সময়টা তখন খিলজী সালতানাতের। সে সময় দিল্লীর ক্ষমতায় সুলতান জালালুদ্দিন খিলজী। যিনি ইতিহাসবিখ্যাত সুলতান আলাউদ্দিন খিলজীর শশুর। তিনি সে সময় কোড়া অঞ্চলের প্রশাসক ছিলেন। এ সময় তিনি দেবগিরি আক্রমন করেন এবং প্রচুর সম্পদ অর্জন করেন।
সম্পদগুলো অর্জন করার পর তিনি দরবার ডাকেন এবং দরবারে আমন্ত্রন জানান তৎকালীন বিশিষ্ট আলিম এবং কাজী মুহম্মদ মুগিসউদ্দিনকে। আলাউদ্দিন খিলজী কাজী মুগিসউদ্দিনকে প্রশ্ন করেন, আমি দেবগিরি বিজয় করে যেসব সম্পদ পেয়েছি তা আমি আমার নিজের কাছেই রেখেছি। এটা কি সালতানাতের কোষাগারে দেয়ার প্রয়োজন আছে কি?
উত্তরে বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক কসতুনতুনিয়া অর্থাৎ ইস্তানবুল বিজয় করে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন উসমানীয় সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইস্তানবুল বিজয়ের যে ভবিষ্যৎবাণী মুবারক প্রদান করেছিলেন তার বাস্তবায়ন করেছিলেন সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। আর উনার এই অসামান্য বিজয়ের পেছনে অন্যতম অবদান হলো উনারই সম্মানিত শায়েখ হযরত আক শামসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।
উনার পুরো নাম মুহম্মদ শামসুদ্দীন ইবনে হামজা রহমতুল্লাহি আলাইহি। তবে তিনি ‘শায়েখ আক শামস বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২৭ হিজরী শরীফে কাতিবে ওহী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তত্ত্বাবধানে এবং বিশিষ্ট সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সুবিশাল নৌবাহিনী গঠন করার পর মুসলমানরা যখন নৌশক্তিতে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেন, তখন সাগরবক্ষে প্রবল প্রতাপ ও প্রতিপত্তির সাথে একের পর এক বিজয়াভিযান পরিচালনা করতে লাগলেন। তামাম দুনিয়ার সাগর মহাসাগরে মুসলিম রণতরী দৃশ্যমান হতে থাকলো। পরবর্তীতে উমাইয়া এবং আব্বাসীয়দের ও পর বাকি অংশ পড়ুন...
রহমত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাতের মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি ইতিহাসের দিকে যদি আমরা লক্ষ্য করি, তবে মুসলিম উম্মাহর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অনেক ঘটনার সাক্ষী পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস। এই পবিত্র মাসেই এমন অনেক বিজয় অভিযান সম্পন্ন হয়েছে যা মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসের গতিধারাকে পরিবর্তিত করেছে।
মহাপবিত্র বদর জিহাদ
সম্মানিত ২য় হিজরী শরীফ উনার ১৭ই রমাদ্বান শরীফ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দক্ষিণ-পশ্চিমে বদর প্রান্তরে পবিত্র বদর জিহাদ সংঘঠিত হয়। সম্মানিত জিহাদ মুবারকে মুসলমান উনাদের সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন। বিপরীতে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস বিশেষ তাৎপর্যমন্ডিত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে লাখো কোটি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। আবার পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রচলিত রয়েছে অত্যন্ত ইতমিনানী বিভিন্ন তর্জ-তরীকা। বিশেষ করে মুসলিম সালতানাতগুলোতে সে সময় বিভিন্ন নিয়ম প্রচলিত ছিলো। আজকের পর্বে আমরা জানবো পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে উসমানীয় সালতানাতে কি কি রীতির প্রচলন ছিলো।
উসমানীয় সালতানাতে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের আগমন বিশেষ উৎসবমুখর পরি বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমান দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে মুসলমানরা নিদারুণ নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যে অতিবাহিত করছে। কোটি কোটি মুসলমানকে নির্মমভাবে শহীদ করা হচ্ছে জুলুমবাজ আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায়। পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারেন, পূর্বের সেই স্বর্ণালী যুগে ফিরে যেতে না পারেন এজন্য অর্থ ও শ্রম দিয়ে সর্বাত্মকভাবে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করছে তারা। মুসলমান বিশ্বের কতিপয় মুসলমান নামধারী শাসককেও ইদানিং দেখা যায়, আমেরিকার প্রশংসা এবং লেজুরবৃত্তিতে লম্ফঝম্ফ করতে। অথচ আপ বাকি অংশ পড়ুন...
আস সালাম আস সালাম
আস সালাম শামসে ইমাম
সোনালি খচিত ঝান্ডাতে
শাহযাদা নাম লিখা
ঈদ মুবারক কারুকাজে
মাদানী নূরের দেখা
সারা উম্মাহ খুশির বানে
জেলেছে শত দিয়া
কল্প লোক আজ ধরনীতে
ঈদে ঈদে মুয়ানাকা
জরাগ্রস্ত জাতিকে দেন
রহমতি আবে হায়াত
ঈদি বেলায় হাদিয়া পাই
তাবারুকে জিবিকা
শাহী সালতানাতের আযান
আল মানছূর শাদবাদ
মুসলিম মাঝে একটি ধ্বনি
জিন্দাবাদ শাহে আক্বা
নবমী চাঁদ ধারণে খোদ
রমাদ্বান হয় বেকারার
আরজি শুধু কোহিনুরী
জিয়ারত আদর মাখা
মুবারক জবানে ইলহাম
অতীত ইতিহাস স্মরণ
জজবায়ী বয়ান শুনে
হয় সুন্নতি আমল শেখা
রূপে রূপে-ই রূপায়িত
বাকি অংশ পড়ুন...
নেপালও একসময় মুসলিম শাসনের অধীনেই ছিলো। আর এ বিজয়টি করেছিলো সুলতানে বাঙ্গালাহ এবং স্বাধীন বাংলার নির্মাতা শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ বাঙ্গালাহ্। পূর্বে কেউই সম্পূর্ণ নেপাল বিজয় করতে পারেনি। এর কারণ ছিলো- প্রতিকূল আবহাওয়া এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়া।
নেপালের ক্ষমতায় তখন মল্ল শাসকরা। নেপালের বিস্তৃতি তখন বর্তমান ভারতের উত্তরাখন্ড প্রদেশেও ছিলো। দ্বাদশ শতকে মল্ল শাসকরা ত্রিহুতও শাসন করতো। ত্রিহুতে নেপালি মল্ল শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন ইয়াজ শাহ খিলজী।
১৩৫০ খ্রি:। গৌড়ের সুলতান শামসউদ্দিন ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের।
ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলমানরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছে।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলমান বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
পুরান ঢাকায় সাহরির আগে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়া হতো। মহল্লায় মহল্লায় ভেসে আসত এধরণের সুরের মূর্ছনা। দিনগুলো হারিয়ে গেছে। ‘সাবকো রোযা রাখনে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে, সাবকো নামাজ পাড়নে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে।’ পুরান ঢাকায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রাতের শেষ প্রহরে হরহামেশা শোনা যেত এমন কাসিদা।
পুরান ঢাকায় এই প্রথার শুরু সেই মোগল আমল থেকে। রোযাদারদের জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়াকে সওয়াবের কাজ মনে করা হতো। ঈদের দিন মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরানা নিয়ে আসতো কাসিদার দলগুলো।
সাহরির আগে রোযাদারদের ঘুম ভাঙানোর চল রয়েছে প বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...












