সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত লক্বব মুবারক: সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ ইত্যাদি ইত্যাদি। সুবহানাল্লাহ!
যেই সম্মানিত লক্বব মুবারক-এ সম্মানিত পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন: রাইহানু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত সিবতু রসূল আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম: আমীরুল মু’মিনীন, বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দাদাজান আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেমে বাকি অংশ পড়ুন...
আফদ্বলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, মহাসম্মানিতা বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিতা হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ম বাকি অংশ পড়ুন...
আত্ব ত্বাহিরাহ, আত্ব ত্বইয়্যিবাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি 'আলাল 'আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল উলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনিই সর্বপ্রথম হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম হিসেবে মনোনীত ও মক্ববূল হন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল উলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি আমুল ফীলের ১৫ বছর পূর্বে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৪ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ'যম শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ বাদ ফজর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ سَـمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِلْبَسُوا الثِّيَابَ الْبِيْضَ فَإِنَّـهَا أَطْهَرُ وَأَطْيَبُ وَكَفِّنُـوْا فِيْـهَا مَوْتَاكُمْ
অর্থ: হযরত সামুরা বিন জুনদুব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা সাদা লিবাস পরিধান করুন। নিশ্চয়ই তা অধিক পবিত্র ও অতি উত্তম লিবাস মুবারক। এবং উক্ত সাদা লিবাস মুবারক উনার দ্বারা মৃত ব্যক্তির কাফন সম্পাদন করুন। (আহ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম ইরশাদ মুবারক করেন,
رَحِـمَكِ اللهُ يَا اُمِّىْ كُنْتِ اُمِّىْ بَعْدَ اُمِّىْ وتُشْبِعِيْـنِـىْ وَتَـعْرَيْنَ وتُكْسِيْـنِـىْ وَتَـمْنَعِيْـنَ نَـفْسَكِ طَيِّبًا وَتُطْعِمِيْـنِـىْ
অর্থ: “হে আমার মহাসম্মানিত মাতা! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি সম্মানিত রহমত মুবারক বর্ষণ করুন। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনার পরে আপনি ছিলেন আমার মহাসম্মানিত মাতা আলাইহাস সালাম। আপনি আমাকে পরিতৃপ্ত করতেন- আপনি না পরে আমাকে পরাতেন এবং ভালো কিছু নিজে না খেয়ে আমাকে খাওয়াতেন। (আল মু’জামুল কাবীর লিত্ব বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এখন “সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ” এই লক্ববে তিনি মশহূর। উনি হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম। এখন উনাকে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত আন নূরুর রবিআহ যাহরা আলাইহাস সালাম এটা বললেই উনার পরিচয় হয়ে যায়। যারা উনার সম্পর্কে জানে, যারা মুসলমান, ঈমানদার কম-বেশি কিছু পড়াশুনা করে থাকে বা এই বিষয়ে চিন্তা-ফিকির করে থাকে, আলোচনা করে থাকে। উনার খুছূছিয়ত, উনার বৈশিষ্ট্য বেমেছাল। উনার তো অসংখ্য অগণিত, লক্ষ কোটি লক্বব মুবারক রয়েছে।
৮
উনাদের খুছূছিয়ত বৈশিষ্ট্য বলার অপেক্ষা রাখে না।
পবিত্র হাদীছ শরীফ-এ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَالَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوْا فَقَدِ احْتَمَلُوْا بُهْتَانًا وَّإِثْمًا مُّبِيْنًا
অর্থ: যারা বিনা অপরাধে ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার মহিলাদের কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্যে পাপের বোঝা বহন করে। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৮)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন ব্যক্তি অপর কাউকে ফাসিক বলবে না এবং কুফরীর অপবাদও দিবে না। কেননা সেই ব্যক্তি সেরূপ না হলে তবে তার অপবাদ নিজের উপরই বর্তাবে। (বুখারী শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
যারা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাযহাব ও পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে গবেষণা করেন, তাদের অবশ্যই এ বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে যে, হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অন্যান্য মুজতাহিদদের তুলনায় পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী আমল করার ক্ষেত্রে বেশি কঠোর ছিলেন। বরং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের আছার অনুযায়ী আমল করার বিষয়টি ছিল উনার মাযহাবের একটি অন্যতম মূলনীতি।
পক্ষান্তরে কোন কোন ইমামের মাযহাব হলো- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের আছার বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস বিন নদ্বর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন একজন সুবিখ্যাত ছাহাবী। তিনি কোন কারণবশতঃ ঐতিহাসিক বদরের জিহাদে অংশ নিতে পারেননি। এতে উনার ঈমানদীপ্ত হৃদয়ে প্রতিনিয়ত প্রচ- অনুতাপ নাড়া দিত। সম্মানিত দ্বীন ইসলামের প্রথম জিহাদে অংশগ্রহণের সৌভাগ্য অর্জন না হওয়ার মর্মপীড়ায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন, আবার যদি জিহাদের কোন ডাক আসে তবে তিনি তাতে জান-মাল কুরবান করে উনার অতৃপ্ত বাসনা পূর্ণ করবেন। অবশেষে ঐতিহাসিক উহুদ প্রান্তরের জিহাদে তিনি শরীক হওয়ার মহা সৌভাগ্য অর্জন করলেন। সুবহানাল্লাহ! উল্লেখ্য, উক্ত জিহাদ চলাকালীন বীর মুজাহিদ হ বাকি অংশ পড়ুন...












