SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্থাপত্য%' OR titleBn LIKE '%স্থাপত্য%' OR descriptionEn LIKE '%স্থাপত্য%' OR descriptionBn LIKE '%স্থাপত্য%' OR slug LIKE '%স্থাপত্য%' OR metaTag LIKE '%স্থাপত্য%' OR metaDescription LIKE '%স্থাপত্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুনামগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পাগলা বড় মসজিদ। এই মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ ফুট ও প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটিতে রয়েছে ৩টি বিশাল গম্বুজ ও ৬টি বড় মিনারসহ আরো রয়েছে ১২টি ছোট মিনার। এছাড়াও রয়েছে ১টি বারান্দা ও বিশাল ঈদগাহ ময়দান। মসজিদের বাহিরের তুলনায় ভিতরের দৃশ্য খুবই নান্দনিক।
ফ্লোর ও চারপাশের কারুকার্য দেখে অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যায়। পুরো মসজিদের চারপাশে তিনফুট উচ্চতায় যে নান্দনিক টাইলস লাগানো হয়েছে তা আনা হয়েছে ইতালি ও ইংল্যান্ড থেকে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য রয়েছে ১টি গেইট। দৃষ্টিনন্দন দুতলা ব বাকি অংশ পড়ুন...
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০১০ সালে চালুর পর স্থাপত্যশিল্পের ধারণাই বদলে দিয়েছিলো দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। ৮২৮ মিটার উচ্চতার এই স্থাপনাটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনের স্বীকৃতি পায়। এবার দুবাইয়ের সেই রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দেশটিতে নির্মাণাধীন ‘জেদ্দা টাওয়ার’ হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম এক কিলোমিটার উঁচু ভবন।
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন জেদ্দা টাওয়ার উচ্চতায় এক কিলোমিটার বা এক হাজার মিটার ছাড়িয়ে যাবে। এই বহুমুখী ভবনে থাকবে বিলাসবহুল আবাসন, অফিস, হোটেল এবং বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্যবেক্ষণ ডেক।
বাতাসের চাপ কমাতে এই ভবনের নকশাও ওপরের দিকে স বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০১০ সালে চালুর পর স্থাপত্যশিল্পের ধারণাই বদলে দিয়েছিলো দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। ৮২৮ মিটার উচ্চতার এই স্থাপনাটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনের স্বীকৃতি পায়। এবার দুবাইয়ের সেই রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দেশটিতে নির্মাণাধীন ‘জেদ্দা টাওয়ার’ হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম এক কিলোমিটার উঁচু ভবন।
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন জেদ্দা টাওয়ার উচ্চতায় এক কিলোমিটার বা এক হাজার মিটার ছাড়িয়ে যাবে। এই বহুমুখী ভবনে থাকবে বিলাসবহুল আবাসন, অফিস, হোটেল এবং বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্যবেক্ষণ ডেক।
বাতাসের চাপ কমাতে এই ভবনের নকশাও ওপরের দিকে স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীতে মেট্রোরেলের যাত্রী চাহিদা মেটাতে ২০২৭ সালের এপ্রিলে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল ওহাব জানান, বর্ধিত লাইনে আগামী বছরের এপ্রিলে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। এর আগে জানুয়ারি মাস থেকে খালি ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতের বেলা উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পু বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকা মহাদেশের গোল্ড কোস্টখ্যাত দেশ ঘানা। দেশটির সাভানা অঞ্চলের লারাবাঙ্গা নামক এক মুসলিমপ্রধান গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক স্থাপত্য-‘লারাবাঙ্গা মসজিদ’। শুধু ঘানার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদই নয়, এটি সমগ্র পশ্চিম আফ্রিকার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত। এর গুরুত্ব ও ঐতিহ্যের কারণে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের কাছে এটি ‘পশ্চিম আফ্রিকার মক্কা’ নামে পরিচিত।
লারাবাঙ্গা মসজিদ নির্মাণের ইতিহাসকে ঘিরে বেশ কিছু লোকগাথা প্রচলিত রয়েছে। প্রথমত; ১৪২১ খ্রিষ্টাব্দে আইয়ুবা নামক একজন মুসলিম ব্যবসায়ী সাহারা মরুভূমি পাড় বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্য শিল্পের এক ঐতিহাসিক নিদর্শন চট্টগ্রামের কদম মুবারক শাহী জামে মসজিদ। এই মসজিদের গঠন, অবকাঠামো, নির্মাণশৈলী, কারুকার্য আকৃষ্ট করে সকলকেই।
জানা যায়, মোঘল শাসক মুহম্মদ শাহ্র শাসনামলে তার নির্দেশে প্রথম মোতোয়াল্লি মুহম্মদ ইয়াসিন খান ১৭১৯ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৭২৩ সালে নির্মাণ শেষ হয়।
তিনি পবিত্র মদিনা শরীফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত কদম মুবারকের ছাপ সম্বলিত পাথর সংগ্রহ করে এনেছিলেন। সেই থেকে মসজিদটির নাম হয়- কদম মুবারক মসজিদ। ন বাকি অংশ পড়ুন...
একাটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে যখন প্রকাশ্য দিবালোকে জাতীয় নিরাপত্তা ও দ্বীনি অনুভূতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়, তখন সচেতন মহলের নীরবতা কেবল বিস্ময়করই নয় বরং উদ্বেগজনক। সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কথিত পৃথিবীর বৃহত্তমা। রাম মূর্তি স্থাপনের আজলে জনৈক হরিদাস চন্দ্র (সাবেক তাওহীদ- যাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব সংকটের অভিযোগ উঠেছে তার কর্মকা- যে কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতারণা ও ছদ্মবেশের ইতিহাস:
হরিদাস কেবল এক লুটেরা ব্যক্তি নয়, বরং তার অতীত অপরা বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের পাতায় কিছু তারিখ কেবল দিনপঞ্জির অংশ থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে জাতিগত পরিচয়, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রতীক। বসনিয়ার মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তেমনি একটি দিন হলো '৭ই মে'। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বলকান অঞ্চলে চলা ভয়াবহ যুদ্ধে বসনিয়ান মুসলিমদের (বোশনিয়াক) ওপর যে পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার একটি নির্মম অংশ ছিল তাদের দ্বীনি ও তামুদ্দনিক অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা। আজ যখন বসনিয়ার মসজিদ দিবস' পালন করা হচ্ছে, তখন সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ইতিহাসকে পুনরায় পাঠ করা প্রয়োজন।
তামুদ্দনিক গণহত্য বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ার আস্ট্রখান ওব্লাস্ট অঞ্চলের বিস্তীর্ণ মরু প্রান্তরের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ চোখ আটকে যেতে পারে বিশালাকৃতির এক লাল ইটের দালানের দিকে। ২০ তলা ভবনের সমান উঁচু এই কাঠামোটি আসলে একটি বাতিঘর। সাধারণত সমুদ্র উপকূলে এমন বাতিঘরের দেখা মিললেও আস্ত্রাখানের এই বাতিঘরটি থেকে নিকটতম উপকূলের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এমনকি এর চূড়ায় উঠলেও সমুদ্রের দেখা পাওয়া কঠিন।
অদ্ভুত মনে হলেও পেত্রোভস্কি লাইটহাউস নামের এই স্থাপত্যটির পেছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক কারণ। ১৭১৭ সালে রাশিয়ার শাসক যখন এই বাতিঘরটি নির্মাণের নির্দেশ দেয়, তখন এই পুর বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে নামিরা থেকে আরাফাতের ময়দান ঘুরে মুজদালিফা হয়ে মিনা যাওয়ার পথে চোখে পড়বে একটি পুরাতন স্থাপনা। স্থাপনাগুলো পাহাড়ের পাশ দিয়ে চলে গেছে দৃষ্টিসীমার বাইরে। যা নহরে জুবাইদা নামে পরিচিত। নহরের সমার্থক সরু, স্রোতস্বিনী, পানিধারা, খাল, নালা।
আব্বাসীয় শাসক হারুনুর রশিদের স্ত্রী জুবাইদা বিনতে জাফর পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্জযাত্রীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মিষ্টি পানির খাল খনন করেছিলেন। যা হজ্জের সময় পানির অভাব দূর করে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলো। খালটি তায়েফের কাছের ঝরনা থেকে পানি এনে পবিত্র মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছে দিতো। জ বাকি অংশ পড়ুন...












