মুসলমান দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে মুসলমানরা নিদারুণ নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যে অতিবাহিত করছে। কোটি কোটি মুসলমানকে নির্মমভাবে শহীদ করা হচ্ছে জুলুমবাজ আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায়। পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারেন, পূর্বের সেই স্বর্ণালী যুগে ফিরে যেতে না পারেন এজন্য অর্থ ও শ্রম দিয়ে সর্বাত্মকভাবে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করছে তারা। মুসলমান বিশ্বের কতিপয় মুসলমান নামধারী শাসককেও ইদানিং দেখা যায়, আমেরিকার প্রশংসা এবং লেজুরবৃত্তিতে লম্ফঝম্ফ করতে। অথচ আপ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বর্তমানে এক কোটিরও বেশী বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশে কর্মরত। মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপ- সবখানেই ছড়িয়ে আছে তারা। কিন্তু এই শ্রম রপ্তানির ধারণাটিই প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ মানবিক মর্যাদা ছাড়া কোনো শ্রম প্রক বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আমেরিকা (ইউ এস) এমন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যেটিকে রাশিয়া এবং চিনের বিরুদ্ধে এক নতুন ঠান্ডা লড়াই বলা যেতে পারে। এটিকে গণতন্ত্র এবং স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে লড়াই বলে তুলে ধরার চেষ্টা বলে চালানো হলেও সাধারণ মানুষ এ কথা মানতে নারাজ। আমেরিকার এহেন অবস্থান গ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে চিনা চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বব্যাপী প্রাধান্য বজায় রাখার আকাক্সক্ষা।
বর্তমান বিশ্বের নজরে মার্কিন বিপত্তিগুলি- প্রথমে ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং পরবর্তী কালে ইরাক এবং আফগানিস্তানে বিপর্যয়কর হস্তক্ষেপ- তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের অগ্রসর হওয়ার জায়গা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা মুসলমান এবং ইহুদী-খৃস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
অপরাধের দেশ
আমেরিকা তো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ। সেখানে ১৯৬৫সালে ৫০ লাখ অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। অথচ জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় বিপদজনক অপরাধের বৃদ্ধির পরিমান ১৪গুণ বেশি। অপরাধ বৃদ্ধির শতকরা হার ১৭৮% তখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির শতকরা হার ছিল ১৩%। প্রতি ১২ সেকেন্ডে একটি অপরাধ সংঘঠিত হয়। প্রতি ঘন্টা পর একজন লোক খুন হচ্ছে, প্রতি ২৫ মিনিটে একটা করে সম্ভ্রমহরণের ঘটনা ঘটছে, প্রতি মিনিটে একটি চুরির ঘটনা ঘটছে, প্রতি ৫ মিনিটে ১টি ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। ১৯৫১ সালে ১ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৩০ জনে ১টি খুন। ১৯৬০ সালে ৫জন, ১৯৬৭ সালে ৯জন। প্রতি মিনিটে একটি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার বৈধতা দিয়ে একটি বিতর্কিত বিল পাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ফিলিস্তিনি লেখক মোহাম্মদ আল-কিক এক নিবন্ধে দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েল এই চরম পদক্ষেপের দিকে এগোচ্ছে। ২০২২ সালে সন্ত্রাসী নিয়াহুর জোট সরকার গঠনের শর্ত হিসেবে কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী বেন-গভির এই বিলটির দাবি জানিয়েছিলো।
গত নভেম্বরে বিলটি প্রথম পাঠে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরান, সন্ত্রাসী ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধের মাঝখানে পড়ে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা। একদিকে ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, অন্যদিকে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বৈষম্যমূলক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা-এই দু’য়ের চাপে পিষ্ট হচ্ছে কোনো সামরিক সুরক্ষা না থাকা লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (আয়রন ডোম) মূলত ইসরায়েলি শহর এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদী বসতিগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি। সাম্প্রতিক হামলায় দেখা গ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করলেও পর্দার আড়ালে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বিতর্কিত নজরদারি প্রযুক্তি বা ‘স্পাইওয়্যার’ কিনছে যুক্তরাজ্য সরকার। আল জাজিরার এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রয়োগ ও পরীক্ষা করা এসব প্রযুক্তি এখন ব্রিটিশ পুলিশ ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবহার করছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সেলিব্রাইট এবং ব্রিফক্যাম -এর মতো ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত কোম্পানির সাথে মোটা অঙ্কের চুক্তি করেছে ব্রিটেনের একাধিক পুলিশ বাহিনী। এই বাকি অংশ পড়ুন...
. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
ইহা কোনো কাল্পনিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি তথ্যনির্ভর, বিশ্লেষণাত্মক ও ঐতিহাসিক অনুসন্ধান- যেখানে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাস্তব ও অন্ধকার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিটি পদক্ষেপ, চুক্তি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হয়েছে মানবাধিক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিযুক্ত ভারতের তৎকালীন কনসাল জেনারেল সন্দীপ ২০১৯ সালের নভেম্বরে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নয়াদিল্লিকে ‘ইসরায়েলি মডেল’ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিলো।
সন্দীপের বক্তব্যের কয়েক মাস আগেই বিজেপিদলীয় মোদি সরকার কাশ্মীর অঞ্চলের আধা স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নিয়েছিলো। মোদি সরকার হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে ভরেছিলো, যাদের মধ্যে ওই অঞ্চলের রাজনৈতিক নেতারাও ছিলো। এমনকি ভারতপন্থী হিসেবে পরিচিত কাশ্মীরি নেতাদেরও তখন আটক করা হয়েছিলো।
নিউইয়র্কে নিযুক্ত ভারতে বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
“বাণিজ্যের নামে শোষণ ও রক্তপাত; উন্নয়নের নামে দখল”:
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রহসনগুলোর একটি হলো-‘উন্নয়ন’ ও ‘বিনিয়োগ’-এর নামে ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা। বিশ শতকের শেষভাগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক পর্যন্ত, পৃথিবীজুড়ে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
লিবিয়ায় অবস্থানরত অভিবাসী, শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর চরম অমানবিক ও পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির এক নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটিতে অভিবাসীরা নিয়মিতভাবে হত্যা, নির্যাতন, অশ্লীল নিপীড়ন এবং মানবপাচারের মতো ভয়াবহ অপরাধের শিকার হচ্ছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় এবং লিবিয়ায় জাতিসংঘের সহায়তা মিশন যৌথভাবে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
এতে বলা হয়েছে, লিবীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ থাকা অপরাধী চক্র ও পাচারকারী নেটওয়ার্কগুলো অভিবাসীদের অ বাকি অংশ পড়ুন...












