সম্পাদকীয়-১
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন নাবিইয়্যি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। সুবহানাল্লাহ! গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবমর্যাদা ও ভাবধারার সাথে এ দিবস মুবারক পালন করা।
, ১৮ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা মুসলমান এবং ইহুদী-খৃস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানে না। নাঊযুবিল্লাহ! এজন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার মহব্বত-মা’রিফত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে চাও, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্তিবা বা অনুসরণ করো। তথা উনাকে মহব্বত করো।” সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য, মহব্বতের পূর্বশর্ত হলো মা’রিফত অর্জন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফত অর্জন তখনই হবে, যখন উনার পবিত্র আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মা’রিফত মুবারকও অর্জন হবে। সুবহানাল্লাহ!
(২)
প্রসঙ্গত, মহাসম্মানিত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে দ্বিতীয়া হলেন ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি।
ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি পবিত্র বদর জিহাদের পরের দিন অর্থাৎ পবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ বা আজকের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিনে প্রায় ২২ বছর হায়াত মুবারক-এ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবা, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মানের মধ্যে একটি বহিঃপ্রকাশ হলো যে, তিনি মারিদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করার প্রেক্ষিতে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উনার যথাযোগ্য খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার কারণে জিহাদের ময়দানে না গিয়েও তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ ‘বদর’ জিহাদের অন্যতম মুজাহিদ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
বলাবাহুল্য, আজকের উম্মাহও যদি উনার সম্পর্কে ইলিম হাছিল করতো, উনার তায়াল্লুক-নিসবত, মুহব্বত-মা’রিফত লাভ করতো, উনার ছানা-ছিফত করতো; তাহলে তারা বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া সব আযাব-গযব, অভাব-অনটন, নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে রেহাই পেতো। তারাও দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই সৌভাগ্যবান হতো। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(৩)
উল্লেখ্য, মুসলিম মিল্লাতের ৪র্থ খলীফা আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করার পর সকলের পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জোরালো ভাষায় খলীফায়ে খমিস, সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করে দীর্ঘ এক খুতবা মুবারক প্রদান করেন। অতঃপর উপস্থিত সকলেই বিনা বাক্যে সুমহান খিলাফত মুবারক উনার উপর বাইয়াত গ্রহণ করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
এরপর উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অপূর্ব এক খুতবা মুবারক দান করেন। সেখানে তিনি ইরশাদ মুবারক করেছিলেনÑ “উপস্থিত শুভাকাঙ্খীগণ! আপনারা যাঁরা আমাকে চিনেন উনারা তো চিনেনই। যাঁরা চিনেন না উনাদের উদ্দেশ্যে বলছি: আমি হলাম- যিনি সুসংবাদদাতা উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম! আমি হলাম- ভীতি প্রদর্শনকারী উনার মুবারক সন্তান আলাইহিস সালাম! আমি হলাম- মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক-এ উনারই দিকে আহবানকারী উনার সন্তান আলাইহিস সালাম! আমি আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সন্তান আলাইহিস সালাম! আমিতো সেই আলোকময় হুজরা শরীফ উনার সন্তান আলাইহিস সালাম, যেখানের সকলকে খালিক্ব মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রকার অপবিত্রতা থেকে পূত-পবিত্র করে সৃষ্টি করেছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! আমি সেই বরকতময় ঘর মুবারক উনার অধিবাসী, যেখানে হযরত জিবরীল আমীন আলাইহিস সালাম তিনি নিয়মিত আগমন করতেন। আমি সেই মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত, উনাদের সুমহান শান মুবারক হচ্ছে, উনাদের প্রতি মুহব্বত ও হুসনে যন মুবারক রাখা ফরয করে দেয়া হয়েছে।” অতঃপর তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩তম পবিত্র আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন এবং দীর্ঘ নছীহত মুবারক পেশ করে পবিত্র খিলাফত উনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৪০ হিজরী সনের পবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে খলীফা মনোনীত হন। অর্থাৎ আজকের পবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ উনার খিলাফত গ্রহণের মুবারক দিন। মূলত, তিনিই হলেন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পঞ্চম খলীফা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(৪)
সঙ্গতকারণেই আজ উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবা, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে গরক হওয়া, মা’রিফাত মুবারকে ব্যাপৃত হওয়া, জওক ও শওকসহ মহাসমারোহে আজকের মহিমান্বিত দিনটি পালন করা, উনাদের শান মান মুবারক আলোচনা করা। উনাদের সম্মানার্থে সর্বোচ্চ আর্থিক খিদমত করা এবং সমূহ হক্ব মুবারক আদায় করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নতুন সরকারের উচিত দেশের পতিত জমির দিকে নজর দেয়া প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫৫ হাজার শতক পতিত জমি আবাদের আওতায় এনে দেশকে মহা সমৃদ্ধ করা যায় যতদিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা না হবে ততদিন এসব নিয়ামত অধরাই থেকে যাবে (নাউযুবিল্লাহ)
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ আজ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরজ।
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো মহিমান্বিত ১১ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের আরো জোরদার সম্পৃক্ততা তথা লেনদেন দরকার সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতি একে অপরের বিশেষ পরিপূরক হতে পারে।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হোটেল-রেস্তোরাঁয় দেদারসে বিক্রি হচ্ছে মরা মুরগি। দেখার কেউ নেই।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












