বর্তমানে অনেকেই জানান, তার কোন লেখা পড়তে ইচ্ছা করে না। পড়ার বই বা পত্রিকার আর্টিকেল, এমনকি ডিজিটাল মাধ্যমের লেখাও নয়। সে ভিডিও’র মাধ্যমে জানতে ইচ্ছুক। কারণ ভিডিওর মাধ্যমে কষ্ট কম এবং সহজ হয়।
মানুষের মধ্যে হঠাৎ এ ধরনের অভ্যাস তৈরী হওয়ার একটি বড় কারণ ইন্টারনেটে অনলাইনের ব্যবহার। মানুষ এখন অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে ভিডিও কনটেন্ট দেখে। এই যে ভিডিও দেখার অভ্যাস এবং দ্রুত একটির পর একটি দেখা, এটি মানুষের আচরণে পরিবর্তন এনে ধৈর্যচ্যূতি ঘটাচ্ছে। সে একটি ভিডিওতেও বেশিক্ষণ মনোযোগ দিতে পারছে না, বরং অনেক ভিডিও দেখতে হবে এমন তাড়া অনুভব কর বাকি অংশ পড়ুন...
এতো ফযীলত মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন উনাদেরকে, যার কোনো মেছাল নেই। উনাদেরকে সবদিক থেকেই মর্যাদা-মর্তবা দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আরেকখানা আয়াত শরীফ-এ উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বলেন-
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান, আপনারা যাঁরা আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম রয়েছেন, আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! বেমেছাল পবিত্রতা দিয়ে, যোগ্ বাকি অংশ পড়ুন...
তাই হযরত আলী খাওয়াস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
لا يكمل الفقير فى باب الاتباع لرسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يصير مشهودا له فى كل عمل مشروع ويستاذنه فى جميع اموره من اكل ولبس وجماع ودخول وخروج.
অর্থাৎ কোন ফকীহ্ (অর্থাৎ ওলীআল্লাহ) সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (শুধুমাত্র বাহ্যিক) অনুসরণেই কামেল হতে পারেন না, যে পর্যন্ত সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শরীয়তের প্রতিটি কাজের মধ্যে উনার নিকট দৃশ্যমান না হন। এমনকি উন বাকি অংশ পড়ুন...
ফিরাসাত বা অন্তর্দৃষ্টি-২
ইমামুল মুসলিমীন, ইমামুল মুহাদ্দিসীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন একটি বড় নালার পাড়ে ওযূ করছিলেন। যখন কুলি করার জন্য পানি মুখ মুবারকের নিকট আনলেন তখন দুর্গন্ধ পেলেন। তারপর যেদিক থেকে পানি আসছিল সেদিকে রওয়ানা হলেন। কিছু দূর গিয়ে দেখতে পেলেন, একজন যুবক গোসল করছে। ইমামুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি সেই যুবককে বললেন, হে যুবক! তুমি কি মুসলমান? যুবক জবাবে বললো, হ্যাঁ, আমি মুসলমান। তখন তিনি তাকে কাছে ডাকলেন, বল বাকি অংশ পড়ুন...
গৃহপালিত পশুর মালিক অতিরিক্ত যাকাত দিতে পারবেন
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُبَـىِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ بَعَثَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُصَدِّقًا فَمَرَرْتُ بِرَجُلٍ فَلَمَّا جَـمَعَ لِيْ مَالَهُ لَـمْ اَجِدْ عَلَيْهِ فِيْهِ اِلَّا اِبْنَةَ مَـخَاضٍ فَقُلْتُ لَهٗ اَدِّ ابْنَةَ مَـخَاضٍ فَاِنَّـهَا صَدَقَتُكَ. فَقَالَ ذَاكَ مَا لَا لَبَنَ فِيْهِ وَلَا ظَهْرَ وَلَكِنْ هٰذِهٖ نَاقَةٌ فَتِيَّةٌ عَظِيْمَةٌ سَـمِيْنَةٌ فَخُذْهَا. فَقُلْتُ لَهٗ مَا اَنَا بِاٰخِذٍ مَا لَـمْ اُوْمَرْ بِهٖ وَهٰذَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْكَ قَرِيْبٌ فَاِنْ اَحْبَبْتَ اَنْ تَأْتِيَهٗ فَتَعْرِضُ عَلَيْهِ مَا عَرَضْتَ عَل বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এখন একদিক থেকে উনারা আহলে বাইত উনাদের অন্তর্ভুক্ত। আরেক দিক থেকে যাঁরা উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও আহলে বাইত উনাদের অন্তর্ভুক্ত। এখানে উনাদেরকে খাছ করে বুঝানো হয়েছে এই মুবাহালার জন্য। উনাদের যে খুছূছিয়ত তা হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে।
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَرَكْتُ فِيْكُمْ فِئَتَيْنِ كِتَابَ اللهِ وَسُنَّتِى
একখানা হাদীছ শরীফ।
আরেকখানা হাদীছ শরীফ-
تَرَكْتُ فِيْكُمْ فِئَتَيْنِ كِتَابَ اللهِ وَعِتْرَتِى
এখানে মুহাদ্দিছীনে কিরাম যাঁরা, যাঁরা হাদীছ শরীফ বিশারদ উনারা বলেন-
تَرَكْتُ فِيْكُمْ فِئَتَيْنِ كِتَابَ اللهِ বাকি অংশ পড়ুন...
(বিলাদত শরীফ ৫৩৬ হিজরী, বিছাল শরীফ ৬৩৩ হিজরী)
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
কুতুবুল মাশায়িখ, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদা হযরত উম্মুল ওয়ারাহ মাহে নূর রহমতুল্লাহি আলাইহা তিনি বলেন, আমরা সাধারণত বৃহস্পতিবার রাত খাছভাবে ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকিরের মাধ্যমেই অতিবাহিত করতাম। আমার যাওজুল মুকাররাম আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদ গিয়াসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাহাজ্জুদ নামায শেষ করে যখন মুনাজাতের জন্য হাত মুবারক তুললেন তখন সমস্ত ঘর মনোমুগ্ধকর আকর্ষণীয় খুশবুতে ভরে গেলো।
উল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
অর্থাৎ এটাকে আয়াতে মুবাহালা বলা হয়। যখন কোনো বিষয় দলীল-আদিল্লাহ দিয়ে ফায়ছালা হয় না তখন মুবাহালা করার বিষয়টা এসে থাকে। এখন যারা উপস্থিত থাকে তারা থাকলেও চলবে, আল-আওলাদদেরকে ডাকলেও চলে, সেটার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দেন। যখন মুবাহালার আয়াত শরীফ নাযিল হলো, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন ঠিক আছে, তোমাদের মধ্য থেকে যারা উপস্থিত তারা আসুক, আমরাও আসি। এখন মুবাহালা করা হবে। বলতে হবে কি? মহান আল্লাহ পাক! যে বিষয়ে আলোচনা হলো, এতে যারা বাকি অংশ পড়ুন...
(গতকালকের পর)
(১৬) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা তিনি কোন কাজের জন্য মুরীদকে ত্বলব করলে যথাসময়ে উনার ডাকে সাড়া দিবে এবং কাজ শেষ করতঃ পুনরায় অনুমতি বা নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত উনার ছোহবত মুবারক থেকে প্রস্থান করবে না। অপর কোন বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে উনার আহবানে সাড়া না দেয়া এবং বিনা অনুমতিতে উনার দরবার শরীফ হতে বিদায় হওয়া মুরীদের জন্যে উচিত নয়।
কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا قَدْ يَعْلَمُ اللَّهُ الَّذِينَ يَتَسَلَّلُونَ مِنْكُمْ لِوَاذًا
অর্থ: “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে বাকি অংশ পড়ুন...
নিসবত, তায়াল্লুক-এর যে বিষয়টা এবং
وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا
যে সমস্ত বিষয় সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত আন নূরুর রবিআহ আলাইহাস সালাম উনাকে কষ্ট দেয়, সে সমস্ত বিষয়গুলি স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও কষ্ট দেয়। নাঊযুবিল্লাহ! এই যে বিষয়টা নিসবত, মুহব্বত, তায়াল্লুক উনার মুহব্বত জুয্য়ে ঈমান। যেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। যেহেতু উনারা আহলে বাইত শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
(গতকালকের পর)
কাজেই যদি কোন ব্যক্তি স্বপ্নেও দেখে যে, আফদ্বালুল আউলিয়া ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, মাহবূবে সুবহানী কুতুবে রব্বানী সাইয়্যিদুল আউলিয়া গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখ আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা তাকে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ দিচ্ছেন তাহলে বুঝতে হবে যে, স্বীয় মুর্শিদ ক্বিবলা উনার পক্ষ হতেই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ দেয়া হচ্ছে। মূলতঃ একজনের মুরীদকে অন্যজন সেই মুরীদের শায়েখ উনার অনুমতি ব্যতিত ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ দিতে পারেন না। আর তা তরতীবও নয়।
বর্ণিত আছে যে, একবা বাকি অংশ পড়ুন...












