সম্পাদকীয়-১
আজ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
পাশাপাশি মুজাদ্দিদে যামান হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবমর্যাদা ও ভাবধারার সাথে এ মহান দিবস মুবারক পালন করা।
, ২৮ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৪ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহব্বত এক স্পর্শকাতর বিষয়। মহব্বতের পূর্বশর্ত মা’রিফাত অর্জন এবং মূল্যায়ন। এই মূল্যায়নটা হচ্ছে যিনি মাশুক তার কাছের, পছন্দের, নিকটজনের, সম্মান দেয়ার, অজুদ মুবারক উনাদের মহব্বত মুবারক অর্জন করা, তা’যীম-তাকরীম করা, মহব্বত মুবারকে গরক হওয়া, খিদমত মুবারকের আঞ্জামের কোশেষ করা। প্রসঙ্গত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহব্বত মুবারক লাভের জন্য অনিবার্য হচ্ছেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহব্বত মুবারক, মা’রিফাত মুবারক অর্জন, তা’যীম-তাকরীম মুবারক উনার আয়োজন। এই আমল মুবারক ও উনাদের মর্যাদা মুবারক বুলন্দ করেছেন স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব্বুল আলামীন তিনি। অর্থাৎ বিষয়টি স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনারও সুন্নত মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট নিজেদের জানের চেয়েও অধিক প্রিয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। (পবিত্র সূরা আহযাব: আয়াত শরীফ ৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন- “আয় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নিসা আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন। ” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
মূলতঃ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে এরূপ আরো অনেক বর্ণনা মুবারক আছে। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(২)
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার মুবারক ধারাবাহিকক্রম অনুযায়ী আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আত্ব ত্বহিরাহ, আত্ব ত্বইয়্যিবাহ্, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহ্হিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন “আত তাসিয়াহ” তথা নবম। এজন্য উনাকে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম’ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মাহবুব, হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মানিত মহব্বত মুবারকই হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১০৯ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার মহান রব তায়ালা উনার শান-মান মুবারক লিখার জন্য যদি সমুদ্রের পানিকে কালি বানানো হয় তবুও মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক বর্ণনা শেষ হবে না বরং শেষ হওয়ার পূর্বে সমুদ্রের পানি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আরো অনুরূপ যোগ করা হলেও। ”
বলাবাহুল্য, এটা যেমন স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারকে তেমনি উনার হাবীব আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকেও এবং সাথে সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারকেও যথাযোগ্যভাবে প্রযোজ্য।
(৩)
প্রসঙ্গত, আজ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ২৮ তারিখ। সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আত্ব ত্বাহিরাহ, আত্ব ত্বইয়্যিবাহ্, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক প্রকাশের ১৯ বছর পূর্বে পবিত্র ২৮শে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বনূ নাযীর গোত্রে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ আজকের এই সুমহান দিনটিই হচ্ছে উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(৪)
পাশাপাশি উল্লেখ্য, ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও ২৮শে রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) হুগলী জিলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
তিনি প্রথম খলীফা হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিস সালাম উনার বংশধর। উনার এক পূর্বপুরুষ মানসুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি ৭৪১/১৩৪০ সালে বঙ্গদেশে আসেন এবং হুগলী জেলার মোল্লাপাড়া গ্রামে বাস করেন।
মানসুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অধস্তন অষ্টম পুরুষ মুস্তফা মাদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন শায়েখ আহমদ সিরহিন্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার তৃতীয় পুত্র মাসুম রব্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরিদ।
সম্রাট আওরঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুস্তফা মাদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মেদিনীপুর শহরে একটি মসজিদ সংলগ্ন মহল ও বহু লা-খারাজ (নিস্কর) সম্পত্তি হাদিয়া করেছিলেন।
২৩/২৪ বৎসর বয়সে তিনি ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ বুৎপত্তি লাভ করেছিলেন। অতঃপর তিনি মদীনা শরীফ গমন করেন। তথায় হাদীছ অধ্যয়ন করেন এবং পবিত্র রওজা মুবারক উনার খাদেম বিখ্যাত আলেম আদ-দালাইল আমীন রিদওয়ান উনার নিকট হতে ৪০টি হাদীছ গ্রন্থের সনদ লাভ করেন।
ফিকাহ শাস্ত্রে উনার গভীর জ্ঞান ছিল। বিভিন্ন ফিকহী মাসআলার সঠিক উত্তর জিজ্ঞেস করা মাত্রই তিনি কিতাব না দেখে বলে দিতেন। কথিত আছে, স্বপ্নে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট দীনি মাসআলা শিক্ষা করেছিলেন।
বাংলাদেশের ফেনী আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এম ওবায়দুল উনার সম্পর্কে বলেছেন,
ইলমে যাহের ছাড়াও মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ইলমে লাদুন্নিও (আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ জ্ঞান) প্রদান করেছিলেন। ফলে তিনি কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ ও ফিকহের ও ইসলামের মা’রিফাত শিক্ষার গভীর জ্ঞান অর্জন করেছিলেন।
তিনি তৎকালে ইসলামের নামে রাজনীতিবিদদের আত্মঘাতী, অদূরদর্শী কর্মকা-ের বিরুদ্ধে সত্যিকার আলোকবর্তিকা ছিলেন।
কলকাতায় ১৯২৬ সালে জামিয়াত-ই-ওলামা-ই-হিন্দের বার্ষিক সভায় অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে প্রস্তাব গৃহীত হলে তিনি উহার বিরোধিতা করেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন- আইন অমান্য আন্দোলনের ফলে শান্তি-শৃংখলা বিনষ্ট ও মহা ক্ষতিসাধিত হচ্ছে। স্বরাজ স্বাধীনতা সকলের কাম্য, উহা লাভ করার জন্যে পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করা অবশ্য প্রয়োজন, নতুবা তার ফল হবে ভয়ংকর বিষময়। ভারতের মুসলমানরা এ বিষয়ে বহু পশ্চাতে পড়ে আছে। তারা সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষায় নিতান্ত পশ্চাৎপদ; সুতরাং তাদেরকে শিক্ষা, সংগঠন প্রভৃতি বিষয়ে উন্নত করতে হবে, নতুবা মহাসর্বনাশ অনিবার্য।
তৎকালীন সমাজে সংবাদপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। তিনি এ কথাটি ভালভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। তিনি বেশ কিছু পত্র-পত্রিকার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। আর্থিক সংকটে পতিত হয়েছে, এমন অনেক পত্রিকাকে তিনি নিজ তহবিল হতে অথবা চাঁদা সংগ্রহ করে সাহায্য করেছেন।
তিনি বিভিন্ন স্থানে অগণিত মাহফিল করে এবং অসংখ্য কিতাবাদি ও সংবাদ ছাপিয়ে যাবতীয় বাতিল মতের খ-ন, শিরক-বিদয়াত বিনাশ, খাঁটি মাযহাব প্রচলন, ছহীহ আক্বীদা ও আমলের প্রচার-প্রসার করেন। তাছাড়া তিনি নিজেও যেমন ইলমে তাছাউফের বিশেষ তা’লীম দিয়েছেন, পাশাপাশি উনার সুযোগ্য খলীফাগণও বিভিন্ন স্থানে ইলমে তাছাউফের ব্যাপক প্রচার প্রসার করেন। তাই মুহাক্কিক আলেমগণ উনাকে চৌদ্দশত হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হিসেবে অভিহিত করেন। সুবহানাল্লাহ!
(৫)
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সংবিধানে ‘রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ বিধিবদ্ধ থাকলেও সরকার মহিমান্বিত এ বিষয়টি আমলে নেয় না।
অথচ খোদ সরকারসহ প্রত্যেক মুসলমানের উচিত এই ঐতিহাসিক ও বরকতময় পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবসটি অত্যন্ত জওক-শওক্ব ও মহব্বতের সাথে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত শরীফ উনার মাহফিল এবং উনার বরকতময় সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করে অতিবাহিত করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো ২৫শে রমাদ্বান শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত সরকারী হাসপাতালে নানা সংকট বেসরকারী হাসপাতাল অত্যন্ত ব্যয় বহুল জনগণের জন্য উভয় সংকট দূর করার দায়িত্ব সরকারের
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে বছরে গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধ বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকার উপরে দ্বীনি অভিজ্ঞ চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন- গ্যাষ্ট্রিকের ঔষধের বিরুদ্ধে বলা ছদকায়ে জারিয়া একটু সচেতনতা আর হাতের কাছের পথ্যেই গ্যাষ্ট্রিক নির্মূল সম্ভব
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান সব সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ) যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












