(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحِبُّوا اللهَ لِمَا يَغْذُوكُمْ بِهِ مِنْ نِعْمَةٍ، وَأَحِبُّونِي لِحُبِّ اللهِ، وَأَحِبُّوا أَهْلَ بَيْتِي لِحُبِّي
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَحِبُّوا اللهَ
তোমরা যিনি খালিক্ব¡ যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো।
لِمَا يَغْذُوكُمْ بِهِ مِنْ نِعْمَةٍ
কেন মুহব্বত করবে? কারণ যিনি খালিক্ব¡ যি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাজা সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ আকবরাবাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার শায়েখ হযরত আদম বিন নূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবার শরীফে পৌঁছে লক্ষ্য করলাম যে, হযরত শায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ সকল উনার বাড়ির যাবতীয় কাজ নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিয়েছেন। কোন একটি কাজও ফেলে রাখা হয়নি। সুতরাং বেশ কিছুদিন আমাকে অপেক্ষা করতে হলো।
অবশেষে একদিন লক্ষ্য করলাম যে, বন-জঙ্গল থেকে কাঠ আনার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারা দৈহিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল ও জীর্ণ-শীর্ণ। এ দায়িত্ব পালন করা তাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। আর আমি যেহেতু সুস্বাস্থ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম তিনি মিশরের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন দুর্ভিক্ষ দেখা দিল, তখন ঐ দুর্ভিক্ষের প্রভাব গড়াতে গড়াতে কিনয়া’নে সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়া’কূব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র হুজরা শরীফ পর্যন্ত পৌছে যায়। তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়া’কূব আলাইহিস সালাম তিনি উনার আওলাদগণকে লক্ষ্য করে বললেন যে, হে আমার আওলাদগণ! আমি জানতে পেরেছি মিশরে একজন নতুন দায়িত্বশীল দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যিনি অত্যান্ত সৎ ও দয়ালু। এই দুর্ভিক্ষের সময় তিনি মানুষের অভাব-অনটন দূর করার জন্য সামান্য অর্থ-কড়ির বিনিময়ে উট বোঝাই খাদ্যশস্য দিয়ে থাকে বাকি অংশ পড়ুন...
৯০নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عن حضرت عثمان عَلَيْهِ السَلَّامَ قَالَ قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ العلماء أمناء أمتي অর্থ : “হযরত উসমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আলিমগণ হচ্ছেন আমার উম্মতের আমানতদার (বিশ্বস্ত বা নিরাপত্তা দানকারী)।” (দায়লামী শরীফ/৪২১১, ফায়জুল ক্বাদীর/৫৭০২, কানযুল উম্মাল শরীফ/২৮৬৭২)
৯১নং পবিত্র হাদীছ শরীফ
عَنْ حَضْرَتْ أنس بن مالك رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ এবং যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ-এ আমভাবে হযরত আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম এবং খাছভাবে উনাদের প্রত্যেকের শানে অর্থাৎ হযরত সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান, খুছূছিয়ত বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন-
قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى
আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, হে আমার হাবীব, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خِصَالٌ لَّا تَـنْۢبَغِـىْ فِـى الْمَسْجِدِ لَا يُـتَّخَذُ طَرِيْـقًا
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কতগুলো অভ্যাস বা কাজ রয়েছে সেগুলো পবিত্র মসজিদ উনাদের মধ্যে করা জায়িয নেই। যেমন- পবিত্র মসজিদ উনাদেরকে (ভেঙ্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক, উনাদের প্রতি হুসনে যন বা উত্তম ও সঠিক ধারণা জুয্য়ে ঈমান বা ঈমানের অঙ্গ। আর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সমালোচনা করা ও উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে দলিল-আদিল্লাহসহ বিস্তারিত আলোচনা করার পূর্বে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বুযুর্গী-সম্মান, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক তুলে ধরা হলো। পরবর্তীতে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মূলতঃ আবহমানকাল হতে যারা খাছ ও খাঁটি ওলীআল্লাহ হয়েছেন, উনারা সকলেই স্ব-স্ব শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার আদেশ ও নিষেধের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যশীল ছিলেন। শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ইজাযত না পাওয়া পর্যন্ত শায়েখ উনার খানকা শরীফ হতে উনারা প্রস্থান করতেন না। এমনকি এক্ষেত্রে যদিও শরীয়তের কোন গুরুত্বপূর্ণ আমল ব্যহত হতো তথাপিও সেই সকল ব্যক্তিগণ উনারা উনাদের শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার ছোহবত মুবারককেই প্রাধান্য দিয়ে তথায় অবস্থান করতেন।
এ প্রসঙ্গে আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, ক্বাইয়ূমে আউওয়াল সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক জিন-ইনসানই সুখ প্রিয়, শান্তি প্রিয়। আর এটাই সকলের লক্ষ্য কিভাবে একটু সুখে থাকা যায়, শান্তিতে থাকা যায়। আর এই সূখের জন্যই প্রত্যেকে সব কিছুকে বিসর্জন দেয়। কেউ টাকার পিছনে ছুটে, কেউ বা আবার ক্ষমতার দিকে। সবার উদ্দেশ্যই এক ও অভিন্ন। কিন্তু বাস্তবে কারোরই সুখের দেখা মিলে না। আর মিলবেই বা কি করে? যে পথে সুখের সন্ধান করার কথা সে পথ বাদ দিয়ে অন্য পথে কি করে সুখ মিলতে পারে?
প্রকৃত সুখ, শান্তি বা ইতমিনান লাভ করতে হলে অবশ্যই সেটা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশিত পথেই তালাশ করতে হবে। তবেই প্রকৃত সুখ মিলবে, মিলবে ইতমিনান। এখন প্রশ্ন জা বাকি অংশ পড়ুন...












