মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, “আসমান, যমীন এবং তার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, ইচ্ছায় এবং অনিচ্ছায় সবকিছু আমার দিকে রুজু হয়ে গেছে। অথচ তোমরা কি অন্য ধর্ম তালাশ কর? অন্য দ্বীন তালাশ কর? কিন্তু তালাশ করলে বা আমল করলে, তা গ্রহণ করা হবেনা।”
এ প্রসঙ্গে একটা মেছাল বলা হয়ে থাকে যে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত মত এবং পথ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ ছাড়া যে কোন মত, যে কোন পথ, যদি কেউ গ্রহণ করে, তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্থে বাকি অংশ পড়ুন...
‘আউলিয়া’ শব্দটি ‘ওলী’ শব্দের বহুবচন। আরবী উচ্চারণ اَوْلِيَاءُ (আউলিয়াউ) শব্দটি হচ্ছে বহুবচন আর একবচন হচ্ছে وَلِـىٌّ (ওয়ালিয়্যুন) শব্দটি। অর্থ : বন্ধু, অভিভাবক, সাহায্যকারী, মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত বা প্রিয় বান্দা।
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে وَلِـىٌّ এবং اَوْلِيَاءُ উভয় শব্দেরই উল্লেখ রয়েছে। ওলী বা আউলিয়া বললেই মানুষেরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী বুঝে থাকে। বাংলায় পুরুষের ক্ষেত্রে আল্লাহওয়ালা এবং মহিলার ক্ষেত্রে আল্লাহওয়ালী শব্দ দুটিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
ওয়ালিয়্যুল্লাহ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু হওয়ার বাকি অংশ পড়ুন...
খারিজীদের সাথে মুনাযারা বা বাহাস
ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, হাকীমুল হাদীছ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খারিজীদের প্রতিউত্তরে বলেন, আমি তাদের ক্ষেত্রে একথাই বলবো যা হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি এদের চেয়েও আরো বড় গুনাহগারদের ক্ষেত্রে বলেছেন-
إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ. وَان تَغْفِرْ لَهُمْ فَانَّكَ انتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
অর্থ: (আয় বারে ইলাহী) আপনি যদি তাদেরকে শাস্তি দেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা। আর যদি তাদেরকে ক্ষমা করেন তবে তো আপনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (পবিত্র সূরা মায়িদা বাকি অংশ পড়ুন...
বিশিষ্ট তাবিয়ী ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত্ব ত্বরীক্বত হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
إِنَّمَا الْفَقِيْهُ اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا اَلرَّاغِبُ فِي الْاَخِرَةِ اَلْبَصِيْرُ بِذَنْبِهِ اَلْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَبِّهِ اَلْوَرِعُ اَلْكَافُّ عَنْ اَعْرَاضِ الْـمُسْلِمِيْنَ اَلْعَفِيْفُ عَنْ اَمْوَالِـهِمْ اَلنَّاصِحُ لِجَمَاعَتِهِمْ.
হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ফক্বীহ আলিম বা আল্লাহওয়ালা কে?
اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا
যিনি দুনিয়া থেকে বিরাগ।
اَلرَّاغِبُ فِي الْاَخِرَةِ
পরকালের দিকে রুজু হয়ে রয়েছেন।
اَلْبَصِيْرُ بِذَنْبِهِ
গুনাহ্র ব্যাপারে তিনি সতর্ক।
اَلْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পরবর্তী সম্মানিত খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের আমলে যেসব নতুন বিষয় মাথা চাড়া দিয়ে উঠে তিনি অতি সতর্কতার সাথে এসব আন্দোলন থেকে নিজকে দূরে রাখেন। অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মত তিনি নির্জনতা অবলম্বন করেন। এজন্য সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে উটের যুদ্ধ ও অন্যান্য যুদ্ধে উনাকে কোন ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। এসব ঘটনায় তিনি স¤পূর্ণ নিরপেক্ষ ছিলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
আফদ্বালুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত লখতে জিগার মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বললেন যে, বিপরীত হলে কি হবে? কাকে দোষারোপ করা হলো? তাহলে যে সমস্ত কাফিরগুলি চূ-চেরা কিল ও কাল করে, যে কাফিরগুলি বাল্য বিবাহের বিরোধীতা করে সেগুলির শাস্তি চোখের পলকে প্রত্যেকটার গরদান ফেলে দেয়া ফরয হয়ে গেছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের সম্মানিত শান-মান মুবারক তাহলে কতটুকু? সেটাইতো যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি কোন চূ-চেরা কিল ও কাল করো তাহলে একমাত্র শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদন্ড। এর থেকে তোমাদের কোন রেহাই নেই। কেউ রেহাই দিতে পারবে না। সেটাইতো বল বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, পূর্ববর্তী যামানায় একজন প্রতাপশালী বাদশাহ ছিলো। সেই বাদশাহর অধিনে অনেক উঁচু লম্বা অনেক শক্তির অধিকারী এক কুস্তিগির ছিলো। সেই কুস্তিগীর কুস্তি করতে করতে পর্যায়ক্রমে সে সময়কার যত কুস্তিগীর ছিলো তাদের সবাইকে পরাস্ত করে ফেললো। এমতাবস্তায় বাদশাহ ঘোষণা দিলো যে, বাদশাহর এই কুস্তিগীরের সাথে কেউ যদি কুস্তি করে বিজয়ী হতে পারে তাহলে তাকে এক লক্ষ দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) পুরস্কার দেয়া হবে। এ ঘোষণা অনেক দিন চললো দেখা গেলো কোন কুস্তিগীর কুস্তি করতে আসলো না। যদিও কেউ কেউ কখনো কখনো এসেছিল তারা সকলেই বাদশাহর কুস্তিগীর পা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর) জিহাদে অংশগ্রহণ:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আবাসে ও প্রবাসে এমনকি জিহাদের ময়দানেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে অবস্থান করতেন। বদরের জিহাদের সময় উনার বয়স কম ছিল বিধায় জিহাদে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। তবে তিনি মুসলিম মুজাহিদদের পাশাপাশি জিহাদের ময়দানে উপস্থিত ছিলেন। পরের বছর উহুদের জিহাদ হয়। তখনও হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু অল্প বয়স্ক ছিলেন। হিজরী ষষ্ঠ সনে হুদায়বিয়ায় বাইয়াতুর রিদ্বওয়ানে অংশগ্রহণ করার সৌভাগ্য ত বাকি অংশ পড়ুন...












