নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহরে নুবুওওয়াত মুবারক সর্ম্পকে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন যে, “আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুন নুবুওওয়াহ মুবারকের (ঘাড় মুবারক) উপর কবুতরের ডিমের ন্যায় একখন্ড গোশ্ত মুবারক দেখেছি, যার রং ছিলো হালকা লাল” এটিই ছিলো মহরে নুবুওওয়াত মুবারক।” (শামায়েলে তিরমিযী শরীফ)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুন নিয়ামাহ মুবারক (দাড়ি বাকি অংশ পড়ুন...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ছিরাতুল মুস্তাক্বীমে কি কি সুবিধা রয়েছে?
প্রচলিত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রযুক্তিগত প্রায় সমস্ত সুবিধা রয়েছে। যেমন- পেইজ, গ্রুপ, ব্লগ, লাইভ ব্রডকাস্ট, পোষ্ট, কমেন্ট, শেয়ার ইত্যাদি যাবতীয় সুবিধা। সম্পূর্ণরূপে অশ্লীলতা ও বেআইনি বিষয়বস্তু থেকে মুক্ত। হালাল উপায়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ ও পন্য বেচাকেনা করার জন্য মার্কেটপ্লেস, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষামূলক বিভিন্ন বিষয়। নামাযের সময় দেখার জন্য আছে নামাযের সময়সূচী ইত্যাদি।
ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার আরো কিছু বিশেষত্ব যা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি: সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত মাতা ও পিতা উভয় দিক থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বংশধর, আওলাদে রসূল। সপ্তম হিজরী শতকের সম্মানিত মহান মুজাদ্দিদ। সম্মানিত চিশতীয়া তরীক্বা উনার ইমাম। ভারত উপমহাদেশে বিলায়েত বা অলীত্ব প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উনার অনুমোদন প্রয়োজন। উনার উসীলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রায় এক কোটি লোককে ঈমান দান করেছেন। বিছালী শান মুবারক গ্রহণের পর উনার ক বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
সেজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন, আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
قُلْ لَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَى
“আপনি বলে দিন উম্মতদেরকে, সমস্ত কায়িনাতকে, আমি তোমাদের কাছে কোন বিনিময় চাচ্ছি না, তোমরা কোন বিনিময় দিতে পারবে না, তোমাদের সেই যোগ্যতা নেই।” মহান আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব মালিক রব উনার শরাফত মুবারক সেজন্য তিনি ভাষাটা এইভাবে বলেছেন। কোন বিনিময় চাওয়া হচ্ছে না, তোমরা দিতে পারবে না। তবে তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, কর্তব্য হচ্ছে, আমার যাঁরা আহাল ও ইয়াল, আওলাদ যাঁরা রয়েছেন বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ یٰۤـاَیهُّا الَّذِيْنَ اٰمَـنُـوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِـيْمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে ছলাত মুবারক অর্থাৎ পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করে যাচ্ছেন, উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করে যাচ্ছেন। সুবহানাল্লাহ! হে ঈমানদাররা! তোমরাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যে মাধ্যম দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহাকারীগণ ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে পরষ্পর সংযুক্ত হওয়ার এবং তথ্য আদান প্রদান করার সুযোগ, সুবিধা বা সেবা লাভ করে থাকে সেই মাধ্যমটিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলা যায়। একটি সমাজে যেমন একে অপরকে চেনে, জানে এবং ভাব বিনিময় করে তদ্রুপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে চেনা পরিচয় হয়, তথ্যের আদান প্রদান হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন প্রয়োজন?
নিজের মতামত ও অবস্থাকে অগণিত মানুষের দৃষ্টিতে বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
সাধারণভাবে পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার মধ্যে আমরা যাঁরা অতীতের হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যাঁরা আযওয়াজ-আহলিয়া হযরত উম্মুল বাশার হাওওয়া আলাইহাস সালাম, হযরত সারাহ আলাইহাস সালাম এছাড়া যাঁরা বিশেষ মহিলা হযরত র্মাইয়াম আলাইহাস সালাম, হযরত আসিয়া আলাইহাস সালাম উনাদের শানে আমরা এই শব্দগুলি, ছিফতগুলি ব্যবহার করে থাকি। সেদিক থেকে যাঁরা উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই এই ছিফতগুলির সর্বাধিক হক্বদার। আরেকদিক থেকে যাঁরা আহলে বাইত শরীফ উনারাও আলাইহাস সালাম, আলাইহিস সালাম, আলাইহিমুস সালাম বা আলাইহিন বাকি অংশ পড়ুন...
আর হাক্বীক্বী আলিম-মাশায়িখ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْعُلَمَاءَ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ وَإِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِرْهَمًا وَلَا دِيْنَارًا وَإِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই আলিমগণ হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের ওয়ারিছ। আর নিশ্চয়ই হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনারা কোন দীনার-দিরহাম রেখে যাননি। বরং ইলিম রেখে গেছেন।” (তিরমিযী শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, আহমদ শরীফ, মিশকাত শর বাকি অংশ পড়ুন...












