SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR titleBn LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR descriptionEn LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR descriptionBn LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR slug LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR metaTag LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%' OR metaDescription LIKE '%জ্ঞান-বিজ্ঞানের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়।সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিলের ওপর বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে এটি পাস হয়।নতুন এই সংশোধনী আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র ফাঁস’ ও ‘ডিজিটাল কারসাজি’র বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। তবে ১৯৮০ সালের বিদ্যমান আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর থাকলেও বাকি অংশ পড়ুন...
যেভাবে মুসলিম শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে কথিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছিলো:
১৮৩৭ সালে বর্বর বৃটিশ বেনিয়ারা অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ফার্সির স্থলে ইংরেজি চালু করে। অথচ বেনিয়া বৃটিশরা ক্ষমতা দখলের পরেও ৮০ বছর ফার্সী ভাষা দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে চালু ছিলো। এর ফলাফল হলো এই, লক্ষ লক্ষ মুসলিম যারা সরকারী বিভিন্ন পজিশনে চাকুরী করতেন তারা বেকার হয়ে গেলেন, তাদের জীবনে নেমে এলো ঘোর অন্ধকার। ফার্সি ভাষা শেখার ব্যাপারেও আর আগ্রহ থাকলো না। ফলে ফার্সিতে রচিত বিপুল সংখ্যক সাহিত্য ভান্ডার থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো পরবর্তী প্রজন্মের মুসল বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা:
উমাইয়াদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির অনেক উন্নতি সাধিত হয়। উমাইয়া শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক বই পুস্তক আরবীতে অনূদিত হয়। জ্যোতির্বিদ্যা, ক্ষেত্র তত্ত্ব, চিকিৎসা, বীজগণিত, নৌ-চালনা, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়ের উন্নতির সূচনা করে উমাইয়া শাসকরা।
আব্বাসীয় শাসকদের অবদান:
আব্বাসীয় যুগকে শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়। শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই তাদের অবদানে সমৃদ্ধ। আব্বাসীয় আমলে সালতানাতের সকল অঞ্চলে অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভায় উচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য চালিকাশক্তিরূপে যা সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করেছে তা হচ্ছে মুসলমানদের ইবাদতসমূহ। আর এই ইবাদত চন্দ্র মাস ও দিনের সময়ের সাথে সম্পর্কিত। তাই সময়সমূহের শর্তগুলো পূরনে গাণিতিক জ্যামিতিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানের প্রয়োজন হতো, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে তা হচ্ছে গোলকীয় তলের জ্যামিতি।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময়কাল থেকেই তিনি ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নতুন চাঁদ দেখে মাস গণনা করতেন। আর নামাযের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে সূর্যের অবস্থান প বাকি অংশ পড়ুন...
বাগদাদ হতে প্রায় ৪০০ কিঃমিঃ দূরে দজলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি শহর মসুল। ত্রয়োদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের ঘটনা। মসুল শহরে সে সময়ে ছিলো হাজার হাজার দক্ষ কারিগর। তৎকালীন সময়ে জুতোর ফিতা থেকে শুরু করে বড় বড় সিজ ইঞ্জিনও এখানে তৈরি করা হতো।
এই মসুলের আমীর বদরুদ্দীনের কাছে দুটো চিঠি এসেছে। একটা বাগদাদের শাসক আল মুস্তাসিমের কাছ থেকে, অন্যটা মোঙ্গল শাসক ইলখানের কাছ থেকে। মসুলের আমির চিঠি দুটি পড়লেন। বাগদাদের শাসক তাকে কিছু উন্নত মানের বাদ্যযন্ত্র সেতারা আর বেহালা পাঠাতে অনুরোধ করেছে। আর মোঙ্গল শাসক ইলখান চেয়েছে সিজ ইঞ্জিন। যেটি যুদ বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার যে ষড়যন্ত্র করেছিলো, সেটা বাস্তবায়ন করার কোনো সুযোগ না পেয়ে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ওরে মহান আল্লাহ পাক উনার দুশমনরা! তোদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অভিশাপ বর্ষিত হোক।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহব্বত এক স্পর্শকাতর বিষয়। মহব্বতের পূর্বশর্ত মা’রিফাত অর্জন এবং মূল্যায়ন। এই মূল্যায়নটা হচ্ছে যিনি মাশুক তার কাছের, পছন্দের, নিকটজনের, সম্মান দেয়ার, অজুদ মুবারক উনাদের মহব্বত মুবারক অর্জন করা, তা’যীম-তাকরীম বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের সফল কৃষি বিপ্লবের মূলসূত্র:
মুসলমানরা ব্যাপকভাবে অর্থকরী ফসলায়ন এবং আধুনিক ফসলাবর্তন পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। কোনো জমিতে দুই বছর সময়ের মধ্যে চার বা ততোধিক ফসল উৎপাদন করার পদ্ধতিই হচ্ছে ফসলাবর্তন পদ্ধতি। মুসলমানরা ১) ফসলাবর্তনের বাস্তবসম্মত পদ্ধতি, ২) সুউন্নত সেচ কৌশল, ৩) বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন শস্যের আবাদ এই তিনটি প্রধান উপাদানের উপর ভিত্তি করে একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিকাশ ঘটান। এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি শস্য উৎপাদনের ঋতু, জমির ধরণ এবং পানির প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে ব্যবহৃত হয়। চাষাবাদ এবং উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে অত বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু দিন আগে ঢাকার মাদরাসা-ই-আলিয়ার গ্রন্থাগারে দুজন বিদেশি এসেছিলো। তারা আগেই এই গ্রন্থাগারের খোঁজ পেয়েছিলো, এবার এসেছে বইয়ের সন্ধানে। তাদের একজন থমাস, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস পড়ান। অন্যজন তার বন্ধু, ফারসি প-িত শাহিন। গ্রন্থাগারের সবকিছু ঘুরে দেখে তাদের মন্তব্য- “এ এক অমূল্য রত্নভান্ডার!”
তাদের সঙ্গে ছিলো দুই জন বঙ্গসন্তান- জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তারিক ওমর আলী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শহিদুল হাসান।
এই গবেষকদের আগ্রহের জায়গায় ছিলো দারুণ মিল। তারা সবাই পুরোনো বাকি অংশ পড়ুন...
পদার্থ বিজ্ঞানে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমেই যার নাম মুবারক আসে উনি হচ্ছেন হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম ইমাম, ইমামুস সাদিস হযরত ইমাম জাফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম (৯৬ হিজরী ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইছনাইনিল আযীম শরীফ থেকে ১৪৮ হিজরীর ১৪ই রজবুল হারাম ইছনাইনিল আযীম শরীফ)। মূলত: তিনি শুধু পদার্থ বিজ্ঞানই নয় বরং আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার প্রতিটি বিষয়ের তিনি মূলভিত্তি রচনা করেছেন।
পদার্থ ও এর গঠন:
ইমামুস সাদিস হযরত ইমাম জাফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ১২ বছর বয়স মুবারকে অ্যারিস্টোটলের চার মৌলি বাকি অংশ পড়ুন...












