SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্থাপত্য%' OR titleBn LIKE '%স্থাপত্য%' OR descriptionEn LIKE '%স্থাপত্য%' OR descriptionBn LIKE '%স্থাপত্য%' OR slug LIKE '%স্থাপত্য%' OR metaTag LIKE '%স্থাপত্য%' OR metaDescription LIKE '%স্থাপত্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা নীল মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’ নামে পরিচিত, শত শত বছর ধরে উসমানীয় স্থাপত্যের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে অভ্যর্থনা জানিয়ে আসছে।
উসমানীয় স্থাপত্যের প্রথম ছয় মিনারবিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত এবং ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক উপদ্বীপে ঐতিহ্যবাহী আয়া সোফিয়ার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এই চমৎকার মসজিদটি আজ থেকে ৪০৮ বছর আগে উন্মুক্ত করা হয়েছিলো।
কম বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করা সুলতান প্রথম আহমেদ এই মসজিদটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। এর অনন্য স্থাপত্য, প্রতীকী উপাদান এবং নির্মাণের পেছনের ইতি বাকি অংশ পড়ুন...
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের খাসেরহাট বাজারে অবস্থিত মসজিদে বাইতুর রাইয়ান। মসজিদটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে। মসজিদটিতে একসাথে আড়াই’শ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন।
এই মসজিদের সৌন্দর্য ও পরিচিতি দিনদিন জেলাসহ আশপাশের জেলাগুলোয় ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে এর সৌন্দর্যের জন্য ফরাসি ডিজাইন প্রতিযোগিতা ‘গ্লোবাল ডিএনএ প্যারিস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে। বাংলাদেশি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান কিউবইনসাইড ডিজাইন লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রধান স্থপতি খন্দকার আসিফুজ্জামান রাজন এ সম্মাননা গ্রহণ করেন। এর কারুক বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদহ জেলায় রয়েছে হযরত পান্ডুয়া মসজিদ, আদিনা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক স্থান। ভারতের স্বাধীনতা লাভের আগে মালদহ ছিলো রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত। র্যাডক্লিফ রোদেদাদেও এক রায়ে এই জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর থানা বাদে বাকি অংশ ১৯৪৭ খৃ: ১৭ আগস্ট ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। মালদার উত্তরে বিহারের পূর্ণিয়া জেলা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা, পূর্বে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা ও রাজশাহী। পশ্চিমে বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্য।
তাঁতীপাড়া মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় মাটির বাকি অংশ পড়ুন...
প্যারিসের লাতিন কোয়ার্টার এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গ্র্যান্ড মসজিদ ২০২৬ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। একশ বছরের এ পথচলায় এটি শুধু একটি দ্বীনি স্থাপনা হিসেবে নয়, ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) পর গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সৈনিকরা। উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা এবং ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব সৈন বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ। ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধাপে ম বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পাগলা বড় মসজিদ। এই মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ ফুট ও প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটিতে রয়েছে ৩টি বিশাল গম্বুজ ও ৬টি বড় মিনারসহ আরো রয়েছে ১২টি ছোট মিনার। এছাড়াও রয়েছে ১টি বারান্দা ও বিশাল ঈদগাহ ময়দান। মসজিদের বাহিরের তুলনায় ভিতরের দৃশ্য খুবই নান্দনিক।
ফ্লোর ও চারপাশের কারুকার্য দেখে অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যায়। পুরো মসজিদের চারপাশে তিনফুট উচ্চতায় যে নান্দনিক টাইলস লাগানো হয়েছে তা আনা হয়েছে ইতালি ও ইংল্যান্ড থেকে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য রয়েছে ১টি গেইট। দৃষ্টিনন্দন দুতলা ব বাকি অংশ পড়ুন...
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০১০ সালে চালুর পর স্থাপত্যশিল্পের ধারণাই বদলে দিয়েছিলো দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। ৮২৮ মিটার উচ্চতার এই স্থাপনাটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনের স্বীকৃতি পায়। এবার দুবাইয়ের সেই রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দেশটিতে নির্মাণাধীন ‘জেদ্দা টাওয়ার’ হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম এক কিলোমিটার উঁচু ভবন।
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন জেদ্দা টাওয়ার উচ্চতায় এক কিলোমিটার বা এক হাজার মিটার ছাড়িয়ে যাবে। এই বহুমুখী ভবনে থাকবে বিলাসবহুল আবাসন, অফিস, হোটেল এবং বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্যবেক্ষণ ডেক।
বাতাসের চাপ কমাতে এই ভবনের নকশাও ওপরের দিকে স বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০১০ সালে চালুর পর স্থাপত্যশিল্পের ধারণাই বদলে দিয়েছিলো দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। ৮২৮ মিটার উচ্চতার এই স্থাপনাটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনের স্বীকৃতি পায়। এবার দুবাইয়ের সেই রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দেশটিতে নির্মাণাধীন ‘জেদ্দা টাওয়ার’ হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম এক কিলোমিটার উঁচু ভবন।
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন জেদ্দা টাওয়ার উচ্চতায় এক কিলোমিটার বা এক হাজার মিটার ছাড়িয়ে যাবে। এই বহুমুখী ভবনে থাকবে বিলাসবহুল আবাসন, অফিস, হোটেল এবং বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্যবেক্ষণ ডেক।
বাতাসের চাপ কমাতে এই ভবনের নকশাও ওপরের দিকে স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীতে মেট্রোরেলের যাত্রী চাহিদা মেটাতে ২০২৭ সালের এপ্রিলে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল ওহাব জানান, বর্ধিত লাইনে আগামী বছরের এপ্রিলে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। এর আগে জানুয়ারি মাস থেকে খালি ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতের বেলা উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পু বাকি অংশ পড়ুন...












