SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR titleBn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR descriptionEn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR descriptionBn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR slug LIKE '%স্থাপত্যের%' OR metaTag LIKE '%স্থাপত্যের%' OR metaDescription LIKE '%স্থাপত্যের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে নামিরা থেকে আরাফাতের ময়দান ঘুরে মুজদালিফা হয়ে মিনা যাওয়ার পথে চোখে পড়বে একটি পুরাতন স্থাপনা। স্থাপনাগুলো পাহাড়ের পাশ দিয়ে চলে গেছে দৃষ্টিসীমার বাইরে। যা নহরে জুবাইদা নামে পরিচিত। নহরের সমার্থক সরু, স্রোতস্বিনী, পানিধারা, খাল, নালা।
আব্বাসীয় শাসক হারুনুর রশিদের স্ত্রী জুবাইদা বিনতে জাফর পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্জযাত্রীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মিষ্টি পানির খাল খনন করেছিলেন। যা হজ্জের সময় পানির অভাব দূর করে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলো। খালটি তায়েফের কাছের ঝরনা থেকে পানি এনে পবিত্র মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছে দিতো। জ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম সমৃদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ছিলেন পবিত্র মসজিদে নববী শরীফকেন্দ্রিক ‘আস সুফফা’। যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশনা মুবারকেই তৈরি করা হয়েছিলো। এই শিক্ষাকেন্দ্র উনাকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিলো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা।
হিজরী চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত শিক্ষার কার্যক্রম সম্মানিত মসজিদ উনাকে কেন্দ্র করেই সম্পাদিত হয়ে আসছিলো। সে যুগে এমন কোনো মসজিদ পাওয়া কঠিন ছিলো, যাকে কেন্দ্র করে কোনো মাদরাসা বা মক্তব গড়ে উঠেনি।
পরবর্তীতে মসজিদ উনার পাশাপাশি স্বতন্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপের বুকে সম্মানিত ইসলামের পদচিহ্নের কথা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে স্পেনের আন্দালুস কিংবা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বলকান বিজয়ের ছবি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রায়ই অনালোচিত থেকে যায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ইতালির দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত সিসিলি দ্বীপের কথা।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিলো, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিলো।
সিসিলি বিজয়ের সূচনা:
সিসিলি বিজয়ের ইতিহাস শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার আঘলাবি রাজবংশের হাত ধরে। আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশিদের সময় ইব্র বাকি অংশ পড়ুন...
আঠারো’শ শতকের মুসলিম স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। প্রায় দুই শতাধিক বছর আগের পুরানো ঐতিহাসিক মসজিদটি স্থানীয়ভাবে মিয়ার মসজিদ হিসেবে পরিচিত। মূল নাম খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ জামে মসজিদ হলেও বর্তমানে এটি তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত।
দীর্ঘদিন অযতœ আর অবহেলায় থাকার পর ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধীনে সম্প্রতি কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। তবে, দ্রুত সম্পূর্ণ সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তা না হলে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের বাকি অংশ পড়ুন...
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিভৃত পল্লী গ্রাম হিন্দা কসবায় অবস্থিত ঐতিহাসিক হিন্দা শাহী জামে মসজিদটি স্থাপত্বের প্রাচীন সুনিপুন নির্মান শৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। মোঘল স্থাপত্যের অনুকরনে তৈরি এই মসজিদটি আজও সকলের কাছে দৃষ্টিনন্দন হয়ে দাড়িয়ে আছে। এছাড়া মসজিদের দেয়ালে বিভিন্ন রংয়ের কাঁচ, মার্বেল পাথর ও সিরামিকের টুকরো বসিয়ে অলংকরণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
জানা গেছে এ মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন, চিশতীয়া তরিকার অন্যতম এক বুযূর্গ। যার নাম হযরত খাজা আব্দুল গফুর চিশতী। তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার পীর কাশিমপুর গ্রাম থেকে ষা বাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত ইদ্রাকপুর দুর্গ।
মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এটি। যা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ইতিহাস এবং মোঘল আমলের স্থাপত্য কলাকৌশল। দীর্ঘ ৪০০ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে এর অনেক অংশ।
সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে মোঘল বাদশাহ আওরঙ্গজেবের শাসনামলে (১৬৫৮-১৭০৭) বাংলার সুবেদার মীর জুমলার সময়ে ১৬৬০ সালে এ দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার লালবাগ কেল্লার আদলে দুর্গটি নির্মিত হয়। উত্তর দক্ষিণে প্রসারিত দুর্গটির দৈর্ঘ্য ৮৬.৮৭ মিটার এবং প্রস্থ ৫৯.৬০ মিটার।
রক্ষিত দু বাকি অংশ পড়ুন...












