SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR titleBn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR descriptionEn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR descriptionBn LIKE '%স্থাপত্যের%' OR slug LIKE '%স্থাপত্যের%' OR metaTag LIKE '%স্থাপত্যের%' OR metaDescription LIKE '%স্থাপত্যের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের দক্ষিণ-পূর্বে বাঘাতে অবস্থিত। ঐতিহাসিক এই মসজিদটি ইটের দেওয়াল ঘেরা ৪৮.৭৭ মিটার বর্গাকার চত্বরের মধ্যে বেশ বড় আকারের একটি পুকুরের পশ্চিম পাড়ে মসজিদটি নির্মিত।
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদের সবকিছুই অপরূপ নকশায় খচিত। ৫০ টাকার নোট ও ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিটে দেখা মেলে এই মসজিদটির। ৫০০ বছরের পুরনো প্রাচীন স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার এই শাহী মসজিদ।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, হাজার বছর আগে বাগদাদ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করতে আসা হযরত শাহ মুয়াজ্জিম উদ্দৌলা রহমতুল্লাহি আলাইহি রা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের দ্বীনি খিদমতকে কেন্দ্র করে বহু মসজিদ, খানকাহ, দায়রা শরীফ ও মাজার শরীফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর দায়রা শরীফও তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি স্থাপনা।
হযরত শাহসূফী সাইয়্যিদ শাহ জকি উদ্দিন হুসাইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম প্রধান কীর্তি এ শ্যামপুর দায়রা শরীফ। উনার পূর্বপুরুষগণ বাগদাদের অধিবাসী ছিলেন। হযরত শাহ জকি উদ্দিন হুসাইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি চট্টগ্রামের পটিয়া হয়ে শ্যামপুরে আগমন করেন। ইতিহাস অনুযায়ী, উনার আগমনের বাকি অংশ পড়ুন...
বিজয় এবং আত্মগৌরব লুকিয়ে আছে স্পেনের ইতিহাসে। দেশটিতে ইসলামি স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে। এর অন্যতম কুরতুবা মসজিদ যা কর্ডোবা মসজিদ বা কর্ডোবা ক্যাথিড্রাল মসজিদ নামেও পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘দ্যা গ্রেট মেজিকিতা অব কর্ডোভা’ নামে অধিক পরিচিত। মসজিদকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় মেজিকিতা।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় ১৯৮৪ সাল থেকে তারা মসজিদটিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্মতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে নাউযুবিল্লাহ!
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর à বাকি অংশ পড়ুন...
ফিরোজ শাহ কোটলা বর্তমানে একদম ধ্বংসের প্রান্তে। এখানে পর্যটক খুব কম যাতায়াত করেন। কোটলার ভাঙা অংশের অদূরেই বামদিকে লম্বা লোহার পিলার। এটা শাসক অশোকের স্তম্ভ! ফিরোজ শাহ তুঘলক ১৩৫৬ সালে স্তম্ভটিকে পাঞ্জাবের আম্বালা থেকে আনিয়ে কোটলায় পুনস্থাপনা করেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী ও পর্যটকের বরাতে উল্লেখ করা হয়, স্থানটির ডানদিকে বেশ ভাঙা ভবন। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে হয়। নিচতলায় ওজুখানার মতো লাগছে। নিচতলায় ধ্বংস হওয়া বিল্ডিংয়ের অংশবিশেষ দেখে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠা যায়। ভেতরে ঢুকে দেখা গেল পুরো উন্মুক্ত ভাঙা ছাদ। তবে সেখানে যাওয়ার আগে সবাই বাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা নীল মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’ নামে পরিচিত, শত শত বছর ধরে উসমানীয় স্থাপত্যের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে অভ্যর্থনা জানিয়ে আসছে।
উসমানীয় স্থাপত্যের প্রথম ছয় মিনারবিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত এবং ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক উপদ্বীপে ঐতিহ্যবাহী আয়া সোফিয়ার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এই চমৎকার মসজিদটি আজ থেকে ৪০৮ বছর আগে উন্মুক্ত করা হয়েছিলো।
কম বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করা সুলতান প্রথম আহমেদ এই মসজিদটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। এর অনন্য স্থাপত্য, প্রতীকী উপাদান এবং নির্মাণের পেছনের ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ। ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধাপে মà বাকি অংশ পড়ুন...
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...












