মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশীদের গাজাবাসীর মত অত্যাচার করে ইসরাইলের মত নিপীড়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার হুমকী দিয়েছে বিজেপি নেতা।
, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
সংসদে দাড়িয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ না করায় মোদীকে সরে যেতে বলেছে আসামের মূখ্যমন্ত্রী
-এসবই মিথ্যা আস্ফালন, অলীক কথা, ভয়ঙ্কর বাতুলতা, নিকৃষ্ট বালখিল্যতা
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে পাকিস্তানের মিশাইলের মেহমানদারি ভারতের জন্য অপেক্ষা করছে”-
পাকিস্তানের এই জবাবই সত্য কথা।
গত মে মাসে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকরভাবে
যুদ্ধ বিমান হারিয়ে এবং
হেরেও কান কাটা উগ্রবাদী হিন্দুদের লজ্জা হয় না
অথচ ভারতীয় বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছে
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে ভারত নিজেই টুকরা টুকরা হয়ে যাবে।”
বাংলাদেশ বাঁচবে- বাংলাদেশের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মত। ইনশাআল্লাহ!
(১ম পর্ব)
পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অপারেশন কক্ষের স্ক্রিন গত ৭ মে মধ্যরাতের পরপরই হঠাৎ লাল হয়ে ওঠে। সেখানে জ্বলে ওঠে লাল আলো। এর অর্থ হলো, ভারতের সীমান্তবর্তী আকাশে শত্রুর অনেকগুলো যুদ্ধবিমান ওড়াউড়ি করছে।
কয়েক দিন ধরে সেই অপারেশন কক্ষের পাশে একটি গদিতে ঘুমাচ্ছিলেন পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জাহির সিদ্দু। কারণ, তাঁর আশঙ্কা ছিল, ভারত যেকোনো সময় হামলা চালাতে পারে।
নয়াদিল্লি অভিযোগ করে আসছিল, ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে আগের মাসে সংঘটিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এ হামলায় ভারতের ২৫ জন ও নেপালের ১ জন পর্যটক নিহত হয়েছিলেন।
ইসলামাবাদ বারবার নয়াদিল্লির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বে ভারত প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। ৭ মে ভোরে পাকিস্তানের ওপর বিমান হামলার মাধ্যমে সেই প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করে ভারত।
গত ৭ মে মধ্যরাতের পর ভারত-পাকিস্তানের প্রায় ১১০টি জঙ্গি বিমান ঘণ্টাখানেক যুদ্ধ করে। এটি ছিল গত কয়েক দশকে মাঝ আকাশে দুই পক্ষের যুদ্ধবিমানের মধ্যে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ।
লন্ডনের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) বিমানযুদ্ধ বিশ্লেষক জাস্টিন ব্রঙ্ক বলেন, ‘ভারতীয়রা ভাবতেই পারেননি যে তাঁদের (যুদ্ধবিমান) লক্ষ্য করে গুলি করা (ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া) হতে পারে।’
পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের কর্মকর্তারাও বলেছেন, ইসলামাবাদ যে শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা (রেঞ্জ) দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে তা নয়; পাকিস্তান আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের সামরিক সরঞ্জামকে স্থল ও আকাশের নজরদারিব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে পেরেছিল। ফলে দেশটির কাছে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেক বেশি পরিষ্কার ধারণা ছিল।
এই নেটওয়ার্ক বা রণক্ষেত্রে সামরিক সরঞ্জামকে স্থল ও আকাশের নজরদারিব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করাকে ‘কিল চেইন’ বলা হয়, যা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের চারজন কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা একটি ‘কিল চেইন’ বা মাল্টিডোমেইন (বহুমাত্রিক) অপারেশন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। এর মাধ্যমে আকাশ, স্থল ও মহাকাশে থাকা নজরদারি সেন্সরগুলোকে একসঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল।
পাকিস্তানের দুজন কর্মকর্তা আরও বলেন, এই নেটওয়ার্কে পাকিস্তানের তৈরি ‘ডেটা লিংক ১৭’ নামের একটি সিস্টেমও যুক্ত করা হয়েছিল। এটির মাধ্যমে চীনা সামরিক সরঞ্জামের সঙ্গে সুইডেনের তৈরি নজরদারি বিমানসহ অন্য যন্ত্রপাতিকেও সংযুক্ত করা হয়েছিল।
রাফালকে আঘাত করা পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ২০০ কিলোমিটার (প্রায় ১২৪ মাইল) দূর থেকে ছোড়া হয়েছিল। ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, দূরত্বটা আরও বেশি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই সিস্টেমের মাধ্যমে ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উড়তে থাকা পাকিস্তানের জে-১০ যুদ্ধবিমানগুলো দূরবর্তী নজরদারি বিমানের রাডারের তথ্য পেতে সক্ষম হয়। ফলে চীনের তৈরি এই যুদ্ধবিমানগুলো নিজেদের রাডার বন্ধ রেখেই উড়তে পেরেছিল। এর অর্থ হলো, তারা শত্রুর নজরদারির বাইরে থেকে গোপনে আক্রমণ চালাতে পেরেছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এ দক্ষতায় হতভম্ব, হতবাক ও হতাশ ভারত।
ভারতের কর্মকর্তারা জানায়, নয়াদিল্লিও এমন একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হচ্ছে। কারণ, ভারত অনেক বেশি ভিন্ন ভিন্ন দেশের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কিনেছে। ফলে তথ্য ও প্রযুক্তিকে একীভূত করা কঠিন সম্ভব নয়।
সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলন ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে যুদ্ধবিমান হারানোর কথা স্বীকার করেছে ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিলও।
ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সে বলেছে, ‘যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়া বড় কথা নয়, বরং কীভাবে সেগুলো ভূপাতিত হলো, সেটিই আসল বিষয়।’ পাকিস্তান দাবি করেছিলো তারা ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে তিনটি রাফাল, একটি মিগ-২৯ ও একটি এসইউ-৩০ রয়েছে। জেনারেল চৌহান এই সংখ্যাটিকে অস্বীকার করলেও, ভারত যে কিছু যুদ্ধবিমান হারিয়েছে তা স্বীকার করেছেন।
যুক্তরাজ্যের সাবেক এয়ার মার্শাল ও রুসির ফেলো গ্রেগ ব্যাগওয়েল পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনার মাধ্যমে চীনা কিংবা পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামের শ্রেষ্ঠত্ব চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি; বরং সঠিক তথ্য থাকা ও তা ব্যবহার করার দক্ষতা প্রমাণিত হয়েছে।
গ্রেগ আরও বলেন, ‘যার পরিস্থিতি বোঝার সক্ষমতা বা সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস সবচেয়ে ভালো ছিল, সে পাকিস্তানই এ যুদ্ধে জিতেছে।’
প্রসঙ্গত ভারতকে নাকানি-চুবানি খাওয়ানো পাকিস্তান শুধু একাই বীরত্বের অবস্থানে থাকতে চায় না। থাকতে চায় বাংলাদেশের সাথেও।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে ভারতকে সামরিক জবাব দেওয়া হবে- এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে’র বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল)-এর যুব শাখার প্রধান কামরান সাঈদ উসমানি এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন।
বার্তায় উসমানি বলেন, ‘ভারত যদি বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসনের ওপর আঘাত হানে, যদি কেউ বাংলাদেশের দিকে কুদৃষ্টি দেয়, তবে মনে রাখতে হবে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী এবং মিসাইল খুব দূরে নয়।’
তিনি দাবি করেন, ভারতের আঞ্চলিক পরিকল্পনা সম্পর্কে মুসলিম যুবসমাজ এখন সজাগ। এসব ষড়যন্ত্র নানা রূপে প্রকাশ পাচ্ছে- কখনো বাংলাদেশের পানির অধিকার বন্ধ করে দেওয়া, কখনো উসকানি দিয়ে মুসলমানকে মুসলমানের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো।
এছাড়া তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভারতের তথাকথিত ‘অখ- ভারত’ মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে পাকিস্তান প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
প্রসঙ্গত তিন দিন আগে গত ২৮ শে ডিসেম্বর আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছে, প্রতিবেশী দেশের সংকটের স্থায়ী সমাধান কেবল ‘অস্ত্রোপচারের’ মাধ্যমেই সম্ভব। তবে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নির্লজ্জভাবে গাজায় ইসরাইলের অমানবিক হত্যাকা-কে টেনে এনেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে। শনিবার শুভেন্দু বলেছে, ইসরাইল গাজাকে যা শিখিয়েছে তার মতোই বাংলাদেশকেও শিক্ষা দেওয়া উচিত।
বিজেপি নেতা হুমকির সুরে বলেছেন, ‘সবক শিখানা চাহিয়ে। জ্যায়সে ইসরাইল শিখায়া গাজা মে। উস তারে সে।’ ভারত ১০০ কোটি হিন্দুর দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘হিন্দু হিত মে চল রাহা হ্যায় সরকার। সবক শিখানা চাহিয়ে। যাইসে অপারেশন সিন্দুর মে পাকিস্তান কো হাম লোগোনে শিখায়া।’
পর্যবেক্ষকমহল বলেছে, ‘বিজেপি মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতাকে একটি শিল্পের আকারে নিখুঁত করেছে। তাদের বিষাক্ত মুখ শুভেন্দু অধিকারী তার ফ্যাসিবাদী মনোভাবকে তুলে ধরেছেন। গণহত্যার মত ইস্যুকে উস্কে দিয়ে তিনি বলেছেন, ভারতকে অবশ্যই মুসলমানদের একটি পাঠ শেখাতে হবে যেমন ইসরাইল গাজায় শিখিয়েছিল।’ এ মন্তব্য ‘নগ্ন ঘৃণামূলক বক্তব্য, গণহত্যা ও শুদ্ধিকরণের রক্তপিপাসু আহ্বান’ বলে তারপরেও এর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর নেই। কোনও গ্রেপ্তার নেই। কোনও মামলা নেই। এই ঘোষিত হিটলারের উপর কোনও ইউএপিএ চাপানো হয়নি।’
এর ১ দিন আগে গত ২৭ শে ডিসেম্বর উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী "আদিত্যনাথ" মোদিকে বাংলাদেশ আক্রমণের কথা বলছে সংসদে দাঁড়িয়ে! তার বক্তব্যে সে বলে "প্রধানমন্ত্রী মোদি যদি আপনি বাংলাদেশ আক্রমণ করতে না পারেন, তাহলে আপনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেন"। আমরা ধর্মসেনারা ধর্মযুদ্ধের মাধ্যমে, বাংলাদেশকে অখ- ভারতের হিস্যা বানাবো।
কতোবড় ঔদ্ধত্য, তাও একটা সংসদে দাঁড়িয়ে!
বিজেপি নেতা শুভেন্দু কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন কয়েকটা ড্রোন পাঠিয়ে বাংলাদেশ দখল করে নিবেন তারা। আর বাংলাদেশকে পরোক্ষভাবে দখল করার হুমকি দিয়ে আসছে প্রতিনিয়ত। যদিও অভিজ্ঞমহল উগ্র হিন্দুবাদীদের রাজনৈতিক বক্তব্য বলি উড়িয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু আসলেই যদি ভারত এমনটা করার চিন্তা করে থাকে তাহলে কী পরিস্থিতি দাঁড়াবে?
সে বিষয়ে ভারতীয় বিশ্লেষকরাই স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে; বাংলাদেশ নয় ভারতই টুকরা টুকরা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












