SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR titleBn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR descriptionEn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR descriptionBn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR slug LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR metaTag LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR metaDescription LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রুকূ-সিজদায় যাওয়ার ও উঠার সময়
হাত উত্তোলন বা রফা’ ইয়াদাইন না করা
নামাযের মধ্যে দুই হাত উঠানোকে রফা’ ইয়াদাইন বলা হয়। সম্মানিত ইসলামের প্রাথমিক যুগে কয়েক স্থানে রফা’ ইয়াদাইন করার নিয়ম ছিল। অতঃপর প্রথম তাকবীরকালীন রফা’ ইয়াদাইন ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত স্থানের রফা’ ইয়াদাইন মানসূখ (রহিত) হয়ে গেছে। কাজেই সাধারণভাবে তাকবীরে তাহরীমা কালীন ব্যতীত নামাযের মধ্যে আর কোন স্থলে রফা’ ইয়াদাইন বা দুই হাত উত্তোলন করা যাবে না। তবে বিতির নামাযে দোয়ায়ে কুনুত পাঠের পূর্বে দুই হাত উত্তোলন করা জায়িয।
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী
ইমামের পিছনে à বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার নিয়ম
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার ক্ষেত্রে কয়েকটি ছূরত রয়েছে।
(১) ইমামের সাথে সাথে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি প্রতিটি রোকন আদায় করবে।
(২) ইমাম সাহেবের সাথে মুক্তাদী রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন আদায় করবে তবে সাথে সাথে শামিল না হয়ে কিছুক্ষণ দেরী করে শামিল হয়ে আদায় করবে। আর অবশ্যই মুক্তাদী প্রত্যেক রোকনেই ইমাম সাহেবের সাথে শামিল থাকবে।
(৩) মুক্তাদী-ইমাম সাহেবের আগে আগে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন সমূহ আদায় করার জন্য রুকূ, সিজদাতে যাবে, তবে শর্ত হচ্ছে ইমাম সাহেব যখন রুকূ, সিজদা করতে যাবে তখন মুক্তাà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য:
ইসতিবরা এর উদ্দেশ্য হল ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করে পরিপূর্ণরূপে পবিত্রতা হাছিল করা। যা বের হয়ে কাপড়ে ও শরীরে লাগার কোনই আশঙ্কা নেই।
যেমন “মাওসূআতে আহকামুত্ ত্বাহারাত” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وَالْاِسْتِبْرَاءُ اِسْتِنْقَاءُ الذِّكْرِ عَنِ الْبَوْلِ
অর্থাৎ ইসতিবরা শব্দের আভিধানিকঅর্থ হলো ছোট ইস্্তিন্জা করার পর (প্রস্রাব করার পর) ছোট ইস্্তিন্জার রাস্তা থেকে (প্রস্রাবের রাস্তা থেকে) অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) কোশেশ করে বের করে à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায ভঙ্গের কারণসমূহ
১. নামাযের মধ্যে স্বেচ্ছায় বা ভুলবশতঃ কিংবা নিদ্রাবস্থায় কোনো কথা বললে।
২. ইচ্ছাপূর্বক সালাম দিলে (ভুলে নয়)।
৩. স্বেচ্ছায় বা ভুলে সালামের জবাব দিলে।
৪. বিনা ওজরে গলা খাকারি দিলে। তবে আওয়াজকে পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে অথবা ইমামের ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে বা সে নিজে নামাযের মধ্যে আছে, তা অবগত করানোর উদ্দেশ্যে গলা খাকরালে নামায ফাসিদ হবে না।
৫. নামাযের মধ্যে যেকোনো কারণে (পীড়িত ব্যক্তির অসহ্যের কারণ ব্যতীত) আহ! উহ! ইস! ইত্যাদি বললে অথবা উচ্চস্বরে কাঁদলে নামায ভঙ্গ হবে। অবশ্য জান্নাত, জাহান্নামের কথা মনে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইমাম নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত হাদীছ শরীফখানা :- لَايَسْتَتِرُ لَايَسْتَنْزِهُ ও لَايَسْتَبْرِئُ তিনটি মুবারক লফযে বা মুবারক শব্দে বর্ণিত হয়েছে। এরপর তিনি বলেন,
وهذه الثالثة في البخاري وغيره، وكلها صحيحة.
لَايَسْتَبْرِئُ
ইসতিবরা করতো না অর্থাৎ স্বাভাবিক ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের হওয়ার পর অবশিষ্ট ছোট ইস্্তিন্জা (প্রস্রাব) বের করার কেশেশ করতো না। এ তৃতীয় মুবারক শব্দটি পবিত্র বুখারী শরীফে ও অন্যান্য পবিত্র হাদীছ শরীফের কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। আর প্রত্যেকটি বর্ণনাই ছহীহ্্। (আইনী ১ম খ- ৮৩ পৃষ্ঠা)
আরো বাকি অংশ পড়ুন...
যে সমস্ত স্থানে মেয়েদের নামায আদায়ের নিয়ম
পুরুষের নামায আদায়ের নিয়মের ব্যতিক্রম
১. তাকবীরে তাহরীমা বাঁধার সময় পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে কাঁধ বরাবর হাত উঠাতে হবে।
২. পুরুষদেরকে কান পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে। আর মেয়েদেরকে হাত বের না করে কাপড়ের ভিতরে রেখেই কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে হবে।
৩. পুরুষদেরকে হাত বাঁধার সময় ডান হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বারা বাম হাতের কব্জি পেঁচিয়ে ধরতে হবে এবং অনামিকা, মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি বাম হাতের কব্জির উপর বিছিয়ে রাখতে হবে। আর মেয়েদেরকে শুধু ডান হাতের হাতলি বাম হাতের উপর বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিন্জা থেকে পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ:
ইসতিন্জার কারণে ক্ববরের আযাব:
বিশেষ করে ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) থেকে পবিত্রতার বিষয়ে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِسْتَنْزِهُوْا عَنِ الْبَوْلِ فَإِنَّ عَامَّةَ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنْهُ.
অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরাহ্্ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের মাকরূহসমূহ
যেসব কাজ করলে গুনাহ হয়, ছওয়াব (নেকী) কমে যায়, অবশ্য নামায নষ্ট হয় না, তাকে মাকরূহ বলা হয়। এইসব কাজ পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত।
১. নামাযের মধ্যে শরীর বা পরিধানের কাপড় নিয়ে খেলা করা।
২. সিজদায় যাওয়াকালে সম্মুখের বা পিছনের দিক হতে কাপড় গুটিয়ে নেয়া।
৩. সদলে ছাওব করলে অর্থাৎ কাপড় বা রুমালকে মাথা বা কাঁধে রেখে পেঁচানো ব্যতীত তার দু’মাথা দু’দিকে ঝুলিয়ে দিলে।
৪. আস্তিন উপরে উঠিয়ে নামায পড়া।
৫. ইস্তিঞ্জা ও বায়ুর বেগ থাকা সত্ত্বে¡ও নামায পড়া।
৬. কঙ্কর সরিয়ে দেয়া। কিন্তু সুন্নত অনুসারে সিজদা আদায় না হলে, একবার তা ঠবাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
“মুসনাদে বাজ্জার” কিতাবের ১ম খ-ের ২১৮ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ: نَزَلَتْ هٰذِهِ الَلآيةُ فِيْ أَهْلِ قُبَاءٍ فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَتَطَهَّرُوْا, وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ. فسألهم رسول الله صلى الله عليه و سلم فقالوا: إنا نتبع الحجارة الماء.
অর্থ: হযরত ইবনে আববাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, “মসজিদে কুবা শরীফ উনার অধিবাসীগণ উনাদের সম্পর্কে
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ.
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়। অর্থাৎ সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামায পড়ার তরতীব বা ধারাবাহিক বর্ণনা
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইমাম ‘রব্বানা লাকাল হাম্দ’ বলবে না এবং মুক্তাদীগণ ‘সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে না। তৎপর ধীর স্থিরভাবে সিজদায় ঝুঁকবার সাথে সাথে আল্লাহু আকবার বলতে বলতে যাবে। সিজদাতে প্রথমে দু’হাঁটু, তারপর দু’হাত, পরে নাক ও কপাল দু’হাতের মধ্যস্থলে মাটিতে রাখবে, যেনো হাতের বৃদ্ধা অঙ্গুলিদ্বয় কানের বরাবর থাকে।
সিজদায় দু’হাতের অঙ্গুলিগুলোকে মিলিয়ে রাখবে এবং হাত ও পায়ের অঙ্গুলিগুলো ক্বিবলা উনার দিকে করবে। দু’হাতের তালুর উপর ভর দিবে, দু’বাজুকে দু’পার্শ্বদেশ হতে পৃথক রা বাকি অংশ পড়ুন...












