মন্তব্য কলাম
রিজওয়ানার পরিবেশবাদী প্রচারণার বিপরীতে রবি ঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনে ইতিবাচক বার্তা এবং ইউনুসের পানি ও প্রকৃতি প্রেমের বানীর পরিবর্তে আপত্তি সত্ত্বেও একনেকে রবি ঠগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প অনুমোদনে জনগণ তথা নেটিজনের মূল্যায়নটা কী?
, ০৪ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
৪৭টি নদী ও ১৬৩ বিল, ৩শ’রও বেশি ক্যানেল, ১ লাখ ২০ হাজার পুকুর তথা
চলনবিলের ধ্বংসকারী এবং কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নষ্টকারী ও বিস্তীর্ণ এলাকার পরিবেশের মৃত্যু ঘটিয়ে রবি ঠগের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন কী?
পরিবেশ বাদী চেতনার মৃত্যু ঘটায় না?
তথাকথিত পরিবেশ বাদীদের মুখোশ উন্মোচন করে না?
গত ১৮ আগস্ট, ২০২৫ কালের কন্ঠ সহ গণমাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাতে খবর শিরোনাম হয়েছে- ‘প্রকৃতি ও পানির প্রতি আমাদের সদয় হতে হবে’
খবরে বলা হয়- ইউনূস জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধন করেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সে এর উদ্বোধন করে।
উদ্বোধনী ভাষণে ইউনূস বলে, ‘মৎস্য খাতের অবদানের জন্য আমাদের প্রকৃতি ও পানির প্রতি সদয় হতে হবে।
অথচ একই তারিখে দি ডেইলী স্টার বাংলায় খবর শিরোনাম হয়-
‘চলনবিল নিয়ে ঝুঁকি থাকলেও পাস হল রবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প’
খবরে বলা হয়- পানিভূমি ভরাট করে ক্যাম্পাস নির্মাণে কয়েকজন উপদেষ্টার আপত্তি থাকলেও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নির্মাণে ৫১৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক)।
একনেক সূত্রে জানা গেছে, রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের জন্য ৫১৯.১৫ কোটি টাকার ডিপিপি অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে আছে- পাঁচ তলার একাডেমি ভবন, পাঁচ তলার প্রশাসন ভবন, পাঁচ তলার প্রশাসনিক ভবন, তিন তলার লাইব্রেরি ভবন।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলে, 'প্রকল্প নিয়ে পরিবেশবিদদের চিন্তার কারণ থাকলেও সেটা মূল্যায়নের দায়িত্ব পরিবেশ অধিদপ্তরের। '
উল্লেখ্য পরিবেশ অধিদপ্তর যে মন্ত্রনালয়ের অধীন- সে মন্ত্রনালয়ের দন্ড মুন্ডের অধিকারী, পরিবেশ উপদেষ্টা ‘পরিবেশের নাম ফেরী করতে খুবই সোচ্চার’; -এটা বহুল প্রচারিত।
পত্র পত্রিকায় তার এধরনের বিবৃতি বচন এন্তার।
১৪ মে ২০২৫ বনিক বার্তা পত্রিকায় রিজওয়ানা হাসানের বরাতে খবর শিরোনাম হয়েছে- ‘প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্নয়ন টেকসই হবে না’
২৬ জুন ২০২৫ দেশ রুপান্তর পত্রিকায় পরিবেশ উপদেষ্টার বরাতে খবর শিরোনাম হয়- ‘পরিবেশ ধ্বংস করে আবাসন তৈরি কোনোভাবেই কাম্য নয়’
আমরা যদি প্রকৃতিকে ধ্বংস করি, প্রকৃতিও আমাদের রক্ষা করবে না- পরিবেশ উপদেষ্টা
দৈনিক নওরোজ, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
ধ্বংস প্রায় প্রকৃতিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
বাংলাদেশ টাইম, ২০২৫-০৫-২৫
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান এদিন বলে, প্রকৃতিকে আমরা বিরক্ত করে নানা কর্মকা-ের মাধ্যমে গাছ কেটে বলি, ‘২০ হাজার গাছ কেটে ৪০ হাজার গাছ লাগাবো। ’ এজন্য আমাদের এতো বড় বড় বিপত্তি হয়। আপনি কিছু প্রাকৃতিক অবস্থায় ফেরত আনতে পারবেন, কিন্তু সবটা ফেরত আনতে পারবেন না।
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিবেশকে আনতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
বাংলা ট্রিবিউন, ২৬ জুলাই ২০২৫
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছে, পরিবেশ কখনোই আর ‘সেকেন্ডারি’ ইস্যু হতে পারে না, রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিবেশকে আনতে হবে।
এটি ‘জনস্বার্থ’ এবং ‘রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার’।
রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের পরিবেশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারে জনগণের জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে।
কিন্তু চরম মুখোমুখি হতে হচ্ছে খোদ পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানাকেই।
গত ১৭ আগস্ট ২০২৫ আমার দেশ পত্রিকায় ‘রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে চলনবিল হত্যার আয়োজন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে
“রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম হাসান তালুকদার বলেন, একনেকে যে সমস্ত শর্ত দেওয়া হয়েছিল আমরা তা ফুলফিল করে দিয়েছি।
জুন মাসের ১৬ তারিখে পরিবেশ উপদেষ্টা রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস এলাকা পরিদর্শনে আসেন। তিনি ইতিবাচক বক্তব্য দিয়ে গেলেন। ”
প্রশ্ন হচ্ছে রিজওয়ানা কী ইতিবাচক বার্তা দিতে পারেন?
অথচ ১৬ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই পরিদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়-
প্রস্তাবিত স্থানটি বছরে চার মাস পানির নিচে ডুবে থাকে। এটি ৯ মিটারের বেশি ভরাট করতে হবে। এজন্য বালু লাগবে ৩৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৩০ ঘনমিটার। ক্যাম্পাসে যাতায়াতের জন্য নির্মাণ করতে হবে একটি সড়ক ও সেতু। পানির ঢেউ প্রতিরোধে দিতে হবে বাঁধ। এসবের জন্য ব্যয় হবে ৪৪৮ কোটি টাকা।
ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ১০০ একরের মধ্যে ইতিমধ্যে ৪ একর ভরাট করার কারণে বড়াল নদের পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাকি ৯৬ একর ভরাট করা হলে বর্ষাকালে চলনবিল ও বড়াল নদের পানিপ্রবাহ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, বুড়ি পোতাজিয়া মৌজায় রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মিত হলে বড়াল নদীতে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। এ ছাড়াও চলন বিলের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হবে এবং জীববৈচিতর্্েযর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে বলে প্রতীয়মান হয়।
উক্ত স্থানে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের প্রয়োজন হলে ৯৬ একর ভূমি ৯.৫ মিটার উচ্চতায় মাটি ভরাট, চারদিকে ঢেউ প্রতিরোধে ৫ কি.মি. ডুবন্ত বাঁধকে উচ্চতা বাড়িয়ে রাস্তায় উন্নীত এবং একটি ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে, যার আনুমানিক ব্যয় ৪৪৮ কোটি টাকা। যা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়। সুতরাং বর্ণিত স্থানে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ যুক্তিযুক্ত হবে না বলে প্রতীয়মান হয়।
শনিবার চলনবিল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বুড়ি পোতাজিয়ার যে স্থানে রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ১০০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেখানে ইতোমধ্যে ৪ একর অংশ মাটি দিয়ে ভরাট করা। এ কারণে বড়াল নদীর পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই বিল অঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে জেলেরা মাছ ধরে পরিবার চালায়।
শুষ্ক মৌসুমে বোরো আবাদ, কলাই ও গো-খাদ্যের জন্য ঘাস রোপণ করা হয়। দেশের সর্ববৃহৎ গো-চারণ ভূমি এখানে। এর ওপর ভিত্তি করে প্রায় ১৫শ’ একর জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় প্রায় ৩০ হাজার গো-খামার।
এসব খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ লিটার দুধ উৎপন্ন হয়। কিন্তু যেসব এলাকায় গো-খাদ্যের জন্য ঘাস রোপণ করা হয় সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয়কে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হলে গো-খাদ্য উৎপাদন কমে আসবে।
রাউতারা গ্রামের বাচ্চু সরকার বলেন, ক্যাম্পাস নির্মাণের জায়গা দেওয়া হয়েছে পোতাজিয়া ইউনিয়নের বুড়ি পোতাজিয়া এলাকায়। এই এলাকায় বেশ কয়েকটি নদ-নদী রয়েছে।
বড়াল নদী, করতোয়া নদী ও ধলাই নদী রয়েছে। বর্ষ মৌসুমে সমস্ত পানি এসে মিলিত হয় এই এলাকায়। এ সময় জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্ভর করে।
শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি গো-খাদ্যের জন্য ঘাস রোপণ করা হয়। ক্যাম্পাস নির্মাণ হলে গো-খামারিরা গো-খাদ্য নিয়ে বিপাকে পড়বেন।
বাঘাবাড়ি মিল্কভিটার পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মনির বলেন, যে জায়গায় মুসলিম ও বাঙ্গালী বিদ্বেষী রবিঠগের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হবে, বর্তমানে সে জায়গা মিল্কভিটা থেকে ঘাস চাষের জন্য খামারিদের লিজ দেওয়া হয়েছে। জমি না থাকলে তো গো-খাদ্যের উৎপাদন কমে আসবে।
চলনবিল রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান জানান-
চলনবিল অঞ্চলের ৬টি জেলা, ৪১টি উপজেলা, ১ হাজার বর্গ কিলোমিটারে মধ্যে ৪৭টি নদী ও ১৬৩ বিল, ৩শ’রও বেশি ক্যানেল, ১ লাখ ২০ হাজার পুকুর রয়েছে।
এ অঞ্চলে চলনবিলের সুবিধাভোগী মানুষের সংখ্যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় এক কোটি।
এ ছাড়া ১০৫ প্রজাতির দেশীয় মাছ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৭ প্রকারের উভচর প্রাণী, ৩৪ প্রজাতির পাখি, অসংখ্য প্রকারের জলজ উদ্ভিদ, জলজ প্রাণী চলনবিল অঞ্চলে বসবাস করে।
যারা এই অঞ্চলে পানি প্রবাহের উপরে জীবনধারণ ও জীবিকা নির্বাহ করেন।
আর বুড়ি পোতাজিয়া এলাকায় রবিঠগ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ হচ্ছে চলনবিল, গোহালা ও বড়াল নদীর পতিত মুখে। ওই স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে উজান থেকে নেমে আসা ছোট-বড় ৪৮টি নদীর পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে।
মিজানুর আরো বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং ওই স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে চলনবিল অঞ্চলের এক কোটি মানুষ পরিবেশগতভাবে ব্যাপক হুমকির মধ্যে পড়বে। পাশাপাশি নদী পথ পরিবর্তন করতে হবে, চলনবিলে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে, নদীর ভাঙন বাড়বে, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ, জলদ উদ্ভিদ রক্ষা করা অসম্ভব হবে।
নেটিজনদের অনেকে তাই মন্তব্য করতে ছাড়েন নি যে, রিজওয়ানার এতদিনের পরিবেশবাদী আন্দোলন ও প্রচারণা ছিল মূলত স্বার্থন্বেষী প্রক্রিয়া।
রিজওয়ানা পরিবেশ উপদেষ্টা হওয়ার আগে সাদা পাথর সাদা ছিল। অক্ষত ছিল।
কিন্তু পরিবেশ উপদেষ্টা হওয়ার পরই সাদা পাথর কালো হল। গায়েব হলো।
রিজওয়ানার হাত দিয়ে এখন চলনবিলের এক কোটি মানুষের ক্ষতি ও ধ্বংস সাধিত হবে। চলনবিলের পরিবেশের মৃত্যু হবে।
নেটিজনরা প্রশ্ন তুলেছেন- রিজওয়ানা কী মনে করে?
এরপরও কী পরিবেশবাদী বলে তারা প্রচারণা বেচে থাকবে।
নাকি মানুষের ক্ষুদায় পরিবেশ প্রতারক হিসেবে কুখ্যাত হয়ে থাকবে।
রিজওয়ানা গং সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের প্রমোদ সড়কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলো।
এদিকে গত ১৯ মার্চ, ২০২৫ দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় ‘হাওর ধ্বংস করে আবদুল হামিদের প্রমোদ সড়ক’- শীর্ষক হেডিং- এ এক স্পর্শকাতর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বর্ণিত হয়-
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পরিবারের ইচ্ছা পূরণে বিস্তীর্ণ হাওরের বুক ফেঁড়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কটি নির্মাণ করা হয়। ভূপ্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যবেষ্টিত হাওরে ৯০০ কোটি টাকার এ সড়ক স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে হামিদ পরিবারের ‘প্রমোদ সড়ক’ হিসেবেই পরিচিত। কেউ ডাকেন ‘অলওয়েদার সড়ক’ নামে। পতিত হাসিনা সরকারের শেষদিকে এ সড়কটিকে কেন্দ্র করে পাঁচ হাজার কোটি টাকার আরো একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের গলার কাঁটা এখন এ প্রকল্পটিও।
এক পরিবারের প্রমোদ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে নেওয়া জাতীয় স্বার্থবিরোধী পাঁচ হাজার কোটি টাকার দ্বিতীয় প্রকল্পটি আর না চালানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার।
একই আঙ্গিকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী রবি ঠগ বিশ্বিবিদ্যালয় ক্যাম্পাস নির্মাণ প্রকল্প কিভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে একই অন্তর্বর্তী সরকার? এ প্রশ্ন এখন সবার।
নেটিজনরা মন্তব্য করছেন ফ্যাসিবাদ বিরোধীতায় ক্ষমতায় আরোহন করে ফ্যাসিবাদের পথেই হাটছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এর এক্ষনি পরিবর্তন দরকার। চলনবিলের এক কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এবং বাংলাদেশ রক্ষা সবার আগে দরকার ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












