নিজের চেয়ে অপরের প্রয়োজনকে অত্যাধিক গুরুত্ব দেয়াকে ঈছার বলা হয়। যা হামদরদী অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার সম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে অপরের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্বারোপের যে প্রাধান্য দেয়া হয় সেটাকেই বুঝানো হয়। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রত্যেকটি কথা, কাজ, অভ্যাসে হামদরদীর যে ঈমানদীপ্ত নিদর্শন ফুটে উঠতো তা পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী যামানার অন্য কোন মানুষের পরস্পরের মাঝে খুজে পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর বটে। মহান আল্লাহ পাক তিন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
উনার ‘আক্দ্ মুবারক’ অর্থাৎ হযরত ইমামুল আউওয়াল র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি যে উনাকে গ্রহণ করলেন খিদমত করার জন্য, সে ‘আক্দ্ মুবারক’ সম্পর্কে যদিও অনেক ইখতিলাফ রয়েছে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য সেটা হচ্ছে, আসলে মুসলমানদের যে ইতিহাসগুলি রয়েছে, যেটা আমি অনেকবার বলেছি তাহলো- বাগদাদ যখন হালাকু খান নিয়ে নেয় অর্থাৎ বাগদাদ যখন পতন ঘটে তখন এই কাফির-মুশরিক, ইহুদী-নাছারাগুলি বাগদাদে যে বড় বড় লাইব্রেরী ছিল সেখানে বড় বড় নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি ছিলো। সেখান থেকে মুসলমানদের ইতিহাসগুলি তারা পুড়িয়ে দিয়ে অন্য বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩) শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা যদি কোন কারণবশতঃ মুরীদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন, তবে উনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে না। বরং তিনি কেন এমন হলেন, সে কারণ খুঁজে বের করবে। নিজের কৃত অন্যায়ের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং ভবিষ্যতে এরূপ না করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করবে। অতঃপর শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার দরবার শরীফে হাজির হয়ে কৃত অপরাধের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতঃ বিনয় প্রকাশ করবে। মনে রাখবে, মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য লাভের জন্য শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাহায্য ব্যতীত গত্যন্তর নেই। যেমন- কেউ যদি রাজা-বাদশাহ’র বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اُعْطِيْتُ خَـمْسًا لَـمْ يُعْطَهُنَّ اَحَدٌ قَبْلِـىْ نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيْـرَةَ شَهْرٍ وَّجُعِلَتْ لِــىَ الْاَرْضُ مَسْجِدًا وَّطَهُوْرًا فَاَيُّـمَا رَجُلٍ مِّنْ اُمَّتِـىْ اَدْرَكَتْهُ الصَّلـٰوةُ فَلْيُصَلِّ وَاُحِلَّتْ لِــىَ الْمَغَانِـمُ وَلَـمْ تَـحِلَّ لِاَحَدٍ قَبْلِىْ وَاُعْطِيْتُ الشَّفَاعَةَ وَكَانَ النَّبِـىُّ يُبْعَثُ اِلـٰى قَوْمِهٖ خَاصَّةً وَّبُعِثْتُ اِلَـى النَّاسِ عَامَّةً.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমাকে এমন পাঁচটি সম্মানিত নি‘য়ামত বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সরাসরি তা তদারকি মুবারক করে থাকেন
وعد الله الذين امنوا وعملوا الصالحات لـهم مغفرة واجر عظيم
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি মুবারক ওয়াদা করছেন যে, পবিত্র ঈমান আনয়নকারী এবং আমলে ছলিহকারী উনাদের জন্য ক্ষমা ও মহান প্রতিদান রয়েছে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯)
অর্থাৎ আমলে ছলিহকারী মু’মিন উনাদের প্রতিদান সম্পূর্ণরুপে প্রদান করার ব্যাপারে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি মুবারক ওয়াদা করেছেন। এখন সর্বশ্রেষ্ঠ আমলে ছলিহ কোনটি? আসল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْقَاضِىْ لَـهُمْ حَوَائِجَهُمْ
অর্থ: “যারা আমার বংশধর সম্মানিত আওলাদ ও সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মাল দিয়ে, সম্পদ দিয়ে খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দিবে তাদেরকে আমি ক্বিয়ামতের দিন তথা দায়িমীভাবে সবসময় সুপারিশ করবো।” সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে আনওয়ারুল আরিফীন নামক কিতাবে বর্ণিত আছে- হযরত রবি বিন সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বড় একজন বুযূর্গ ব্যক্তি আল্লাহওয়ালা ছিলেন। উনার অনেক মুরিদ-মুতাকিদ ছিলেন। তিনি উনার হায়াতে ৫০ ব বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওছার (সর্ববিধ কল্যাণ) উনার মালিক করেছি।” (পবিত্র সূরা কাউছার শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১)
মূলত আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্ববিধ কল্যাণ হাদিয়া মুবারক করেছেন এবং মালিক বানিয়েছেন। কাজেই তিনি হলেন সর্বপ্রকার রহমত, বরকত, সাকীনার জামে’। উনার মুবারক ছোহবতে এবং মুবারক স্পর্শে সবকিছু বরকত ও নিয়ামত যুক্ত হয়ে যেত। এ ধরণের অসংখ্য ঘটনা পবিত্র হাদীছ শর বাকি অংশ পড়ুন...
আয্ যাকিয়া বলা হয়েছে। অর্থাৎ হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت معاوية رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من يرد الله به خيرا يفقهه فى الدين.
হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি যার ভালো চেয়ে থাকেন, তিনিতো সকলের ভালো চান, তাকে দ্বীনের ছহীহ সমঝ দান করেন। সেটা আয্ যাকিয়া অর্থাৎ তিনি সমঝদার। এখন উনাদের ইলিম মুবারকের যে বিষয়টা সেটাতো বলার অপেক্ষা রাখেনা। বেমেছাল উনারা, সমঝদারও বেমেছাল। বাকি অংশ পড়ুন...
যদি মুহাদ্দিছগণ উনাদের মাঝে মর্যাদার স্তর বিন্যাস করা হয় তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমসাময়িক প্রথম সারির মুহাদ্দিছগণ যেমন- হযরত ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম আওযায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমূখ মুহাদ্দিছগণ উনাদের সমমর্যাদার অধিকারী হবেন। বরং উনাকে যদি উক্ত সম্মানিত ইমামগণ উনাদের উপর প্রাধান্য দেয়া হয় তবুও বাড়াবাড়ি হবে না। কারণ ঐসকল সম্মানিত ইমামগণই উনাকে নিজেদের উপর প্রাধান্য দিতেন। সুবহানাল্লাহ!
যেমন হযরত হাম্মাদ ইবনে যায়েদ রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
একদিন হযরত আবূ সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, “আমি এসেছিলাম আপনার নিকট বাইয়াত হওয়ার জন্য। আপনার মত মহান ব্যক্তিত্বের ছোহবত ইখতিয়ার করা (সংসর্গে থাকা) একান্ত জরুরী মনে করছি।”
ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আবেদন মঞ্জুর করলেন। উনাকে স্বীয় ছোহবত দানের জন্য বাইয়াত করালেন।
পরের দিন ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি খানকা শরীফ উনার দায়িত্বে নিয়োজিত খাদিমকে বলে দিলেন, আজ থেকে আবূ সাঈদ উনার থাকার স বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতিসহ সব প্রাণীকে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এরপর সবাইকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ এই সত্যের ওপর বিশ্বাসী। মানুষ মাত্রই তার প্রিয়জনসহ পাড়া-পড়শির মৃত্যু প্রত্যক্ষ করে থাকে। অথচ তারপরও নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে এতটুকু ভয় পায় না। যে ব্যক্তি নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করে চিন্তিত হবে এবং হৃদয় দিয়ে তা অনুভব করবে, সেই ব্যক্তির পক্ষে কোনো অসৎ কাজ করা সম্ভব নয়। মানুষ কতটা অপরিণামদর্শী ও অবিবেচক যে, সে অপরের মৃত্যু দেখে; তারপরও নিজের মৃত্যুর কথা বাকি অংশ পড়ুন...












