ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গায় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানী ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল পুরোপুরি প্রস্তুত হলেও মিলছে না কাক্সিক্ষত সেবা। জনবল নিয়োগের অভাবে ৪ মাস ধরে প্রায় তালাবদ্ধ হাসপাতালটির ৫০০ শয্যার বেডের দ্বিতীয় ইউনিট। সেবা চালু করতে প্রয়োজন প্রায় ১৪০০ পদ পূরণ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি অনেক রোগী স্ট্রেচারে ভর্তির অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের স্বজনরা জানান, মানসম্মত সেবার কারণে এই হাসপাতালে ভিড় বেশি। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০টি বেড খালি হলেও চাহিদা দ্বিগুণ। সার্জারির জন্য লম্বা অপেক্ষা। এমআরআইয়ের সিরিয়াল পেতে অপেক্ষা কর বাকি অংশ পড়ুন...
জাহানীয়া মসজিদ ভারতের জান্নাতবাদে বিদ্যমান সুলতানি আমলের সর্বশেষ ঐতিহাসিক নিদর্শন। এ মসজিদকে আবার স্থানীয় অনেকে মিয়ার মসজিদ বা ‘ঝনঝনিয়া মসজিদ’ও বলে থাকে। মসজিদের দরজার উপরের একটি শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, ১৫৩৫ খৃ: সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর পুত্র সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর শাসনামলে মালতি বিবি নামে একজন এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। ‘জাহানীয়া মসজিদ’ নামটি সচরাচর পরিচিত নয়। জাহানীয়া মসজিদের নামটি সুলতানী আমলের মখদুম জাহানীয়া জাহানগাস্ত নামে এক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামানুসারে নামকরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ। নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহরের আব্দুল্লাহ খাঁন সড়কে এই মসজিদটির অবস্থান।
জানা যায়, মোঘল আমলে এ অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম যখন ইসলামাবাদ নাম নিয়ে সুবা বাংলার রাজধানী ছিলো, তখনই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হয়, ১৭৩৭ খৃ: মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের পৌত্র (নাতি) শেখ বাহার উল্লাহ এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। উনার ইন্তেকালের পর মসজিদটি শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই মসজিদ হতে মাত্র ৫০ গজ দূরেই শায়েস্তা খাঁনের রাজমহল। যা বর্তমান কোর্ট হিলে আদালত ভবন প্ বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকার পশ্চিম প্রান্তের একটি দেশ সেনেগাল। দেশটির রাজধানীর নাম ডাকার। এর পশ্চিমে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তরে মৌরিতানিয়া, পূর্বে মালি এবং দক্ষিণে গিনি ও গিনি-বিসাও। এছাড়াও গাম্বিয়া রাষ্ট্রের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ সীমানা সেনেগাল দ্বারা বেষ্টিত।
সেনেগালের আয়তন ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭২২ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ৮৬তম দেশ এটি। তবে শাষণ ব্যবস্থার সুবিধার্থে বর্তমানে দেশটি ১৪টি অঞ্চলে বিভক্ত। সেনেগালের অফিশিয়াল ভাষা ফ্রেন্স হলেও স্থানীয় অনেক গুলো ভাষা রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ভাষা হচ্ছে ওলফ। বাকি অংশ পড়ুন...
কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৬০০ বছরের প্রাচীন মাচাইন শাহী মসজিদ। প্রাচীনতম মসজিদটি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার মাচাইন গ্রামে অবস্থিত।
চুন, সুরকি ও সাদা সিমেন্টে নির্মিত মসজিদটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকলেও সঠিক সংরক্ষণ ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এর শৈল্পিক কারুকাজ ক্রমেই মলিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা-দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ইতিহাসের এই সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জানা যায়, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার শাসনামলকে বাকি অংশ পড়ুন...
সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। যা রূপ নিয়েছে যমুনাপাড়ের সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ঐতিহ্যে। মসজিদটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা। এটি সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মুকন্দগাঁতী নামক স্থানে অবস্থিত।
মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল নির্মাণ কৌশল আর দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের কারণে মসজিদটি এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া মসজিদটি গড়ে উঠেছে আড়াই বিঘা জমির ওপর। রহমত গ্রুপের চেয়ারম বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা বাজারে দাঁড়িয়ে আছে নীরব ইতিহাস রূপসা জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ। এর প্রকৃত নাম ‘মসজিদে নূর’। নামের অর্থই আলো আর সেই আলোয় যেন দুই শতাব্দী ধরে আলোকিত করে রেখেছে পুরো জনপদকে।
১২৮৪ বঙ্গাব্দে বৃহত্তর মেঘনাপাড়ের প্রভাবশীল জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী নির্মাণ করেন এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। তৎকালীন ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা স্থাপনাটি শুধু একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নয় বরং ইসলামি স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। মসজিদের প্রবেশপথের পাশে শ্বেতপাথরে ফার্সি ভাষায় খোদাই করা আছে নির্মাণকাল ও নির্মাতার নাম যেন ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লোয়ার দির জেলার তিমারগারায় অবস্থিত ১২০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ। নাম তার ‘বাবা জি’। সূর্যাস্তের পরপরই শত শত মুসল্লি ভিড় করেন তারাবীহ নামাজে অংশ নিতে। হাতে খোদাই করা কাঠের কারুকাজে সজ্জিত ছাদের নিচে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ইবাদতের এ ধারা আজও অব্যাহত।
সন্ধ্যা নামতেই তিমারগারার পথে পথে দেখা যায় মানুষের স্রোত, গন্তব্য শতবর্ষী ‘বাবা জি’ মসজিদ। ইশা ও তারাবীহ নামাজ আদায়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হয়ে ওঠে পুরো অঞ্চলের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।
১৮৯০-এর দশকে প্রভাবশীল পশতুন ইউসুফজাই গোত্রের ধর্মীয় ব বাকি অংশ পড়ুন...












