SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR titleBn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR descriptionEn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR descriptionBn LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR slug LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR metaTag LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%' OR metaDescription LIKE '%মাসয়ালা-মাসায়িল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ পড়ার সুন্নতসমূহ
১. পুরুষেরা বাম পা বিছিয়ে ডান পায়ের অঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালী উপর দিকে রেখে বসবে এবং বসার সময় বাম পায়ের অঙ্গুলিসমূহও ক্বিবলামুখী করে রাখবে। আর মেয়েরা দু’পায়ের পাতা ডান দিকে কিছু বের করে যমীনের উপর বসবে।
২. তাশাহহুদ পড়ার সময় ‘লা-ইলাহা’ উনার ‘লা’ বলার সাথে সাথে শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা উপরের দিকে ইশারা করবে এবং ‘ইল্লাল্লাহু’ উনার ‘হু’ বলার সাথে সাথে নামাবে।
৩. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর দুরূদ শরীফ ও দু‘আ মা’ছুরা পড়া।
৪. প্রথমে ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে অতঃপর বাম দিকে সালাম ফিরানো আর সালামের সাথে সাথে ডান বাকি অংশ পড়ুন...
বড় ইসতিন্জার ফরয:
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ফরয। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে)একদিরহামের বেশী পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ফরয।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি ওয়াজিব। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহাম পরিমান ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া ওয়াজিব।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি সুন্নত। বড় ইসতিন্জার মুকামে (মলদ্বারে) একদিরহামের কম ময়লা (পায়খানা) লেগে থাকলে ঢেলা ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।
বড় ইসতিন্জার মধ্যে একটি মুস্তাহাব। বড় ইসতিন্জার মু বাকি অংশ পড়ুন...
রুকূ উনার সুন্নতসমূহ
১. রুকূ করার শুরু থেকে তাকবীর বলা শুরু করে পূর্ণ রুকূ’তে গিয়ে শেষ করা।
২. রুকূ অবস্থায় কমপক্ষে তিনবার “সুবহানা রব্বিইয়াল ‘আযীম: বলা। আর ইমামের জন্য কমপক্ষে পাঁচবার বলা সুন্নত।
৩. হাঁটুদ্বয়, হস্তদ্বয় দ্বারা ধরবে। পুরুষেরা অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে রাখবে। আর মেয়েরা হাঁটুর উপর হাত রাখবে, কিন্তু হাঁটু ধরবে না।
৪. হাঁটুদ্বয় সোজাভাবে রাখবে।
৫. মাথা, পিঠ ও নিতম্বের পিছন পার্শ্ব সোজা করে রাখবে।
৬. রুকূ’ হতে ইমাম ও একা নামাযী “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে উঠবে এবং পুরোপুরি খাড়া হবে ও মাথা সোজা করবে।
৭. মুক্তাদী ও একা বাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...
ইসতিবরা যেভাবে বা যে নিয়মে করতে হয় :
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করার সময় মানুষের সামনে উঠা বসা করা, হাঁটাচলা করা, উপুড় হওয়া, বিভিন্ন কসরত করা বিকৃতি, কদর্যতা, দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি করার শামীল, যা নিষিদ্ধ।
যেমন “মাওয়াহেবে জালীল ফী শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ৪০৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
قَالَ فِي الْمَدْخَلِ: إذَا قَامَ يَسْتَبْرِئُ فَلَا يَخْرُجُ بَيْنَ النَّاسِ وَذَكَرُهُ فِي يَدِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَحْتَ ثَوْبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ شَوْهَةٌ وَمُثْلَةٌ وَكَثِيرًا مَا يَفْعَلُ بَعْضُ النَّاسِ هَذَا وَقَدْ نَهَى عَنْهُ،
অর্থ : মাদখাল কিতাবে” উল্লেখ আছে, ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) পর ইসতিবরা করার বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র নামাযের ওয়াজিবসমূহ :
সম্মানিত নামাযের ওয়াজিবগুলো প্রায় ফরযের মতোই গুরুত্ব বহন করে, যে কারণে ওয়াজিব ব্যতীত শুধু ফরয পালন করেই নামায আদায় করলে নামায পূর্ণভাবে আদায় হয় না। ইচ্ছাকৃত কোনো ওয়াজিব তরক করলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। আর ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব।
ওয়াজিবসমূহ হলো:
১. ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকায়াতে এবং বিতির, সুন্নত ও নফল নামাযের মধ্যে প্রত্যেক রাকায়াতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের সাত আয়াত শরীফ ৭টি ওয়াজিব।
২. পবিত্র সূরা ফাতি বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সূর্যের তাপে গরম করা পানি দিয়ে ওযূ করতে বা গোসল করতে নিষেধ করেছেন এবং ইরশাদ মুবারক করেছেন- তাতে শ্বেতরোগের সৃষ্টি হয়।
জাওয়াব:
এটা পবিত্র হাদীছ শরীফে রয়েছে। এ বিষয়ে অনেক পবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছে। এটা নিষেধ করা হয়েছে। আসলে সাধারণ মানুষ তারা মাসয়ালা জানে না। তারা সূর্যের তাপের মধ্যে পানি গরম করে সেই পানি দ্বারা বাচ্চাদের গোসল করায়। এটা না করে চুলাতে পানি গরম করে সেই পানি দ্বারা বাচ্চাদের গোসল করাতে হবে। আর গরম পানি দিয়ে ওযূ করতে চাইলে সেক্ষেত্রেও চ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের আরকান সম্পর্কিত মাসয়ালা :
১) তাকবীরে তাহরীমা: ‘আল্লাহু আকবার’ এই কালাম দ্বারা নামায আরম্ভ করা হয়, এই প্রথম কালামই তাকবীরে তাহরীমা। এ তাকবীর বলার সাথে সাথে নামাযীর জন্য যাবতীয় পার্থিব কাজ যথা-পানাহার, কথা বলা ইত্যাদি হারাম হয়ে যায়। সেজন্যই উক্ত তাকবীরকে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলা হয়।
যদি কেউ ‘আল্লাহু’ শব্দের-আ-অক্ষরটিকে টেনে উচ্চারণ করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে নামায আরম্ভ করে, তার নামায শুদ্ধ হবে না। ইমামের তাকবীরে তাহরীমার পরপরই মুক্তাদীর তাকবীরে তাহরীমা বলতে হবে। ইমামের পূর্বে মুক্তাদী তাকবীর বললে, মুক্তাদীর নাম বাকি অংশ পড়ুন...












