জীবনে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ নিত্য দিনের সঙ্গী। স্ট্রেস থেকে অধিকাংশ রোগের সূচনা হয়। চাকুরী-ব্যবসার চাপ, পরিবারের চাপ, পড়ালেখার চাপ, অর্থনৈতিক চাপ, বন্ধু-শত্রুর চাপসহ সফলতা-বিফলতা হিসেব নিকেষ করতে করতে মানুষ আজ দিশেহারা। স্ট্রেসের মাত্রা এত বেশি হয় যে রাতে ঠিক মত ঘুম হয় না। অনেকেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে শান্ত থাকার চেষ্টা করেন। নার্ভ দুর্বল হয়ে সারাদিন অকেজো হয়ে পড়ে থাকেন। অনেকে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সারাদিনের ইমোশনকে ভুলতে সাময়িক কিছু ব্যবহার করেন। কিন্তু সেটা পার্মানেন্ট কোন সমাধান হয় না।
স্ট্রেস থেকেই সকল রোগের সৃষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে গোটা ফিলিস্তিনে ইসরাইলি দখলদারদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জনগণ সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত। ফিলিস্তিনের এই সংগ্রাম গোটা দুনিয়াব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ডানপন্থী থেকে বামপন্থী, শিয়া থেকে সুন্নী সবাই ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছে এবং লেখালেখি করছে। কিন্তু এদের বেশিরভাগ লেখা পড়লেই মনে হয় যে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্দোলনটা বুঝি নিছক ভূমি দখলের আন্দোলন এবং মানুষের জীবনের জন্য। কিন্তু আসলে বিষয়টা তেমন নয়। ফিলিস্তিনের জন্য এই সংগ্রামটা জান ও মালের ঊর্ধ্বে। এই সংগ্রামটা হচ্ছে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ বিশেষ করে আল আ বাকি অংশ পড়ুন...
وَصِيَّةٌ (ওসিয়্যাতুন) অর্থ: অন্তিম উপদেশ। মুমুর্ষ ব্যক্তি বিদায়ের পূর্ব মুহুর্তে যে আদেশ বা উপদেশ দেন তাকে ওসিয়ত বলে। সাধারণ উপদেশের চেয়ে অন্তিম উপদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ হয়ে থাকে। আর তা পালনও করা হয় গুরুত্বসহকারে।
সঙ্গতকারণে গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ উপদেশকে ওসিয়তরূপে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পরিচয় নিস্প্রয়োজন। আর উনার আদেশ উপদেশসমূহ কত গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
কেউ কেউ বলে থাকে যে, সব ধরনের টুপিই পরিধান করা জায়েয বা সুন্নত (২)
পবিত্র হাদীছ শরীফে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের টুপি মুবারকের ক্ষেত্রে (قَلَنْسُوَةٌ) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আর (قَلَنْسُوَةٌ) নির্র্দিষ্ট প্রকারের কোন টুপির নাম নয়। বরং বিভিন্ন প্রকারের টুপিকেই (قَلَنْسُوَةٌ) বলে। আর পবিত্র হাদীছ শরীফে রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিভিন্ন প্রকারের টুপ বাকি অংশ পড়ুন...
পর্দাকে ফরয করা হলো, কেউ বললো বর্তমানে এতো পর্দার দরকার নেই। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে সে কি করে ঈমানদার থাকতে পারবে? সেতো কস্মিনকালেও ঈমানদার থাকতে পারবে না। ছবি তোলা হারাম করা হলো। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
كُلُّ مُصَوِّرٍ فِى النَّارِ
“প্রত্যেক ছবি তোলনেওয়ালা তোলানেওয়ালা জাহান্নামী”।
এখানে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিষেধ করে দিলেন, জাহান্নামী বলে ঘোষণা দিলেন। এখন যদি কেউ চু-চের বাকি অংশ পড়ুন...












